| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন
আমি কেউ না।একদা পথ শিশু ছিলাম। বড় হয়ে এখন পথ মানব হয়েছি। বাবা এক দিন স্বপ্ন দেখানোর সুরে বলেছিলেনঃ দেখিস, এক দিন আমাদেরও....! আমার দেখা হয়নি কিছুই । এখনো অপেক্ষায় আছি কিছু একটা হবো, কিছু একটা দেখবো।
নন্দলাল
নন্দলাল তো একদা একটা করিল ভীষণ পণ-
স্বদেশের তরে যে করেই হোক রাখিবেই সে জীবন
সকলে বলিল, “আহা হা, কর কী, কর কী নন্দলাল? ”
নন্দ বলিল, “বসিয়া বসিয়া রহিব কি চিরকাল?
আমি না করিলে কে করিবে আর উদ্ধার এই দেশ”
তখন সকলে কহিল, “বাহবা, বাহবা, বাহবা, বেশ।”
নন্দর ভাই কলেরায় মরে , দেখিবে তাহারে কে বা?
সকলে বলিল, “যাও না নন্দ , করনা ভায়ের সেবা।”
নন্দ বলিল, “ভায়ের জন্য জীবনটা যদি দিই-
না হয় দিলাম, কিন্তু, অভাগা দেশের হইবে কী?
বাঁচাটা আমার অতি দরকার, ভেবে দেখ চারিদিক। ”
তখন সকলে বলিল, “হাঁ হাঁ হাঁ , তা বটে, তা বটে, ঠিক। ”
নন্দ একদা হঠাৎ একটা কাগজ করিল বাহির-
গালি দিয়া সব গদ্যে-পদ্যে বিদ্যা করিল জাহির।
পড়িল ধন্য , দেশের জন্য নন্দ খাটিয়া খুন-
লেখে যত তার দ্বিগুণ ঘুমায়, খায় তার দশগুণ।
খাইতে ধরিল লুচি আর ছোঁকা, সন্দেশ থাল-থাল –
তখন সকলে কহিল, “বাহবা, বাহবা, নন্দলাল।”
নন্দ বাড়ীর হত না বাহির , কোথা কী ঘটে কি জানি,
চড়িত না গাড়ি, কি জানি কখন উল্টায় গাড়িখানি।
নৌকা ফি-সন ডুবিছে ভীষণ, রেলে কলিশন হয়,
হাঁটিলে সর্প, কুক্কুর আর গাড়ি চাপা পড়া ভয়।
তাই শুয়ে শুয়ে কষ্টে বাঁচিয়া রহিল নন্দলাল-
সকলে বলিল, “ভ্যালা রে নন্দ, বেঁচে থাক চির কাল”
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:২১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমরা সবাই নন্দলাল ।
২|
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৬
আজমান আন্দালিব বলেছেন: এখানে কি পুরো কবিতাটা এসেছে? অনেকদিন ধরে প্রিয় এই কবিতাটা খুঁজছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। প্রিয়তে নিলাম মুখস্ত করবো বলে।
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: না, পুরোটা আসেনি। পরে যোগাড় করতে পারলে দেব। ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৩
দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশে নন্দলালদের সংখ্যাই তো বেশী। যারা জনগণের সেবা করে অর্থাত নেতারা এর বড় প্রমাণ।