| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি বাংলার ছেলে, বোরকা পরা মহিলা যেমন আমার মা, সিথিতে সিদুর দেয়া মহিলাও তেমন আমার মা। আমার চেতনা নজরুল। আমার চেতনা তিতুমীর। যেই তিতুমীরের আন্ডারে হিন্দু মুসলিম সব কৃষকরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিয়েছিল, বাশের কেল্লা গড়ে তুলেছিল।
আমি আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের উত্তরাধীকারি। ড, কুদরত-এ-খুদা যখন ফার্ষ্ট ক্লাস পায়, তখন কলকাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু শিক্ষকরা কুদরত-এ-খুদাকে ফার্ষ্ট ক্লাস দিতে রাজী হয় নাই। তারা একটা মুসলমান ছেলেকে ফার্ষ্ট-ক্লাস দিবে না। কিন্তু আমার পূর্বপুরুষ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় সব সাম্প্রদায়িক হিন্দু শিক্ষকে একহাতে পরাজিত করে তার প্রিয় ছাত্র কুদরত-এ-খুদাকে ফার্ষ্ট ক্লাস দিলেন। কেউ রুখতে পারে নাই আচার্যকে।
আমি বীর উত্তম খালেদ মোশারফফের উত্তরাধিকারী। এক রাজাকার নেতার পাছায় এক হিন্দু সিপাহীকে দিয়ে লাথি দিইয়েছিলেন এই খালেদ মোশাররফ। কেউ রুখতে পারে নাই বীর উত্তমকে।
তোরাও আমাদের রুখতে পারবি না। বাঙ্গালি জাতিকে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন শক্তি রুখতে পারে নাই, আর পারবেও না।
আমরা এক সময় ধনী ছিলাম, আজ হয়তো গরীব। সম্পদ সবার সব সময় থাকে না, মানুষ সময়ের সাথে ধনী হয় গরীব হয়। কিন্তু থাকে বংশমর্যাদা। জাতের মেয়ে কালো ভাল, নদীর পানি ঘোলাও ভাল। আমরা জাত মানব সন্তান। বাঙ্গালি এক উচ্চজাতের মানব সম্প্রদায়, যাদের সামনে হার মেনেছে ইতিহাসের সব শক্তি। কেউ আমাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারে নাই আর পারবেও না।
জয় বাংলা।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৩
এর-৭ বলেছেন: বাল ফালানির মিথ্যা গল্প কওয়ার আর জায়গা পাস না? রাজাকার নেতার পাছায় লাত্থি দেওয়ার ঘটনা শুনে মাথা গরম হয়ে গেছে?
তোর সাবধানতার উপর খাড়াইয়া মুতলাম। কি করবি? কি বাল ফালাবিরে?
পাকিস্তানে যা, পাকিস্তানে। এই দেশে থাকার কোন দরকার নাই তোদের।
২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৩
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: এইসব রাবিশের মুখে আচার্য প্রফুল্ল, আর কুদরত-ই-খুদার নাম কেমন যেন বেমানান শোনায়। আমার গল্প অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কারন অবক্ষয়ের যুগে সত্যিটা মিথ্যার মত শোনায়।
