নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ

সাহিত্যের আয়নায় ধরা দিক সত্য সুন্দর সমাজ দূরে রেখে রেষারেষি, হিংসা আর বিদ্বেষপ্রবীণের ছায়ায় বেড়ে উঠুক নবীনের প্রতীতী অধূনা উচ্ছাস।

সাহিত্য বাজার

সাহিত্য বাজার একটি অনিয়মিত সাহিত্য সংস্কৃতি ও রাজনিতীর পত্রিকা। এটি অনলাইনে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে। আমি এটি চালাচ্ছি। আরিফ আহমেদ।

সাহিত্য বাজার › বিস্তারিত পোস্টঃ

:কণ্ঠশীলন সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ : আমরা সত্য জানতে চাই

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:১৫





(খ্যাতনামা আবৃত্তি সংগঠন কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতী পত্রপত্রিকায় বেশ রসালো সংবাদ পরিবেশন চলছে। একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানকে টুকরো টুকরো করার এই গভীর ষড়যন্ত্রে আমরা সাংবাদিকতার সাথে যারা যুক্ত, তারাও কি জড়িয়ে পড়বো। থিয়েটার ভেঙ্গেছে, নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় ভেঙ্গেছে, খেলাঘর ভেঙ্গেছে, বাকি আছে উদীচী, ছায়ানট আর কণ্ঠশীলন। এরাও কি তবে এই ভাঙ্গনের খেলায় মাতবে? আমরা ভাঙ্গন চাইনা। চাই সত্যের উম্মোচন ও ক্ষমা। তাই পাঠকের কাছে ছেড়ে দিলাম এই সংগঠনের বিচারের ভার।)

কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করলেন সভাপতি (প্রথম আলো বিজ্ঞাপন)



সাহিত্যের বাচিক চর্চা প্রতিষ্ঠান কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন:

বেশ কিছুদিন ধরেই কণ্ঠশীলনে যে অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে, তাতে আমি খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছি। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও গঠনতন্ত্রের বিধান অমান্য করে আমাকে এড়িয়ে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অগণতান্ত্রিক এবং অন্যায়। একটি মহলের কাছে পুরো প্রতিষ্ঠানটি জিম্মি হয়ে আছে। কণ্ঠশীলন বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রফেসর সন্জীদা খাতুনের বক্তব্যের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।

আমার সঙ্গে কোনো কথা না বলেই কণ্ঠশীলনকে লাভজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিল দলটির ছয় সদস্য গোলাম সারোয়ার, রইসুল ইসলাম, মীর বরকত, আহমাদুল হাসান, মোস্তফা কামাল ও নমিতা আক্তার মুক্তি। শুধু তা-ই নয়, কণ্ঠশীলন অনেক দিন ধরেই পরিচালিত হচ্ছে নানা অনিয়মে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করা, নিয়মিত অডিট না করা, নিয়মিত বিরতিতে প্রতিষ্ঠানের যোগ্য সদস্যদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বের করে দেওয়া—এগুলো হলো অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারের কিছু দৃষ্টান্ত।

আমরা কয়েক মাস ধরে সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে কয়েকটি বৈঠক করেছি। কিন্তু তাদের (যাঁরা লিমিটেড কোম্পানি করেছেন এবং তাঁদের অনুসারীরা) পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাইনি। অবশেষে ৫ সেপ্টেম্বর আমি সভা ডাকি, তাতেও তারা উপস্থিত হওয়ার কথা বলেও পরে জানায় সভায় আসবে না।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে গঠনতন্ত্রে দেওয়া ক্ষমতাবলে আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর (আজ) থেকে কণ্ঠশীলনের সব কার্যক্রম; বিশেষত স্কুল, মহড়া, ব্যাংক লেনদেন, সাংগঠনিক বৈঠক, অনুষ্ঠানাদি সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করছি। অচিরেই একটি অন্তর্বর্তী কমিটি গঠনের মাধ্যমে কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

(সত্য কি তা খুঁজে বের করা সংবাদপত্রের প্রধান কাজ। সৎ ও বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ সেবক চাই।)



Shangbadik-Shommelon-photo-

সংবাদ সম্মেলন প্রেসক্লাবে। এখানে যারা আছেন তারাই এখনো আছেন। তবে কাইয়ুম চৌধুরীর অভিযোগ এদেরই বিরুদ্ধে? সংবাদ কর্মীদের অনুরোধ জানাবো শুধুমাত্র একটি প্রভাবশালী পত্রিকার লোকধারা প্রভাবিত না হয়ে সত্যকে অনুসন্ধান করুন।



কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম স্থগিত করলেন সভাপতি শিল্পী ... - বাংলাপ্রেস



সমাজ-সংস্কৃতি ডেস্ক, বাংলাদেশ প্রেস || বাংলাদেশ প্রেসে গত ৭ সেপ্টেম্বর "কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম স্থগিত করলেন সভাপতি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী" শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছিল "দেশের ঐতিহ্যবাহী আবৃত্তি সংগঠন ‘কণ্ঠশীলন’। এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের কয়েকজন সদস্যের স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের কারণে সংগঠনটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। কণ্ঠশীলনের সকল কার্যক্রম; বিশেষত স্কুল, মহড়া, ব্যাংক লেনদেন, সাংগঠনিক বৈঠক, অনুষ্ঠানাদি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।"



মূলত কণ্ঠশীলন সম্পর্কে সভাপতি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী বিবৃতির আলোকে প্রকাশিত সংবাদটি লিখিত হয়ছিল।



তাঁদের কথাঃ

=====

কণ্ঠশীলন সম্পর্কে

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে

৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখ প্রকাশিত সংবাদ শিরোনাম - ‘

কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম স্থগিত করলেন সভাপতি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী



’- এর পরিপ্রেক্ষিতে কণ্ঠশীলনের সকল প্রাথমিক সদস্যগণ, সকল সাধারণ সদস্যগণ, ২জন ব্যতীত সকল কার্যকরী পরিষদের সদস্যগণ, নিয়মিত প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ও প্রশিক্ষকবৃন্দের অভিমত অবগতির জন্যে কণ্ঠশীলনের সকল শিক্ষার্থী, দেশে-বিদেশে অবস্থান করা কণ্ঠশীলনের সকল শুভানুধ্যায়ীদের কাছে প্রাসঙ্গিকভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলো। দীর্ঘদিন শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী কণ্ঠশীলনের সভাপতি ছিলেন।

ফলে সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁর এ মতো বিপরীত বিবৃতি তাঁর কাঁধে বর্তায়। কণ্ঠশীলনের লাভজনক প্রতিষ্ঠানের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। কণ্ঠশীলন লিমিটেড-এর নামে কোনো ব্যাংক হিসাব, ট্রেড লাইসেন্স, সভা বা অন্য কোনো ধরনের কার্যক্রম কোনো সময়ই ছিলো না। তৎকালীন পর্ষদ এবং সাধারণ সভার অবগতিতে সে-সময়ের একটি সাংগঠনিক সমস্যার সমাধানকল্পে সাময়িকভাবে একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর গ্রহণ করা হয়েছিলো মাত্র, এবং পর্ষদের অনুমোদনেই তা আইনানুগ পদ্ধতিতে বাতিল করা হয়েছে। যার সকল কাগজ-পত্র প্রাক্তন সভাপতি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীকে প্রদান করা হয়েছে।

অনিয়মের বিষয়ে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে প্রাক্তন সহ-সভাপতি আহমাদুল হাসান হাসনু ব্যতীত কেউ এই মেয়াদের কার্যকর পরিষদ সদস্য নয়।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেনে তাঁদের জড়িত হবার কোন সুযোগ ছিলো না। যথাযথভাবে উল্লেখিত অনিয়মের উত্তর দিতে পারবেন এই সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি অথবা প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু সকলের জানামতে এখানে কোন অনিয়ম হয়নি।

দুই পক্ষের বৈঠকের বিষয়ে সাড়া পাওয়া যায়নি -তা ঠিক নয়। গত ২৪/০৮/২০১৪ তারিখে প্রাক্তন সভাপতি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর বাসায় কণ্ঠশীলনের কার্যকরী পরিষদ সদস্যগণ ও সাধারণ সদস্যগণ মিলে ১৫ সদস্যের একটি দলের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। সেখানে নিচের বিষয়গুলির সঙ্গে তিনি একমত হন:

১. সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও সভা আহবানের অনুমোদন।

২. পুরোনো কোন সদস্য কাজে যুক্ত হতে চাইলে নিয়মমাফিক, ধারাবাহিক কাজের মধ্য দিয়ে সংগঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করা।

৩. সম্মিলিত সভায় কণ্ঠশীলনের সকল সক্রিয় সদস্য উপস্থিত থাকতে পারবে এবং সকলেই স্বাধীনভাবে মতামত ব্যক্ত করতে পারবে।

