| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজম-নিজামী-সাঈদীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখলেও ২ লক্ষ ইজ্জত হরণের শাস্তি যথেস্ট নয়ঃ
৭১ এ কথিত কুখ্যাত জামায়াতীদের এত অপরাধ! কিন্তু ৭১ পরবর্তী সার্বিক পরিসংখ্যান কি বলে!!??
কি এক ভয়াবহ ব্যাপার। ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। ৯ মাসের যুদ্বে ৩০ লাখ লোক শহীদ আর ২ লক্ষ নারী ধর্ষিতা! আরও অবাক ব্যাপার হলো ২ লক্ষ নারী ধর্ষনের মত ভয়াবহ ঘৃন্য কাজটি অবলিলায় সম্পাদন করেছে পাকিস্তানিদের শত্রু ভাষা সৈনিক গোলাম আযম,ভার্সিটির ছাত্র নিজামী, সাঈদী, কাদের মোল্লা এবং কামরুজ্জামান গংরা, তাও মাত্র ৯ মাসে! এদের গড় বয়স ছিল ৩০!!!
আসুন একটু বিশ্লেষনে যাইঃ ৯ মাস = ...২৭০ দিন মোট ধর্ষিতা = ২ লক্ষ গড়ে প্রতিদিন ধর্ষিতার সংখ্যা = ৭৪০.৭৪ জন নারী। তার মানে গিনেস বুকে নাম ওঠার কথা,উঠেছে কি?
৭০ এর নির্বাচনী ফলাফলে আওয়ামিলীগ ভোট পেয়েছিল ৯৯% এরও বেশী, তার মানে আওয়ামি ভাষায় এরা সবাই স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি (যদিও নির্বাচনি ইশতেহার অথবা ঐতিহাসিক ৬ দফার কোথাও স্বাধিনতার কথাটি ছিলনা একমাত্র ৭ই মার্চের ভাষন ছাড়া), তাহলে স্বধীনতা বিরোধীরা শতকরা হিসেবে গননার মধ্যেই আসেনা! আর মুস্টিমেয় কিছু লোকই যদি ৩০ লক্ষ খুন আর ২ লক্ষ নারী ধর্ষন করে থাকে তবে তাদের শৌর্য বীর্য্য, পৌরষত্বের প্রশংসা করতেই হয়। অবস্থাদৃস্টে মনে হচ্ছে তারা এক হাতে অস্ত্র কিংবা তলোয়ার অন্য হাতে লুঙ্গি উঁচিয়ে দিবা রাত্রি দেশময় দৌঁড়ে বেড়িয়েছে...! এবং জল-স্থলে বন-বাদাড়ে যেখানে যাকে যে অবস্থায় পেয়েছে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি ঘেচাং করে সেঁদিয়ে দিয়েছে, ফলে আক্রান্ত ব্যাক্তি হয়তো নিহত নতুবা বীরাংগনা।
এই যদি হয় চিত্র তবে গোলাম আযম সাঈদীদের একবার ফাঁসি দেয়া কি যথেস্ট হবে!! তাদের কে ক্বেয়ামত অবধি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখলেও ২ লক্ষ ইজ্জত হরণের শাস্তি যথেস্ট নয় বলেই মনে হয়।
আচ্ছা, ধর্ষন আর লুটপাটকারী এই দুর্ধর্ষ মানুষরূপী ঘাতকরা স্বাধীনতা যুদ্বকালীন এতই বেশুমার অপরাধ করেছে যে স্বাধিনতা পরবর্তিতে তারা হঠাৎ এমন সৎ, ভাল হয়ে গেল কি করে যে দেশের কোথাও তাদের বিরুদ্বে খুন, ধর্ষন, চাঁদাবাজি, ডাকাতির অভিযোগ নেই,কোন মামলাও নেই! যে বাঘ একবার রক্তের স্বাধ পায় সে কি রক্ত না খেয়ে পারে? যারা ইতোপুর্বে ২ লক্ষ নারী ধর্ষন করলো বা ধর্ষনে সহায়তা করলো তাদের হাতে স্বাধিনতার পরে একজন নারীও লাঞ্চিত হলোনা - এটা অবিশ্বাস্য!!!বরং তাদের বর্তমানে যা জনশক্তি তাতে দৈনিকই ২ লক্ষ অপকর্ম সংঘটন করার কথা।
গত ৪০ বছরে কেউ কি শুনেছেন অমুক স্বাধীনতা বিরোধীর হাতে অমুক মহিলার শ্লিলতাহানী ঘটেছে, অথবা অমুক নেতার হাতে আওয়ামিলীগের অমুক খুন হয়েছে? কিংবা অমুক বেগম ফজিলাতুন্নেছা ইড়েন কলেজ থেকে সাপ্লাই যাচ্ছে অমুক জামায়াত নেতার বাসায় !! নাহ্, তা কেউ শোনেননি।
