| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
"মনে হল অন্য এক পৃথিবীতে গিয়েছিলাম। যেখানে এক বাবা তার কিশোরী মেয়ের জেদ পূরনের জন্য তাকে নিয়ে এসেছিল এখানে। যেখানে প্রথমবারের মত আমাকে আতঙ্ক নিয়ে ভিড়ে গা বাঁচিয়ে চলতে হয়নি- পাছে কেউ গায়ে হাত দিয়ে ফেলবে এই ভয়ে। যেখানে একটু পর পর খাবার বিলানো হচ্ছিল এবং কেউ তা নিয়ে কাড়াকাড়ি করছিল না, সবাই শেয়ার করছিল।
ফেরার সময় দেখলাম আজিজ সুপার মার্কেট এর সামনের রোড পরিষ্কার করা হচ্ছে, যেখানে মোম দিয়ে লেখা হবে- HANG WAR CRIMINALS
জিন্স টপস পরা মেয়েটা নিশ্চিন্তে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছিল কেউ তার দিকে অন্যভাবে তাকাচ্ছিল না।
এটা যেন আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ ছিল।
"রাত সাড়ে ৮ টায় তিনিসহ মিরপুর থানা থেকে এসেছেন ২০ পুলিশ সদস্য। শাহবাগে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন তারা। রোববার সকাল ৭ টা পর্যন্ত শাহবাগে থাকবেন তারা।
প্রায় দুই ঘণ্টা ডিউটি করে ১০ টার দিকে এই পুলিশ সদস্য বলেন, “হরতাল বা অন্য কোনো কর্মসূচির দায়িত্ব পালনকালে সব সময় টেনশনে থাকতে হয়, কখন কী হয়। আমাদের পরিবারও দুঃশ্চিন্তা করে। কিন্তু এখানে দায়িত্ব পালন করতে কোনো দুশ্চিন্তা হচ্ছে না। নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করছি।”
শান্তির প্রদীপ জ্বালিয়ে হাজারো তরুণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন দেখে এই পুলিশ সদস্য আরও বলেন, “তারাও আমাদের সাহায্য করছে, আমরা দুঃশ্চিন্তা মুক্ত।”
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩০
জোনাক পোকা প্রামাণ্য জয় বলেছেন: Click This Link