নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Ridoye Bangladesh

I Love Bangladesh

হৃদয়ে বাংলাদেশ

Bangladesh First

হৃদয়ে বাংলাদেশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শওকত ওসমান- কে নিয়ে আল মাহমুদ এই প্রবন্ধটি লিখেছিলেন ১৯৯৬ সালে। পড়ে ঐ ভাঁড় সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গেল

২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০৮

শওকত ওসমান বাংলাদেশেরই কথাশিল্পী। আবার তাকে পশ্চিমবঙ্গের লেখকও বলা যায়। শওকত ওসমানের দ্বিজাতিতত্ত্বে বিশ্বাস নেই। সবসময় তিনি চেষ্টা করে এসেছেন মুসলমানের আজান ধ্বনি ও হিন্দুদের উলুধ্বনির মধ্যে যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে সেটা মুছে ফেলতে। এটাই তার জীবনের আদর্শ। যদিও তার সাহিত্যে, উপন্যাস ও ছোটগল্প গুলোতে এই আদর্শ সঠিকভাবে প্রতিপালিত হয়েছে এ কথা বলা যাবে না। তার জননী উপন্যাস ও পিঁজরাপোলের গল্পগুলো যারা পড়েছেন তারাই জানেন তিনি ক্ষমতাশালী গদ্য লেখক বটে কিন্তু কবি নন। যদিও কবিতা লেখার ব্যর্থ চেষ্টা তিনি কম করেননি। কবিতা যার কৈশোর ও যৌবনে হয় না অর্থাৎ সতেরো বছরে যার হয় না সত্তর বছরেও তার হয় না। শতকত ওসমানেরও হয়নি। এখন তার বয়েস সত্তরের ওপর কিন্তু কবিতা লেখার সেই বালসুলভ অভ্যেস তার যায়নি। এখনও তিনি ব্যর্থ কবিদের মত ব্যঙ্গ কবিতার চর্চা করে চলেছেন। তার ব্যক্ত কবিতার টার্গেট হলো ইসলামী শরিয়াহকে ব্যঙ্গ করা। মুসলিম কালচারকে আক্রমণ। যা কিছু বাংলাদেশের মুসলমানদের সাংস্কৃতিকভাবে উৎফুল্ল করে এর ওপরই কাদা ছুড়ে দেয়া।



শওকত ওসমান সম্ভবত পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মেছিলেন। খুব কষ্ট করে লেখাপড়া শিখেছেন। সাহিত্যিক জীবনে কলকাতায় তার বন্ধু ছিলেন গোলাম কুদ্দুস, ফররুখ আহমদ, সৈয়দ আলী আহসানের মতো কবিরা। আহসান হাবীবও সম্ভবত এ দলে পড়েন। গোলাম কুদ্দুস সেখানকার কমিউনিস্ট পার্টির সাথে জড়িত ছিলেন। শওকত ওসমান ধুরন্ধর লোক। তিনি প্রগতিবাদের প্রবক্তা হলেও কমিউনিস্ট পার্টির ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন।



ফররুখ আহমদরা দেশ ভাগের পক্ষে ছিলেন। ১৯৪৭ এ দেশ ভাগ হয়ে গেলে তারা কলকাতা ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। ফররুখ আহমদ, সৈয়দ আলী আহসান, আহসান হাবীব এদের সকলেই জন্মগ্রাম ছিল যশোর, মাগুরায় কিংবা বরিশালে। কিন্তু শওকত ওসমান পশ্চিমমঙ্গেরই মানুষ। হুগলির লোক। তিনি দেশভাগের পক্ষে ছিলেন এমন প্রমাণও নেই। এহেন শওকত ওসমান তার নিজের জন্মভূমি পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চিরশোষিত মুসলিম চাষীদের দেশ তৎকালীন পূর্ববাংলায় এসে হাজির হলেন। অথচ এই কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে যার দাপট ও প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি সেই গোলাম কুদ্দুস কেবল আদর্শের টানে কলকাতায় তেকে গেলেন। এতবড় প্রতিভাবান কবি হওয়া সত্ত্বেও গোলাম কুদ্দুসের নামগন্ধটুকুও মুছে গেল। আর যাদের প্রতিভার চিহ্ন একেবারে ধুয়ে মুছে যায়নি যেমন সৈয়দ মুজতবা আলী, তারা আনন্দবাজার গোষ্ঠীর ভাঁড়ে পরিণত হলেন। বাকী জীবন ভাঁড়ামী করেই কাটাবেন ভেবে শান্তিনিকেতনে এক মর্যাদাহীন অবস্থায় বার্ধক্য যাপন করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু সে প্রতিজ্ঞায়ও স্থির থাকতে পারেননি। বাংলাদেশে এসে কবরের মাটিও পেয়েছেন।



