| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাহিত্য বাজার
সাহিত্য বাজার একটি অনিয়মিত সাহিত্য সংস্কৃতি ও রাজনিতীর পত্রিকা। এটি অনলাইনে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে। আমি এটি চালাচ্ছি। আরিফ আহমেদ।
সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ
সত্য আর সুন্দরের সন্ধানে এসো হই উন্মুখ।
ধর্ম-কর্ম বল কিম্বা আল্লাহ-ইশ্বর-ভগবান
বিশ্বজুড়ে যা কিছু সুন্দর সব সাহিত্যের অবদান।
এই শ্লোগান নিয়ে ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সাহিত্যের সংবাদপত্র খ্যাত সাহিত্য বাজার পত্রিকার তিন দিনব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন, বইমেলা ও সাহিত্য উৎসব ২০১৪। সমাপনী দিবসের প্রধান অতিথি খ্যাতনামা আবৃত্তিশিল্পী কামরুল হাসান মঞ্জু ও আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদের উপস্থিতিতে উৎসব সমন্বয়ক স্বাধীন চৌধুরী ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠ করেন। এতে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় রাইটারস ক্লাব তৈরি ও সংস্কৃতিক কর্মকর্তা নিয়োগ, উপজেলাগুলোতে পাঠাগার নির্মাণ, ময়মনসিংহকে সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন আবুল মনসুর সড়কটিকে সাংস্কৃতিক জোন করার দাবিসহ বেশকিছু জনহিতকর দাবি পুরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সময় ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এই উৎসব সফল করার জন্য আগত অতিথি ও ময়মনসিংহবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সাহিত্য বাজার সম্পাদক আরিফ আহমেদ বলেন, এই উৎসব আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য ছিল অসহায়, দুস্থ সাংস্কৃতিকজনদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। প্রমাণ করা যে সাহিত্য সম্মেলন মানে শুধু আনন্দ উল্লাস নয়, সেবাও। আমরা আমাদের সাধ্য মত সেই চেষ্টা করেছি। আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ ও অধ্যাপক যতীন সরকারের জন্য তাদের চিকিৎসা সেবায় সংস্কৃতিক সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে আমাদের এ উৎসবকে সার্থক করে তুলেছেন। তাই তার প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
২৪ এপ্রিল উদ্বোধনী পর্ব
চিন্তার খোরাক হচ্ছে বই। জ্ঞানের সন্ধান পেতে হলে বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টি করতে হবে। জ্ঞানার্জনে বইয়ের বিকল্প নেই। ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে সাহিত্য বাজার পত্রিকার ৭মবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে জেলা প্রশাসক মোস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকীর সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহিত উল আলম এ উৎসবের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
দেশের বহু গুণী কবি-সাহিত্যকদের অংশ গ্রহণে ‘সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ’- স্লোগান নিয়ে আবৃত্তি, প্রবন্ধপাঠ, বই মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ শিল্পকলা একাডেমিতে তিনদিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব শুরু হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত এ উৎসব চলবে।
কবি ফরিদ আহমদ দুলালের ‘বইয়ের সাথে আলোকিত সান্নিধ্য’ শীর্ষক প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন অধ্যাপক আমীর আহাম্মদ চৌধুরী, কবি মুশাররাফ করিম, নাট্য সংগঠক শাহাদাত হোসেন খান হিলু, কবি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল, অধ্যাপক আফজাল রহমান ও সাহিত্য উৎসবের সমন্বয়ক স্বাধীন চৌধুরী।
পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা বই মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে সাহিত্য বাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, বরেণ্য বুদ্ধিজীবী যতীন সরকার, আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, শিশু সাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর, কথাশিল্পী আতা সরকার, কবি শামসুল ফয়েজ, ছড়াকার দীপংকর চক্রবর্তী, কথাশিল্পী নাসরীন জাহান, বাচিকশিল্পী মীর বরকত, কবি ও সমালোচক আশিক চৌধূরী এবং কবি ওমর কায়সারকে পদক ও সম্মাননা দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় কবি নির্মলেন্দু গুন উপস্থিত গুণী কবি সাহিত্যিকদের হাতে পদক ও সম্মাননা তুলে দেন।
পদক বিতরণ শেষে আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।
