নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চিন্তাশীল মানুষ হওয়ার চেষ্টায় আছি

সাড়ে চুয়াত্তর

আমার লেখার মাঝে আমার পরিচয় পাবেন

সাড়ে চুয়াত্তর › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে কারণে তরুণ সমাজ বিয়ে বিমুখ হচ্ছে

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:২১


কিছু বৈজ্ঞানিক এবং যৌক্তিক কারণে বর্তমান যুগের তরুণ সমাজ বিবাহ বিমুখ হচ্ছে। এছাড়া ইদানিং কিছু আন্তর্জাতিক জরীপ থেকে জানা যাচ্ছে যে অবিবাহিত মানুষও বিবাহিতদের মতই সুখী এবং স্বাস্থ্যবান হতে পারে। আগে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল যে বিবাহিতরা অবিবাহিতদের চেয়ে বেশী স্বাস্থ্যবান এবং সুখী। কিন্তু মনোবিদ এবং সমাজ বিজ্ঞানীরা এখন বিপরীত তথ্য দিচ্ছেন। আসলে এই নতুন তথ্যগুলি আরও আগেই সমাজ বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার করা উচিত ছিল। ওনাদের কথা শুনেই আগেকার অনেক মানুষ বিয়ের দিকে ঝুকেছিলেন। এখন ওনারা অন্য রকম বললে সবার জন্যই সমস্যা। এই জিনিস আগে জানলে অনেকে ভিন্ন রকম সিদ্ধান্ত নিতেন হয়তো।

নতুন প্রজন্মের বিবাহবিমুখ হওয়ার পিছনের বৈজ্ঞানিক এবং যৌক্তিক কারণ সমুহঃ
আসলে এই লেখাটা শুধু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে না। সারা বিশ্বের মানুষের সংস্কৃতিকে বিবেচনা করে লেখা হয়েছে। তাই অনেকগুলি কারণ হয়তো আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। তবে অনেকগুলির হাওয়া এই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লাগছে।

১। বিয়ে না করেই এক সাথে থাকা যাচ্ছেঃ
আগে সারা বিশ্বেই ধর্মের অনেক প্রভাব ছিল। বিয়ে না করে এক সাথে থাকাকে এখন থেকে ৫০ বছর আগেও অনেক সংস্কৃতিতেই খারাপ চোখে দেখা হত। এখন মানুষ ধর্মের চেয়ে বিজ্ঞানকে বেশী গুরুত্ব দেয়। রানুর মত মনে করে ধর্ম হল কুসংস্কার। আসলে বিজ্ঞানের আলোকে বাচ্চাকাচ্চার জন্ম বা যৌন সুখের জন্য বিয়ের কোন প্রয়োজন নেই। এগুলি এক সময়ের ধর্মীয় কুসংস্কার ছাড়া আর কিছু না। অনেকেই এইভাবে মনে করে।

২। বিয়ে খুব ব্যয়বহুল
শুধু আমাদের দেশে না পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশে বিয়ে খুব ব্যয়বহুল। এই খরচ জোগাড় করতে প্রায় ১০ বছরের সঞ্চয়ের প্রয়োজন হয়। আর যদি বাড়ি হয় চট্টগ্রাম এবং কন্যার পিতা কেউ হন তাহলে তার যে কি অবস্থা হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীই বুঝতে পারবে। আমাদের দেশে একমাত্র বিশ্ব ইজতেমার সময়ে প্রতি বছর সম্পূর্ণ বিনা খরচে, বিনা যৌতূকে প্রায় ১০০ থেকে ২০০ জোড়া বর এবং কনের বিয়ে হয়ে থাকে। আমার মনে হয় এই ধরণের বিয়ে সারা বিশ্বের তরুণদের জন্য একটা অনুপ্রেরণা বা উদাহরণ হতে পারে।

৩। অবিবাহিত নারী এবং বাচ্চাহীন নারীরা বেশী সুখীঃ
নতুন জরীপ সমুহ এই রকমই বলছে। ফলে আগ্রহী ছেলেরা সম্ভবত বিয়ে করার মত মেয়ে খুঁজে পাচ্ছে না। এই জরীপের প্রভাবে সামনে হয়তো আরও বেশী নারী বিয়ে বিমুখ হবে। ফলে ছেলেরা চাইলেই বিয়ে করতে পারবে না। তবে ভবিষ্যতে পুরুষেরাও মনে করা শুরু করবে যে অবিবাহিত থাকা বেশী সুখকর। (তবে ওনাদের এই ধারনার মধ্যে সত্যতা থাকার সম্ভবনা আছে। এই কারণেই সম্ভবত বিবাহিতরা বিয়ে করার পড়ে মাথার চুল ছেড়ে)

৪। বিয়ের কোন আইনগত প্রয়োজনীয়তা এখন আর নাই অনেক দেশেঃ
আমাদের দেশে এখনও বিয়ের আইনগত প্রয়োজনীয়তা থাকলেও অনেকেই এখন আর আইন মানতে তেমন আগ্রহী না। বিয়ে না করেও মোটামুটি বিয়ের সব সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে।
আর বিশ্বের অনেক দেশে বিয়ে ছাড়া সম্পর্কের আইনগত ভিত্তি দেয়া হয়েছে। ফলে তারা অনেক খুশি।

৫। আধুনিক পরিবারগুলি প্রকৃতপক্ষে টিভি শোর মত এত সুখের নাঃ
বিশ্বের বিভিন্ন টিভি শোগুলিতে সুখী পরিবারের যে চিত্র দেখানো হয় বাস্তব তার থেকে অনেক দূরে। অনেক দেশে ৩ টা বাচ্চার মধ্যে ১ টা বাচ্চাই বড় হচ্ছে একক বাবা বা মার কাছে। এগুলি বাবা, মা এবং সন্তানের জন্য সুখকর না কিন্তু বাস্তবতা। বাংলাদেশে গৃহ নির্যাতন কি পরিমান হয় তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া মুশকিল। তবে পত্রিকা এবং অন্তরজাল থেকে আমরা বুঝতে পারি গৃহ নির্যাতনের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। উন্নত দেশেও গৃহ নির্যাতন ঘটে। ফ্রান্সের মত দেশে নাকি প্রতি ৩ দিনে একজন নারী হত্যা হয় তার স্বামী বা পার্টনারের হাতে। এই ধরণের সহিংসতার কারণে অনেক তরুণ/ তরুণী এখন বিয়ে করতে চায় না।