আমি বাংলাদেশে থাকব তবে তোমার জায়গা সেখানে হবে না, হলে বড়জোড় আমার চিলেকোঠায় হবে।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৯
এর-৭ বলেছেন: আরে রামছাগল, রাবিশ হইলা তুমি, রকেট দেখলেই ব্যালিষ্টিক মিসাইল বুঝ, স্যাটেলাইট বুঝ না। যে রকেট মানবজাতির প্রথম স্যাটেলাইট পাঠালো সেইটারেও চিন না এই স্যাটেলাইটের যুগে বইসা। আগে শিক্ষিত হও, তারপরে কথা বলতে আসবা, বুঝছ? পরীক্ষা পাশ করা শিক্ষিত না, মানবিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত। তোমাদের মত শূয়োরদের মুখে বাংলাদেশ নামটা মানায় না।
তোমাদের জন্য যে বাংলাদেশ হারাম তা প্রমাণ হয়ে গেছে। থাকতে পারবা বাংলাদেশে, কিন্তু পদে পদে অপমানিত আর লাঞ্ছিত হয়ে বেওয়ারিশ কুকুরের মত জীবন যাপন করতে হবে। এর থেকে ভাল পাকিস্তানের টিকিট কাট। আমার জায়গা নিয়ে তোমার চিন্তা না করলেও হবে, নিজের পশ্চাতদেশ সামলাও, নতুবা পাবলিকের লাত্থি কিন্তু একটাও মাটিতে পরবে না।
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৯
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: দুনিয়ার নাট্যশালায় সব রকম পাগলের অভিনয় দেখতে চাই। মজা লাগল।
প্রতিদিন ব্লগের পাতায় একজন আরেকজনকে দেশ ছাড়া করায় ব্যস্ত আছে - বাস্তবে সব মিছা কথা। আমি কথা বাড়াতে চাই নাই কিন্তু পাগলামীর দৃশ্য দেখতে খুব ভাল লাগে। পাগলরা সব সময় আনবাউন্ডেড থাকে একারনে দেখতে ভাল লাগে।
আর তোমারটা যে মিসাইল সেটা আমারও জানা। নাসার হেডকোয়ার্টার আমার বাসা থেকে সিকি মাইল দুরে - কাজেই আটলান্টিস, ডিসকাভারী থেকে শুরু করে বেশীরভাগ স্পেস শাটলের অরিজিন্যাল এবং প্রোটোটাইপগুলো আমার দেখা, এমনকি এগুলোর ভিতরে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। সর্বশেষ স্পেস শাটল এনডেভার যা সম্ভবত: মাস দুয়েক আগের ঘটনা সেটাকে সমেত ক্যারিয়ারটার ছবি রানওয়ে থেকে তোলা আছে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৯
এর-৭ বলেছেন: বাল জান তুমি আমার। ফিজিক্সের বইয়ের সাথে ছবি তুললেই কেউ ফিজিক্স জানে না। আচ্ছা যাও তুমারে একটা চান্স দিলাম। কও দেহি এই রকেটের ইঞ্জিনের ডিজাইন কে করছে? যদি কইতে পার, তাইলে তোমারে ছাইড়া দিমু, আর নয়তো বাল পাকনামি করা ছেড়ে দিও।
আর এইডা মিসাইল না। মিসাইল কোনডা আর ক্যারিয়ার রকেট কোনডা তাও চিন না। ছবির দিকে তাকাইয়া দেখ, সয়ুজ ক্রাফট বসানি। মিসাইল হইলে ওয়ারহেড থাকতো, সয়ুজ থাকতো না। যা হোক বাল পাকনামি অভ্যাস থাকলে এইসব বুঝবা না। মূর্খ হইয়া জ্ঞানীর ভান করাটা ঠিক না। চাপাবাজী ছেড়ে ভাল হয়ে যাও। এই যে তুমি এখানে না জাইনা কথা কইয়া অপমানিত হইলা, ভাল লাগলো তোমার?
