নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি কখনো নিজের নাম লুকোই না। আকাইমা শব্দ দিয়ে বানানো ছন্ম নাম আমার পছন্দ নয়। মা-বাবা\'র দেয়া নাম দিয়েই প্রোফাইল খুলেছি।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

আমি কেউ না।একদা পথ শিশু ছিলাম। বড় হয়ে এখন পথ মানব হয়েছি। বাবা এক দিন স্বপ্ন দেখানোর সুরে বলেছিলেনঃ দেখিস, এক দিন আমাদেরও....! আমার দেখা হয়নি কিছুই । এখনো অপেক্ষায় আছি কিছু একটা হবো, কিছু একটা দেখবো।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রানিল বরখাস্ত। নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসা।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৩৬

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসা।


শ্রীলংকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাইত্রি পালা সিরিসেনা নির্বাচিত হন তিনি যারা মন্ত্রী সভার মন্ত্রী সভার মন্ত্রী ছিলেন সেই প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজা পাকসার সাথে নির্বাচনে লড়াই করে তাকে পরাজিত করে। মিস্টার সিরিসেনা মাহিন্দা রাজা পাকসার মন্ত্রী সভার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত করেন তারই রাষ্ট্রপতিকে ।

পররবর্তীতে পার্লামেন্ট নির্বাচনেও সাবেক প্রেসিডেন্টের দল তেমন ভালো না করায় ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির রানিল বিক্রেমাসিংহে প্রধানমন্ত্রী হন অন্য একটি দলের সমর্থন নিয়ে।

মৈত্রীপালা সিরিসেনা ও রানিল বিক্রেমা সিঙ্গে।


প্রেসিডেন্টের সাথে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহের সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিলো না। গত কয়েক মাস ধরে তাদের দুইজনের দ্বন্দ্বে রাজনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়। দ্বন্দ্বের জের ধরে বর্তমান জোট সরকার থেকে সমর্থন তুলে নেয় প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম অ্যালায়েন্স। এরপরই প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা।

২০১৫ সালের নির্বাচনে রাজাপাকসেকে পরাজিত করেছিলেন সিরিসেনা। পরাজিতরা একে ‘ভারত সমর্থিত অভ্যুত্থান’ বলে আখ্যায়িত করেন।

বলা হচ্ছে , এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় দুই জন প্রধানমন্ত্রী আছেন।

সমালোচকরা বলছেন, সংবিধান লঙ্ঘন করে শুক্রবার রাতে আকস্মিকভাবে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। গায়ের জোরে এদিনই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহিন্দা রাজাপাকসেকে শপথ দেন তিনি।

মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো সরকারের চিত্র পাল্টে ফেলেন। ‘সাংবিধানিক আইন’বলে প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল আছেন বিক্রমাসিংহে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও ত্যাগ করেননি তিনি। শ্রীলংকার ১৯তম সংবিধান সংশোধনীতে প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্তে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাতিল করা হলেও আইন ভেঙে রাজাপাকসেকে নিয়োগ দিয়েছেন সিরিসেনা।
তার এমন আগ্রাসী পদক্ষেপকে ‘প্রেসিডেন্ট ক্যু’ (রাষ্ট্রপতির অভ্যুত্থান) হিসেবে অ্যাখায়িত করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম। পরিস্থিতি বশে আনতে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত পার্লামেন্ট কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছেন সিরিসেনা।
বিরোধীদের অভিযোগ, এ সময়ের মধ্যে পার্লামেন্টে নিজ দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাড়াতে এমপি কিনতেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। পার্লামেন্টে বিক্রমাসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠ।


বিবিসি –র বরাতে জানা যায়, শুক্রবার ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম অ্যালায়েন্স (ইউপিএফএ) জোট থেকে সরে যান বিক্রমাসিংহে। এর পরপরই সিরিসেনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তাকে বরখাস্ত করেন।

ইউএফপিএ নেতা সিরিসেনা এক সময় রাজাপাকসের সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। পরে অবশ্য তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। ২০১৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সিরিসেনার পক্ষে সমর্থন ছিল বিক্রমসিংহের।

সিরিসেনার আকস্মিক এমন পদক্ষেপে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছে শ্রীলংকায়। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রিসভাও বাতিল হয়ে যায়। রাজাপাকসে এখনও তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেননি। তবে শনিবার থেকে রাজাপাকসে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেছেন।

২০১৫ সালে দেশটির ১৯তম সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্তে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাতিল করা হয়। ওই সংশোধনীতে বলা হয়, মৃত্যুবরণ, পদত্যাগ এবং পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের মাধ্যমেই কেবল প্রধানমন্ত্রিত্ব খোয়া যাবে। আর এসব কারণে প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হলেই কেবল প্রেসিডেন্ট নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারবেন।