তবে কি তারা স্বাধীনতার পরে নূপংসক হয়ে গেছে? তাদের ধরে ধরে খাসী করিয়ে দেয়া হয়েছে এমন কথাও তো শোনা যায়নি! তাহলে কাহিনী টা কি?? কিন্তু অবাক ব্যাপার হলো, যারা আজকে অভিযোগকারী, বিচারপ্রার্থী তাদের ব্যাপারে খুন রাহজানি, চাঁদাবাজি, ধর্ষন, মদ্যপানে অকাল মৃত্যু, বেশ্যাবৃত্তি, টেন্ড়ারবাজি, দখলদারিত্ব, মন্দির দখল, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ... ইত্যাদির অসংখ্য রিপোর্ট প্রতিনিয়ত দৈনিক পত্রিকাতে গত ৪০ বছর ধরেই দেখছে জনগন...
৭১ এ কারা অপরাধি ছিল নিজেই ভেবে দেখুন এবার ...
[By:Mohammad Ahsanul Haque Arif]
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৫৮
সাইমুম জড় বলেছেন: যারা (বাংলাদেশ বিরোধী এবং ওদের দোসর) যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতে বসে হোটেলে নারী মদ নিয়া ফুর্তি করেছে যেটা সাংবাদিক জহির রায়হানের ক্যামেরায় বন্দী হয়ে যায়। রাজাকার বাহিনীতে যোগদান করে এরাই বাংলাদেশের সাধারন মানুষের সর্বনাশ করেছিল। এই একই গ্রুপের লোকেরাই ১৪ ই ডিসেম্বর আমাদের সবচেয়ে মুল্যবান সম্পদ বুদ্দ্বীজীবিদের কে হত্যা করে। সাংবাদিক জহির রায়হানের তদন্তে এই রাঘব বোয়াল গুলো যখন ধরা খেয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখনই তারা সীদ্দ্বান্ত নেয় জহির রায়হান কে গুম করার। যার ফলশ্রুতিতে ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ মিরপুরে ডেকেনিয়ে গুম করে। সেই একই গ্রুপ নতুন করে খুনের নেশায় মেতে উঠেছে। তাদেরই সহযোগী যারা ৭১ সালে আকাম-কুকাম করতে গিয়া মুক্তিযোদ্দ্বা এবং সাধারন জনতার হাতে মৃত্যু হয়েছিল সেই রকম কিছু লোকের নামকে ক্ষমতার জোরে, বে-আইনি ভাবে ইসলাম পন্থি নেতাদের সাথে জুড়ে দিয়ে তাদেরকে জুডিসিয়ারী কিলিং করার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে সহযোগীতায় রয়েছে শয়তানের কন্ঠ, শয়তানের আলো গংরা। তাদের মুল এজেণ্ডা ১৯৭১ সালে তারা সফল করতে পারেনাই দেশপ্রেমিক কিছু মুক্তিযোদ্দাদের কারনে। আর বর্তমানে বাধা হয়ে দাঁডিয়েছে জামায়াত নেতারা। এই জন্যে আজকের এই ট্রাইবুনাল।
যেখানে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পিতাঃ ইউসুফ সাঈদী কে বানানো হয়েছে ৭১ সালের দেলোয়ার সিকদার পিতাঃ রসুল সিকদার।
আব্দুল কাদের মোল্লাকে বানানো হয়েছে ৭১ সালের মিরপুরের কসাই কাদের অথচ মুক্তিযুদ্দের পুরো সময় আব্দুল কাদের মোল্লা ঢ়াকাই ছিলেন না।
আরেকজন আলেম মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে বানানো হয়েছে ৭১ সালের বাচ্চু রাজাকার।
এই রকম জালিয়াতি, জচ্চুরি এবং প্রহসন অতীতকালের জংলি রাজাদের সময়ও ঘটেছে বলে কোন ইতিহাস নেই।
২|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০০
সাইমুম জড় বলেছেন: যার জন্ম ১৯৪৮ সালে, যিনি যুদ্ধের সময় ২৩ বছরের যুবক, যিনি সবে মাত্র ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছেন, ঠিক তখন ই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল...
