| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিহন
অঙ্কন আর গানের জগত-ই নিহনের জগত । আঁকিঝুকি আর গান লিখতে ভাল লাগে, সুযোগ পেলে তাই সময়টা ওখানেই দেই [email protected]
ছেলেটি খুবি সাদা সিধে- সহজ সরল,এতো সহজ সরল যে এ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে দায় পরে নিলয়ের।
ছোট বেলা থেকে হরেক রকম নাম উপাধি পেয়ে আসছে বন্ধুদের কাছে নিলয়।
যেমন ..হুজুর ,হাবলা ,কেউবা সাধুরাম বলেও ডাকে নিলয়কে।
নিলয় যেনো সবার কাছে একটা খেলার পাত্র , শুধু সমবয়সী বন্ধুরা যে তা না,
মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ে সম্ম্মানিত শিক্ষকদের মতো বয়সি বন্ধুদের মুখ ফসকে কয়েকটা কথা বের হয়ে যায় বুলেটের মতো নিলয়ের উপর।
সেদিন রহিম স্যার কেনো জানি নিলয়ের দিকে তাকিয়ে বলেন এখানে এভাবে হাবলার মতো বসে না থেকে, বাসায় বসে থাকলেই তো পারিস।
স্যারের কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথে শ্রেনী কক্ষের সব ছাত্র ছাত্রী হু হু করে হেসে উঠে। এসব কথা কখনো নিলয়ের কাছে লজ্জার মনে হয়না। বরং সেদিন সব ছেলে মেয়েদের সাথে নিলয়ও হেসেছিলো।
শুধু হাসতে পারেনি একজন , যে শুধু নিলয়কে নিয়ে ভাবে, ভাবে কেনো এরা এই ছেলেটার সাথে এমন করে। কেনো তারা বুঝেনা নিলয় তাদের মতো স্বাভাবিক না, সে একজন প্রতিবন্ধী।
তাসি আর নিলয় একে অপরের প্রতিবেশী, তাদের দুই পরিবারের মধ্যে একটা ভালো সম্পর্ক রয়েছে...তাসি নিলয়কে নিয়ে ভাবতে ভাবতে এক সময় বন্ধু হয়ে নিলয়ের পাশে এসে দাঁড়ায়। তাসির কেনো জানি মনে হয়েছিলো সে যে ভাবে হোক নিলয়কে ভালো করতে পারবে। আর কেউ নিলয়কে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতে পারবেনা। সে অন্য স্বাভাবিক ছেলেদের মতো হবেই। এর জন্য তার পাশে সব সময় কেউ একজন বন্ধু হয়ে পাশে থাকার দরকার ।
সে বন্ধুটা আর কেউনা নিযে হলেই ভালো হয়।
এই ভেবে তাসি এগি আসে নিলয়ের পাশে ।
সুধু একটা শপত ছিলো তার মাঝে ,নিলয়ের যতো দুঃখ কষ্ট সব দেখবে নিজের মতো করে ।এভাবে অনেকটা বছর পেরিয়ে গেলো ...........