২৫ এপ্রিল ২য় দিনের উৎসব আয়োজন
'সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ' এই সস্নোগানে ময়মনসিংহে তিন দিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব ও বই মেলার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব রনজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে গতি, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আমাদের শিশুদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেম ও ভালোবাসা জাগাতে হবে এবং এর মাধ্যেমেই সকলে মিলে এ দেশকে গড়ে তুলতে হবে । বিষয় ভিত্তিক আলোচনা 'বাংলাদেশের শিশু সাহিত্য : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্ব এএফএম আকরাম হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি নির্মলেন্দু গুণ, অধ্যক্ষ আমীর আহমেদ চৌধুরী রতন, শহীদুল্লাহ ফরায়েজী, অধ্যাপক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, কবি ও ছড়াকার আসলাম সানী, ছড়াকার সরকার জসীম, গোলাম সোবহানী কোরায়শী, সাংবাদিক নজরুল কবির ও জুয়েল কবির সজল কোরায়শী ও স্বাধীন চৌধূরী প্রমূখ। এরপর স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন মতেন্দ্র মানখিন, আব্দুল হক চাষী, হেফজুল বারী খান, মমতা ইয়াসমিন বন্যা, তাছাদ্দুক ফাহিম অমল রজক, মোস্তাক বিবাগী চয়ন, বিকাশ ভদ্র, আলী ইউসুফ, তারেক আহসান আল্পনা বেগম ও ইশারার ইসরাফিল মনীষা প্রমুখ। বিকেলে গীতিকার শহীদুল্লাহ ফরায়েজীর সভাপতিত্বে দ্বিতীয় অধিবেশনে বিষয় ভিত্তিক 'কবিতায় দুর্বুধ্যতায় কমে যাচ্ছে পাঠক' শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন কবি আশরাফ মীর, ইয়াজধানী কোরায়শী কাজল, সুহৃদ জাহাঙ্গীর, আলীম, সরকার আজিজ, শামীম সিদ্দিকী, রওশন ঝুনু, সাংবাদিক গণী আদম, তামান্না কদর ও শাবিহ মাহমুদ। পরে স্বরচিত কবিতা পাঠের আসরের পর মুকুল ফৌজ সাস্কৃতিক একাডেমির বিচিত্রানুষ্ঠান। সবশেষে মৈমনসিং গীতিকা অবলম্বনে 'অতুলা সুন্দরী' নাটক পরিবেশিত হয়।
২৬ এপ্রিল শেষদিনের প্রথম আলো সংবাদ
মানুষের মনের সুকুমারবৃত্তি জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ময়মনসিংহে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শেষ হলো তিন দিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব। সাহিত্যের পত্রিকা সাহিত্য বাজার-এর সপ্তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সাহিত্য উৎসব শুরু হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তে উৎসবের উদ্বোধন করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহীত উল আলম। উৎসবের সমন্বয়ক ছিলেন কবি স্বাধীন চৌধুরী। তিন দিনের বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণকারী কবি-লেখক ও আবৃত্তিকারেরা হলেন সংস্কৃতিসচিব রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, কবি নির্মলেন্দু গুণ, কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান, আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু ও তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, কবি শামসুল ফয়েজ, আফজালুর রহমান, ওমর কায়সার, সোহরাব পাশা, ইয়াজদানী কোরায়শী, মাহমুদ আল মামুন, রওশন ঝুনু ও কাজী নাসির মামুন।
২৬ এপ্রিল শনিবার
৩য় ও শেষ দিনের অধিবেশনের প্রধান আকর্ষন ছিল আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ এর প্রবন্ধ পালে লাগবে হাওয়া। এ পর্বের প্রধান অতিথি খ্যাতনামা আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু এবং সভাপতি তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদ। আলোচক হিসেবে ছিলেন আলী ইদ্রিস, সালিম হাসান, আমজাদ দোলন, নজরুল কবীর, ড. কাশফিয়া প্রমূখ
এ পর্বে কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করেন যুগল দাস, মামুন মাহফুজ প্রমূখ।
(পাশাপাশি জমে উঠে ছিল তমাল তলার চা আড্ডাটিও।)
বিকালে ৫টায় দ্বীতিয় ও শেষ অধিবেশনে প্রশান্ত মৃধা রচিত বাংলাদেশের গল্প পর্যালোচনা : করতলে যা দেখি শীর্ষক প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন ধ্রুব জ্যোতি ঘোষ মুকুল, আলী ইদ্রিস, আল মাকসুদ, মনি হায়দার, থিওফিল নকরেক প্রমূখ। এ সময় উপস্তিত প্রায় সব কবিরাই গন কবিতা পাঠে অংশ গ্রহণ করেন। আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদেও সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি কামরুল হাসান মঞ্জুর উপস্তিতিতে এ দিন ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠ করেন কবি স্বাধীন চৌধুরী। তিনদিনের এই উৎসবকে প্রানবন্ত করে রাখেন উপস্থাপক ও সঞ্চালক সজল কোরায়শী এবং আমজাদ দোলন।
সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ
সত্য আর সুন্দরের সন্ধানে এসো হই উন্মুখ।
ধর্ম-কর্ম বল কিম্বা আল্লাহ-ইশ্বর-ভগবান
বিশ্বজুড়ে যা কিছু সুন্দর সব সাহিত্যের অবদান।
এই শ্লোগান নিয়ে ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সাহিত্যের সংবাদপত্র খ্যাত সাহিত্য বাজার পত্রিকার তিন দিনব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন, বইমেলা ও সাহিত্য উৎসব ২০১৪। সমাপনী দিবসের প্রধান অতিথি খ্যাতনামা আবৃত্তিশিল্পী কামরুল হাসান মঞ্জু ও আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদের উপস্থিতিতে উৎসব সমন্বয়ক স্বাধীন চৌধুরী ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠ করেন। এতে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় রাইটারস ক্লাব তৈরি ও সংস্কৃতিক কর্মকর্তা নিয়োগ, উপজেলাগুলোতে পাঠাগার নির্মাণ, ময়মনসিংহকে সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন আবুল মনসুর সড়কটিকে সাংস্কৃতিক জোন করার দাবিসহ বেশকিছু জনহিতকর দাবি পুরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সময় ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এই উৎসব সফল করার জন্য আগত অতিথি ও ময়মনসিংহবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সাহিত্য বাজার সম্পাদক আরিফ আহমেদ বলেন, এই উৎসব আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য ছিল অসহায়, দুস্থ সাংস্কৃতিকজনদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। প্রমাণ করা যে সাহিত্য সম্মেলন মানে শুধু আনন্দ উল্লাস নয়, সেবাও। আমরা আমাদের সাধ্য মত সেই চেষ্টা করেছি। আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ ও অধ্যাপক যতীন সরকারের জন্য তাদের চিকিৎসা সেবায় সংস্কৃতিক সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে আমাদের এ উৎসবকে সার্থক করে তুলেছেন। তাই তার প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
২৪ এপ্রিল উদ্বোধনী পর্ব
চিন্তার খোরাক হচ্ছে বই। জ্ঞানের সন্ধান পেতে হলে বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টি করতে হবে। জ্ঞানার্জনে বইয়ের বিকল্প নেই। ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে সাহিত্য বাজার পত্রিকার ৭মবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে জেলা প্রশাসক মোস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকীর সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহিত উল আলম এ উৎসবের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
দেশের বহু গুণী কবি-সাহিত্যকদের অংশ গ্রহণে ‘সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ’- স্লোগান নিয়ে আবৃত্তি, প্রবন্ধপাঠ, বই মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ শিল্পকলা একাডেমিতে তিনদিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব শুরু হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত এ উৎসব চলবে।
কবি ফরিদ আহমদ দুলালের ‘বইয়ের সাথে আলোকিত সান্নিধ্য’ শীর্ষক প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন অধ্যাপক আমীর আহাম্মদ চৌধুরী, কবি মুশাররাফ করিম, নাট্য সংগঠক শাহাদাত হোসেন খান হিলু, কবি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল, অধ্যাপক আফজাল রহমান ও সাহিত্য উৎসবের সমন্বয়ক স্বাধীন চৌধুরী।
পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা বই মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে সাহিত্য বাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, বরেণ্য বুদ্ধিজীবী যতীন সরকার, আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, শিশু সাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর, কথাশিল্পী আতা সরকার, কবি শামসুল ফয়েজ, ছড়াকার দীপংকর চক্রবর্তী, কথাশিল্পী নাসরীন জাহান, বাচিকশিল্পী মীর বরকত, কবি ও সমালোচক আশিক চৌধূরী এবং কবি ওমর কায়সারকে পদক ও সম্মাননা দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় কবি নির্মলেন্দু গুন উপস্থিত গুণী কবি সাহিত্যিকদের হাতে পদক ও সম্মাননা তুলে দেন।
পদক বিতরণ শেষে আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।
২৫ এপ্রিল ২য় দিনের উৎসব আয়োজন
'সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ' এই সস্নোগানে ময়মনসিংহে তিন দিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব ও বই মেলার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব রনজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে গতি, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আমাদের শিশুদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেম ও ভালোবাসা জাগাতে হবে এবং এর মাধ্যেমেই সকলে মিলে এ দেশকে গড়ে তুলতে হবে । বিষয় ভিত্তিক আলোচনা 'বাংলাদেশের শিশু সাহিত্য : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্ব এএফএম আকরাম হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি নির্মলেন্দু গুণ, অধ্যক্ষ আমীর আহমেদ চৌধুরী রতন, শহীদুল্লাহ ফরায়েজী, অধ্যাপক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, কবি ও ছড়াকার আসলাম সানী, ছড়াকার সরকার জসীম, গোলাম সোবহানী কোরায়শী, সাংবাদিক নজরুল কবির ও জুয়েল কবির সজল কোরায়শী ও স্বাধীন চৌধূরী প্রমূখ। এরপর স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন মতেন্দ্র মানখিন, আব্দুল হক চাষী, হেফজুল বারী খান, মমতা ইয়াসমিন বন্যা, তাছাদ্দুক ফাহিম অমল রজক, মোস্তাক বিবাগী চয়ন, বিকাশ ভদ্র, আলী ইউসুফ, তারেক আহসান আল্পনা বেগম ও ইশারার ইসরাফিল মনীষা প্রমুখ। বিকেলে গীতিকার শহীদুল্লাহ ফরায়েজীর সভাপতিত্বে দ্বিতীয় অধিবেশনে বিষয় ভিত্তিক 'কবিতায় দুর্বুধ্যতায় কমে যাচ্ছে পাঠক' শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন কবি আশরাফ মীর, ইয়াজধানী কোরায়শী কাজল, সুহৃদ জাহাঙ্গীর, আলীম, সরকার আজিজ, শামীম সিদ্দিকী, রওশন ঝুনু, সাংবাদিক গণী আদম, তামান্না কদর ও শাবিহ মাহমুদ। পরে স্বরচিত কবিতা পাঠের আসরের পর মুকুল ফৌজ সাস্কৃতিক একাডেমির বিচিত্রানুষ্ঠান। সবশেষে মৈমনসিং গীতিকা অবলম্বনে 'অতুলা সুন্দরী' নাটক পরিবেশিত হয়।
২৬ এপ্রিল শেষদিনের প্রথম আলো সংবাদ
মানুষের মনের সুকুমারবৃত্তি জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ময়মনসিংহে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শেষ হলো তিন দিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব। সাহিত্যের পত্রিকা সাহিত্য বাজার-এর সপ্তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সাহিত্য উৎসব শুরু হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তে উৎসবের উদ্বোধন করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহীত উল আলম। উৎসবের সমন্বয়ক ছিলেন কবি স্বাধীন চৌধুরী। তিন দিনের বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণকারী কবি-লেখক ও আবৃত্তিকারেরা হলেন সংস্কৃতিসচিব রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, কবি নির্মলেন্দু গুণ, কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান, আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু ও তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, কবি শামসুল ফয়েজ, আফজালুর রহমান, ওমর কায়সার, সোহরাব পাশা, ইয়াজদানী কোরায়শী, মাহমুদ আল মামুন, রওশন ঝুনু ও কাজী নাসির মামুন।
২৬ এপ্রিল শনিবার
৩য় ও শেষ দিনের অধিবেশনের প্রধান আকর্ষন ছিল আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ এর প্রবন্ধ পালে লাগবে হাওয়া। এ পর্বের প্রধান অতিথি খ্যাতনামা আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু এবং সভাপতি তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদ। আলোচক হিসেবে ছিলেন আলী ইদ্রিস, সালিম হাসান, আমজাদ দোলন, নজরুল কবীর, ড. কাশফিয়া প্রমূখ
এ পর্বে কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করেন যুগল দাস, মামুন মাহফুজ প্রমূখ।
(পাশাপাশি জমে উঠে ছিল তমাল তলার চা আড্ডাটিও।)
বিকালে ৫টায় দ্বীতিয় ও শেষ অধিবেশনে প্রশান্ত মৃধা রচিত বাংলাদেশের গল্প পর্যালোচনা : করতলে যা দেখি শীর্ষক প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন ধ্রুব জ্যোতি ঘোষ মুকুল, আলী ইদ্রিস, আল মাকসুদ, মনি হায়দার, থিওফিল নকরেক প্রমূখ। এ সময় উপস্তিত প্রায় সব কবিরাই গন কবিতা পাঠে অংশ গ্রহণ করেন। আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদেও সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি কামরুল হাসান মঞ্জুর উপস্তিতিতে এ দিন ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠ করেন কবি স্বাধীন চৌধুরী। তিনদিনের এই উৎসবকে প্রানবন্ত করে রাখেন উপস্থাপক ও সঞ্চালক সজল কোরায়শী এবং আমজাদ দোলন।
©somewhere in net ltd.