নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ

সাহিত্যের আয়নায় ধরা দিক সত্য সুন্দর সমাজ দূরে রেখে রেষারেষি, হিংসা আর বিদ্বেষপ্রবীণের ছায়ায় বেড়ে উঠুক নবীনের প্রতীতী অধূনা উচ্ছাস।

সাহিত্য বাজার

সাহিত্য বাজার একটি অনিয়মিত সাহিত্য সংস্কৃতি ও রাজনিতীর পত্রিকা। এটি অনলাইনে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে। আমি এটি চালাচ্ছি। আরিফ আহমেদ।

সাহিত্য বাজার › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে, একজন প্রকৃত মানুষকে মহাপরিচালক করুন

০১ লা জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১২:০০



সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা যারা করেন, তারা সত্য ও সুন্দরেরর ধারক বাহক। কথাটি আমার নয়, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী দুজনই সুযোগ পেলেই এ কথাটি দিয়ে তাদের বক্তব্য শুরু করেন। অথচ খুবই মজার বিষয় হচ্ছে আমাদের সত্য ও সুন্দরের রক্ষাকর্তা দুইটি প্রধান প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক বা মহাপরিচালক প্রকৃতপক্ষে কথার বরখেলাপকারী বা মিথ্যাবাদী। (তাদের মিথ্যাচারের প্রমাণ লেখক নিজেই।)

শুধু তা্-ই নয় এদের একজন আবার মোটাকলা খেতে খুবই পছন্দ করেন। তাই তিনি মাল্টিন্যাশনালের নিমন্ত্রণ পাওয়া মাত্র কুড়েঘরের দাওয়াতে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে যান। অন্যজন তার বিভাগে শুধু প্রজেক্ট তৈরি করতে ব্যস্ত। তার নিজস্ব লোকের হাতে কাজ নেই, অথচ তিনি লোক ভাড়া করে প্রজেক্ট চালান। এবং ক্ষুদ্র বা দরিদ্র কেউ সাহায্য চাইলে প্রতিশ্রতি দেন কিন্তু কখনোই তা রক্ষা করেন না। বলেন, প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত আছি, ঢাকার বাইরে যাবো, পরে এসো।



অনেকেই হয়ত অনুমান করতে পারছেন আমি কাদের কথা বলছি? হাঃঁ ঠিক ধরেছেন। আচ্ছা বলুনতো? জাতীয় একটি সংগঠনের সভাপতি হয়ে ঐ ব্যক্তি যদি সরকারী প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক হন তবে সেটা কতটা গ্রহণযোগ্য। এ ব্যক্তিটির কাছে কি জাতি ভালো কিছু আশা করতে পারবে? যে প্রতিশ্রতি রক্ষা করেনা? হাঃ জনাব লিয়াকত আলী লাকী, মহাপরিচালক বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি যিনি একই সাথে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানেরও সভাপতি বা চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান কার্যক্রম অনেকটাই স্তবির হয়ে পরেছে এ অভিযোগ মফস্বলের প্রায় সব নাট্য সংগঠনের। শিল্পকলা একাডেমি কার্যক্রমে বেঙ্গল ফাউণ্ডেশন কেন্দ্রিকতা আরো বাড়ছে। অর্থাৎ মোটাকলার (টাকাওয়ালার) সাথে দহরমমহরম। লাকী সাহেবের সহনুভুতি তারাই পাচ্ছেন যারা আর্থিকভাবে আগেই স্বচ্ছল। অথচ এই লাকী সাহেবের অতীতটা কিন্তু লাক বা ভাগ্য নির্ভর তা বুঝি তিনি ভুলেই গেছেন?



অন্যদিকে বাংলা একাডেমির দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান নিজের গ্রন্থ প্রকাশ ও প্রজেক্ট তৈরিতে এতোই ব্যস্ত যে একাডেমির নিয়মিত কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। বিশ্বাস না হলে সকাল ১১ টায় বাংলা একাডেমির উপ পরিচালক বা পরিচালক সহ কর্মকর্তাদের খোঁজে যান দেখবেন তারা বেশিরভাগই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বাংলাবাজারে কিম্বা আজিজ সুপার মাকের্টে। কারণ তাদের হাতে কাজ নেই। হাজিরা বইতে সই করেই কেউ কেউ চলে যান প্রধাননমন্ত্রীর কার্যালায়ে লিয়াজু করতে। মহাপরিচালকের সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তিনি প্রজেক্ট আবিস্কার করছেন, তৈল মালিশকারীদের ও বহিরাগতদের সেই প্রজেক্টে কাজ দিচ্ছেন এবং কোটি কোটি টাকার শ্রাদ্ধ করছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে : কথার বরখেলাপ করা বা সোজা কথাটি অনেক কৌশলে ঘুরিয়ে বলা যাদের সৌখিনতা। এমন ব্যক্তিদ্বয় কি সত্য সুন্দরের ধারক ও বাহক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক হতে পারেন?



তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অনুরোধ জানাবো - শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলা একাডেমি আমাদের সত্য ও সুন্দরের ধারক বাহক যদি হয়, তবে একে রক্ষায় এখানে সত্যিকারের একজন মানুষকে দায়িত্ব দিন। যে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে আমি প্রকৃত মানুষ।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১২:১৭

দাকুড়াল বলেছেন: প্রকৃত মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেনেন না।প্রকৃত মানুষরা প্রধানমন্ত্রীর চামচামি করেন না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.