সেই যুবক ১৯৭৫ সালে সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষা প্রশাসনে অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রথম শ্রেনিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন, সেই যুবক নাকি মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজার মানুষ কে হত্যা (!!) করেছেন, ধর্শন করেছে, জ্বালিয়ে দিয়েছে হাজার হাজার ঘর...!!
যুবক হয়ে রাজাকার বাহিনীর অন্যতম নেতা (!!) , বুজতে পারতেছেন, এমন কথা কি উম্মাদ ছাড়া আর কেউ বিশ্বাস করবে ?
আচ্চা এই মোটাতাজা যুবক এত খারাপ কাজ করল আর একজন মুক্তিযুদ্ধাও আসল না তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে, যাদের ঘর বাতি জ্বালাল তাদের কেউ ও আসল না, এই ৪২ বছর কেউ বলল না এই যুবক ভয়ানক খারাপ, যে তাদের সব ধ্বংস করেছে।
আর আজ ৪২ বছর পর তিনি নাকি জাতির জন্য হুমকি স্বরূপ , হায় হায় কি করা যায়, ??? তাই তাকে ফাঁসি দিতে হবে!! আচ্ছা তার যদি ফাঁসি হয় তাহলে সেঞ্চুরিয়ান মানিকের কি হওয়া উচিত, এক লাশের বিনিময়ে ১০টি লাশের হুকুম দাতার কি হওয়া উচিত? আজকের ধর্ষক-লুটেরা- খুনিদের, যাদের প্রমান সারা দেশের মানুষ, তাদের কি হওয়া উচিত???
৩|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:৫৯
সাইমুম জড় বলেছেন: "কলঙ্কিত বিচার, অত:পর বদর ময়দানের প্রত্যাবর্তন"
সময় ২০০২ সালের প্রথম ভাগ. সদ্য ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়া আওয়ামিলীগ, সদ্য ক্ষমতায় আশা ০৪ দলীয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় কনভেনশন করার ঘোষণা দিলো. উদ্দেশ্য, "চার দলীয় জোট প্রথমে সুক্ষ এবং অত:পর স্থুল কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে(!) এবং এসেই অপারেশন ক্লিনহার্ট এর মাধ্যমে 'হার্টক্লিন' করার সময় ওনারা যেই ব্যথা পেয়েছে সেটি সম্পর্কে গোটা জাতিকে অবহিত করা". শুনেতো সবাই হতবাক! কোথায় (৯৬-২০০১) পর্যন্ত আওয়ামী সরকারের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী লীগ ও পুলিশ লীগের করা অসংখ্য অকথ্য নির্যাতনের বিরুদ্ধে চারদলীয় জোট সরকার ব্যবস্থা নিবে, সেখানে উল্টা আওয়ামীলীগই চারদলকে আগে ধমক দিয়ে দিলো তার বিরুদ্ধে জাতীয় কনভেনশন করার! তখনকার কোনো এক মাহফিলে সাইদী সাহেব তাদের ওই কনভেনশন এর লম্পজম্প নিয়ে রস করে একটা গল্প বলেছিলেন: "পাখিদের কনভেনশন চলছে...পাখির রাজা ফিঙে সেই অধিবেশনের সভাপতি...সভার এক কোনে বিদঘুটে হুতুম প্যাঁচাকে দেখে রাজার খুব মন খারাফ....রাজা ফিঙে তখন জোর করে বলে উঠলো, এই কে আছিস! এই সভাতে যার চেহারা দেখতে সব চাইতে খারাফ, তাকে এখান থেকে বের করে দে.... রাজার কথা শুনে সেই হুতুম প্যাঁচাই প্রথম বলে উঠলো, রাজা সাহেব! নাম বলেন কাকে বের করে দিতে হবে?"