৬। বিবাহ বিচ্ছেদের ভয়ে অনেকে বিয়ে করতে চায় নাঃ
বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে আইনগত, আর্থিক এবং আবেগজনিত সমস্যায় পড়ে মানুষ। অনেকে বিয়ে করতে দেরী করছে এই কারণে যে তারা পূর্ণ নিশ্চয়তা চাচ্ছে যে বিয়েতে বিচ্ছেদ হবে না। কিন্তু এই নিশ্চয়তা আসলে দেয়া সম্ভব না। ফলে অনেকে বয়স পার হয়ে যাচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ে করছে না। সারা বিশ্বেই বিবাহ বিচ্ছেদের হার বাড়ছে। অ্যামেরিকায় প্রথম বিয়ের প্রায় ৪৪% বিচ্ছেদ হয়ে যায়। অনেক দেশে গড়ে বিয়ের আয়ু হল ১২/১৩ বছর।

৭। বর্তমানে অনেক মানুষ বিয়ে প্রথাকেই বিশ্বাস করে নাঃ
পৃথিবীর অনেক মানুষ বিয়েকে একটা বাতিল প্রথা হিসাবে দেখে। তারা মনে করে এই আধুনিক যুগে বিয়ের কোন প্রয়োজন এখন আর নেই।
তবে আমার মনে হয় এত কিছুর পরেও বিয়ের দরকার কাছে, পরিবারের দরকার আছে। এত সুস্বাদু লাড্ডু না খেয়ে পস্তানোর কোন মানে হয় না। বুকে একটু সাহস নিয়ে দুরুদুরু বুকে বিয়ে করে ফেলা উচিত। বাকিটা আল্লাহ ভরসা। বিয়ে এবং বিচ্ছেদের আইনগুলি ভালো করে পড়ার পরে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

সূত্র - purewow.com/wellness/reasons
ছবি - শ্রদ্ধেয় নুরু ভাইয়ের একটা পোস্ট থেকে নেয়া

মন্তব্য ৬৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৬৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:৪৫

জুল ভার্ন বলেছেন: আমিতো লক্ষ্য করছি আপনার পোস্টের বিপরীত চিত্র! এরা পড়াশোনা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেনা, এমনকি আয়রোজগারের আগেই বিয়ে করে ফেলে :-P

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:১৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এরা মনে হয় আগে আগে নানা বা নানী হওয়ার জন্য কম বয়সে বিয়ে করে ফেলে। এদের বিয়ের মূল উদ্দেশ্য থাকে নাতি- জামাই বা নাত- বউ দেখে যাওয়া। মহাত্মা গান্ধী ১৩ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী বয়স ছিল ৯ বছর। ইংল্যান্ডের রাজা রাণীরা এক সময় বাল্যকালে বিয়ে করতেন। :)

ছেলেদের ক্ষেত্রে আয় রোজগার না থাকলে বিয়ে করা উচিত না।

২| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:৪৮

অপু তানভীর বলেছেন: বিবাহিতরা অবিবাহিতদের বিয়ের দিকে যেতে প্রলোভন দেখায় সব থেকে বেশি । তাদের মতে জগতের সব থেকে সুখ বিয়ে না করলে পাওয়া যাবে না । এই গুলগাল একটা লম্বা সময় পর্যন্ত জগতের সবাই বিশ্বাস করে চলতো । এমন কি এখনও বেশির ভাগ মানুষই এটা বিশ্বাস করে । তবে এখন প্রচুর মানুষ এটা বিশ্বাসও করে না ।

বিয়ে করে যেমন সুখী হওয়া যায় তেমনি বিয়ে না করেও সুখে থাকা সম্ভব । দুইটা সিম্পল চিন্তা । কিন্তু বিবাহিত এই চিন্তা মেনে নিতে প্রস্তুত নয় । তাদের মতে বিয়ে করতেই হবে হবে হবে !
সব চেয়ে মজার লাগে আমি কেমন থাকবো, আমার জন্য কোনটা বেশি ভাল সেটা আমার থেকে কিছু বুরবাক বেশি জানে !

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:১৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাংলাদেশে নাকি নতুন একটা আইন আসছে যে ৪০ বছরের মধ্যে বিয়ে না করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেবে। সব খরচ রাষ্ট্রের। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের খরচ সরকার দেবে না। :)

আপনার অবশ্য এখনও বিয়ের বয়স হয় নাই। তাই আপাতত এগুলি নিয়ে সময় নষ্ট করার দরকার নাই। :)

৩| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:০৩

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আরেকটা কারণ আছে ,

বর্তান প্রজন্মের ছেলেপেলেরা ঠেকে শিখে না দেখে শিখে ! :D

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:২৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি দেখে না শিখে ঠেকে শিখবেন এই কামনা করছি। :)

৪| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৫২

নাহল তরকারি বলেছেন: বিয়া একটি ব্যায় বহুল একটি জিনিস। বিয়া করতে, বউ পালতে মোটা টাকা খরচ হয়। সেই ক্ষেত্রে পিতাতালয় থেকে চুক্তিভিত্তিক কাউকে ভাড়া করলে তেমন খরচ হয় না।

বাচ্চা পালন করার মত লস প্রজেক্ট এই পৃথিবীতে নাই। বাচ্চা লালন পালন একটা ভেজাইল্ল্যা বিষয়।

আমার একবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। এতে আমার পরিবারের প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে। আর আমার সাবেক স্ত্রী বিনা পরিশ্রমে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পেয়ে গেলো। এই টাকা দিয়ে আমি গরু কিনলে আমার অনেক টাকা আয় হতো।

আমার এমন বউ দরকার যে আমাকে ভালোবাসবে। আমাকে পাইউরিটি দিবে। আমাকে বুঝবে। আমাকে রান্না করে থাওয়াবে। যার সাথে একটু সুখ দুঃখের কথা বলতে পারি। এমন মেয়ে খুজে পাওয়া যাবে না। তাই বিয়ের মত কুফা জিনিস কে বাতিল করে দেওয়া হউক। বিয়েতে পুরুষরা বেশী সাফার করে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:০৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি প্রেম করে বিয়ে করলে এত সমস্যা হত না হয়তো। আপনি বিভিন্ন পাত্র পাত্রির সাইটে গিয়ে ভালো কোন মেয়েকে পছন্দ করবেন। তারপর পছন্দ হলে সেই মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলবেন। কয়েকদিন কথা বললে উভয়েরই একে অন্যের প্রতি একটা ধারণা হবে। এর পরে পরিবারের সহায়তায় উভয় পক্ষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন।

