নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঈশ্বর আর মানুষ - বিপরীত কিছু নয় কখনো ।

চল চল

দেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। ঈশ্বর আমার হতে থাকেন ।

চল চল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওরা কি পুলিশ না কি কিডন্যাপার

২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৩৬

গতকালকের ঘটনা ।আমার এক বন্ধুর

সাথে ঘটেছে ।সে শহরে আসছিল ।

পথিমধ্যে তাদের গাড়ি থামানো হয়

পটিয়ার আগে ।গাড়িতে কয়েকজন

সিভিল পোশাকধারী উঠে তল্লাশি শুরু

করে ।তার

বর্ণনা অনুসারে সবাইকে চেক করেনি ।

কয়েকজনকে সাধারণভাবে চেক করল ।

কাউকে কাউকে করলই না । আবার

কাউকে খুব কড়াভাবে চেক করে ।

যাদেরকে কড়াভাবে চেক করেছে, তাদের

একজন আমার এই বন্ধু ।

সে নাকি বারবার বলছিল আমার

ব্যাগে কিছু নেই ।তাকে পুরো দশ মিনিট

পর্যন্ত তল্লাশি করে ।তার ব্যাগ চেক

করা হয় চার বার ।তার

কাছে এটা আশ্চর্যের

হলেও,আমি আশ্চর্য নই।আমি হলেও

তাই করতাম ।সন্তুষ্ট

না হওয়া পর্যন্ত,নিশ্চিত

না হওয়া পর্যন্ত চেক

করটা দায়িত্বশীলতার পরিচয় ।এমন

দায়িত্বশীলতাকে সাধুবাদ জানাই ।

সে আরও বলল,তাদের গাড়ির

একজনকে নামিয়ে নিয়ে যায় ।

তাকে তল্লাশি করে অবৈধ কিছু পায়নি।

তারপরও তাকে নিয়ে যায় ।

এবার তাকে জিজ্ঞেস করলাম,

ওরা কারা?সে অজ্ঞতা প্রকাশ করল ।

জানতে পেরেছ?

পরে গাড়িতে আলোচনা হয়নি? তার

সোজা জবাব,না ।ড্রাইবার

থেকে জিজ্ঞেস করনি? না করিনি ।তার

মানে তারা কারা তা জানতে পারোনি ।

আচ্ছা, ঐ যে একজনকে নিয়ে গেল,

গাড়িতে তুলতে দেখেছ,

তা সে গাড়িটা দেখোনি?না, অন্ধকার

ছিল তো ।তাই কাদের

গাড়ি বুঝতে পারিনি।

আচ্ছা তোমার কী ধারণা? র্যাব

মনে হয়েছিল ।পরে সে নিজেই এ

ধারণা বাতিল করে দেয় ।

সে জানে না ওরা কারা ছিলঃ কি পুলিশ

না র্যাব বা গোয়েন্দা ।

আচ্ছা ওরা কারা তা তো বলেনি?

তুমিও জিজ্ঞেস করনি? সাহস

থাকলে জিজ্ঞেস করতে পারতে।এই

অধিকার তোমার ছিল ।তুমি হয়

তো অযথা হয়রানী থেকে বাঁচতে

তারা কারা তা জিজ্ঞেস করোনি ।

উচিত ছিল জিজ্ঞাসা করা ।

বলতে পারতে, স্যার আপনাদের

পরিচয়টা জানতে পারি?

তাঁরা যদি প্রকৃত আইনরক্ষী হয়,

আশা করি এবং আশা রাখি,তাঁরা তাঁদের

পরিচয় দিবেন।দেওয়া উচিত ।

ভদ্রতা তো এটাই চায় যে আমি যখন

সিভিল পোশাকে এলাম,

পরিচয়টা দিতে হবে আমাকে ।

ভদ্রতা বলে একটু নম্র অবস্থান

নিয়েছি ।আসলে দায়িত্ব ছিল পরিচয়

দেয়াটা ।এই দায়িত্বে অবহেলায় জন্ম

নিতে পারে বহু অপরাধ ।

এই যে একটা মানুষকে নিয়ে গেল,

ওরা কারা ছিল তারা জানে না ।

ওরা নিজেদের পরিচয় দেয়নি ।

একে যদি গুম করা হয়, পৃথিবীর কেউ

জানবে না ।এমন কি মেরে ফেললেও

কি কেউ বলতে পারবে? ।

এটা তো অপহরণও হতে পারে ।

কে নিশ্চয়তা দিবে এটা অপহরণ নয়

বলে ।কেউ নিশ্চয়তা দিবে না । আইনের

বেশে এভাবে কিডন্যাপিং একটা শিল্প

হয়ে উঠতে পারে,এই কথাকে অমূলক

আশঙ্কা বলে উড়িয়ে যাচ্ছে না স্পস্ঠত

। যে শিল্পের উদ্ভাবক হবেন আমাদের

আইনরক্ষী বাহিনী ।

একবাস লোক একথা জিজ্ঞাসা করার

সাহস পায়নি তারা কারা? কতটুকু

আতঙ্কের ভেতর আমাদের বসবাস ।

কতটুকু আতঙ্কে রাখলে একবাস মানুষ

মুখ খুলতে ভয় পায় ।কতটুকু

আতঙ্কে রাখলে দেশবাসী হয় মূক ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.