এখন তারা অনেক বড় হয়েছে, বিদ্যালয় ছেড়ে কলেজে উঠেছে পরিবর্তন হয়েছে নিলয়েও, আগের চেয়ে স্মার্ট , মুখে একটু রাগ অভিমান ভান রাখা...যা ছোট জীবনে কেউ নিলয়ের কাছ থেকে কখনোও পাইনি।
শুধু তাইনা এখন কেউ আর নিলয়কে কথায় কথায় হাবলা , সাধুরাম, বলে নাম উপধি দেয়ার সাহসও পায়না।
যদিও বন্ধুরা নিলয়কে ছেড়ে তাসিকে এখন পেয়ে বসেছে, নিলয়ে ডাক্তার, নিলয়ের জান ইত্যাদি, এসব কথা তাসির কিছু যায় আসেনা, কারন সে এসব কথার উচিত জবাব দিতে পারে যখন তখন।
তাছারা এসব কথা যে একেবারে ফেলে দেয়ার মতো ,তা না ।
যেমন তাসি সত্যি নিলয়ের ডাক্তার । ডাক্তার আগে শতো চেস্টায় যা পারেনি ,তাসি তা পারছে ।পারছে নিলয়ের পাশে থেকে নিলয়কে আস্তে আস্তে সুস্থ করে তুলতে ।
যা কখোনো কেউ ভাবেনি ।
তাসি যখন তখন নিলয়দের বাসায় এসে নীলয়ের খোঁজ খবর নেয়, নিলয়ের সাথে গল্প হাসি উল্লাসে থাকে। যদিও নিলয়কে হাসানো অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আজ নিলয়ের জন্মদিন কারো মনে নেই , সে কথা মনে রেখেছে তাসি , কারণ সে একবার নিলয়ে মায়ের সাথে কথা বলতে বলতে জেনে নেয় এই দিনটির কথা। তার পর সে গেঁথে নেই মনের মাঝে ঐ তারিখ টি ...........আজ সেই দিন, তাসি ভাবছে নিলয়কে কি দেয়া যেতে পারে। ভাবতে ভাবতে সমাধান পায় তাসি। ওকে একটা মোবাইল দেয়া যায় , যখন মন চাইবে তখন নিলয়ের সাথে কথা বলত পারবে। তা ছাড়া হয়তো নিলয় মোবাইল পেয়ে অনেক খুশি হবে।
তাসি নিলয়ের রুমে গিয়ে পিছন থেকে নিলয়ের চোখ চেপে ধরে আলতো করে দু হাতে।
নিলয় কিছুই বললোনা চুপচাপ হাতটা সরিয়ে নিলো। তাসি এতো বছরে এই প্রথম একটু কষ্ট পেলো। সে দেয়ালে ঝুলানো নিলয়ের একটা ছবির কাছে গিয়ে বির বির করে বলছে তুই কখনো ভালো হবিনা, তুইকি সাধারণ দশ জন ছেলের মতো হতে পারবি না কখনো?
এই বলে তাসি কাদতে থাকে, নিলয় সেই একি রুমে সে একবারো তাকিয়ে দেখলনা তাসির দিকে, জানতে চায়লোনা কি হয়েছে ওর। তাসি চোখ দুটো মুছে নিলয়ের হাতে মোবাইলটা ধরিয়ে দিয়ে চলে যায় .........
আজ বন্ধুত্ব দিবস তাসির মোবাইলে অনেকে এস এম এস বা কল করে উইশ করছে তাকে, কিন্তু তাসি যে এক জনের আশাতে বসে আছে তার কিছু এখনো পাচ্ছেনা। নিলয় এখন অনেক ভালোর দিকে। তাই তাসি অপেক্ষায় আছে নিলয় কিছু একটা পাঠাবে ।
সাথে সাথে নিলয়ের একটা মেসেজ আসে তাসির মুবাইলে .........তাসি অনেক আনন্দের সাথে মেসেজটা পড়ে নেয়।
অন্যদিনের চেয়ে ,তাসিকে আজ বেশ লাগছে
কারন সে আজ সেজেছে অসাধারণ ,নিলয়কে নিয়ে ঘুরবে সারাটাদিন ।হাতে কিছু ফুল নিয়ে চলে যায় নিলয়ের কাছে। ঐ দিকে নিলয় জানে তাসি আসবে তাই সে তাকে একটা গান শুনাবে বলে কম্পিওটার থেকে গানটা মোবাইলে ডাওনলোড করে নেয়। তাসি এসে দেখে নিলয় কম্পিওটারের সামনে বসে আছে। তাসি চুপি চুপি ঘরে ঢুকে পিছন থেকে আবারো নিলয়কে জড়িয়ে ধরে ফুলগুলো তার নাকের সামনে ধরে। নিলয় পিছনে হালকা একটু তাকিয়ে ফুল গূলো নিয়ে তাসিকে ধন্যবাদ জানায়।
তাসিকে আজ খুব আনন্দিতো দেখাচ্ছে। সে নিলয়ের সামনা সামনি বসে ।
নিলয়ের একটা হাত ধরে কিছুক্ষন চুপ করে থাকার পর বলে ঘুরতে যাবি? নিলয় লাজুক ভাবে মাথাটা বাঁকা করে জানান দেয় যাবে। সাগর দেখতে যাবি? নিলয় আবারো যাওয়ার ইচ্ছা দেখায়।