পতিতাবৃত্তি ভালো না। পুরুষরা যারা যায় তারা ভালো না। তবে বাংলাদেশের পতিতারা নিজের ইচ্ছায় এই পেশায় আসে না। ওদেরকে জোর করে আনা হয়। এটা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য কোন ব্যবস্থা না। তাই ঐ চিন্তা করাই ঠিক না। তাই চেষ্টা করেন আবার বিয়ে করতে। অনেক ভালো মেয়ে এই দেশে আছে। আপনার পছন্দ মত মেয়ে নিশ্চয়ই পেয়ে যাবেন। অনেক মেয়ে বর খুঁজে পাচ্ছে না।

৫| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৮

রানার ব্লগ বলেছেন: বিয়ে ব্যয়বহুল, দেনমোহর এর পরিমান আজকাল ৫০ লাখ দিয়ে শুরু হয়, বাংলাদেশের অঅধিকাংশ ছেলেদের যা দেয়ার ক্ষমতা নাই। কনে পক্ষ রেডিমেড পাত্রা চায়, বিয়ে করে যে মানুষিক শান্তি হবে এর কোন গ্যারান্টি নাই।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এত বেশী দেন মোহর চাওয়া ঠিক না। শিল্পপতির ছেলে না হলে এত টাকা কোন পাত্র জোগাড় করতে পারবে। মধ্যপ্রাচ্যেও একই সমস্যা। কোটি কোটি টাকা দেন মোহর। ওখানে অবশ্য অনেক ক্ষেত্রে মেয়ের বাবা মেয়েকে বিয়ে দিয়ে যে দেন মোহর পায় সেটা দিয়ে নিজে আরেকটা বিয়ে করে। :) কিন্তু দেন মোহর তো মেয়ের নিজস্ব সম্পদ এটা লোভী বাবারা ভুলে যায়। বাংলাদেশে এই দিক থেকে ভালো আছে।

বাংলাদেশে বিসিএস, সামরিক বাহিনী, ঢাকায় বাড়ির মালিক ছেলেদের চাহিদা বেশী। এগুলি সবই বাণিজ্যিক বিষয়। ভালোবাসার জায়গা এখানে নাই। সামরিক কর্মকর্তার সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে পারলে মেয়ে রানীর মত থাকবে বাংলাদেশে।

৬| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:০৫

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এই দেশের ছেলে মেয়ে পড়াশুনা করে বিয়ে করার জন্য, চাকরি/ ব্যবসা করে বিয়ে করার জন্য, বড় হয়ে একমাত্র লক্ষ ও উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে বিয়ে করা। অবশ্য বিয়ের মধ্যে ভালো এবং খারাপ দুটোই আছে, দিন শেষে একজন মানুষের কিন্তু সঙ্গী প্রয়োজন। পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যতগুলো সামাজিক প্রথা আছে আমার মনে হয় বিয়েটাই সবচেয়ে শক্ত একটি প্রথা। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি জাতির মধ্যেই বিয়ে প্রথা চালু আছে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৩৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বিয়ে না করলে বিয়ের বিকল্প যে রাস্তা আছে সেটা অনেক দেশে সামাজিকভাবে বা আইনত গ্রহণযোগ্য না। যে সব দেশে সমাজ বা আইন কোন সমস্যা দেখে না সেই দেশগুলিতে বিয়ের গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা কমে যাচ্ছে। বিয়ের পিছনে ধর্মগুলির ভুমিকা আছে। যে সব দেশে ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রভাব এখনও বেশী কার্যকর সেখানে বিয়ের গুরুত্ব বেশী। পৃথিবীর অনেকে দেশেই ধর্ম ( বিশেষ করে খৃস্টান ধর্ম) নিয়ে মানুষ আগ্রহ হারাচ্ছে। ধর্মকে অনেক দেশে এখন সামাজিক একটা আচার হিসাবে দেখা হয়। অনেকে ধর্ম পালন করে আধ্যাত্মিকতার জন্য নয় বরং সামাজিক আচার হিসাবে। এই সব দেশে বিয়ের গুরুত্ব সামনে আরও কমে যাবে।

আমাদের দেশের সমাজ এবং ধর্ম বিয়েকে খুব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে। এই কারণে আমাদের দেশে লেখাপড়ার শেষ করার পর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরে বিয়ে করাকে জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়।

৭| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৫২

মামুinসামু বলেছেন: সুস্বাদু লাড্ডু না খেয়ে পস্তানোর কোন মানে হয় না ...
এইটা তো এক নাম্বার পয়েন্ট এর সাথে মিলে না। :)

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:২৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: পশ্চিমের দেশগুলি বিয়ের বিকল্প বের করে নিয়েছে। তাই বিয়ে করে না কিন্তু লাড্ডু খায়। :)

৮| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:১৩

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


আপনি এসব জানলেন,অবিবাহিত হলে কি সিধান্ত নিতেন?

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:৩১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আসলে বিয়ে হরর মুভি না যে ভয় পেতে হবে। প্রথম কয়েকদিন ভয় লাগলেও পরে ভয় কেটে যায়। তাই সাহস করে বিয়ে করতে হবে।

যেই যত ভয় দেখাক বা যুক্তি দেখাক না কেন আমি সব সময় বলবো বিয়ে করা দরকার আছে। যে বিকল্প রাস্তার কথা বলা আছে এগুলি আমাদের মত মুসলিম প্রধান দেশের জন্য প্রযোজ্য না। যে সব দেশে ধর্ম দুর্বল হয়ে যাচ্ছে তারা বিয়েকে একটা অপ্রয়োজনীয় জিনিস মনে করছে।

৯| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:০৪

কামাল১৮ বলেছেন: এটাকে কি আবিস্কার বলা যায়?
বিবাহ হলো একটা আইনী চুক্তি।এখন এটা অনেকে এড়িয়ে চলতে চায়।স্বাধীন ভাবে চলাাকেই মানুষ বেশি পছন্দ করে।ইসলামিক বিবাহ কোন আইনী চুক্তি না।তিন তালাক দিলেই স্ত্রী তার বাপের বাড়ি চলে যাবে।কিচ্ছা খতম।কিন্তু উন্নত বিশ্বে অত সহজ না।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:২২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ইসলামে বিবাহ আইনি চুক্তি বলেই বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম প্রধান দেশের আদালতে এই চুক্তিকে বিবেচনা করা হয়। প্রত্যেকটা মুসলিম প্রধান দেশে বিবাহ সংক্রান্ত আলাদা আইন আছে। তাই আপনার কথা ঠিক না। আপনি মনে হয় চুক্তির সংজ্ঞা জানেন না। জানলে এই কথা বলতেন না।

