| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সংখ্যালঘু আর সঙ্খাগুরু ২ টা বড় ডেঞ্জারাস শব্দ ! সাম্প্রদায়িকতা আরেক ভয়ঙ্কর শব্দ।। এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের মানুষের উপাসনালয় ভেঙ্গে মজা পায়। অন্য ধর্মের মেয়েদের বিয়ে বা প্রেম করা যাবে নাহ বাট তাদের ঠিকই রেপ করা যাবে।! মন্দির মসজিদ ভাঙ্গা যাবে । তাতে কোন গুনাহ হবে নাহ । কিন্তু নিজের ধর্মের উপাসনালয় ভাঙলে মারাত্মক গুনাহ হবে! ।গজব পরবে তখন। আজকে যারা ফেবুতে লিখতেসেন সংখ্যালঘুদের (হিন্দুদের) উপর হামলার বিচার চান।।তারা কি নিজেদের অসাম্প্রদায়িক ভাবেন?? যদি ভেবে থাকেন তাহলে তারা ভুল ভাবতেসেন।অসাম্প্রদায়িক মানে কি ?? যারা অসাম্প্রদায়িক মানুষ তারা স্বজাতপ্রিতি ত্যাগ করেন (মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেন ধর্মের হিসেবে নয়) । তারা নিজে নিজের ধর্মের মানুষ কে যে রকম ভাবেন ঠিক তেমনি অন্য ধর্মের মানুষকেও সমভাবে বিবেচনা করেন।। বাবরি মসজিদ, গুজরাট রায়ট এই সব এ কি হইছিল??? এবং তার পর বাংলাদেশ এ কি হইছিল? সবকিছুরই পয়েন্ট ছিল ধর্মের ব্যাবহার । কেন এক ধর্মের মানুষ আরেক ধর্মের মানুষকে কেন মারে??হিন্দু,মুসলিম,খ্রিষ্টান,বৌদ্ধ সবাই সবাইরে মারে!! কেন ?? সবারই একটা সাধারণ বিশ্বাস থাকে তা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস ।। তারপর ও কেন এত মারামারি?? জানি উত্তর পাব নাহ । কারণ এখানেও কম্পিটিশন । কার ধর্ম মহৎ তা প্রমাণ করার যুদ্ধ । আমরা ঠিক তোমরা ভুল এই মনভাব।জনসংখ্যা বাড়ানোর যুদ্ধ! ।আমাদের ইতিহাসে যারা মহৎ তারাও সাম্প্রদায়িক ছিলেন।। রাজা রাম মোহন রায় কি করলেন "হিন্দু এংল" বিদ্যালয় স্থাপন করলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংসৃত কলেজে হিন্দুদের যাওয়ার বেবস্থা করলেন!।হাজি মুহাম্মদ হুহসিন মুসলিমদের শিক্ষা বিস্তারে কাজ করলেন।নউয়াব আব্দুল লতিফ হিন্দু কলেজ কে প্রেসিডেন্সি কলেজ ঠিকই করলেন কিন্তু হাজি মুহাম্মদের ট্রাষ্ট টা ঠিকই মুসলিম দের করার করার জন্য কাজ করলেন! । সবাই সাম্প্রদায়িক! । আর তাদের ফলয়ার আমরা! অদ্ভুত ...।কোন বাচ্চা যখন জন্ম গ্রহণ করে তখন তার শিশু ধর্ম থাকে , আস্তে আস্তে সে মনুষ্যত্ব ধর্ম অরজন করে । আর এই অর্জনে সম্প্রদায় ধর্ম তার গাইড লাইন হিসেবে কাজ করে।। কিন্তু এখন মনুষ্যত্ব ধর্ম এর কোন দাম নাই , অরিজিনাল গাইড ধর্মের ও দাম নাই ।। শুধু দাম আছে ভুয়া ফেইক গাইডের । ... .........
আর শেষ কথা আজকাল ফেবুতে ""মালাউন"" এবং ""তকিউন " নামক ২ টি শব্দের ব্যাবহার চোখে পরার মত। তাদের মানে কি জানেন?? "মালাউন"" অর্থ "যিনি মাল্য ধারন করেন " । আর "তকিউন" মানে "যিনি তকি ধারণ করেন " । এই ২ টা জিনিস কি ধারন করা খারাপ ?? যদি না হয় তাহলে এদের আমরা গালি হিসেবে বিবেচনা করি কেন?? কেন আমরা এদের প্রশংসা হিসেবে বিবেচনা করি নাহ ?? আরেক টা কথা আপনাকে যদি কেউ ধর্মান্তরিত করে তাহলে কি আপনি অন্য ধর্মের হয়ে যাবেন? কাপড় চেঞ্জ করলে কি আপনার শরীরের চামড়া চেঞ্জ হয়ে যায় ??
আমাদের পড়াশুনার গাইড বই ভিন্ন হতে পারে কিন্তু পাঠ্য বই ত একই তাই নাহ ??
আমাকে নিয়ে যদি আপনাদের ধুয়াশা সৃষ্টি হয় তাহলে আপনাদের সেই ধুয়াশার প্রশ্নের উত্তর আমি পাঠ্য বই এর অনুসারি...
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:০০
সপ্তদীপ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই .।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:০৭
গল্পসল্প বলেছেন: খুবই ভাল লেগেছে তাই ক্যাপশন শহ আমার ফেবু তে পোষ্ট করলাম লেখাটা। আপনার ভক্ত হয়ে গেলাম আজ থেকে।
ধন্যবাদ