কিন্তু শওকত ওসমান খুবই চালাক। তিনি জানতেন পশ্চিমবঙ্গে তার মত শওকত ওসমানের এক পয়সারও সাহিত্যিক মর্যাদা থাকবে না। বরং পূর্ব পাকিস্তানে তার মত ধুরন্ধররা লুটেপুটে খেতে পারবে। চাই কি প্রগতিবাদী সেজে সব এলাকা থেকেই কল্কে টেনে নেয়া যাবে।



বৈষয়িক সার্থকতা যাকে বলে শওকত ওসমান তা পুরোপুরিই উপভোগ করেছেন। অথচ গোলাম কুদ্দুসের নামও পশ্চিমবঙ্গের কবিদের তালিকায় রাখা হয়নি। দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গের এবং কলকাতা মহানগীরতে কোনো মুসলমান কবি জন্মাতে দেয়া হয়নি। শওকত ওসমান এ দেশে যে পেশায় নিযুক্ত থেকে ঘরবাড়ীসহ কিছু বৈষয়িক স্থায়িত্ব অর্জন করেছেন, কলকাতায় ঐ পেশায় কোনো মুসলমান খুঁজে পাওয়া যাবে কি? পাওয়া গেলেও দেখা যাবে তার সংসাদের অর্ধাংশ হিন্দুত্বে পর্যবসিত হয়েছে। অর্থাৎ তার সহধর্মিনী হিন্দু। বউ হিন্দু বলেই লোকটা এখানে সেখানে কিছু পাত্তা পায়। তবে এর বিনিময়ে ইসলামকে নেংটা হয়ে গালমন্দ করতে হয় যেখানে সেখানে। এখন যেমন ঢাকায় শওকত ওসমান করেছেন।



শওকত ওসমান পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের বেসিক ডেমোক্রেসির প্রবক্তা ছিলেন। এর জন্য কম ফায়দা লুটেননি। দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন। তখন দালাল ও কমিউনিস্ট লেখকদের পাকিস্তানী পুঁজিপতি দাউদ-ইস্পাহানীদের টাকায় রাইটার্স গিল্ড বলে যে চক্রটি গড়ে উঠেছিল শওকত ওসমানকে আমরা কি সেখানে ঘন ঘন যাতায়াত করতে দেখিনি? উলুধ্বনি ও আজান যে একই জিনিস নয় একথা শওকত ওসমানের জানা।



শওকত ওসমান এককালে মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেছেন। কিন্তু মানুষের ঈমান পড়ে গেলে কি দশা হয় শওকত ওসমানই এর উদাহরণ। শওকত ওসমান ইসলাম মানেন না। ইসলামও কি তাকে গুতাচ্ছে? কেন তিনি যত্রতত্র ইসলামী আদর্শের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ছড়াবেন? ইচ্ছা করলে তো তিনি এখনও তার সাধের কলকাতায় জাস্টিস মাসুদের বারান্দা বা করিডোরে গিয়ে আশ্রয় নিতে পারেন। যানা না কেন?

একবার অবশ্য গিয়েছিলেন। দেশের একটা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি বলা নেই কওয়া নেই কলকাতায় পালিয়ে গেলেন। কেউ জানল না কেউ বুঝল না বাংলাদেশের স্বনামধন্য কথাশিল্পী এভাবে বর্ডার ক্রস করে জাস্টিস মাসুদের বারান্দায় গিয়ে আশ্রয় নিলেন। এ সময় আনন্দবাজারের কাগজপত্রে তার কিছু লেখা দেখেছি। সবি অখাদ্য লেখা। মুসলমানদের এবং বাংলাদেশের নিন্দামন্দে ভরা। সে সময় শওকত ওসমানের কলকাতার জীবন নিশ্চয়ই খুব দুঃসহ হয়ে পড়েছিল। তিনিও দেশে ফিরে আসার জন্য একে ওকে ধরাধরি করছিলেন। ওদিকে আনন্দবাজার গোষ্ঠীর কাগজেও তার অখাদ্য লেখা ছাপা নিয়ে কলকাতার লেখদের মধ্যে দারুণ গুঞ্জন।



