নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলা ভাষা অনেক সুন্দর একটি ভাষা। বাংলা আমার ভাষা। বাংলা আমার দেশ।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

আমি কেউ না। কবে যে কেউ হতে পারবো।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক বাংলাদেশীকে হন্য হয়ে খুঁজছে মালয়েশিয়ার পুলিশ!

০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৮



এক বাংলাদেশীকে হন্য হয়ে খুঁজছে মালয়েশিয়ান পুলিশ। কোভিড ১৯ এর সময় মালয়েশিয়াতে কর্মরত আন ডকুমেন্টেড মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কারদের নিয়ে তৈরি একটি ডকুমেন্টারি তৈরির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই বাংলাদেশীর প্রতি।



সম্প্রতি কাতার ভিত্তিক টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আল-জাজিরা তে প্রচারিত একটি ডকুমেন্টারিতে বাংলাদেশের এই মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তির
উপস্থিতি দেখা গেছে।

পুলিশ প্রশাসন ও মন্ত্রীরা এ নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন । মালয়েশিয়ার গণমাধ্যম সমূহ আজ কালকার মূল খবর মূলত এটাই ছিল। প্রশাসনের বক্তব্য এই ডকুমেন্টারির মাধ্যমে মালয়েশিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হয়েছে।

তাই ডকুমেন্টারি সাথে জড়িত ব্যক্তিদেরকে দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ প্রশাসন খুবই তৎপর হয়ে উঠেছে।

ডকুমেন্টারির বেশ কয়েক জায়গায় যে দাড়িওয়ালা বাংলাদেশের যুবকটিকে দেখা যায় তার নাম রায়হান কবির।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ঘুরেফিরে বাংগালীদের জন্য ভালো খবর নয়।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৩৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সমস্যা সব জায়গায়ই । দেশে বিদেশে সব জায়গায় আমরা সমস্যা।

২| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: ২৬ মিনিটের ভিডিও টা দেখলাম।
এই বাঙ্গালীকে ধরতে পারলে তাকে কি করবে? দেশে পাঠিয়ে দিবে? না মালোশিয়ার আইন অনুযায়ী তাকে শাস্তি দিবে?

০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ধরে নিন, ঢাকার কোন কোম্পানিতে চাকরি করে ভারতের এক জন লোক।

এখন সেই লোক যদি কোন বিদেশী টেলিভিশনের কাছে বাংলাদেশের কোন বিষয় নিয়ে নালিশ আকারে উপস্থাপন করে বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আপনার কি তা ভালো লাগবে ? কিংবা বাংলাদেশের সরকার কি সেটা ভালো ভাবে নিবেন?

আলোচ্য ভিডিওতে যে লোকটিকে দেখছেন তিনি মালয়েশিয়ার কোন নাগরিক নন। তিনি এমন একটি দেশের নাগরিক হিসাবে মালয়েশিয়াতে কামলা দিতে গেছেন যে দেশের মানুষের প্রধান কাজ বিদেশে কামলা দেয়া। সেই বিবেচনায় তিনি বা আমরা মালয়েশিয়ার শ্রমদাস। 10 হয়ে মনের বিরুদ্ধে বিদেশে টিভিতে সাক্ষাত্কার দিলে বা অভিযোগ করলে মনিবরা তো রাগ করবেই।

আপনি হয়তো জানেন যে, মালয়েশিয়াতে এখন একটি লেজেগোবরে অবস্থায় থাকা সরকার বিরাজ করছে । তারা চাইবে না পরিস্থিতি কোন ভাবেই তাদের প্রতিকূলে যাক।

তবে এই লোকের খবর আছে।

৩| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আলজাজিরায় প্রচারিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, মালয়েশিয়া
অবৈধ অভিবাসীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। প্রতিবেদনে তাই
তো দেখলাম। এটি কি ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য? ছবি কি মিথ্যা বলে?
আল-জাজিরার ‘লকডআপ ইন মালয়েশিয়া লকডডাউন’ শিরোনামে ২৫
মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ওই প্রতিবেদনে করোনায় অবৈধ অভিবাসীদের
সাথে কেমন আচরণ করা হচ্ছে তা নিয়ে কথা বলেছিলেন রায়হান কবির।
তিনিতো প্রতিবেদনটি তৈরী করেন নি!! ওই প্রতিবেদনে বলা হয়,
মালয়েশিয়া সরকার মুভমেন্ট কনট্রোল অর্ডারে (এমসিও) মাধ্যমে
দেশটিতে অবৈধ প্রবাসীরা মহামারি করোনাকালীন বৈষম্যমূলক
আচরণের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর থেকে
দেশটির স্থানীয় নাগরিকও কঠোর সমালোচনা করেছে।
এখন দোষ চাপেনো হচ্ছে রায়হান কবিরের উপর।
উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে!! পারলে আল জাজিরার
প্রতি্বেদকে ধর !!

