![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অগ্রগতির আরও এক ধাপ পেরুলো বাংলাদেশ। নারী-পুরুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসরমান দেশ ও জাতি। সাহসের বরাভয় বাংলার নারী আজ পুরুষের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জিং পেশায় অবতীর্ণ। অবরোধবাসিনী জীবন ছেড়ে বেরিয়ে আসা বাংলার মেয়েরা আজ আর পিছিয়ে নেই। সকল বাধাবিপত্তি, প্রতিবন্ধকতা, ধর্মান্ধতা কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে নিজেদের শ্রম, মেধা এবং দক্ষতা দিয়ে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে আজ সর্বক্ষেত্রেই। নানা ধরনের চ্যালেঞ্জিং এবং দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। তাই সমাজে নারীর অবদান সবক্ষেত্রেই নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে জ্বলছে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র মহান দায়িত্ব নিয়ে নারীরা এগিয়ে চলছে। মেয়েদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করা দরকার এই কারণেই শুধু নয় যে, অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আবশ্যক। ব্যক্তিত্বের বিকাশ এবং মানবিক প্রশান্তির জন্যও তা জরুরী। স্মরণ করা যায়, এ দেশের গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে নারীর উজ্জ্বল সাহসী ভূমিকার কথা। অস্ত্র হাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে যুদ্ধ করেছে শত্রুর বিরুদ্ধে এই বাংলার নারীরা। পাশাপাশি আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা ও শুশ্রষার কাজেও তারা সাফল্য দেখিয়েছে। শুধু প্রেরণা হয়ে থাকা নয়, নারীরা রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক কর্মকান্ড, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। নারী শিক্ষার হারও বেড়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আইনও হয়েছে। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। নারীর অংশগ্রহণে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যাবে। একদিন হয়ে উঠবে উন্নত দেশ। নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন এবং সর্বোপরি সামাজিকভাবে নারীকে মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই ঘটে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন। নারীরা এ দেশের জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে এই প্রথম মেডিক্যাল কোরে বিপুল সংখ্যক নারী প্রশিক্ষণ শেষে কর্মক্ষেত্রে অংশ নিতে প্রস্তুত এখন।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫১
নিলু বলেছেন: নারী / পুরুষ সমতালে এগিয়ে যাক দিন দিন , লিখে যান