আপনি মনে হয় জানেন না যে চুক্তি সব ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার দরকার নাই। চুক্তি আইন পড়লে বুঝতে পারবেন যে মৌখিক চুক্তিও আইনসিদ্ধ। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে চুক্তি বলতে মৌখিক চুক্তিও বুঝায়। কিছু ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে সেটা লিখিত হতে হয়। বাংলাদেশ বিবাহ রীতিমত নিবন্ধন করা হয়। কাজেই অবশ্যই ইসলামি বিয়ে একটি চুক্তি।

২/৩ বছর আগেও ইংল্যান্ডে শক্ত কারণ প্রদর্শন ছাড়া এক তরফা তালাক দেয়া যেত না। ফলে অনেক নারী আদালত থেকে তালাকের আদেশ পেতেন না এবং ভুগতেন। ইদানিং আইনটা সম্ভবত পরিবর্তন করা হয়েছে। তালাকের প্রক্রিয়া বেশী লম্বা হওয়া আসলে ভালো কিছু না। আপনি ভাবছেন যে লম্বা প্রক্রিয়া হলে সেটা ভালো। তালাক প্রক্রিয়া অনেক দেশেই এখনও অনেক জটিল। ফলে স্বামী স্ত্রী অনেক ভোগে।

১৯৭৪ সালের আগে ইতালিতে তালাকের কোন আইন ছিল না। পরে পরিবর্তন করেছে। আরও অনেক উন্নত দেশে কয়েক দশক আগেও তালাকের কোন আইন ছিল না ধর্মীয় কারণে।

১০| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার এই পোষ্ট ২০/২৫ বছর আগের হলো মানান সই হতো।
এখন পোলাপান বিয়ে করার জন্য অস্থির হয়ে আছে। বাপে মায়ে বিয়া না দিলে নিজেরা পালিয়ে বিয়ে করে নিচ্ছে। এদিকে লেখা পড়া শেষ করে নাই। চাকরী নাই। কিন্তু বিয়ে করে বসে আছে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আসলে বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা বিয়ের মর্ম বুঝতে পেড়েছে। জিং জিং না করে বিয়ে করছে এই কারণে এদের প্রশংসা করা দরকার। তবে ইদানিং বিয়ে যেমন বেড়েছে তালাকও সেই হারে বেড়ে যাচ্ছে। এটা ঠিক না।

যারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে এরা জীবনে ঝুকি নিতে জানে। জীবনের অন্য ক্ষেত্রেও এরা ভালো করে। আমার চেনা জানার মধ্যে যারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে তারা এখন খুব ভালো আছে। আমার মতে বিয়ে পালিয়ে গিয়েই করা উচিত। এটার মধ্যে একটা থ্রিল আছে। বাবা মা রাজি থাকলেও পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করা উচিত।

কিন্তু আয় রোজগার না থাকলে বিয়ে করা উচিত না। আর দেনমোহর হওয়া উচিত ছেলের সামর্থ্যের মধ্যে।

১১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪১

রাফখাতা- অপু তানভীর বলেছেন: বাংলাদেশে নাকি নতুন একটা আইন আসছে যে ৪০ বছরের মধ্যে বিয়ে না করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেবে। সব খরচ রাষ্ট্রের। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের খরচ সরকার দেবে না।
যদিও আমাদের দেশে এমন আইন হওয়ার কোন সম্ভবনাই নেই তারপরেও যদি হয় তাহলে ঠিক যেদিন বয়স ৪০ হবে তার আগের দিন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবো । জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবো । কইবো আমার জীবন শংসয়ের আশংঙ্কা আছে । :D

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৫৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ইন্টারপোলের সহায়তায় আপনাকে ফিরিয়ে আনা হবে। ধরে এনে জোর করে বিয়ে দেয়া হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে। মেয়ে বাছাই হবে সরকারের আমলাদের ইচ্ছা অনুযায়ী অথবা লটারির মাধ্যমে। কার্ড ২৯ খেলার মত ব্লাইন্ডে থাকবেন। কপালে যা জুটবে তাই মানতে হবে।

আমার মনে হয় জার্মান না গিয়ে ভ্যাটিকানে যাওয়া উচিত হবে আপনার। কারণ ঐ দেশে আপনার মত সন্ন্যাসব্রত পালনকারী বেশী। ওরা আপনার দুঃখ বুঝবে। আপনি যদি কোন রাজনৈতিক নেতার মেয়ের উপদ্রবে বিরক্ত হয়ে জার্মান যান তাহলে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে পারেন অবশ্য।

১২| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৭

শেরজা তপন বলেছেন: শৌর্য ও বীর্যবান পুরুষ; এখানে বীর্যবান অর্থ যারা বীর্য ক্ষয় করে না এমন পুরুষদেরকে মিন করা হয়েছে। আগে ধারনা ছিল বীর্য ক্ষয় না করলে পুরুষ শক্তিমান ও বুদ্ধিমান হই। এইসব ভুল ধারনায় কত-শত পুরুষের সপ্ন আশা আকাঙ্খা ধুলায় লুন্ঠিত হয়েছে। সমাজপতিদের ভুল ধারনায় কত পুরুষ শারিরিক চাহিদা পুরন করতে না পেরে মানসিকভাবে ভয়ঙ্কর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ক'দিন আগেও একটা বইতে পড়লাম; খুব বেশীদিন আগের কথা নয় যখন দুই বাংলায় উচ্চ ব্রাহ্মণ সমাজে স্ত্রীর সাথে সহবাস করত শুধু সন্তান সন্তদির জন্য তাও দু'চার বছরে একবার বহু দিন তিথি দেখে। কি ভয়ঙ্কর!

ভাল লিখেছেন।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:১৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বীর্য ধরে রাখা সংক্রান্ত এই বিষয়গুলি আসলে বোগাস। চিকিৎসা শাস্ত্রের নিয়মে এটা ধরে রাখা সম্ভব না। প্রাকৃতিকভাবেই বের হয়ে যাবে।

আগে বউ ছিল গৃহস্থ পরিবারের সম্পত্তির মত। দিনের বেলা নাকি স্বামীর সাথে বউয়ের দেখা করাটা ভালো ভাবে দেখা হত না। বউয়ের কাজ ছিল কাজের লোকের মত। শ্বশুর শাশুড়িকে সন্তুষ্ট করা আর ঘরের কাজ করা। এগুলি হল তৎকালীন একান্নবর্তী পরিবারের খারাপ দিক। বউয়ের নিজস্ব কোন সাধ আহ্লাদ ছিল না। অথচ এটা তার অধিকার।