এ সময় কলকাতার বইমেলায় এই নিবন্ধকারের উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছিল। সিপিআই এর পত্রিকা 'পরিচয়' এর সম্পাদক অমিতাভ দাশ গুপ্ত আমাকে বলেছিলেন, তোমরা এই শওকত ওসমানকে কেন ফেলে রেখেছো? তার এখনকার লেখাপত্র তো কিছু হয় না। আমি খুবই অপমানিত বোধ করলাম।



জিয়াউর রহমানকে বলে একে এখান থেকে নিয়ে যাও। অযথা কেন এখানে ফেলে রেখেছো। তার বেশী কথা বলার বাতিক। পত্রিকা অভিসগুলোতে ফ্যাঁ ফ্যাঁ করে ঘুরে বেড়ায় আর বাজে মন্তব্য করে। ওর কথা শুনলে আমাদেরই লজ্জা বোধ হয়।



আমি আমার কাজের ফাঁকে শওকত ওসমানকে খুব খুঁজছিলাম। পাইনি।

খুঁজুছিলাম একথা বলতে যে, আমার সাথে ঢাকায় চলুন। কেউ আপনাকে কিছু বলবে না।



শওকত ভাই কি মাঝেমধ্যে পাগল হয়ে যান? কেন তার মুসলমানদের ধর্মকর্মে খুৎ ধরার এই বদ অভ্যেস? আজান ও উলুধ্বনি যে এক জিনিস নয়, দু'টি বিপরীতমুখী বিশ্বাসেরই প্রকাশ একথা বোঝার মত জ্ঞানবুদ্ধি তিনি হারিয়ে ফেলেছেন, এটা কি করে মানা যায়? তিনি বলেছেন, তার এই তথাকথিত ব্যাখ্যা অর্থাৎ আজান ও উলুধ্বনি এ দুয়ের গন্তব্য নয়কো আলাদা। তার ব্যাখ্যা না মানলে আমরা সকলেই নাকি মূর্খমূর্খী।



শওকত ওসমান একজন জ্ঞানপাপী মানুষ। তিনি প্রথম জীবনে মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে জড়িত ছিলেন। হুগলি জেলার মানুষ হওয়ার দু'টি ধর্মের মৌলিক আকিদা-বিশ্বাস সম্বন্ধে আরও ধিক জানার কথা। তবুও তিনি মুসলমানওদের সারা জীবন ব্যঙ্গ করে চলেছেন। আমরা তার এসব কাজকর্মের নিন্দা করি এবং এসব অপকর্ম থেকে নিবৃত হতে বলি। প্রশ্ন হতে পারে, শওকত ওসমানের ফাজলেমি নিয়ে কেন আমরা মাথা ঘামাচ্ছি? মাথা ঘামাচ্ছি তার মত একজন উচ্ছাংগের কথাশিল্পীর পাগলামী আমরা দেখতে চাই না। তিনি কি জানেন না এতকিছু করেও তার বন্ধু গোলাম কুদ্দুসের কি পরিণাম হয়েছে?



শওকত ভাই যদি দেশ ভাগের সাথে সাথে এ দেশে না আসতেন তাহলে তার পরিণতি গোলাম কুদ্দুসের চেয়েও মর্মান্তিক হত।



আমাদের খারাপ লাগে আমাদের একজন প্রধান কথাশিল্পী যিনি জননী, কৃতদাসের হাসি ও পিঁজরাপুলে গল্পগুলো লিখেছেন। লিখেছেন জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প, তিনি নতুন প্রজন্মের চোখে ভাঁড় হিসেবে বিবেচিত হোন এটা আমরা চাই না। শওকত ওসমান ইসলামের প্রতি বিশ্বাসী না হতে পারেন। কিন্তু তার রচনায় ইসলামের ইনসাফ ও ন্যায়ানুগ জীবনের অনেক খন্ডচিত্র আমরা দেখতে পাই। এমন একজন লেখক যদি ভাঁড়ামির পথ পরিহার করে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে লড়াই করে এতদূর এগিয়ে আসার কাহিনী বর্ণনা করে একটি বই লিখতেন, এ বয়েসে তাহলে কতই না ভালো হতো!