প্রশ্নবিদ্ধ যুদ্ধপরাধ ট্রাইবুনালে প্রহসনের বিচার প্রক্রিয়ার আরো একটি রায় হয়ে গেল, এবং সেই রায়ে কাদের মোল্লা সাহেবের যাবজ্জীবন! অবাক কান্ড! যেখানে একটি হত্যাকান্ডের অপরাধ প্রমানিত হলেও সুস্থ সবল কোনো আসামীকে ফাঁসির দন্ডাদেশ দেয়ার বিধান রয়েছে, সেখানে প্রহসক বিচারকের ভাষায় একটি ছাড়া সকল অভিযোগ প্রমানিত(!) হওয়ার পরেও যাবজ্জীবন! এখানে কাদের মোল্লার বিচার প্রক্রিয়ার কয়েকটি ঘটনা উল্লেখযোগ্য:
০১. আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ পল্লবহত্যাকাণ্ড, পল্লব হত্যাকাণ্ড বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন পল্লবের ভাবী সাহেরাখাতুন। তিনি প্রথমে রাষ্ট্র পক্ষের সাক্ষী ছিলেন। পল্লবের স্বজনদের মধ্যেও তিনি ছিলেন একমাত্র সাক্ষী। আদালতে এসে তিনি আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদালতকে জানান পল্লবের হত্যাকারী হিসেবে তারা কাদের মোল্লার নাম শোনেননি। তিনি জানান কিছু বিহারি পল্লবকে ধরে নিয়ে হত্যা করে।
০২. মিরপুরে কবি মেহেরুন্নেসা হত্যাকান্ড, রাষ্ট্রপক্ষের স্বাক্ষী কবি কাজী রোজী। ’৭১ এ মিরপুরের ঘটনা নিয়ে একটা বইও লিখেছেন। ট্রাইব্যুনালে তাকে জিজ্ঞেস করা হল “আপনি বই প্রকাশ করেছেন ২০১১ সালে, আর আবদুলকাদের মোল্লাকে গ্রেফতার করাহলো ১০ সালে। আপনার বইয়ে মিরপুরের কোন ঘটনায় আবদুল কাদের মোল্লার নাম নেই কেন? উনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।
০৩. ৩৪৪ জনকে হত্যা, এই ৩৪৪ জনকে হত্যা করল একজন লোক।এই ৩৪৪ জনের কি কোন স্বজন নেই? তারা কেন আসল না স্বাক্ষ্য দিতে? রাষ্ট্রপক্ষের ১২ জন সাক্ষী।কিন্তু ঘটনা কেউ স্বচক্ষে দেখে নি। সবাই জনগন থেকে শুনেছে আবদুল কাদের মোল্লা ৩৪৪ জনকে হত্যা করেছেন। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততা
আব্দুল কাদের মোল্লা ১৯৭৪-৭৫ সালে উদয়ন স্কুলে শিক্ষক ছিলেন। বিখ্যাত এই মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ কেন্দ্র জগন্নাথ হল এবং সলিমুল্লাহ হলের মাঝামাঝি এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আবাসিক এলাকা ‘ শহীদ গিয়াসউদ্দিন আবাসিক এলাকা’র এত কাছাকাছি অবস্থিত;অথচ ৭৪-৭৫ এর সেই দিন গুলিতেও ‘তথাকথিত শত শত মানুষ হত্যাকারী’ আব্দুল কাদের মোল্লা কিভাবে সেখানে নির্বিঘ্নে ছিলেন সে প্রসংগ আসতেই পারে।
