নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তারাও মানুষ

হূমানুষ হতে চাই

০০৭৭৭৭৭

আমি একটা Donচাবি । প্রফাইল টা পারলে এডিট করে দেন । ইরানী মাইয়া বিয়া করতাম চাই।

০০৭৭৭৭৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

৪ লাখ টাকায় পাইলট :D

২২ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২২

ছেলেবেলায় অনেকেরই স্বপ্ন থাকে আকাশের বুকে মেঘের রাজ্যে ভেসে বেড়ানোর। শেষ পর্যন্ত কয়জনের স্বপ্ন পূরণ হয়, সে প্রশ্ন থেকেই যায়। বড় হয়ে পাইলট হলে অবশ্য ভিন্ন কথা। কিন্তু পাইলট হওয়া তো আর চাট্টিখানি ব্যাপার নয়! রীতিমত পড়াশোনা ও পেশাদার কোর্স শেষে তবেই বিমান চালানোর লাইসেন্স অর্জন করতে হয়। লিখেছেন-

দীপন দেবনাথ

ফ্লাইটের সময় বিমানের মূল দায়িত্ব থাকে ক্যাপ্টেন বা চিফ পাইলটের ওপর। তাকে সাহায্য করেন কো-পাইলট। বিমান কোথায় যাবে, কতদূর যাবে, আবহাওয়া সামলে নিরাপদে কোন পথে কীভাবে যাবে এসব বিষয় পাইলটকেই সামলাতে হয়। এজন্য প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা এবং বিমান চালানোর লাইসেন্স।

লাইসেন্সের রকমফের

শুধু পড়াশোনা করলেই পাইলট হওয়া যাবে তা নয়, অর্জন করতে হবে লাইসেন্স। লাইসেন্সের ওপর ভিত্তি করে পাইলট তার যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিমান চালানোর সুযোগ পাবেন। বেসামরিক লাইসেন্সগুলো আবার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। যেমন-

স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স (এসপিএল) একে ‘লার্নার লাইসেন্স’ও বলা যায়। বৈমানিক হওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে ফ্লাইং ক্লাবের সদস্য হতে হবে। এরপর ক্লাবের অনুমোদন নিয়ে যৌথ মেডিক্যাল বোর্ডের অধীনে আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় নিখুঁত প্রমাণিত হলে অ১ ক্যাটাগরির সার্টিফিকেট পাবেন আপনি। সার্টিফিকেট পাওয়ার পর যে উড়োজাহাজে প্রশিক্ষণ শুরু হবে সেটির কারিগরি এবং এয়ার ল বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান অর্জন করতে হবে ইন্সট্রাক্টর পাইলটের কাছ থেকে। এবার ক্লাবের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে সিভিল অ্যাভিয়েশন বিভাগে। সিভিল অ্যাভিয়েশন বিভাগ আবেদনের যথার্থতা বিবেচনা করে এসপি লাইসেন্স প্রদান করবে।

প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স (পিপিএল) এই লাইসেন্স পেতে হলে আপনাকে মেডিক্যাল বোর্ডের শারীরিক সনদপত্র নিতে হবে। এরপর সিভিল এভিয়েশনের অধীনে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিতে হবে ন্যূনতম ৪০ ঘণ্টা ফ্লাইং প্রশিক্ষণ। এ সময় ১৫০ নটিক্যাল মাইল বা আরও বেশি দূরত্বের একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট ট্রিপের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। পিপি লাইসেন্সপ্রাপ্তরা নির্দিষ্ট ওজন নিয়ে উড্ডয়ন ক্ষমতাসম্পন্ন প্লেন চালাতে পারবেন। কিন্তু অর্থের বিনিময়ে যাত্রী বহন করতে পারবেন না।

কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (সিপিএল) পেশাদার পাইলটদের সিপি লাইসেন্স থাকতেই হবে। এজন্য সম্মিলিত মেডিক্যাল বোর্ডের সামনে এক চুলচেরা বিশ্লেষিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শারীরিক সামর্থ্য ও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। এরপর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জন করতে হবে ১৫০ ঘণ্টার ফ্লাইং অভিজ্ঞতা। এরমধ্যে একা বিমান চালানোর ১০০ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি থাকতে হবে ৩০০ নটিক্যাল মাইল দূরত্বের একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট ট্রিপের অভিজ্ঞতা। সিপিএল প্রাপ্তির সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।

এয়ারলাইন ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্স (এটিপিএল) এটি সর্বোচ্চ মানের লাইসেন্স। এই লাইসেন্সপ্রাপ্তরা বিমানের ক্যাপ্টেন হতে পারবেন। এটিপি লাইসেন্স প্রাপ্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২১ বছর। এ লাইসেন্স পেতে হলে মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকার পাশাপাশি ক্যাপ্টেন হিসেবে ১৫০০ ঘণ্টা এবং একা বিমান চালানোর ২৫০ ঘন্টার অভিজ্ঞতা অবশ্যই থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণের জন্য পড়াশোনা

প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বৈমানিক হওয়ার জন্য নির্ধারিত কিছু বিষয়ে পড়াশোনা করতে হয়। যেমন-এয়ার ল। এয়ার ল হল উড়োজাহাজ চালানোর বিধি-বিধান। বিমানের কোথায় কী রয়েছে সেগুলো কীভাবে কাজ করে এ বিষয়গুলো জানার জন্য পড়ানো হয় এয়ারক্রাফট জেনারেল নলেজ। ফ্লাইট পারফর্ম অ্যান্ড প্লানিং হল উড়োজাহাজ চালানোর সার্বিক পরিকল্পনা। একজন বৈমানিকের সীমাবদ্ধতা বুঝে দায়িত্ব পালনের কৌশল জানা যাবে হিউম্যান পারফরম্যান্স অ্যান্ড লিমিটেশন বিষয়টি পড়ে। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়োজাহাজ চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটিই হল নেভিগেশন। পাইলট, কেবিন ক্রু, ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিটি ক্ষেত্রে করণীয় জানতে পড়ানো হয় অপারেশনাল প্রসিডিউর। এবং সবশেষে পাইলট ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ রাখবেন এজন্য পড়ানো হয় রেডিও টেলিফোন।

কোথায় নেবেন প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি বৈমানিক হওয়ার প্রশিক্ষণ দেয়। প্রশিক্ষণের সময়সীমা ৩ বছর। বছরে দুবার জানুয়ারি ও জুলাই বা আগস্টে ভর্তি নেওয়া হয়। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিতে গ্রাউন্ড বিষয়ে তাত্ত্বিক কোর্সের খরচ পড়বে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। প্রতি ঘণ্টা ফ্লাইংয়ের জন্য দিতে হবে ১২ হাজার টাকা। প্রশিক্ষণার্থীকে গড়ে ১৫০ ঘণ্টার ফ্লাইং করতে হয়। পদার্থবিদ্যা, গণিত ও ইংরেজিসহ ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রশিক্ষণের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এছাড়াও যারা স্নাতক শ্রেণীতে পড়ছেন, বয়স ২৭ বছরের কম তারাও বৈমানিক প্রশিক্ষণ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এর বাইরে গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমি থেকেও এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে।

যোগাযোগ

বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড জেনারেল অ্যাভিয়েশন লিমিটেড

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা।

গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমি

বাড়ি-২০, লেক ড্রাইভ রোড, উত্তরা মডেল টাউন, সেক্টর-৭, ঢাকা।

ফোন : ৮৯২১২১৮, ৭৯১১৪৩২

http://www.galaxyflyingacademy.com



(চুর করা)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০৯

ইমরান আশফাক বলেছেন: সময়মত এইগুলি যদি জানতাম, তাছাড়া চোখের পাওয়ারও ছিলো মাইনাস ৪ (শাররিক অন্যান্য সমস্যাও ছিলো)।

মানে পাইলট হবার কোন লাইন ছিলো না ইচ্ছাটুকু ছাড়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.