একটা প্রাকৃতিক ব্যাপারকে আমরা অযথাই জটিল করেছিলাম আগের জমানায়।

১৩| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:২২

কামাল১৮ বলেছেন: চুক্তিটা কি।সরকার যেটা করেছে সেটা সরকারী আইন।চক্তির কিছু সর্ত থাকে।পুরুষ মানতে বাধ্য থাকবে অমন একটা সর্তের কথা বলুন।দেন মোহর কোন সর্ত না।হীদিসে বলা আছে।লজ্জাস্থান ভোগের মুল্য।এই মুল্য পরিশোধ করেই মিলিত হতে হয়।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:৪৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: চুক্তি উভয়ের সম্মতিতে হয় এটা মনে হয় আপনার জানা নাই। আপনার চুক্তি আইন সম্পর্কে কোন ধারণ নাই আসলে। চুক্তিতে এক পক্ষ কোন কিছুর জন্য প্রস্তাব করে অন্য কিছু সেটাতে সম্মতি দেয়। এই চুক্তি বৈধ এবং আইনগতভাবে বলবত যোগ্য হতে হবে। চুক্তিতে উভয় পক্ষেরই কিছু দায়িত্ব এবং কর্তব্য থাকে। বিয়ের চুক্তিতে এই শর্তগুলির সবগুলিই থাকে। সরকার যখন বিয়ের আইন প্রয়োগ করে তখন দেখে যে বিয়ের চুক্তি ঠিক আছে কি না। ঠিক না থাকলে আইন প্রয়োগ করা যায় না। সব চুক্তি লিখিত হওয়ার প্রয়োজন পরে না। তবে আমাদের দেশে বিয়ে নিবন্ধন করা হয়। বিয়ের চুক্তির আলোকেই দেশের বিবাহ আইন প্রয়োগ করা হয় ইসলামি শরিয়ার আলোকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ইসলামিক পারিবারিক আইনের সাথে মূল শরিয়ার দ্বন্দ্ব আছে। যেটা থাকা উচিত না।

ইসলামি নিয়মে বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষের দায়িত্ব হল;
১। স্ত্রীর সম্পূর্ণ ভরণ পোষণ করা স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পুরুষ না মানলে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক রাখার অধিকার তার নাই।
২। স্ত্রীর জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী প্রাইভেসি নিশ্চিত করা স্বামীর দায়িত্ব।

১৪| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:১৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আপনার এইটা বাংলাদেশের চিত্র নয়। গ্রাম এবং শহরের চিত্রও ভিন্ন।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:২৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার লেখাটা সারা বিশ্বের পরিস্থিতির আলোকে লেখা। বাংলাদেশের শহরগুলিতে বিয়ে করার বয়স বাড়ছে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই।

গ্রামের মানুষ এখনও রক্ষণশীল তাই গ্রামে মেয়েদের এখনও কম বয়সে বিয়ে হয়। মেয়েরা স্বাবলম্বী না হলে তাদেরকে পরিবারের নির্দেশ মেনেই বিয়ে করে ফেলতে হয়। শহরে পরিস্থিতি ভিন্ন। অনেক শহুরে মেয়ের বয়স ৪০ হয়ে গেছে কিন্তু তারা বিভিন্ন কারণে বিয়ে করছেন না বা করতে চাচ্ছেন না। বাংলাদেশের শহুরে মেয়েদের মধ্যে বিয়ে না করার প্রবণতা কিছুটা দেখা যাচ্ছে। অনেকে মনে করছে বিয়ে না করাই ভালো। অনেক বিয়ে করলেই সামাজিক চাপে বিয়ে করছে। বাইরের দেশগুলিতে ছেলে মেয়ে উভয়েই বিয়ের প্রতি আগ্রহ আগের চেয়ে কমে গেছে। তাদের দেশে অবশ্য বিকল্প ব্যবস্থা আছে।

১৫| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:২২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- আমিতো দেখছি এখন পোলাপাইন অতি কম বয়সেই বিয়ে করে ফেলছে!!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:২৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিতরা অনেক ভেবে চিন্তে বিয়ে করছে। একটা ক্ষুদ্র অংশ বিয়ে করতে চাচ্ছে না। এর মধ্যে মেয়েও আছে। অপেক্ষাকৃত কম শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা কম বয়সে বিয়ে করছে। এদের মধ্যে বিয়ের আগ্রহ কমেনি। এটা ঠিক। আমার লেখাটা সারা বিশ্বের প্রেক্ষাপটে লেখা। আমাদের দেশে ধর্মীয় এবং সামাজিক কারণে বিয়ের গুরুত্ব আছে। তাই বিয়ে না করার প্রবণতা বাংলাদেশে বোঝা যাবে না। যে সব দেশে ধর্মীয় অনুশাসন কম সেই দেশগুলিতে বিয়ের ঝুকি অনেকেই নিচ্ছে না। তারা বিকল্প রাস্তা বের করে নিয়েছে যেটা ঐ দেশগুলিতে আইনসিদ্ধ।

১৬| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:২২

কামাল১৮ বলেছেন: এটা না থাকর প্রশ্নই আসে না।টিপ দেয়ার সাথে সাথে দুনিয়ার সকল চুক্তির সংজ্ঞা সহ হাজার হাজার খুটি নাটি মুহুর্তে হাজির হয়ে যায়।প্রশ্ন হলো আপনি সেটা কি ভাবে দেখেন,আমি কি ভাবে দেখি।দৃষ্টি ভঙ্গির পার্থক্য।
ইসলাম আর আধুনিকতা এক না।
নবী যখন বিজয়ীর বেশে মক্কায় প্রবেশ করে তখন থেকেই সকল চুক্তি শেষ।চুক্তি সবলের পক্ষে কাজ করে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:৩৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: পৃথিবীর সকল দেশের সমাজে সকল ধর্মেই বিয়ে একটা চুক্তি। বিয়ে শুধু একটা ধর্মীয় বিষয় না। এটা একই সাথে একটা ধর্মীয় এবং সামাজিক বিষয়।

কাফেররা চুক্তি ভঙ্গ করেছিল বলেই মক্কা বিজয়ের প্রশ্ন উঠেছিল। মক্কা বিজয়ের আগেই কাফেররা চুক্তি ভঙ্গ করেছিল। মুসলমানরা কাফেরদের সাথে কখনও চুক্তি ভঙ্গ করেনি। ঐ সময় কাফেররা সবল ছিল মুসলমানদের চেয়ে। কিন্তু নিজেদের নির্বুদ্ধিতার জন্য তারা মক্কা নগরীকে হারায়।