আজ একটা বিশেষ দিন বলে কথা না! এই সমুদ্র পার সব সময় লোকে কানায় কানায় ভরপুর থাকে। এতো মানুষ দেখে তাসির কেনো জানি ভালো লাগছেনা। সে চেয়েছিলো তার নিলয়কে নিয়ে এমন জায়গায় বসবে যেখানে তারা দুজন ছাড়া আর কেউ থাকবেনা। তাই তাসি এমন নির্জন জায়গা খুঁজতে লাগলো। এক সময় তারা হাঁটতে হাঁটতে চলে এলো সৈকতের এমন এক প্রান্তে যেখানে তেমন কাউকে দেখছেনা তারা। তাসি আসার সময় খেয়াল করেছে নদীতে কিছু ছেলে মেয়ে লাফালাফি দেখে নিলয় খুব মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলো, আর ফিসফিস করে বলছিলো ওয়াও ওয়াও।
পাশা পাশি বসে দুজন অনেকক্ষণ গল্প করলো। নিলয়ের এতো উন্নতি দেখে তাসি দিশে হারা প্রায় । সে নিলয়কে বলে চল পানিতে নামি।
নিলয় বলে আমি নামবোনা, তাসি বললো তাইলে আমি নামবো। নিলয় একটু আনন্দের সাথে বলে যা।
তাসি গায়ের ওড়নাটা ভালো করে গায়ের সাথে জড়িয়ে নেয়। আর নিলয়কে পানি ছিটকা দিতে দিতে চলে যায় কোমর পযর্ন্ত পানিতে পানিতে নামার সময় তাসির একবারো মনে পড়েনি যে, সে সাতার জানেনা। তাসি কোমর পানিতে লাফালাফি করছে আর নিলয়কে ডাকছে।
নদীর পানির রং এখন লালচে হয়ে এসেছে। সূর্য টা লাল আকার ধরেছে। একটু পরেই যেন ডুব দেবে পৃথিবী থেকে। সাথে নিয়ে যাবে পৃথিবীর সব আলো দিয়ে যাবে অন্ধকার।
এমন সময় তারা দুই প্রিয় বন্ধু দুই জায়গায় একজন জলের সাথে আরেকজন জলের পারে বসে।
নিলয় পকেট থেকে মোবাইলটা বের করে ঐ গানটা এনে রেডি করে রাখে তাসি উঠলে তাকে শুনাবে।
এমন সময় তাসির কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে নিলয় সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে দেখে তাসি নেই সাথে সাথে সাথে তার বুক ধব করে ওঠে, সে ওঠে দাড়ায়। একটু পর দেখতে পেলো তাসির একটা হাত , এবার সে নিশ্চিৎ হলো তাসি ডুবে যাচ্ছে। সে তাসির নাম ধরে হাও মাও করে কাদতে লাগলো আর সাহায্য চাইতে লাগলো। নিলয়ে চিৎকার তখন কারো কানের কাছে পৌছাইনি, কারন সেখানে আশে পাশে ছিলোনা কেউ। একটু দূরে যারা ছিলো যে যার আনন্দে মগ্ন ছিলো। নিলয় এবার তাসির দুটো হাত দেখতে পাই হাত দুটো যেন বাচার চেষ্টাতে লাফালাফি করছিলো। নিলয় আর থাকতে পারেনা। সে তার সাহয্যের আবেদন, কান্না বন্ধ করে। এবার সে ঝাপিয়ে পরে তার প্রিয় বন্ধুকে বাচাতে।
এক পর্যায়ে নিলয় চলে যায় তাসির কাছে দূজন দুজনকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বাচার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের পেয়ে যেনো সমুদ্রের জল আজ বড়ই আনন্দিত। বড় একটা ঢেউ এসে চলে যায় তাদের ওপর দিয়ে। ঐ ঢেউয়ের পর আর দেখা যায়নি নিলয় আর তাসিকে। দেখা গিয়েছে শুধু সাগর পারে কিছুফুল যে ফুল গুলো ছিলো তাসির হাতে। আর নিলয়ে মোবাইলটি যে মোবাইলে একটা গান ডাওনলোড করে এনেছিলো তাসিকে শুনাতে ..........গানটা অবিরাম বেজে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু শুনার মানুষ গুলো আর নেই ............
.......আমার মন্দ স্বভাব জেনেও তুমি কেনো চাইলে আমারে
এতো ভালো মানুষ হয় কি নিজের ক্ষতি করে ..........