আগেই বলেছি এই গোটা বিচারের প্রক্রিয়াটিই ছিল একটি প্রহসন মাত্র. ওই বিচারপতির কাছে আজ সকল বিবেকবান মানুষের প্রশ্ন: "সত্যিই সত্যিই যদি তাঁর দৃষ্টিতে প্রায় সকল অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে বলে মনে হয়, তাহলে শত শত হত্যাকান্ডের বিচারের রায়ে কিভাবে যাবজ্জীবন শাস্তি হয়? কয়টা খুনের অভিযোগ প্রমানিত হলে ফাঁসির আদেশ দেয়া যায়? সে যাই হোক, প্রহসনের এই রায় ইতিমধ্যেই আসামী পক্ষের আইনজীবীরা প্রত্যাক্ষান করেছেন এবং তাঁরা কাদের মোল্লার ব্যপারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেই স্বাক্ষ্য-প্রমান ও অকাট্য যুক্তিগুলো দেখিয়েছেন তার সাথে যদি বিচারকের এই রায়কে মিলিয়ে দেখা হয়, তাহলে আমাদের মনে পড়ে যায় 'কেয়ারটেকার সরকার' প্রসঙ্গে বিচারপতি খায়রুলের সেই বিতর্কিত ও প্রহসনের রায়: "কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি একেবারেই নাজায়েজ ও হারাম! কিন্তু প্রয়োজনবোধে আরো দুইবার সেই নাজায়েজ কাজ করা কিংবা হারাম খাওয়া যেতে পারে!"
ফিরে আসছি সেই পাখিদের গল্পে. অনেকটা ওই হুতুম প্যাঁচার আচরণের মতই, আওয়ামীলীগ-বামদল ও আওয়ামী আইনজীবিরা রায় শুনেই তড়াক করে প্রতিবাদী(!) হয়ে উঠে বলছেন: "আমরা রায় মানিনা, রায়ে জাতির আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি!". যেখানে আসামী পক্ষ এবং তার রাজনৈতিক দল এই কথাগুলো বলে তাদের প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং প্রতিবাদী হয়ে উঠবে, সেখানে উল্টা আওয়ামিলীগই রায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার! শুধু তা-ই নয়, তাদের হেরোইন ও গাঞ্জা সেবী সন্তানেরা প্রশাসনের সহযোগিতায় নেমে এসেছে শাহবাগে এবং গাঁজার আসর বসিয়ে দাবি করছে কাদের মোল্লার ফাঁসি! এখানে আরো বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, রায়ে অখুশি উভয় পক্ষের মধ্যে একপক্ষকে দেয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থায় "গাঁজা খেয়ে প্রতিবাদ" করার নিরাপত্তা আর অপরপক্ষকে দেয়া হচ্ছে সন্ত্রাসীলীগ ও পুলিশলীগের বুলেট বৃষ্টিতে রক্তস্নাত হওয়ার ব্যবস্থা. ভিন্ন ভিন্ন চিন্তাধারার হলেও, একই রকম দাবিতে সোচ্চার হওয়া দুই গ্রুপের প্রতি সরকারের দুইধরণের আচরণ যে তাদের মাদকাসক্ত সিদ্ধান্তের বহি:প্রকাশ তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা. যা হোক, এই গাঁজা সেবীরা কি জানে(?)