| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

ডা. জোবায়দা রহমান তারেক রহমানের স্ত্রি। ২-১ দিন ধরেয় শুনছি তিনি বিএনপির রাজনিতির হাল ধরবেন। হয়তো অনেকেয় আনন্দিত হয়েছিলেন এই খবরে।
এই আনন্দিতদের মাঝে যেমন বিএনপি সমর্থক ছিল তেমন আওয়ামিলিগ সমর্থক ও ছিল। অবাক হচ্ছেন? বিএনপি তাকে কেন্দ্র করে নতুন আসা খুজছিল অপরদিকে আওয়ামিলিগ মনে করেছিল এক আনারি অনভিজ্ঞের হাতে বিএনপি গেলে বর্তমান সরকার অনেক সহজে টিকে যাবে।
এখন হয়ত অনেকেয় বলবেন ডা. জোবায়দা রহমান কখনয় সভাপতি বা সাধারন সম্পাদক হটেন না। তারেক রহমান ও ওই ২টি গুরুত্ত পুর্ন পদে চিলেন না। তাও তিনি পুরো বিএনপি চালিয়েছেন। ডা. জোবায়দা রহমান কোনভাবেয় জেলা পর্যায়ে রাজনিতি শুরু করতেন না। তিনি অবশ্যয় জাতিয় পর্যায়ে রাজনিতি শুরু করতেন।
যায়হক এখন এইটা সবায় জানে তিনি আপাততো রাজনিতিতে আসছেন না। আমি এই সিধান্ত কে সাধুবাদ জানায়।
আমি যদিও রাজনিতি করি না এবং সরাসরি কোন রাজনিতির সাথে যুক্ত না কিন্তু ২ দলের সাথে সরা-সরি রাজনিতি করে এমন অনেক বাক্তি আমার অনেক কাছের। তাই না চাইলেও রাজনিতি নিয়া মাথা ঘামাতে হয় এবং মাঝে মাঝে কিছু লিখতেও হয়।
আমার মনেহয়েছিল ডা. জোবায়দা রহমানকে এই মুহুরতে রাজনিতিতে আনলে সিনিয়র নেতাদের মাঝে অসন্তস দেখা দিত। এম্নিতেয় বিএনপি অনেক অভভান্তরিন কন্দল আছে। তাই এই মুহুরতে তার না আসায় ভালো। একি সাথে আমার মনেহয় বিএনপি নেতাদের আর বেশি সাহসি হতে হবে।
পক্ষান্তরে আওয়ামিলিগ জে ভাবে আগাচ্ছে তাতে ডা. জোবায়দা রহমান এসে কিছু করতে পারত না বলে আমি মনে করে। কেননা আওয়ামিলিগের রাজনৈতিক চালের কাছে বিএনপির অনেক বাঘা বাঘা নেতা ধরা খাচ্ছে।
আমার ওয়েব সাইট
©somewhere in net ltd.