পার্লামেন্টেও বিক্রমসিংহের দল ইউএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠ ১০৬ এমপি রয়েছে। আর ইউপিএফএ জোটের রয়েছে ৯৬ এমপির সমর্থন। অনাস্থা এড়াতে পার্লামেন্টের ২২৫ আসনের মধ্যে ১১৩ জনের সমর্থন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অনাস্থা ভোট ব্যর্থ করতে মাত্র ৭ এমপির সমর্থন দরকার বিক্রমাসিংহের। গত বছরও তার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছিল। কিন্তু সেবারের ভোটাভুটিতে তিনি উতরে গিয়েছিলেন।

এদিকে বাজেট অধিবেশনের জন্য ৫ নভেম্বর থেকে দেশটির নতুন সংসদ অধিবেশন বসার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই পার্লামেন্টের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিরোধীদের অভিযোগ, পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাড়াতে আগামী দুই সপ্তাহ এমপিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরবে ক্ষমতাসীন জোট। অর্থ ঢেলে তাদের জোটে ভেড়ানোর চেষ্টা চলবে। ইতিমধ্যে ইউএনপির ২০ জনের বেশি এমপি রাজাপাকসেকে সমর্থন দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলীয় পার্লামেন্ট সদস্য আনন্দ আলুথগ্যামেজ।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সফরে থাকা অবস্থাতেই বিক্রমাসিংহে বরখাস্ত হওয়ার খবর পান। মধ্য ডানপন্থী ইউএনএফ দলের এ নেতা পরে প্রেসিডেন্টের আদেশ মানতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী কেবল পার্লামেন্টই তাকে সরাতে পারে।

আমার এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। আমি এখনও শ্রীলংকার বৈধ প্রধানমন্ত্রী। আমি এ দায়িত্ব চালিয়ে যাব।’

এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখলে রাখা বিক্রমাসিংহে।
সিরিসেনার এ পদক্ষেপকে ‘অসাংবিধানিক’ অ্যাখ্যা দিয়ে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন বিক্রমাসিংহের মন্ত্রিসভার সদস্য মঙ্গল সামারাবিরা ও মন্ত্রিসভার মুখপাত্র রাজিথা সেনারত্নে। সে সময় রুপবাহিনী টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়। টুইটারে রাজপাকসের নিয়োগকে ‘গণতন্ত্রবিরোধী অভ্যুত্থান’ হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন সামারাবিরা।


মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সাজ্জাদ ভাই আপনি কি এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় আছেন? একেবারে টাটকা খবর দিলেন । না মালয়েশিয়ায় বসেই খবরটি দিলেন ?

এখানে খবরে দেখলাম বিষয়টি ।

আগে র কমেন্টের এখনো কোন উত্তর পাইনি ।

* শুভেচ্ছা রইল ।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: দাদা, আ‌মি সা‌ড়ে পাঁচ বছর কল‌ম্বো‌তে ছিলাম।ওখানকার রাজনী‌তি, সমাজ, ক্রীড়া, বাজারদর আ‌মি খুব ভা‌লো জা‌নি। নেতা‌ফেতা সব চি‌নি। সম্ভাবনাময় এক‌টি দেশ। ত‌বে চীন ও ভারত বিগ ব্রাদার হ‌তে চাই এই টা বিরাট সমস্যা। আ‌মি কুয়ালালামপু‌রেই আ‌ছি। মায়ার টা‌নে শ্রীলঙ্কা‌কে নি‌য়ে পোস্ট দিলাম। ভা‌লো থাকুন, দাদা। শুভ হোক প্র‌তি‌টি মুহূর্ত।

২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা মুল বদমায়েস। চীন বা ভারতের হাত থাকতে পারে।
প্রেসিডেন্ট এখতিয়ার বহির্ভুত ভাবে ফরমায়েসি ডিক্রিবলে প্রধানমন্ত্রীকে বর্খাস্ত করে।
নিয়ম হলো প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত হলে আবার সংসদে ভোটাভোটি হবে।
সংসদে তারাই সংখাগরিষ্ঠ। পার্লামেন্টের জরুরি অধিবেশন ডাকেন বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট আবার বদমায়েসি করেন।
প্রধানমন্ত্রী সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে সংসদের জরুরী সভা ডাকার ঘোষণা দেওয়ার পর পরই প্রেসিডেন্ট ১৬ই নভেম্বর পর্যন্ত সংসদ স্থগিত করে দেন। এখন ডেডলক।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:২৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনার মন্তব্য খুবই যুক্তিপূর্ণ। চীন আর আর ভারত সব সময়ই শ্রীলঙ্কা আর মালদ্বীপে বিগ ব্রাদার সুলভ আচরণ করতে অভ্যস্ত।

ধন্যবাদ। ভালো থাকুন ।

৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৩০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.