নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাধারণ মানুষ ৷দশের সাথে চলতে চাই ৷

শাহিন-৯৯

সত্যের পরাজয় বলতে কিছু নেই, পরাজিত বলতে যা দেখি তা হল কুচক্রিদের সাময়কি সাফল্য, সত্যের জয় চিরন্তন

শাহিন-৯৯ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফেব্রয়ারীর প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের প্রথম কলম যোদ্ধাদের বিনয়ী সালাম।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৯



(ছবিটি আমি দুই বছর আগে আমার ম্যানেজার স্যারকে মেইল করে ২১শে এর শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম।)


১৯৫২ সালের ২৭ শে জানুয়ারী তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নাজিমউদ্দিন যখন পল্টনে ঘোষনা করলেন " উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা" তখনই মুলত বঞ্চিত প্রতিটি বাঙ্গালীর অন্তরে স্বাধীকার চেতনার জন্ম নেয়। বাঙ্গালীরা বুঝতে পারে ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন সংস্কৃতি দুইটি ভূ-খন্ড কখনও একত্রে থাকা সম্ভব নয়। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রয়ারী ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে ছাত্ররা জানিয়ে দেয় অস্থিত্ব রক্ষার্থে আমরা আপোষহীন। পর্যায়ক্রমে ৬৯ এর গণ-আন্দোলন, ৭০ এর নির্বাচন, অবশেষে ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন একটি ভূ-খন্ড, সবুজে মুড়ানো সোনার বাংলাদেশ।

১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রয়ারী ভাষার জন্য রক্ত ঝরানো যে আন্দোলন তার শুরু হয়েছিল দেশ ভাগের আগেই, এদেশের সুনামধন্য বুদ্ধিজীবিদের মাধ্যমে। ১৯৪৭ সালের ০৩রা জুন যখন লর্ড মাউন্টব্যাটেন দেশ ভাগের কার্যক্রম শুরু করেন তখন বিভিন্ন পত্রিকায় বের হয় পাকিস্তানের নেতারা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার চিন্তা করছে। তখন বেশ কয়েকজন বাঙ্গালী মুসলিম বুদ্ধিজীবি এর বিরোধিতা করে পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেন। তাদের মধ্যে উল্লেযোগ্য ছিলেন--

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ড. কাজী মোতাহার হোসেন
ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
আবুল মনসুর আহমদ
আবদুল হক
ফররুখ আহমদ
আবুল হাশিম

বাংলা ভাষার পক্ষে প্রথম প্রবন্ধ লিখেছিলেন- আবদুল হক।
"বাংলা ভাষাবিষয়ক প্রস্তাব" শিরোনামে প্রথম লেখাটি "দৈনিক ইত্তেহাদ" এ ১৯৪৭ সালের ২২ ও ২৯ শে জুন দুই কিস্তিতে ছাপা হয়।

ফেব্রয়ারীর প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের এই কলম যোদ্ধাদের আমার বিনয়ী সালাম।

লেখাটির সুত্রগুলো হল--
০১. আওয়ামলীগের উত্থান পর্ব-১৯৪৮-১৯৭০
লেখক: মহিউদ্দিন আহমদ।
০২. ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন লেখকের কলাম।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৬

মাইনুল ইসলাম আলিফ বলেছেন: শহীদ দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা লেখক সহ সকলকে ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৯

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনাকেও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪১

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন: আবুল মনসুর আহমেদ ও ফররুখ আহমেদ এতে সম্পৃক্ত ছিলেন তা জানা ছিল না।জেনে খুশি হলাম।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৭

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আমি যে বইটার রেফারেন্স দিয়েছি তাঁর ভিতরে আরও সুন্দরভাবে বিস্তারিত দেওয়া আছে।
আপনার মন্তব্যের জন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।

৩| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


বায়ান্ন সালের আন্দোলনটা ছিল ভুল বিষয় নিয়ে; পাকিস্তানে রাষ্ট্র ভাষা হওয়া উচিত ছিল ইংরেজী।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫২

শাহিন-৯৯ বলেছেন: ভাষার বিষয়টা আমার মনে হয় মূল বিষয় ছিল না, ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের অতি বাহাদুরী, কথায় কথায় বাঙ্গালীদের অপমান, নানান ভাবে বঞ্চিত সবকিছুই মিলেই প্রতিবাদ, সংগ্রাম। ভাষা সেই আন্দোলনের পথ তৈরী করে দিয়েছিল।

৪| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বৃটিশ থেকে বের হওয়ার ৪ বছরের মাঝে কে কাকে কিভাবে এত অপমান করলো; পশ্চিম ও পুর্বের সমস্যা ছিল, নতুন দেশে মানুষের অনেক আশা ছিল, সেগুলো নিয়ে কথা বলার, প্ল্যান করার মতো লোকজন ছিলো না।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৩১

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনি জ্ঞানী হয়েও এরকম প্রশ্ন করলে হবে কি করে, দেশভাগের আগে থেকেই তাদের আচারণ ছিল নিম্নমানের। মুসলিম ও হিন্দু যে আলাদা নেতৃত্ব ছিল তা নিশ্চই আপনি আমার চেয়ে ভাল জানেন, আর মুসলিম নেতাদের বেশিরভাগ পদ তারা দখল করত, বাঙ্গালীদের না পারতে দিত।

৫| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:০৮

আটলান্টিক বলেছেন: আজ থেকে বই মেলা শুরু :) :)

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০১

শাহিন-৯৯ বলেছেন: যেতে হবে নিশ্চই।

৬| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: শ্রদ্ধা।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০২

শাহিন-৯৯ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সবকিছু নিয়ে আমাদের অতি আদিখ্যেতার ফলে কাজের কাজ কিছুই হয় না। ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখে খালি পায়ে অন্যের বাগান থেকে ফুল চুরি করে বেদিতে দিয়ে আসার মাধ্যমে কি মূল্যবোধ আমরা গড়ে তুলছি, আমি নিশ্চিত নই। তার চেয়ে ভালো হতো, যদি আমরা আমাদের ভাষাটাকে গুরুত্ব দিয়ে সেটার আন্তর্জাতিকায়নে বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম, সাথে সাথে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজিটাকে শিখতাম। যদি আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত একটা কিছু করতাম.... আজ তাহলে শ্রিংলা বাবুরা বলতে পারতেন না 'এ দেশে হিন্দিভাষার ভবিষ্যৎ উজ্জল'...

সত্যিকারার্থে আমরা শো-অফ প্রিয় জাতি হয়ে গেছি।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৪

শাহিন-৯৯ বলেছেন: চীন, ব্রাজিলে ইংরেজী নিয়ে মাথা ঘামায় না, তারা কি উন্নতি করছে না?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.