২৯/১১/৯৬

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৮/-১৫

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৩

সৈয়দ কেফায়াতুল্লাহ হোসইন বলেছেন: সৈয়দ মুজতবা আলী, তারা আনন্দবাজার গোষ্ঠীর ভাঁড়ে পরিণত হলেন। বাকী জীবন ভাঁড়ামী করেই কাটাবেন ভেবে শান্তিনিকেতনে এক মর্যাদাহীন অবস্থায় বার্ধক্য যাপন করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু সে প্রতিজ্ঞায়ও স্থির থাকতে পারেননি।এসে কবরের মাটিও পেয়েছেন।


জামাতি ভাতা জন্য আল মাহমুদ যে এতোটাই নিকৃষ্ট কুৎসা মিথ্যাচারে কাজে লিপ্ত হচ্ছেন এ লেখাটা না পড়লে ধারনা হতো না ১৯৪৮ সালে সিলেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আলোচনা সভায় পূর্ববঙ্গের রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি উর্দু ভাষার সপক্ষ শক্তির হাতে নাজেহাল হয়েছিলেন। সেই সময়ে পাকি সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বাংলা ভাষার স্বপক্ষে কথা বলবার কারণে সৈয়দ মুজতবা আলীর বগুড়া আজিজুল হক কলেজের প্রিন্সিপালের পদটি সরকার ছিনিয়ে নেয় এবং দেশে যাতে কোথাও তার চাকুরি না হয় সেজন্য সকল সরকারি সংস্থাকে আদেশ দেয় কিন্তু এরপরেও তিনি পাকি সরকারকের সাথে আদর্শিক প্রশ্নে কোন প্রকার আপোষ করেনি

অন্যদিকে আল মাহমুদ এর ভূমিকা কি ছিল তা দেখি

আলমাহমুদের আত্মজীবনী । বইটির নাম ''বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ ।" প্রকাশক : একুশে বাংলা ।

আসুন , সেখান থেকে কিছু অংশ পড়া যাক :

৭১ সালে ভারত পাড়ি দেয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে কবি জানাচ্ছেন :

'' আমার ভগ্নিপতি পার্বত্য চট্টগ্রামের ডিসি হোসেন তৌফিক ইমাম সেখান থেকে সপরিবারে আরগতালায় পৌছেছেন । ....জেনে আমি স্বস্তি পেয়েছিলাম । এ পরিস্থিতিতে নারায়ণপুরে আমি নিরাপদ ছিলাম না । মনে মনে দেশত্যাগ করে চলে যাওয়ার একটা আকাঙ্খাও জেগে উঠেছিল ।''


যাক , না না বিপর্যয় পেরিয়ে আল মাহমুদ অবশেষে কলকাতা পৌছান ।

তিনি সেখানে তৌফিক ইমামের বাসাতেই আশ্রয় নেন ।
তবে মুক্ত পরিবেশেও কবিকে বেশি সাহসী বলে মনে হচ্ছে না , কারন তিনি বলছেন :

"এখানে এসে উডস্ট্রিট থেকে আমি একদম বেরুতাম না । কারন অতি কৈশোরে আমার খানিকটা জানা থাকলেও ওই সময়ে তা আগের মতো থাকার কথা নয় । আমি ভয় পেতাম ঠিকমতো বাসায় এসে পৌছতে পারব না । "



অর্থাৎ কবি আসলে নিজের বাসায় ফেরার ব্যাপারেই বেশি কাতর ছিলেন দেখা যাচ্ছে ।

যদিও পরের প্যারায় উনি জানাচ্ছেন :

"আমি নয়মাস কলকাতায় অবস্থানকালে আমার প্রধান নেশাই ছিল কলকাতাকে জানা । এ ব্যাপারে যারা আমাকে সাহায করেছিলেন কলকাতার ওপর বই লিখেছেন সেই পুর্ণেন্দু পত্রী এবং কবিতা সিংঞের মেয়ে রাজেশ্বরী রায় চৌধুরী ।"