৪|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০১
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: কিভাবে বোঝাতে পারি যে Clear Lake, suburb of Houston যেখানে নাসার হেডকোয়ার্টার তা আমার বাসা থেকে বেশী দুরে না? নাসার উৎক্ষেপন বেশীরভাগ সময় কেপ কেনভেরা অথবা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হলেও সবকিছু কন্ট্রোল করা হয় এই হিউষ্টন, টেক্সাস থেকে। এটি-ই নাসার সুতিকাগার। রকেট, মিসাইলের তর্কটা বাদ দিলে, আমার ঠিক আগের কমেন্ট একেবারে প্রথম কমেন্টের মত নির্জলা সত্য।
আমি রকেটের ডিজাইনারের নাম বলতে পারব না কিন্তু নাসার প্রতিটা জিনিস দেখেছি এমনকি সবচেয়ে বড় বাথটাবটা যেখানে জিরো গ্র্যাভেটির আবহ তৈরী করে নাসার অভিযাত্রীদের ট্রেনিং দেয়া হয় সেটা পাশে দাড়িয়ে দেখেছি। সবাই যে যার মত কাজ করছে আর ট্যুরিষ্টরা অত্যন্ত সীমিত দুরত্বে পাশে দাড়িয়ে দেখেছে। কোন অতিথি হিউস্টনে নতুন আসলে যেহেতু যেতে চায় সেই জন্যই গিয়েছি অনেকবার।
তা, শুধু ফিজিক্স এখানে আসছে কেন? নাসাতে সব ধরনের প্রফেশনাল আছে এমনকি সয়েল সায়েন্স, ম্যাথ , বায়োলজী - সব আছে। বুয়েটের কয়েকজন আছে যারা কাজ করে এই নাসাতে। একজন অত্যন্ত নামকরা মেকানিক্যালের বাংলাদেশী প্রফেসর বুয়েট থেকে আসা, যিনি নাসার প্রতিটা ফ্লুইড মেকানিক্স রিলেটেড প্রজেক্টের সাথে জড়িত। ইন্ডিয়ার কল্পনা চাওলা সেই পান্জাব ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করা, পরে একজন নাসার অভিযাত্রী ছিল (টেকনিক্যাল এক্সপার্ট) যিনি ডিসকাভারীর দুর্ঘটনায় মারা গেছে। সে এমন কোন বড় প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা কিছু নয়। সবাই আশা করতে পারে নাসা বোঝার।
অফিসে একদিন এসে এক সহকর্মী জানাল সে কষ্টে কয়েকদিন থেকে নীল হয়ে আছে। আমি জানতে চাইলে বলল, আমার সবশেষ ইন্টারভিউ শেষে নাসাতে চাকরীটা নিশ্চিত হঔয়ার পর ব্যাকগ্রাউন্ড চেকে ধরা পড়ল ওর ষ্ডডেন্ট অবস্থায় বিয়ার খেয়ে গাড়ী চালানোর রেকর্ড আছে। (DWI - driving with influence যা গুনধর সজীব ওয়াজেদ জয়ের চার পাঁচটা আছে)। তার নিজের খেয়াল ছিল না এই রেকর্ড।
আমি চাই আপনি সত্যিকারের একজন ভালো মানুষ হোন, নাসার স্বপ্ন দেখেন। বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেন। আজকে যেসব বাংলাদেশীর কথা বলললাম তাদের মত আপনিও হোন।
সত্যিকারের ভদ্রলোক অনেক অস্বস্তিকর পরিবেশেও মুখের ভাষা সংযত রাখে। আপনার লেখায় বুঝতে পারি কতটা ঘাটতি আছে আপনার।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:০৪
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: মানবিকতা মাথায় ঢোকে না , ব্যালিষ্টিক মিসাইল মাথায় ঢোকে - এই জন্যই নিকের ছবি ব্যালিষ্টিক মিসাইল । তবে কার মিসাইল - ইন্ডিয়ার স্যাম্পল না পাকিস্তানের স্যাম্পল? আচার্য প্রফুল্ল কি মাথায় মিসাইল ঢুকাইছে নাকি?
আমি যে স্কুলটায় পড়তাম সেখানেও আমার বাবাদের সময় কোন মুসলমানকে ভর্তি হতে দিত না। আমার বাবার কাছে তার সব প্রিয় হিন্দু শিক্ষকদের গল্প শুনতাম যদিও আমার বাবা একজন অত্যন্ত প্র্যাকটিসিং মুসলমান ছিলেন। আমার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক ছিলেন একজন হিন্দু কলেজ টিচার যার বাসায় সবচেয়ে বেশী গিয়েছি।
কিছুদিন আগে অফিস থেকে নামার পথে এক ক্যালকেশিয়ান কথা বলতে গিয়ে আবিস্কার করল আমি বাংলাদেশী। সাথে সাথে সে বলে উঠল - ও আপনারাতো ওখানে আমাদেরকে থাকতে দেন না। সাথে সাথে আমার কোমল মন বিষাখ্ট হয়ে উঠল।
আপনার হুংকার যে শুধু মুসলামান বাংলাদেশী সাম্পরদায়িকদের প্রতি সেটা বুঝতে কারো অসুবিধা হয় নাই। তা, সব সাম্প্রদায়িকদের দিকে আঙুল তুলবেন ভবিষ্যতে , সাবধান করে দিলাম শেষবারের মত।