০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ধরে নিন, ঢাকার কোন কোম্পানিতে চাকরি করে ভারতের এক জন লোক।

এখন সেই লোক যদি কোন বিদেশী টেলিভিশনের কাছে বাংলাদেশের কোন বিষয় নিয়ে নালিশ আকারে উপস্থাপন করে বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আপনার কি তা ভালো লাগবে ? কিংবা বাংলাদেশের সরকার কি সেটা ভালো ভাবে নিবেন?

আলোচ্য ভিডিওতে যে লোকটিকে দেখছেন তিনি মালয়েশিয়ার কোন নাগরিক নন। তিনি এমন একটি দেশের নাগরিক হিসাবে মালয়েশিয়াতে কামলা দিতে গেছেন যে দেশের মানুষের প্রধান কাজ বিদেশে কামলা দেয়া। সেই বিবেচনায় তিনি বা আমরা মালয়েশিয়ার শ্রমদাস হয়ে মনের বিরুদ্ধে বিদেশে টিভিতে সাক্ষাত্কার দিলে বা অভিযোগ করলে মনিবরা তো রাগ করবেই।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মানুষের চিন্তাধারায় কিছুটা পার্থক্য আছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল এমনকি অনেক মানুষ ও দেশের বিষয় নিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করে আরাম পেতে চায়। মালয়েশিয়ানরা এটা করে না। কোন সমস্যা হয়ে থাকলে সেই সমাধান দেশের অভ্যন্তরেই করতে হবে।

সব চেয়ে বড় কথা আপনি যখন কোন একটি দেশে প্রবাসী হিসেবে থাকবেন তখন সেই দেশের আইন-কানুন কঠিন ভাবে মেনে চলতে হবে । সেই দেশের আইনের পরিপন্থী কোন কাজ করা যাবে না ভুলেও। এর মধ্যে আপনি যতই যুক্তি খুঁজে পান না কেন।

বাংলাদেশিরা বিদেশে গেলেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের শাখা খুলে বসে। এটা পৃথিবীর কোন দেশের মানুষই করে না। আপনি এক জন গণমাধ্যম কর্মী আপনি কি দেখাতে পারবে, ঢাকায় আমেরিকানরা ডেমোক্রেটিক পার্টির শাখা খুলেছে ? কিম্বা রিপাবলিকান পার্টির শাখা খুলেছে? কোন ব্রিটিশ নাগরিক ঢাকাতে লেবার পার্টির শাখা খুলেছে এমন কোন নজির আপনি দেখাতে পারবেন?
অথচ এই মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের শত শত শাখা-প্রশাখা আছে। তারা মিছিল করে । মিটিং করে ।সমাবেশ করে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলির গঠনতন্ত্রে কিন্তু বিদেশে শাখা খোলার ব্যাপারে কোন ধারা উপধারা নেই। তারপরেও রাজনৈতিক দলগুলোর বড় বড় নেতারা আবার কাদের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এ দেশের এই রাজনৈতিক দলের সাদা গুলিকে অনুমোদন দিয়ে থাকে যা গঠনতন্ত্রের বিরোধী।

আপনি হয়তো জানেন যে, মালয়েশিয়াতে এখন একটি লেজেগোবরে অবস্থায় থাকা সরকার বিরাজ করছে । তারা চাইবে না পরিস্থিতি কোন ভাবেই তাদের প্রতিকূলে যাক। রায়হান এক জন রাজনৈতিক কর্মী। তাকে ধরার ব্যাপারে মালয়েশিয়ার পুলিশ যথেষ্ট তৎপর। এখন বর্ডার বন্ধ। বিমান চলাচল করছে না। সে যদি কোন ভাবে পালিয়ে থাইল্যান্ডের ঢুকে পড়তে পারে তবে সে বেঁচে যাবে। সিঙ্গাপুরে ঢোকা খুবই অসম্ভব একটি ব্যাপার। সে সিঙ্গাপুরে ঢুকতে পারবে না।

আসুন আমরা বাংলাদেশকে ভালবাসি । বাংলাদেশের যে কোন ব্যাপারে বিদেশী দের কাছে নালিশ না করে
নিজেরাই সমাধান করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.