অর্থাৎ , কবি নয়মাস কলকাতাতেই ছিলেন এবং পূর্ণেন্দু পত্রী আর রাজেশ্বরী রায়ের সাথে কলকাতাকে জানতেই তার সময়টি ব্যয় হয়েছে । দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কলকাতাকে জানাটা যদি কবির কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় , তাহলে তাকে আর যাই হোক মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মিলিয়ে ফেলাটা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয় ।

তারপর কবি বিভিন্ন বর্ণনায় জানাচ্ছেন , তাকে পেয়ে কলকাতার কবিকূল কেমন খুশী হয়েছিলেন । এই পর্যায়ে আমাদের গৌরবান্বিত হওয়ার অনেক তথ্যই আছে ।

কিন্তু যে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এতো কথা ,সেখানে কবির ভুমিকা কী ?

"ততদিনে আমার ভগ্নীপতি প্রবাসে বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহন করেছেন । আমি তখনো তার সঙ্গেই আছি । এর মধ্যে আমার দায়িত্ব বেড়ে গেল । "


উল্লেখ করা প্রয়োজন যে সেই দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত নয়। কারনটি জানতে হলে পড়তে হবে পরের লাইনটি ।

" বিভিন্ন পত্রিকায় আমার সমর্থন একটু -আধটু সমর্থনসূচক প্রতিবেদন ছাপা হতে শুরু হয়েছে ।"


অর্থাৎ , কবি তখন আত্মপ্রেমে মগ্ন হয়ে সেই পত্রিকার কাটিং জোগাড় করে চলছেন ।
তাহলে মুক্তিযুদ্ধের সাথে তার সংযুক্তি কোথায় ?

আছে এর পরের লাইনে ।
উনি জানাচ্ছেন ,

" তা ছাড়া আট নম্বর থিয়েটার রোডে মুক্তিযুদ্ধের মূল অফিসের স্টাফ হিসেবে আমার নাম থাকায় আমি একটি পরিচয়পত্র পেয়ে গেলাম । এটা ছিল আমার জন্য একান্ত জরুরী । কারন তখন কলকাতায় চলাফেরা করার জন্য এই পরিচয়পত্রটি থাকা দরকার ছিল । "



এই পরিচয়পত্রটি নিয়ে উনি কী করেছেন ?

" আমাকে কেউ কোন নির্দিষ্ট দায়িত্ব না দিলেও আমি কলকাতার লেখক , শিল্পী , ও সাহিত্যিকদের মধ্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন যোগানোর কাজ করে চলছিলাম ।"


কলকাতার লেখক , শিল্পী , ও সাহিত্যিকগন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কেউ ছিলেন বলে জানা যায় নি কোনদিনই , তখনকার সময় বিবেচনা করলে ভারতবাসী কারো পক্ষেই এই বিরোধিতা করার কোন কারনই নেই । তাছাড়া কোথাও সেই ধরনের মটিভেশনে আল মাহমুদ কিছু করেছেন বলে নিজেও দাবী করেন নি , বরং বিভিন্ন জায়গায় কবি সাহিত্যিকদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর অনেক বর্ণনা আছে । বলা বাহুল্য সেগুলো নিছকই কবি সাহিত্যিকদের চিরন্তন আড্ডাবাজী , সেখানে মুক্তিযুদ্ধের কোন বিষয়ই নেই ।

শামসুর রাহমান যখন অবরুদ্ধ দেশে থেকেও ছদ্মনামে স্বাধীনতার কবিতা লিখে স্বাধীন বাংলা বেতারে পাঠাচ্ছেন , অসংখ্য সাহিত্য সাংস্কৃতিক কর্মী যখন স্বাধীন বাংলা বেতারকে মুখর করে রেখেছেন , কবি আলমাহমুদ তখন স্বাধীন বাংলা বেতারে কী করছেন , দেখা যাক :

"এ সময় আমি মাঝে মধ্যে বালুহাককাক লেনের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অফিসে হাজিরা দিতে যেতাম । কিন্তু রেডিওতে অংশগহন করিনি । কারন আমার পরিবার-পরিজন তখনো বাংলাদেশে অনিশ্চিত অবস্থঅয় কাল কাটাচ্ছিল এবং পরিবার পরিজনের কোন খবরই আমার জানা ছিল না । "