যে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে করা একটি অভিযোগও আদালতে নির্ভেজাল যুক্তির মানদন্ডে টিকতে পারেনি! না-কি তারা রাবনের সেই কুম্ভকর্ণ ভ্রাতার মত(হেরোইন-গাঁজা) খেয়েই সারা বছর ঘুমিয়ে থাকতো!? যেখানে নির্ভেজাল যুক্তির মানদন্ডের উপর ভিত্তি করে কাদের মোল্লার বেকসুর খালাস হওয়াটাই ছিল যুক্তিযুক্ত, সেখানে প্রহসনের সাজানো রায়ে তাঁর যাবজ্জীবন হলো, এতেও না-কি তারা খুশি নয়! এখন এই সমস্ত মাতালেরা ভাবছে প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের লম্পজম্প দেখে জাতির বিবেকবান সক্রিয় অংশ শেষতক বলে উঠবে: "ভিক্ষা দরকার নাই মা, তোর কুত্তা সামলা". কিন্তু সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বয়ে যাওয়া সাহসী-তেজদীপ্ত তরুনদের মিছিলের স্রোত ও বুকের তাজা রক্ত যে ওই মাতালগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করবে ইতিহাসের এবং চিরন্তন সত্যগুলো যে একইরূপে বারবার ফিরে আসে, আজি সে কথা এদের কে শুধাবে!
আজ একদিকে এই গাঞ্জা সেবী তরুণ-তরুনীদের উন্মাতাল গান-নৃত্য ও প্রতিবাদ এবং অন্যদিকে ঈমানী শক্তিতে বলিয়ান হয়ে সাহসী তরুণ-যুবকদের প্রস্তুতি ও প্রতিবাদ দেখে মনে পড়ে গেল রাসুল(স
এর বিরুদ্ধে জাহেলদের বদরের যুদ্ধসহ অন্যান্য যুদ্ধের প্রস্তুতির সেই ঘটনা গুলো, যেখানে একদিকে যুদ্ধের ময়দানে যুদ্ধ শুরুর পূর্ব রাত্রিতে জাহেল সৈন্যরা ব্যস্ত থাকত তাদের নারী সহযোগীদের সমন্বয়ে মদ-গান-অশ্লীল নৃত্য ইত্যাদিতে, সেখানে একই ময়দানে রাসুল(স
ও তাঁর সাহাবারা নামাজে সিজদায় পড়ে আল্লাহর দরবারে সাহায্য চেয়ে কাঁদতে থাকতেন এবং এবাদতের মধ্য দিয়ে রাত পার করে দিতেন. সেই সুপরিচিত চিরন্তন দৃশ্যগুলো আজ এই ময়দানেও বিরাজমান, চোখ মেলে দেখবেন কি? বদরের স্মৃতি আজ কথা বলছে বাংলার জমিনে, আমি সুনিশ্চিত বিজয় দেখতে পাচ্ছি..আমি যেন দেখতে পাচ্ছি শহীদ আবিদ, ইমরান, মুজাহিদ, আবু রুহানি, আব্দুল্লাহ রা দলবেঁধে জান্নাতে উড়ে বেড়াচ্ছে শহীদ জাফর ইবনে আবু তালিব(রা
এর মত.
ও আল্লাহ! জান্নাতে যাওয়ার এইরকম সহজ সুযোগ থেকে আমরা যারা রয়ে গেছি তাদেরকে তুমি বঞ্চিত করোনা.......
ইনশাল্লাহ! ইসলামের বিজয় অবস্যম্ভাবী.
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৯
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: অনেক চুপ করে থাকা হয়েছে আর না । মনে রাখবেন গুটিকয়েক রাজনীতিবিদদের চেয়ে জনগনের সংখ্যা অনেক বেশি । প্রয়োজন শুধু ঐক্যমতের আর সংগঠিত করার । ওইসব নোংরা কীটদের কলজে কাপিয়ে দিতে হবে । প্রতিবাদ চলুক রাজপথে । +++++++++ একমত ।