০৫/০৯/২০১৪ তারিখের সভার পূর্বেই আমরা জানতে পারি যে, একটি পূর্ব প্রণিত কমিটি ঐ সভায় উপস্থাপন করা হবে, যদিও সেটি সাধারণ সভা হিসেব গণ্য হবে না। এই পরিপ্রেক্ষিতে কণ্ঠশীলন কার্যালয়ে প্রায় ৬৬জন সদস্যের উপস্থিতিতে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ০৫/০৯/২০১৪ তারিখের সভায় না যাওয়ার। তারপরের সংবাদ সকলের জানা।

কণ্ঠশীলন দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে, সকল অপ-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আন্দোলনে বরাবর যুক্ত ছিল, আছে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সকল নিয়ম মেনেই দীর্ঘদিন ধরে কণ্ঠশীলন পরিচালিত হয়ে আসছে। বাংলা ভাষা তথা সাহিত্যের বাচিক চর্চার সকল দিকে সংগঠনকে এক মানসম্পন্ন স্থানে অধিষ্ঠিত করে এর সকল সদস্য মিলেমিশে। যাদের নামে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তারা প্রত্যেকেই ওয়াহিদুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সংগঠনের আরম্ভ থেকে এর শিক্ষা কার্যক্রম সুনামের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। গোলাম সারোয়ার এবং মীর বরকত শুধু কণ্ঠশীলনেই নয়, দেশে-বিদেশে আবৃত্তি, নাটক ও সাহিত্যের বাচিক প্রসারে অবদান রেখে চলেছেন, যা সর্বজনবিদিত।

শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী সবসময়ই আমাদের শ্রদ্ধাভাজন। অনুজদের পথ চলায় তাঁর পরামর্শ সব সময় কাম্য। একসাথে পথ চলায় দুই মত কিংবা একাধিক মত হওয়া স্বাভাবিক তা আমরা অগ্রজদের আহবানে সারিয়ে তুলতে পারি। এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের মান রক্ষা করতে আমরাও চাই। প্রত্যাশা করি এই বিবৃতির মাধ্যমে সকল বিষয় পরিষ্কার হবে।



স্বাক্ষরিত

কণ্ঠশীলনের

৬৬ জন সাধারণ সদস্য ও প্রাথমিক সদস্যবৃন্দ।

কণ্ঠশীলনের কার্যক্রম স্থগিত করলেন কাইয়ুম চৌধুরী

সমকাল প্রতিবেদক

স্কুল, মহড়া, ব্যাংক লেনদেন, সাংগঠনিক বৈঠক, অনুষ্ঠানসহ সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী আবৃত্তি সংগঠন কণ্ঠশীলনের। সংগঠনটির ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতাসহ অনিয়মের অভিযোগ এনে কণ্ঠশীলনের সভাপতি বরেণ্য শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী গতকাল রোববার এর কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দেন। অভিযুক্ত ছয় সদস্য হলেন_ গোলাম সারোয়ার, রইচ উল ইসলাম, মীর বরকত, আহমাদুল হাসান, মোস্তফা কামাল ও নমিতা আক্তার মুক্তি।

কাইয়ুম চৌধুরী অভিযোগ করেন, "সভাপতির কোনো মতামত না নিয়েই কণ্ঠশীলনকে লাভজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিলেন তারা। সংগঠনের এই ছয় সদস্য গোপনে কোম্পানি অ্যাক্ট ১৯৯৪-এর অধীনে 'কণ্ঠশীলন লিমিটেড' নামে একটি লাভজনক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন করেছিলেন।" এই লিমিটেড কোম্পানির চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রইচ উল ইসলাম এবং অন্য চার পরিচালক।

সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রয়াত ওয়াহিদুল হক ও নরেন বিশ্বাসের স্মৃতিধন্য এ সংগঠনটি দেশের আবৃত্তি ও বাচিক শিল্পের চর্চা প্রসারের অগ্রযাত্রায় পথনির্দেশকের ভূমিকা পালন করে এসেছে।

এই ছয় সদস্যের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে শনিবার বিবৃতি দেন ছায়ানট সভাপতি সন্জীদা খাতুন।

রোববার এক বিবৃতিতে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী সব অনিয়ম দূর করে দ্রুতই এ সংগঠনের কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানান।



অভিযুক্তদের জিঞ্জাসা

দৈনিক প্রথম আলো যে সংবাদ ছেপেছেন তা আসলে একটি বিজ্ঞাপন। টাকার বিনিময়ে, অন্যপত্রিকা সেই বিজ্ঞাপন দেখে অভিযুক্তদের সাথে কোনো কথা না বলেই সংবাদ পরিবেশন করছেন। এটা কি সত্যিকার সাংবাদিকতা?

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.