কবি আল মাহমুদের সাহস বোঝা যায় এখানে ।

কবি কি তখন কিছু লিখছেন না ? লিখছেন ।

তিনি জানাচ্ছেন , আনন্দবাজার রবিবাসরীয় বিভাগে তখন তিনি ''প্রকৃতি '' কবিতাটি লিখেছেন । প্রকৃতি কবিতাটি আমার পঠিত বলে স্মরণ আসছে না , তাই মন্তব্য করছি না , তবে কবিতার নাম দেখে সেটিকে যুদ্ধের সাথে সংশ্রব আছে , এমন কোন কবিতা বলে মনে হচ্ছে না ।

এসময় কবি কলকাতা থেকে তার কাব্যগ্রন্থ বের করার চেষ্টা করেন এবং সফল হোন । সেটি '' আল মাহমুদের কবিতা '' শিরোনামে অরুণা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় । সেখানে যুদ্ধের কোন কবিতা ছিল বলে কবি দাবী করেন নি ।

বরং তিনি এক বস্তিবাসী যুবতীর ঘরে নিরীহ রাত যাপন করেছেন বলেও স্বীকারোক্তি দিয়েছেন , তাছাড়া পূর্বে উল্লেখিত রাজেশ্বরী রায় চৌধুরীর সাথে তার ঘনিষ্ট ঘুরাফেরা কানাঘুষার জন্ম দেয় বলেও ইঙিত পাই আমরা ।

কবি তখন নিজেকে নিয়েই মগন ছিলেন ।

"এ সময় আমার মানসিকতায় একটু শৈথিল্য দেখা দিয়েছিল ,কেমন যেন গা ছাড়া ভাব । আমি মনে প্রানে আল্লাহর কাছে যৌন সংযম প্রার্থনা করতাম ।"



কারন , কবির সনেটন নিয়ে একটি মিনিবুক প্রকাশিত হয়েছিল , সোনালি কাবিনের সেই কবিতাগুলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রী তাদের ব্লাউজের ভেতর রাখত বলে কবি খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন ।

কবির এই ঘুরাফেরা যে অনেকেরই পছন্দ হয় নি , সেটা বুঝা যায় যখন কবি আরো জানান :

" এর মধ্য একদিন হঠাৎ একটি পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে একটি প্রবন্ধ ছাপা হলো । তারা লিখেছেন , আমি নাকি ভিআইপিদের মতো পোশাক পরে কফি হাউসে ঘুরে বেড়াই ।"


কবি অবশ্য এগুলোকে নকশালপন্থী লেখকদের ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেছেন তার বইয়ে ।

শেষ কথা :

কবির আত্মজীবনী পড়ার পরে আর অন্যান্য বইয়ের রেফারেন্স টানার দরকার মনে করছি না ।
৭১ সালে কবি কী করেছেন , কী করেন নি , সেটা উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার ।

কিন্তু সার্বিক বিচার করে মনে হচ্ছে কবি আল মাহমুদ আসলে প্রভাবশালী ভগ্নীপতির ছত্রছায়ায় কলকাতার জীবনে খুবই আরামে ছিলেন । ভগ্নিপতি তাকে একটি আইডি কার্ড ধরিয়ে দিয়েছিলেন , মুক্তিযুদ্ধের সাথে এটাই কবির প্রত্যক্ষ যোগাযোগের বড় পরিচয় ।দেখা যাচ্ছে , আত্মীয় স্বজন মামা চাচার জোরের বিষয়টা বাংলাদেশ সরকার গঠিত হওয়ার সাথে একই সময়েই জন্ম নিয়েছিল ।কবি আল মাহমুদকে যদি মুক্তিযোদ্ধা কবি বলা হয়, ইতিহাস বিকৃতির তালিকাকে দীর্ঘ করা ছাড়া সেটা আর কোন কাজে আসে না।

কবির আত্মজীবনী থেকে তার যে আরাম আয়েশের জীবন দেখি, সেই কবি জামাতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নেবেন, এতে আর আশ্চর্য কী ?

