![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য মালয়েশিয়ার সঙ্গে জি-টু-জি চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার জাতীয় কোম্পানি তেনেগা ন্যাশনাল বারহেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। আগামী ২ অক্টোবর চুক্তি ও এমওইউ স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনায় দুটি ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেয়। মহেশখালী দ্বীপে ৫০ হাজার টনের কয়লাবাহী জাহাজ প্রবেশ করার মতো গভীরতা থাকায় সেখানেই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কয়লা পরিহবনজনিত খরচ কম পড়বে। প্রতিটি ২৪০ মিটার দীর্ঘ জাহাজে কয়লা আনা হবে, যার ধারণক্ষমতা ৮০ হাজার টন। এজন্য সমুদ্রে ১৩ মিটার পানির গভীরতা থাকতে হবে। ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বছরে ৫৩ বার কয়লা আনার প্রয়োজন হবে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় পাঁচ-সাত হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ উৎপাদন অঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সব বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে ‘মেগা সাইজ’ প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আমদানি করা কয়লা দিয়ে চলবে। সরকার দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা করছে, যাতে এসব প্রকল্পগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান জাইকাই চট্টগ্রাম এলাকার বিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হলে সমূদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বিদ্যুৎ এর চাহিদা অনেকাংশে লাঘব হবে এবং জনগনের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
©somewhere in net ltd.