| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের দেশে কিছু ব্যক্তি আছেন যারা আসলেই মানুষের ভালর পক্ষে কথা বলেন। বেশ কিছু নাম বলা যেতে পারে, যেমন, পীর হাবিবুর রহমান, গোলাম মাওলা রনি, সাবের হোসেন চৌধুরী, কাদের সিদ্দিকি, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এদের সবাই কেই কম বেশী লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় বোধয় গোলাম মাওলা রনি কত্রিক সাংবাদিক নির্যাতন। কিন্তু কিভাবে এই ভদ্রলোক এমন ভাবে ক্ষেপে গেলেন?
আমাদের মিডিয়া এখন যথেষ্ট উন্নত। বেশ নিরপেক্ষ ভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। তবে যে মিডিয়ার সাংবাদিক পেটানো হল, তারা যে কার ছত্রছায়ায় বসবাস করেন, তা সবার ই জানা আছে আশা করি। গোলাম মাওলা রনি এর একটি লেখা দেখেছিলাম বাংলাদেশ প্রতিদিন এ। যেখানে উনি বলেছিলেন তিনি চার বছর ধর্না দিয়েও একটি বিদেশ ভ্রমন এবং নিজের একটি ভালো বাসস্থান আদায় করতে পারেননি। যিনি কিনা এখনও নয় জনের সংসার নিয়ে সাধারন জীবন যাপন করে চলেছেন। যে এম পি এর এই দশা হয় নিজের দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়, (যার নিজের একটি দামি গাড়িও নেই যেখানে অনেক পাতি নেতা আজ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ) তিনি যে মোটামুটি ভালো মানুষ ভাবাই যায়। বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। কখনই পিছু হটেননি। এমন লোক কেন মিডিয়ার যন্ত্রণায় আইন বিরুদ্ধ কাজ করে বসলেন? হয়ত এম পি পদ থেকেও সরে যেতে হবে তাকে। কিন্তু কেন?
শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি, পদ্মা সেতু, হলমার্ক, ডেস্টিনি, সোনালী ব্যাংক সহ সমস্ত দুর্নীতি বিষয়েই ছিল তার তীব্র প্রতিবাদ। যার ফলে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির চক্ষুশূলে পরিনত হয়েছিলেন বোধয় এই ভদ্রলোক। হয়ত তার ই নির্লজ্জ আক্রমন এই মিডিয়া কেলেঙ্কারি!!!!! কে জানে আসলে কি আছে এই ঘটনার অন্তরাল এ...
বাংলাদেশ দিন দিন কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে। এখানে ভালো কাজের কোন পৃষ্ঠপোষকতা নেই। মানুষ গুলো চরম স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে। স্বার্থের জন্য ধর্মকে ব্যবহার করতেও এরা পিছু হটেনা। যার ফল আমাদের সামনে পরিস্কার। আসলে এমন দেশ কি চেয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়ে!!!!!!!!!!! সোহেল তাজ, তোফায়েল আহমেদ, সাবের হোসেন সহ অনেক লোক কোন মর্যাদা পাননি। অথচ অযোগ্য লোক দিয়ে মন্ত্রিসভা পরিপূর্ণ করা হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর কোন দেশের সরকার এমন লোক দিয়ে কি করে ডিজিটাল দেশ বানায় তা আমি বুঝতে পারিনা। যারা ভালো কাজ করতে যায় তাদের পা ধরে টেনে পাতালে নিক্ষেপ করা হয়!!!!!!! কি দেশ!!!!!!!!!! একটি কৌতুক দিয়ে লেখাটা শেষ করব,
“একদিন স্বর্গ ও নরকের ব্যবস্থাপক নরক পরিদর্শন এ গেলেন। সেখানে সমস্ত দেশের লোক দের আলাদা আলাদা যায়গা বরাদ্দ রয়েছে শাস্তি দেবার জন্য। প্রতিটি দরজার সামনেই প্রহরী আছে। একটি দরজায় পাহারা না থাকায় ব্যবস্থাপক কর্তব্যরত নির্বাহী কে কারন জিগ্যেস করলেন। প্রহরী বলল যে ওটা বাংলাদেশীদের যায়গা। সব দেশের নরকভোগীরা একে আরেকজনকে পালাতে সাহায্য করে কিন্তু বাংলাদেশীরা যে পালাতে যায় তাকে সবাই মিলে ধরে নিজেদের কাছে রেখে দেয়। তাই এখানে কোন প্রহরীর দরকার নেই।”
আমরা কি এই অবস্থা বদলাতে পারিনা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
২|
২৭ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ৯:৪৯
রায় বাবু বলেছেন: ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ৯:১০
খেয়া ঘাট বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণ ভালো লেগেছে ।
কৌতুকটা আগেও পড়েছিলাম।