২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০২

হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেন: ধন্যবাদ, সৈয়দ কেফায়াতুল্লাহ হোসইন।
আপনার দীর্ঘ মন্তব্য পড়লাম।
অনেক নতুন তথ্য জানা গেল।
শামসুর রাহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় ছদ্মনামে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কবিতা লিখেছেন এই তথ্য আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম।
এর আগেই যা জানি তা হলো-
শামসুর রাহমানকে মুজিবের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনতে যাওয়ার প্রস্তাব করলে তিনি বলেছিলেন,"আমি যাব ওই মূর্খটার ভাষণ শুনতে?"
শামসুর রাহমান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সরকারের পত্রিকায় চাকরী করতেন এই সত্যটা সবাই বলে। এখন পর্যন্ত এটা কাউকে অস্বীকার করতে শুনিনি।
আল মাহমুদের আত্নজীবনী থেকে বেছে বেছে সুবিধাজনক বাক্যগুলোকে নিয়ে আপনি মন্তব্য করেছেন।
এই পক্রিয়া অনুসরণ করে মুজিবকেও স্বাধীনতা বিরোধী প্রমাণ করা সম্ভব। পাকিস্তানের সাথে থাকার পক্ষে বিভিন্ন সময়ে করা মুজিবের নানা মন্তব্য অনেক জায়গায় পড়েছি।
আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হয়েছে আপনি লেখালেখির লাইনে আছেন। আওয়ামী লীগ বা সেকুলার লেখকদের অধিকাংশকেই আমার মিথ্যাবাদী ও মানবতাবিরোধী মনে হয়। অন্তত তাদের লেখা ও বিভিন্ন সময়ে তাদের ভূমিকা তা প্রমাণ করে।
আপনাকে তাদের দলে মনে হয়েছে।
ফলে আপনি 'মুক্তিযুদ্ধে আল মাহমুদের ভূমিকা নাই' এই জাতীয় কথা বলবেন তাতে আশ্বর্য কি?
আল মাহমুদের লেখাটি ছিল শওকত ওসমানকে নিয়ে। আপনি শওকত ওসমানের বিষয়ে অবশ্য কিছু লিখেননি।

২| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৪

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: জয় হোক শুভ বুদ্দির!

৩| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৫

অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: শওকত ওসমান কে ভাড় বলে ভাড়ামো করেছেন আল মাহমুদ । আর সেটা রিপোস্ট করে ভাড়ামো করা হলো আবার ।

মাইনাস ।

৪| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৫

ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন: আল মাহমুদ ইদানিং জাশির জানের দোষ্ত না?

৫| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪০

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: @ ডিস্কো, াল মাহমুদ এখন থেকে না, বহুদিন ধরেই জামাতি খরপোষে চলছেন। জামাত তাকে বিবাহিত স্ত্রীর মতো পালছে। এরকম প্রতিক্রিয়াশীল ভাঁড়ের কথা তুখোড় কমেডি ছাড়া আর কিছুই না।

৬| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭

বিপরীত স্রোত বলেছেন:
গদাম সহকারে মাইনাস - - -

৭| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৫

পথে প্রান্তরে বলেছেন:

নুংরামির চরম উদাহরন আল মাহমুদের এই লেখা

৮| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০২

ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন: @ ছন্নছাড়ার পেন্সিল
এইটারেও ঝোলায় ভরলাম, কারন ছাগুদের ছাগাধিকার ইজ আল্টিমেট কোতল ;)

৯| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৫

বিডি আইডল বলেছেন: আল মাহমুদের মত আরেক চরম প্রতিক্রিয়াশীল এবং দলীয় দান ক্ষয়রাতে চলে এইরকম আর একজনরেও চিনি...

আগাচৌ :)

১০| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৮

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: @বিডি আইডল, আফসুস যে শওকত ওসমান লীগ করেন নাই। নাহলে এখন তারে আরো আরাম করে 'গালি দিতে পারতেন'। আল মাহমুদের গন্ধ ঢাকতে আগাচৌকে আনতে হলো (যদিও কোথাও তারে কেউই উল্লেখ করে নাই)।

যতোই দিন যাইতেছে, আপ্নের এই ঘেঁষা ঘেঁষা কমেন্টগুলো বিনুদুন হয়া দাঁড়াইতেছে।

১১| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৩

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: ক্রীতদাসের হাসি পড়েছিলাম। ভাল লেগেছিল।


বিডি ভাই,

কোথায় আগরতলা আর কোথায় চৌকির তলা! B-)

১২| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৪

চাটুকার বলেছেন:
আল-মাহমুদ হয়তো বেশী বলেছে......