১৭| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:৫৮

কামাল১৮ বলেছেন: মুসলমানরা যে এতো এতো দেশ জয় করলো তারা কে কি চুক্তি ভঙ্গ করে ছিল।তখন সমাজ ব্যবস্থাই ছিলো এমন।জোর যার মুল্লুক তার।সমগ্র বিশ্ব ছিল এক অসভ্য সমাজ ব্যবস্থা।মানুষ ধীরে ধীরে সভ্য হতে চলেছে।নর্ডিক দেশ গুলো বেশি সভ্য।তার পর পশ্চিমার ।আমারা সবার পিছনে পড়ে আছি।
আপনিতো জরীপ নিয়ে কাজ করেন।জরীপে এমনি লিখা আছে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:০৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: নবীজি (সা) এবং চার খলিফার জমানা পর্যন্ত ইসলাম সঠিক পথে ছিল। তারপরে ধীরে ধীরে বিচ্যুতি ঘটা শুরু করে। চার খলিফার সময় পর্যন্ত কোন যুদ্ধটা অনৈতিক ছিল বলে আপনি মনে করেন। চুক্তি ভঙ্গ করা ছাড়াও যুদ্ধের অনেক কারণ থাকতে পারে।

নরডিকরা সভ্য হলে এরা সমকামিতাকে আইনি স্বীকৃতি দিত না। প্রকাশ্যে নগ্ন হয়ে হওয়াও কোন সভ্যতার মধ্যে পড়ে না। যাদেরকে আপনি সভ্য বলছেন তারা কি রকম সভ্য যে সমকামিতার মত খারাপ জিনিসকে এবং প্রকাশ্য নগ্নতাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। এদেরকে কোনভাবেই সভ্য বলা যাবে না। সভ্য মানুষ নগ্ন হয়ে ঘোরে না এবং সমকামে লিপ্ত হয় না। এগুলি সভ্য সমাজে অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হয়।

১৮| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:৫০

বিটপি বলেছেন: অতুলনীয় একটা মহিলার সঙ্গে যদি আমার বিয়ে না হত, এবং তার মাধ্যমে দুটি সন্তানের পিতা না হতাম, তাহলে জীবনে অনেক অপ্রাপ্তি থেকে যেত। সেটা মোটেও ভালো হতনা। এখনও অপ্রাপ্তি আছে, কিন্তু সেগুলো পূরণ হবার নয়।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:০৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: পরিবার হল সভ্যতার ভিত্তি। বিয়ের মাধ্যমে পরিবার গঠিত হয়। দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হলেও বিয়ে করার প্রয়োজন আছে।

১৯| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:৪৪

নতুন নকিব বলেছেন:



বাস্তবতা নিয়েই লিখেছেন। তবে এর ব্যতিক্রমও আমাদের সমাজে কম নয়।

পরকীয়া নিয়ে লেখা দরকার। পরকীয়ার একটি ভয়াবহ ঘটনা সম্পর্কে শুনে স্তম্ভিত হলাম গতকাল। এমন একজন এই কাজ করে একটি সংসার বিনষ্ট করেছেন, যার সম্মন্ধে এমন ধারণা করাও কঠিন ছিল। সময় হয়তো মানুষকে বদলে দেয়।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৪৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই লেখাটা আসলে সারা বিশ্বের আলোকে লেখা। বাংলাদেশে বিয়ে না করার প্রবণতা সামান্য আছে একটু শিক্ষিতদের মধ্যে। তবে এখনও সবাই বিয়ের প্রতি আগ্রহী।

ইন্টারনেটের কারণে পরকীয়া করা আগের চেয়ে সহজ হয়েছে। আবার ধরাও খাচ্ছে ইন্টারনেটের কারণেই। আমাদের মোবাইলে অনেক গোপন তথ্য থেকে যায় যেগুলির কারণে অপরাধী ধরা পড়ে যায়।

নিষিদ্ধ জিনিসের নেশা থেকে অনেকে বের হতে পারে না। ভালো মানুষও ধোঁকায় পড়ে যায়। পরে পস্তায়।

২০| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৫০

মওদুদ মান্নান বলেছেন: আমি তো বিয়ে করে ফেলছি। =p~ তাহলে এখন আমি কি করব?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সবারই বিয়ে করা উচিত। জীবনে সুখটাই সব না। :)

২১| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৪১

অপু তানভীর বলেছেন: আমার মনে হয় জার্মান না গিয়ে ভ্যাটিকানে যাওয়া উচিত হবে আপনার। কারণ ঐ দেশে আপনার মত সন্ন্যাসব্রত পালনকারী বেশী।

আরে ভাউ, আমি বিয়ে করবো না কইছি নারী বিবর্জিত থাকতো সেইটা তো কই নাই । এর জন্য জার্মানী সব থেকে ভাল হবে ! :D :D

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:১২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি তো ভাবসিলাম আপনি সুফি দরবেশ টাইপের ছেলে। ঠিক আছে। বাংলাদেশে সমস্যা হলে জার্মান যাওয়াই ভালো। :) ভ্যাটিকানের লোকজন বিয়ে করে না বলে নারী বিবর্জিত এই ধারণাটা ভুল। :)

২২| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি আমার মন্তব্যের উত্তরে যা লিখেছেন সেটা আমার পছন্দ হয়নি। প্রতিটা লাইন ই ভুল লিখেছেন।
আপনাকে তো আমি একজন অভিজ্ঞ লোক মনে করেছিলাম।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:৫৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আসলে এইসব ব্যাপারে জ্ঞান কম। নতুন প্রজন্ম সম্পর্কে জ্ঞান আরও কম। শুনেছি নতুন প্রজন্ম নাকি অনেক ভালো এরা কিছু করে না। শুধু বিয়ে করে। সত্য মিথ্যা বলতে পারবো না। আপনি মনে হয় আমার চেয়ে ভালো জানেন। তাই আপনার মতামত জানতে ইচ্ছা করছে।

২৩| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:২৯

মিরোরডডল বলেছেন:




১০৭ বছরের ভদ্রমহিলা তার দীর্ঘ জীবনের সিক্রেট কি বললো, ভিডিওটা দেখবে :)



২৪| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩১

মিরোরডডল বলেছেন:

সাউন্ড ডিস্টার্ব কিন্তু ০.৩৪ সেকেন্ডের কথাটা শুনবে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:০৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই বুড়ি বিয়ে ছাড়া আরও ১০৭ বছর বেচে থাকুক এই কামনা করছি।

আমাদের নিবর্হণ নির্ঘোষও ১০৭ বছর বাঁচতে চায়। তাই সে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। মোটা মেয়ে পেলেও নাকি বিয়ে করবে না। কি সাংঘাতিক কথা।

