নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানবতার বাতায়ন

সাজ্জাদ বস

সাজ্জাদ বস › বিস্তারিত পোস্টঃ

পোষ্ট ফরমেটিভ স্ট্র্যাটেজি ও রানা প্লাজা

১৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:২৩

কিছুদিন আগেও পোষ্ট লেখতে অনেক মজা লাগত, কত আগ্রহ নিয়ে পোষ্ট লেখতাম আবার পরে আগ্রহ নিয়ে লগ ইন করতাম কতজন পোষ্ট পড়েছে দেখার জন্য। এখন আর ভালো লাগে না।

স্বাধীন ভাই আমার পোষ্ট পড়ার অপেক্ষায় আছেন জানিয়ে মেসেজ দিল । টপিক ও দিয়ে দিল “post formative strategy” এই টপিককে রানা প্লাজার সাথে লিঙ্ক করে পোষ্ট দিতে হবে।

পোষ্ট ফরমেটিভ স্ট্র্যাটেজি কি তাই তো জানি না, লিঙ্ক করব কীভাবে? তবে খুশি হইলাম ভাইয়ের অনুরোধে। আর এই বুরুজ পোষ্ট লেখা শুরু করলাম। অন্য কেউ পড়বে কিনা জানি না, স্বাধীন ভাইয়েরই এত বড় লেখা পড়ার ধৈর্য্য হবে কি না তা নিয়েই আমার সন্দেহ হচ্ছে। ভাইকে বললাম যে বিষয়টাকে ব্যাখ্যা করেন। ভাই যা বললেন তার সারাংশ হচ্ছেঃ

“ এটা একটা “medical sociology” সম্পর্কিত বিষয়। আমাদের সমাজে যেই সব অসুখ আছে তা সামাজিক ভাবে মোকাবেলা করতে হবে ওষুধ দিয়ে এর সমাধান সম্ভব নয়।

অর্থাৎ রানা প্লাজা যেই পঙ্গুগুলো তৈরি করেছে শুধুমাত্র তাদের শারীরিক সমস্যার সাহায্য দিলেই হবে না তাদের সামাজিকভাবে পুনর্বাসন করতে হবে। এবং রানা প্লাজা ঘটার জন্য যেই সব সামাজিক ফ্যাক্টর দায়ী সেইসব কে চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।

এই রকম একটা সামাজিক ফ্যাক্টর হতে পারে “সম্মান”। যার টাকা আছে তাকেই আমরা সামাজিকভাবে সম্মান করি। তাই যেনতেনভাবে টাকা উপার্জন করলেও রানারা সম্মান পায় যেই পর্যন্ত না রানা প্লাজা ভাঙ্গে পড়ে।

আবার এখন ও যারা গার্মেন্টসে কাজ করে তাদের মাঝে যে দুর্ঘটনার ভয় থাকে এটাও ওষুধ দিয়ে সারানো সম্ভব না যেই পর্যন্ত না তাদের মাঝে এই বিশ্বাস তৈরি করা যাবে যে আর এই রকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। ”



ভাইয়ের এই বিষয়টার সাথে এমিল ডুর্খেইমের আত্বহত্যা সম্পর্কিত গবেষনার কিছু বিষয় ও বলতে ইচ্ছা হচ্ছে।

তার আগে “social pathology” র সাথে একটু পরিচিত হতে হবে আর “social pathology” বুঝতে হলে “division of labor” বুঝতে হবে। খুব সংক্ষেপে বলতে গেলে যখন সমাজে শুধু মাত্র মানুষের মাঝে শ্রমের বণ্টন(division) হয় কিন্তু নির্ভরশিলতা(interdependence) সৃষ্টি হয় না তখন সমাজে “pathological situation” তৈরি হয়। ডুর্খেইম ৪ ধরনের “social pathology”র কথা বলেছেন। এখানে সব গুলো প্রাসঙ্গিক না।

যাই হোক এই সব প্যাথলজিক্যাল অবস্থায় মানুষ সামাজিক সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই বিচ্ছিন্নতা মানুষের আত্বহত্যার সিদ্ধন্তের পেছনে কাজ করে। অর্থাৎ সামাজিক ঘটনা আমাদের ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। ডুর্খেইম সামাজিক সমাস্যার ক্ষেত্রে সামাজিক সমাধানের প্রস্তাব করেছেন।

আমি সমাজবিজ্ঞান এবং রানা প্লাজা নিয়ে লেখতে চাই কিন্তু লেখার বিষয় পাই না। স্বাধীন ভাইকে ধন্যবাদ কারণ একই সাথে দুইটা বিষয় নিয়েই লেখার মত একটা বিষয়ে লেখার অনুরোধ করেছেন। ধৈর্য্য ধরে যারা এই দীর্ঘ পোষ্ট পড়ে শেষ পর্যন্ত আসতে পারছেন তাদেরকেও ধন্যবাদ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.