তবে শওকত ওসমান নিজে কে যা ভাবতো আসলে সে তেমন লেখক ছিলো না।

বাংলাদেশে একটা জিনিষ খুব ভালো চলে.... চাটুকার লেখকদের অনেক সম্মান সেটা দুই পক্ষের কাছেই।

কেউ মুসলামনদের গালি দিয়ে প্রগতিবাদী হচ্ছে পৈতা পরে মঙ্গল প্রদীপ জালিয়ে। ইসলাম সেকালের মঙ্গল প্রদীপ একালের। ভন্ডামী কাকে বলে.....

শুধু বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা রাজনীতি করে না! লেখকেরা ও সস্তা নাম কাম অর্থ উপার্জনের জন্য লেহন করে যাচ্ছে....।


@বিডি ভাই আ.চৌ'র মেধা ছিলো তবে সে তার নিজের প্রতি সুবিচার করেনি। সে সস্তা পথ বেঁচে নিয়েছে জীবন উপভোগ করার জন্য। সে জঘন্য লেখক না! শুধু কলমা লেখক। সেটা আজকাল অনেকই লেখছে

১৩| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৬

সাদাচোখ বলেছেন:
ওহে মগবাজারী গর্ধব। তোদের পীর আল্লামা আল মাহমুদ যে কি মাল, সেইটা এই বঙ্গসন্তানেরা ভাল ভাবেই জানে। এই পতিতার যাবতীয় কর্মকান্ড জানতে ব্লগার হাসিবের "টুকে নেয়া আল মাহমুদ" লেখাটা দেখে নিস।

একই জিনিস কপি পেস্ট করলে কিন্তু পয়সা হালাল হবে না।

১৪| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৩

বিডি আইডল বলেছেন: @ছন্নছাড়ার পেন্সিল

কমেন্টে কথা হইতেছিল দলীয় বুদ্ধিপ্রতীবন্ধী ভিক্ষুকদের নিয়ে...সেটার আরকটা উদহারণে এতই গাত্রদাহ বোধ করিলেন যে একেবারে গালমন্দ!!

১৫| ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৬

বিডি আইডল বলেছেন: যারা জানেন না তাদের জন্য ২ টা প্রশ্ন রাইখ্যা যাইঃ

১. লন্ডনে এতবছর ধরে আগাচৌ কোন উপার্জনে বাসা ভাড়া এবং জীবিকা নির্বাহ করেন?
২. বঙ্গবন্ধুকে নিয়া চলচ্চিত্র নির্মানে অমিতাভ বচ্চনের নাম ভাঙ্গাইয়া যে বিপুল অংকের টাকা উঠিয়াছিল, সেইগুলা এখন কোথায়...

পাদটীকায় বলিয়া রাখি এই অধমের আগাচৌ এর বাসায় যাবার সৌভাগ্য (নাকি দূর্ভাগ্য!) হইয়াছিল....

১৬| ২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৬

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: দলীয় বুদ্ধিপ্রতীবন্ধী ভিক্ষুকদের নিয়ে কথা হচ্ছিল না। কেবল াল মাহমুদের জামাত-রক্ষিতা হওনের কথা বলেছি আমি। আমার আগে আর কোন কোন ভিক্ষুক নিয়ে কে কমেন্ট করেছে দেখান।

আগাচৌ একজন দলীয় বুদ্ধিপ্রতীবন্ধী ভিক্ষুক, কিন্তু এখানে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক। মূল পোস্ট হলো শওকত ওসমানকে নিয়ে াল মাহমুদের লেখা নিয়ে। তাই না?

১৭| ২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৯

কালীদাস বলেছেন:
অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।

বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ...

পড়তে পড়তে চোখে পানি এসে গেল। শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। লেখাটিকে স্টিকি করা হোক....


আল মাহমুদ ইদানিং জাশির জানের দোস্ত না? পুরা পাংখা পোস্ট =p~ =p~ =p~ =p~

১৮| ২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৩

সত্যান্বেষী বলেছেন:


কোথায় পাবো সোনার ছেলে াল মাহমুইদ্দারে?
গোআজমের জুতা মাথায় ঐডা কেডারে?
ঐতো মোদের সোনার ছেলে াল মাহমুইদ্দারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.