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
নিহন বলেছেন: এরই নাম বন্ধু......
আপনাকে অনেকদিন পর দেখা গেলো
কেমন আছেন ??
২|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪১
ধ্রুব বলেছেন: নাইস। কেমন আছেন?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
নিহন বলেছেন: এইতো ভলো
আপনি কেমন ??
ধন্যবাদ গল্পোটা পরার জন্য ।
৩|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
দীপান্বিতা বলেছেন: ভাল লাগল....এরই নাম বন্ধু......
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ
৪|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
ধ্রুব বলেছেন: আমি ভালোই থাকি ![]()
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৪
নিহন বলেছেন: বেশ ......
৫|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
সায়েম মুন বলেছেন: ভাল লাগল
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৫
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ,ভালো থাকুন ।
৬|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো লাগলো........
গানটা অনেক সুন্দর......বারী সিদ্দিকীর।
শুভকামনা নিহন।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৫০
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ আপু ।
৭|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১১
মইন বলেছেন: গল্প হলে, প্লট টা ভালো, কিন্তু দূর্বল বর্ণনা, ভূল বানানের ছড়াছড়ি লেখাটাকে দূর্বল করে দিয়েছে।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩
নিহন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ,
দেখছি ....।
৮|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৫
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ভালো লাগলো নিহন!
শুভকামনা
বন্ধুত্ব চিরদিন টিকে থাকুক!~
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৩
নিহন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
৯|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: এইটা ক্যামন হইল?? এতবড় গল্প.. তার শ্যাষটা এমুন?? ![]()
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৬
নিহন বলেছেন: সরি ,কিছুই করার ছিলোনা ।
১০|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯
কঁাকন বলেছেন: কেমন আছো জেডা
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
নিহন বলেছেন: বালানাই
১১|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
সন্ধি বলেছেন:
বন্ধুত্ব ........... হায়রে বন্ধুত্ব ?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৮
নিহন বলেছেন: বালানাই
১২|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০১
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: হায়রে বন্ধু!!! তুমি দেখি সুন্দর গল্প লিখো
আরো লেখা চাই।
গানটা খুব কানে বাজছে
ভালো থেকো।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ
১৩|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৯
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: নিহন অনেক সুন্দর হয়েছে। শেষটা মর্মান্তিক। লেখা পড়ে তোমার ভেতরের সুন্দর মানুষটাকে দেখছি।![]()
ভালো থাকো।
১৪|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: হুম! বন্ধু ব্যাপারটা খারাপ না!!
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
নিহন বলেছেন: আসলেই না
১৫|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
গল্পের বিষয়বস্তু খুবই ভালো, সে তুলনায় গল্প দুর্বল ।
গল্প লেখার চেষ্টায় নতুন হিসেবে, এ গল্প ভালো হয়েছে বলা যায় ।
অনেক বানান ভুল ।
১৬|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: গানটার কোন লিংক দেয়া যাবে ??? ![]()
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
নিহন বলেছেন: দেখছি ........
১৭|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২১
কঁাকন বলেছেন: অই কানা চোখ নাই? ১০ নং মন্তব্য কী ভুতে করসে?
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬
নিহন বলেছেন: জেডা থেইকা কানা ??
১৮|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৩
আবু সালেহ বলেছেন:
নিহন আছো কেমন??
বেশ ভালো গল্প লিখো তো...
বানানের ব্যাপারে একটু সতর্ক হতে হবে .....
গানের লিংক কোথায়???
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
নিহন বলেছেন: এইতো ভাই ভালো আছি ।
আপনি কেমন আছেন ??
১৯|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২১
কঁাকন বলেছেন: জিডা গল্প আমার কাছে টা ঠিকমতন জমে নাই
বর্ননাগুলো আরেকটু বিস্তারিত হতে পারতো
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১০
নিহন বলেছেন: কঁাকন ,ভুইলা জাইবানা গল্প আমি প্রথম লেকতাছি
২০|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২২
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: গান লেখা কি থেমে গেছে? সবচেয়ে বড় জিনিস হলো ছবি আঁকা? ![]()
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১২
নিহন বলেছেন: নারে ,চলতাছে সব কম বেশী
২১|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৫
কঁাকন বলেছেন: ইতিহাস বলে লোকজন প্রথম প্রথম ই ভালো লিখে বা লিখার চেষ্টা করে
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০
নিহন বলেছেন: হাছাই ...........??
