![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাত্রির ধারাবাহিকতাই ছিলো ২০০৪সালের ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা।
১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকান্ডের পর ঘাতকচক্র সব সময় সক্রিয় ছিলো তাঁর বেঁচে যাওয়া দুই কন্যাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে । বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর তাকে হত্যার চক্রান্ত কখনোই থেমে থাকেনি । ১৯৮৮সালে চট্রগ্রামের লালদীঘি ময়দানের জনসভায় ব্রাশফায়ার করে , ২০০০ সালের ২০ জুলাইয়ে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার জনসভায় ৭৬কেজি ওজনের বোমা পেতে, কখনো নাটোরে রেল মার্চে গুলি করে , ১৯৮৯ সালের ১০ অগাস্ট ৩২ নাম্বারে বাড়িতে ফ্রিডম পার্টির ক্যাডারদের গুলি বর্ষণ ,২০০২ সালের ৩০ অগাস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গাড়িবহরে হামলা এবং তাঁর গাড়িতে গুলি করে হত্যা করার জন্যই বহুবার চেস্টা করা হয়েছে । কিন্তু ভাগ্য সহায় থাকায় তিনি বারবার বেঁচে যান ।
ঘাতকচক্র সর্বশেষ বড়ধরনের পরিকল্পনা করে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলের নেত্রীকে হত্যার জন্য। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তাংগনের নির্ধারিত জনসভার স্থানের অনুমতি বাতিল করে দেয় । আওয়ামীলীগ তার কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে তাৎক্ষনিক জনসভার আয়োজন করে । সেদিনের সেই সভা জনসমুদ্রে পরিনত হয়েছিলো ।শেখ হাসিনার বক্তব্য শেষ হবার কয়েক মিনিট আগে গ্রেনেড ছঁড়েছিলো ঘাতকেরা। ২৪জন দলীয় নেতা-কর্মী প্রান হারালেও ভাগ্যক্রমে এইবারও শেখ হাসিনা বেঁচে ঘাতকদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেন !
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার যতগুলো ঘটনা ঘটেছিল, তার চারটি আদালতে গড়ালেও বহু দিনেও শেষ হয়নি বিচার।
রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় হত্যা, আলামত নষ্ট, হত্যাকারীদের আড়াল করতে সাজানো হয় জজ মিয়ার নাটক। এর প্রতিটি আয়োজনই ছিলো জংগীবাদের হাতে বাংলাদশে তুলে দেয়ার জন্য, একটি বাংলাস্থান প্রতিষ্ঠার জন্য। একুশে আগষ্ট আমাদের মনে করিয়ে দেয়- পাকিস্তান শুধু একটা রাষ্ট্র নয়- পাকিস্তান একটি দর্শন।
©somewhere in net ltd.