নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নিরীক্ষণ

আমি আমার মত

রবিন উত্তর কাট্টলী

রবিন উত্তর কাট্টলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

A+ এর যুগ

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩২



ক্লাশ থ্রি অথবা ফোর। সমাজ পরীক্ষার

খাতা দেয়া হলো ক্লাশে। সমাজ ক্লাশ ছিলো সবার লাস্ট পিরিয়ড। স্যারের নাম ছিলো টিটু স্যার। আমি খাতা হাতে নিয়া দেখি ৯৯ লেখা। ভালো করে চেক করলাম, নাহ! আমি ৯৯ পাইছি! পুরা ক্লাশের ৮৬ জন ছাত্র, ৮৬ জনের সবাই নব্বই এর ঘরে নম্বর পাইছে। রোল ১-৭ ছাড়া ক্লাশের সবাই খুশী। আমার মত ছাত্র দের খুশী হওয়াই স্বাভাবিক, পিছনের বেঞ্চের গাধা ছাত্র আমরা। আমাদের কাছে এটা অন্য কিছু ছিলো। তবে রোল এক, দুই দের

বাবা মা এটা নিয়ে প্রচুর অসন্তুষ্ট ছিলো। তারা এটা মেনে নিতে পারে নাই,

ক্লাশের সবাই কেই কেন ৯০ মার্কস দেয়া হবে ? মূল কথা ছিলো তাদের ছেলে মেয়ে রা শুধু নব্বই পাইতে পারে, আমাদের মত গাধা রা না। তার এটা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছেও গেলো। টিটু স্যার কে ডাকা হলো। টিটু স্যার স্পষ্ট বললেন- '

এটা ২য় সাময়িক পরীক্ষা। আর সামনে ওদের বিশাল বিশাল সব

পরীক্ষা। আমি ওদের এখন একটু কনফিডেন্স বাড়াতেই এটা করছি। বার্ষিকে দেখবেন ওরা সব ভালো করবে ' হয়তো স্যার তাদের চোখে বিশাল অপরাধ করছিলো। কিন্তু আমাদের ৮৬ জন ছাত্রের কনফিডেন্স

লেভেল কে স্যার অন্য একটা পর্যায়েই নিয়ে গেছিলো। যে ছেলে টা টেনে টুনে পাশ করতো, তারও মনে হইছিলো যে না, আমিও পারবো.....

স্যারের ছাত্র রা এখন বুয়েট চুয়েট মেডিকেলে পড়ে। স্যারের

সাথে দেখা হইছিলো। স্যার কে বলছিলাম- " স্যার জীবনে একবার আপনি আমারে ৯৯ দিছিলেন" স্যার বলছিলো- " বিড়ি খাশ ? মুখ খুলছোছ পড়েই বিড়ি গন্ধ কেন ?'' স্যার

কথা ঘুরাইতে পারতো দারুন।



জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি)

পরীক্ষায় অকৃতকার্য

হওয়ায় ২ জন আত্মহত্যা করছে। ফেল

করার জন্য না।

জিপিএ-৫ পায় নাই তাই। একজনের বয়স

১৩, আরেক জনের ১৪. ওদের দোষ নাই। রেসের ঘোড়া হইতে পারে নাই, তাই ওরা বিদায় নিছে। কারন

বাইচা থাকলে ওদের নাম আমরাই

বাতিলের খাতায় ফেলতাম। হায়রে A+

সংগৃহীত

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.