নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রাসেল মেহেদী পারভেজ। পরিচিত হতে: web.facebook.com/rmparves

র ম পারভেজ

স্বপ্নময় পথিক। দেখা, শোনা ও জানাগুলিকে ব্লগের পাতায় রেখে যেতে চাই।

র ম পারভেজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

৬৯ বছরে আওয়ামী লীগ : নাগরিক হিসেবে দলটির নিকট অামার প্রত্যাশা

২৩ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩২



১৯৪৯ সালের ২৩ জুন, ঢাকার টিকাটুলির রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ আওয়ামী লীগের, সভাপতি মজলুম নেতা মাওলানা ভাসানী আর সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে যাত্রা শুরু করলেও পরে ধর্মনিরপেক্ষ দল হিসেবে নাম বদলে হয় আওয়ামী লীগ। ৫২ র ভাষা আন্দোলন, ৬৬র ছয় দফা আর ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে গণমানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়া দলটি ৭০ এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে জাতিকে নিয়ে যায় স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে। ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দলে কিছুটা ভাটা পড়লেও ১৯৯৬,২০০৯ ও ২০১৪ এর নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার মাধ্যমে দলটি নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করেছে।

রাষ্ট্র পরিচালনায় আওয়ামী লীগ পূর্ণ এক মেয়াদের পর দেশের ইতিহাসে প্রথম ২০১৪ সালের বির্তকিত নির্বাচনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার সফলতার মুখ দেখলেও বিগত সাড়ে আট বছরে সরকার ও আওয়ামী লীগ যেন একাকার হয়ে গেছে। একসময় আওয়ামী লীগ বলতে জাতির সমৃদ্ধি আর সম্ভাবনার সোনালি দিন বোঝাত। সেই আওয়ামী লীগ পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পর দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলেও শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখতে পারেনি। সরকার হিসেবে আওয়ামী লীগের সাফল্য থাকলেও সাংগঠনিকভাবে অবিন্যস্ত; সারা দেশে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জর্জরিত। এমপি-নেতায় দূরত্ব বাড়ছে যোজন যোজন, দেখা দিয়েছে সাংগঠনিক দুর্বলতাও। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে আওয়ামী লীগ, ১৪ দল কিংবা সরকারের ওপর কারও আস্থা নেই। আস্থা আছে কেবল শেখ হাসিনার ওপর। এটি প্রধানমন্ত্রী, সরকার বা দেশের জন্য শুভ নয়।

আগে ধর্ম ব্যবসায়ীদের আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করেছে। অসাম্প্রদায়িকতা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের স্বার্থে তারা সোচ্চার ছিল। সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে নতি স্বীকার আওয়ামী লীগের ইতিহাসে দেখা যায়নি। বর্তমানে আওয়ামী লীগ নির্বাচনের স্বার্থে হেফাজতের সঙ্গে সমঝোতা করেছে। আওয়ামী লীগের সেই উজ্জ্বল অতীতকে ধরে রাখতে হলে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকল্প নেই। অার আওয়ামী লীগের সবচেয়ে কালিমালিপ্ত অধ্যায় হচ্ছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন যেখানে ১৫৪টি আসনে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের প্রার্থীরা বিনা ভোটে বিজয়ী হয়েছিল। গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী একটি দলের নিকট থেকে যা কখনই কাম্য হতে পারে না। সকল দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই নিশ্চিত করে গণতন্ত্র সঠিকভাবে চর্চা হচ্ছে কি না। সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য গণতান্ত্রিক চর্চার বিকল্পও নেই।

৬৯ বছরে পর্দাপনে নাগরিক হিসেবে দলটির নিকট অামার প্রত্যাশা, আওয়ামী লীগ সামনের জাতীয় নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ধর্ম ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজমুক্ত অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ গঠন করবে।




মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৮

বিজন রয় বলেছেন: সেই লীগ আর এই লীগ এক নয়।

০২ রা জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:১২

র ম পারভেজ বলেছেন: সত্যিই বলেছেন।

২| ২৩ শে জুন, ২০১৭ রাত ৯:৫৩

সামছুল মালয়েশিয়া প্রবাসী বলেছেন: এখন হয়ে গেছে হাসেনা লীগ।

০২ রা জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:১২

র ম পারভেজ বলেছেন: হুমম!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.