২৫| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৬

আঁধার রাত বলেছেন: চোখে নিশ্চয় কাঠের চশমা লাগানো আছে। যে কুয়ায় জন্ম ও বসবাস সেইটারে পৃথিবী মনে করলেও এমন হতে পারে। অত কিছু জানি না আমি কেবল জানি আমার গ্রামে আমার জীবদ্দশায় কেবলমাত্র একজনকে অবিবাহিত থেকে মরতে দেখেছি-মাত্রই একজন।
আমি যে জগতের সে জগতে বিয়ের অনেক খরচ হতে পারে। দেখানোর দরকার পড়ে। গড় বিয়ের হার বরং বেড়েছে। হৃদয় ছেলেটার নাকি দ্বিতীয় বিয়ে চলছে বয়স ২০ পুরা হয় নাই। আর বদুর মেয়ের চার নম্বরটা চলছে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৫৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বিয়ে করা ভালো। সুখটাই তো জীবনের সব কিছু না। আপনার চেনা জানা লোকজন বিয়ে করছেন শুনে ভালো লাগলো। কিন্তু এই ব্লগেই অপু তানভীর আর নিবর্হণ নির্ঘোষকে কোন ভাবেই বিয়েতে রাজি করাতে পাড়ছি না।

আমার এই লেখাটা পুরো বিশ্বের প্রেক্ষাপটে লেখা। পোস্টে উল্লেখ করা আছে।

২৬| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৫৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: সারাদেশের বিশ্বদ্যিালয়গুলিতে গেলে বুঝবেন, বিয়েটা এখন একটা ফাজলামি ছাড়া কিছুনা।
একেজন বিয়ের অগেই ১০-২০ জনের সাথে সবরকম সম্পর্ক করছে।
বিয়ে কে কাকে করবে আর কার বিয়ে টিকবে !!!!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:০৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কথা সত্যি। তরুণ/ তরুণীরা কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না এখন। পশ্চিমের হাওয়া লেগে গেছে ইতিমধ্যে। ছেলেদেরতো মজা কিন্তু মেয়েদের অনেকের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। কারণ আমাদের সমাজে এগুলির গ্রহণযোগ্যতা নাই। আমাদের সমাজটা পশ্চিমের মত না এবং হওয়া উচিতও না। কিন্তু হাওয়া লেগে নতুন প্রজন্মের ক্ষতি হচ্ছে। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।

আমার এক ভাতিজী (সেকেন্ড কাজিনের মেয়ে) প্রায় ২/৩ বছর ধরে এক ছেলের সাথে প্রেম/ বিরহ করতে করতে পাগল প্রায়। এই শুনি দুইজনের মিল আবার শুনি রাগে মোবাইল ভাংছে, মাথা দেয়ালে ঠুকে ভাংছে্, বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছে, ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঝগড়া করছে। ছেলের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। ছেলেকে এমন কি মানসিক ডাক্তার পর্যন্ত দেখাতে হয়েছে। আজকে খবর পেলাম সেই ছেলে আরেক মেয়ের প্রেমে পড়েছে। আমার সেই ভাতিজীর মাথার ভুতও নাকি নেমেছে। সে এখন ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে সব কিছু বুঝতে পাড়ছে। এই ঘটনা গ্রামের। গ্রামের মানুষ ফেইসবুক থেকে জেনে গেছে এদের মধ্যে সম্পর্ক আছে।

তাই ভালোই বলেছেন যে 'বিয়ে কে কাকে করবে আর কার বিয়ে টিকবে!!!"

২৭| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:১৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: আমি আমার এলাকার কলেজ থেকে বজ্জাতি শুরু করা ছেলে-মেয়েদের কান্ডকারখানা গুলি প্রতিদিন রাস্তায় বের হলে দেখি।
তবে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে আছে কারণ তারা চাইলেই যে কাউকে সহজে পেয়ে যায়।

এরা বিশ্বদ্যিালয়ে পড়াশোনা করতে না, নষ্টামি করার জন্য যায়।
ফেসবুক-ইন্টারনেট-মোবাইল এদের আরো নষ্ট করছে।

তবে আসল দায়ী এদের বাবা-মা। মেয়েদের এতো ছেলে বন্ধুর দরকার কেনো ?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কালকে আপনার পোস্টটা পড়ার পরে মন্তব্য করবো ইনশাল্লাহ।

২৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:০৩

শায়মা বলেছেন: মেয়েদের বিয়ে না করলেও চলবে কারণ মেয়েরা এখন লেখাপড়া করে, নিজে আর্ন করে। আগে বিয়ে ছাড়া গতী ছিলো না। :)

আর মেয়েরা বিয়ে করছে না বলেই ছেলেরাও বিয়ে করতে পারছে না..... :P


যাইহোক ভাইয়ু অনেক কষ্টে সৃষ্টে আমার মহাব্যস্ত জীবনের একখানা শশব্যস্ত কার্য্যাবলী নিয়ে পোস্ট দিয়েছি।

মিররমনির জন্য তড়িঘড়ি পোস্ট করলাম আর দেখি সে ঘুমাতে চলে গেলো। :(

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:১৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ব্লগের নিবর্হণ নির্ঘোষ আর অপুকে ধরে বেঁধেও বিয়ে করানো যাচ্ছে না। নিবর্হণের পছন্দ মত মোটা একটা পাত্রির কথা বললাম তারপরও সে রাজি না। সম্ভবত আরও মোটা পাত্রি তার পছন্দ। অপু জার্মানি গিয়ে জীবন উপভোগ করতে চায়। তবে সে ভ্যাটিকানের লোকদের মত সাধু হতে চায় না।

আপনার পাপেট শো দেখলাম, পড়লাম, শুনলাম। খুব ভালো হয়েছে।

২৯| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:৩০

শায়মা বলেছেন: মোটা পাত্রী পছন্দ খুবই ভালো কথা তবে ভাইয়া বিয়ে করে বউটাকে খাইয়ে খাইয়ে মোটা বানালেই তো হয়ে যায় রেডিমেড মোটা বউ লাগবে কেনো?

