নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আধ্যাত্মিক সাধক হযরত সোলাইমান শাহ্ চিশতী (রঃ) মাজারে ৩ দিনব্যাপী ওরশ মোবারক আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে।

সােজদুল ইসলাম

আমি সাজেদুল ইসলাম

সােজদুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

*পাসের হার ৮৬.৩৭ শতাংশ; জিপিএ- ৮২,২১২; যশোর বোর্ড তৃতীয়

০৮ ই মে, ২০১২ সকাল ৮:৪৪

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৮৬.৩৭ শতাংশ। এবারের পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২ হাজার ২১২ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বিগত বছরগুলোর সকল রেকর্ড ভেঙ্গে এবার নতুন রেকর্ড হয়েছে। এবারও সারাদেশের পাশের ভিত্তিতে তৃতীয়স্থানে রয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড।

এ বোর্ডে গড় পাশের হার ৮৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৮২৫ শিক্ষার্থী। জিপিএ প্রাপ্তির শতকরা হার ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফলাফল ঘোষণার পর সারাদেশের স্কুলগুলোতে শুরু হয় মেধাবীদের আনন্দ উল্লাস। সহপাঠী, শিক্ষক, অভিভাবকদের সাথে তারা উপভোগ করেন জীবনের শ্রেষ্ঠ একটি সময়। আবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন অনেকে।

সোমবার সকাল ১০টায় গণভবনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রধানমন্ত্রী বরিশাল জিলা স্কুল, বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বরিশাল কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফলাফল অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

পরে শিক্ষামন্ত্রী দুপুর একটায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রেস ব্রিফিং করে ফলাফল ঘোষণা করবেন। এরপর দুপুর আড়াইটা থেকে সারাদেশের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে এসএসএস পাঠিয়ে, স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এবং কেন্দ্রে গিয়ে ফলাফল গ্রহণ করে।

পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বিগত বছরগুলোর সকল রেকর্ড ভেঙ্গে এবার নতুন রেকর্ড হয়েছে। গতবছর ২০১১ সালে পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৩১ শতাংশ। এবার গতবারের তুলনায় পাসের হার ৪ দশমিক ০৬ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১০ সালে এ হার ছিল ৭৮ দশমিক ১৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও হয়েছে রেকর্ড। গতবছরের চেয়ে এবার ৫ হাজার ৪৬৩ জন বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০১১ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার ৭৪৯ জন। ২০১০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ১৩৪ জন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সিলেট বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি। এই বোর্ডে পাস করেছে ৯১.৭৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ৮৮.৩৩ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৮৬.৯৬ শতাংশ, ঢাকা বোর্ড ৮৫.৯৫ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ড ৭৮.৯৬ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৮৫.৬৪ শতাংশ ও দিনাজপুর বোর্ডে ৮৭.১৬ পাস করেছে।

ফলাফলের ভিত্তিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৩জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে মেয়ে ৬৮ হাজার ১৯৮জন ও ছেলে ৬৪ হাজার ৪৩২জন। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১৯ হাজার ৫৪৩জন, মানবিক বিভাগে ৭৩ হাজার ৭৭৭জন ও বাণিজ্য বিভাগে ৩৮ হাজার ৪৪৩জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা চলাকালে মোট ২২জন বহিস্কার হন। সর্বমোট পাশ করেছে এক লাখ ১৪ হাজার ৮৪৭জন।

মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৮২৫জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৪ হাজার ৫৬৮জন, মানবিক বিভাগে ২৯৫জন ও বাণিজ্য বিভাগে ৯৬২জন। এছাড়া জিপিএ পেয়েছে ৩০ হাজার ৮২৯জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১০ হাজার ৩৩২জন, মানবিক বিভাগে ৮ হাজার ৫০৭জন ও বাণিজ্য বিভাগে ১১ হাজার ৯৯০জন।

এছাড়া এ গ্রেড পেয়েছে ৩০ হাজার ৮২৯জন।

৮ টি সাধারণ বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ১০ টি বোর্ডের অধীনে সারাদেশে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ১২ হাজার ৩৭৯ জন। এদের মধ্যে পাশ করেছে ১২ লাখ ১৯ হাজার ৮৯৪ জন। সকল বোর্ড মিলিয়ে সারাদেশে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২ হাজার ২১২ জন।

৮ টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল ১০ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৪ জন। যার মধ্যে পাস করেছে ৯ লাখ ৪ হাজার ৭৫৬ জন। সাধারণ এ বোর্ড গুলোতে পাসের হার ৮৬.৩২ শতাংশ। এ বোর্ডগুলোতে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ হাজার ২৫২ জন। আটটি বোর্ডে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৮ জন।

সব বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ হাজার ৬২৯ জন। আর সবচেয়ে কম জিপিএ-৫ পেয়েছে সিলেট বোর্ড। এ বোর্ডটিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬১১ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৭২ জন এবং অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩১ হাজার ৪৯৩ জন। পাসের হার ৮৮.৪৭ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৪৩৬ জন। গত বছরের চেয়ে ১ হাজার ২০৫ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯১ হাজার ১৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। যার মধ্যে পাস করেছে ৭৩ হাজার ৫৬৬ জন। যেখানে পাসের হার ৮০.৬৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৫২৪ জন। এখানে অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৭ হাজার ৬০৪ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২ হাজার ৩১৯ জন বেশি।







মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.