২২|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
সোনালীডানা বলেছেন: জেডা,কিসু ভাল লাগেনা....
চারিদিকে মনখারাপের ছড়াছড়ি![]()
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২২
নিহন বলেছেন: হুমম
২৩|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
তারার হাসি বলেছেন:
সমাপ্তি যাই হোক, এরই নাম বন্ধুত্বা...
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
নিহন বলেছেন: হুমম
২৪|
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৫
নুশেরা বলেছেন: এতো দুঃখের গল্প পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল নিহনবাবু। একটা স্কেচপোস্ট দাও এবার।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩
নিহন বলেছেন: বু ,মনে যা আসে তাই লিখেদি ।
মন খারাপের জন্য সরি .........
দোয়া করবেন
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭
নিহন বলেছেন: আপনার কুলের বাবুটার কোনো ছবি থাকলে দিতে পারেন ।সুন্দর করে আঁকতে চাইবো
২৫|
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
নুশেরা বলেছেন: আরে এরকম মন খারাপ তো ভালো। কয়জনের লেখা মন খারাপ বা ভালো করে দিতে পারে! অবশ্যই তুমি লিখে যাবে মনে যা আসে তাই। বানানের সমস্যা বেশী বেশী লিখতে লিখতেই কেটে যাবে।
দেখি বাবুর সেরকম ছবি পাই কিনা।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৯
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ আপু ।
২৬|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
সো নাইস।
পড়ে এসে একটা কবিতা দিয়ে যাবো।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৪
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাস্কর ভাই ।
২৭|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন: সুন্দর গল্প । ভালো লাগলো। বেশী বেশী করে লিখুন।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৮
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ ।
২৮|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮
মেহেদী ইকবাল রমি বলেছেন: একটা অদ্ভূত ভালোলাগা থেকে গেল মনে। না নিহন, আমি মোটেই খালি মুখে ফিরিনি। শুভেচ্ছা রইলো অনেক।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৮
নিহন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
২৯|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৯
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: মন খারাপ করে দিলেন।
যাই হোক,
ব্লগার আপুদের জন্য ঈদের গিফট (ব্লগার ভাইয়েরা না ঢুকলেও চলবে!
)
Click This Link
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
নিহন বলেছেন: মন খারাপের জন্য সরি .........
৩০|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২২
কঁাকন বলেছেন: ঈদ মোবারক ![]()
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
নিহন বলেছেন: ঈদ মোবারক
৩১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ছবি দেখার আশায় আছি। ঈদ মোবারক।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
নিহন বলেছেন: ঈদ মোবারক।
৩২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৯
রাতমজুর বলেছেন: @ আপু![]()
৩৩|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
সহেলী বলেছেন: লেখাটা মনভোলানো ছিল , শেষে ঠকালে কেন ?
".......আমার মন্দ স্বভাব জেনেও তুমি কেনো চাইলে আমারে
এতো ভালো মানুষ হয় কি নিজের ক্ষতি করে .........."-----কথাগুলো খুব করে চেনা মনে হয় !
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫১
নিহন বলেছেন: গানটা অনেক সুন্দর......বারী সিদ্দিকীর।
৩৪|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩০
কঁাকন বলেছেন: অই তুমি আমারে ১২ সেপ্টেম্বর আমার ফার্স্ট পোস্টে যে মন্তব্য করসো তার মাজেজা কি
?
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
নিহন বলেছেন: কি ?
৩৫|
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: মন খারাপ হইসে ...
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৩
নিহন বলেছেন: ![]()
৩৬|
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
নাজনীন খলিল বলেছেন:
অসম্ভব ভাল লাগল আর মন খারাপ হয়ে গেল।
সব ভাল লাগার সাথেই এরকম মন খারাপের একটা ব্যাপারও থাকে।
চমৎকার লিখেছো।
শুভেচ্ছা নিহন।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪১
নিহন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
৩৭|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০২
সবাক বলেছেন:
নাতির গল্প ভালা।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
নিহন বলেছেন: অনেক ??
৩৮|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
পরশমনি বলেছেন: ++++++++
৩৯|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
নিহন বলেছেন: ধন্যবাদ ।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
লিপিকার বলেছেন: হুমম..এরই নাম বন্ধু......