আর অপু ভাইয়া তো চিরকুমারের ব্রত নিয়েছেন। :)

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৪৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: নিবর্হণ নির্ঘোষ রেডিমেড মোটা বউ চায় মনে হয়। :) আসলে মোটা মেয়ে চায় সে মুখ ফুটে বলেনি। এটা আমি ধারণা করেছি মাত্র। আমার কোথায় সে রাগও করতে পারে।

অপু ভাইয়া চিরকুমার না চির লাভারবয় থাকার ব্রত নিয়েছে মনে হয়। :) কারণ সে ভ্যাটিকান যেতে রাজি না।

৩০| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:২৫

নতুন বলেছেন: “By all means marry; if you get a good wife, you'll become happy; if you get a bad one, you'll become a philosopher.” - Socrates

তবে ভালোবাসার সংসারে মানুষের জীবন পরিপূর্ন করে।

শারমিন আর ডানা আমার জীবন পরিপূর্ন করেছে। তাই সব মিলিয়ে আমি বলতেই পারি।

life is beautiful :)

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বিয়ের আগে তরুণেরা পারলে দুনিয়া বদলে ফেলে। কিন্ত বিয়ের পরে টিভির চ্যানেল বদলানোর হিম্মতও থাকে না। :)

শারমিন, ডানা এবং তাদের বাবা মায়ের জন্য রইল শুভ কামনা।

৩১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪

কামাল১৮ বলেছেন: জাতিসংগ সনদে সমকামিতাকে মেনে সই করতে হবে।যেখানে বাংলাদেশ সই করেছে।ভারতেও সমকামিতা অপরাধ না।বাংলাদেশকেও মানতে হবে ।কেবল সময় চেয়েছে।নয়তো জাতিসংগ থেকে পাওয়া সুযোগ সুবিধা বন্ধহয়ে যাবে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:৪৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এখনও আরব দেশ এবং আফ্রিকা সহ আরও কিছু দেশ মিলিয়ে মোট ৫৪ টা দেশ সমকামিতাকে অনুমোদন দেয় না। এরা সবাই জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর করেছে। মুসলিম আরব দেশগুলি কখনই দেবে না। বাংলাদেশকে জোর করে বাধ্য করালে সেটা তো আর সভ্য ব্যবহার হবে না। আরেকটা অসভ্য ব্যবহার হবে। কারণ অনেক আরব দেশকে জোর করেও রাজি করাতে পারবে না।

জাতিসংঘ একটা গায়ের জোরের সমিতি। এটাকে চালায় হাতে গোনা কয়েকটা দেশ। এরা গায়ের জোরে কত কিছুই করে। সভ্য হওয়ার সংজ্ঞা এই স্বৈরাচারীদের কাছ থেকে শেখার কিছু নাই। পৃথিবীতে অনেক বড় বড় মানব বিধ্বংসী কাজ হয়েছে এবং হচ্ছে। জাতিসংঘ চুপ করে বসে আছে। তাই এদের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।

৩২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:২৭

শার্দূল ২২ বলেছেন: এমন ধরনের পোষ্টে আমার কথা বলতে খুব ভালো লাগে, আমি এমন পোষ্ট গুলোই বেশি খুজি, কিন্তু কিভাবে যেন এমন জনগুরুত্তপূর্ন পোষ্ট আমার চোখে পড়েনি। সবাই সব রকম কথা বলে গেছেন । এমন আর আমি এসব নিয়ে টানা টানি করে বিশেষ কাজ হবেনা মনে হচ্ছে। বড় সত্য হলো আমার মতের সাথে মিলবে এমন মানুষের সংখ্যাও কম। বিয়ে নিয়ে আমি একটা বড় সর বক্তব্য দিতে পারি। সব কথা না বললে কথা বুঝবেনা কেউ,আবার এত সময়ও পাইনা।

বাংলা সিনেমায় একবার জসিমের সাথে প্রেমলীলায় সাবানা ম্যাডামের বুক থেকে আচঁল পড়ে যায়। ক্লিভের ২ পার্সেন্ট দর্শক দেখে ফেলে তাতেই নাকি পুরো হলের সেই বড় ভাইরা লাফ দিয়ে তাল গাছে উঠে যায়। এমন যদি হয় অবস্থা কবরে শুয়ে শুয়ে হলেও বিয়ে মানুষ না করে কই যাবে?

এখন মেয়েদের ভালোবাসার প্রমান হিসেবে দলিল ঝুলাতে হয় হোয়াট্সএ্যাপে। যাদের এই এ্যপস নেই তারা ভালোবাসা জানেনা। সমবারে প্রেম শুরু ফ্রাইডে কোন সামাজিক কাজে ব্যস্ততায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ভেবে নেয় ভালোবাসার সিরিয়ালের এই পর্ব শেষ। শনিবারে শনির দশা মাথায় নিয়ে অন্য জনে নক। মাসে যেখানে ৪ প্রেম জোটে সেখানে সারা জীবন এক মানুষে কে থাকে? গাধা ছাড়া কেউ না। ফকিরাপুলের বাজারের ধাক্কা খেয়ে বাসায় এসে বউয়ের হাতে রাননার আগে বেলুনের বাড়ি আসলে এই কাজ করে কি লাভ। আর আমাদের চাহিদা বেড়েছে। কোন নারীর চোখ কারো চুল কারো কানের দুল, কারো চিকনি চামেলি কারো রং ফর্শা ক্রিম, এত কিছু যখন একের ভিতর অসংখ্যা পাওয়া যাবেনা তখন দারে দারে দৌাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

আর নারী? তাকে নাকি কবি গুরু পর্যন্ত বুঝেনি। আমরা কি বুঝবো। না বুঝে যদি চোখ বুঝে সব দেখা যায় তো চোখ খুলে আগ্নোয়গীরিতে ঝাপ দেয়ার কি দরকার?

আবার আসলে না হয় আরো বলা যাবে, সময় কম

শুভ কামনা

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:৫৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আসলে বিয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হল যৌনতার নিয়ন্ত্রণ। বিয়ে ছাড়াও যৌনতা আছে। অনেক দেশে সামাজিক এবং আইনগত স্বীকৃতিও আছে। তাই এই ব্যাপারে বিয়েই একমাত্র রাস্তা না। আগে এই বিকল্প রাস্তাগুলির সামাজিক এবং আইনগত স্বীকৃতি ছিল না। যৌনতা সব সময়ই থাকবে। এখন প্রশ্ন হল কোন পথ কার পছন্দ। দেখা যাচ্ছে যে মানুষ বিভিন্ন কারণে এখন শর্টটার্ম চিন্তা করে শর্টটার্ম রাস্তায় বেশী ঝোঁকে। কিছু শর্টটার্ম তরিকাও আছে। দীর্ঘ মেয়াদী বিয়ের রাস্তায় অনেকেই যেতে চায় না। অনেকে হয়তো সাধু, সন্ন্যাসী আছেন যারা বিয়েও করে না কিছুই করে না। খুব ভালো। এরা মনে ভ্যাটিকানের জাজক এবং নানদের মত।

৩৩| ১৯ শে মার্চ, ২০২৩ সকাল ৮:৩১

মুদ্‌দাকির বলেছেন: প্রকৃত ভালোবাসার অভাব......
বাবা-মায়ের প্রতি অভক্তি.........
সুখী জীবনের চেয়ে উন্নত জীবনের চাহিদা......।

২০ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ৮:৩০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ভালো বলেছেন। একমত আপনার কথার সাথে। এখন চাওয়া পাওয়ার কোন শেষ নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.