নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মূঘল সম্রাট

সুখ পাইয়া আল্লার নাম ভুইল্লা গেছি।

মুঘল সম্রাট

পুরুষের সফলতায় বাধা হলো নারী ও টাকার অতিরিক্ত লোভ এবং নারীর সফলতায় বাধা হলো পরশ্রীকাতরতা ও লোভ।

মুঘল সম্রাট › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওরা বিভিন্ন যানবাহনে হুজুর খুজতেছিল।

০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৮

৫ই মে সকাল ৯:০ টায় তাতী বাজার মোড় হাটা শুরু করলাম এবং মাওয়া বিশ্বরোড পর্যন্ত হেটে গেলাম সকাল ১১.৩০ টায়। যাওয়ার পথে পুরো রাস্তাটাই ছিল হেফাজত ইসলামের আন্দোলনকারী আলেম ওলামাদের দখলে। ব্রিজের দুই পাড়ে দুইটি এবং মধ্যখানে একটি অস্থায়ী মঞ্চ তৈরী করা হয়েছিল যেখান থেকে বিজ্ঞ আলেম গন নছিহত করতে ছিলেন এবং বিভিন্ন ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশিত হচ্ছিল। এছাড়াও থেকে থেকে ছোট ছোট মিছিল ও ছোট ছোট সমাবেশ দেখেছি। বেশিরভাগ লোকের মাথায় ও হাতে দেখেছি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং হেফাজত ইসলামের প্ল্যাকার্ড। মাওয়া বিশ্বরোড পর্যন্ত কোন যানবাহন একেবারেই ছিলনা।



আমার কাছে একটা নছিহত খুব ভালো লেগেছিল সেটি হলো একজন আলেম বলছিল সংগ্রামী ভাইয়েরা খেয়াল রাখবেন আমাদের যেন বদনাম না হয়। আমরা কোন বিশৃংখলা তৈরী করতে আসি নাই। যদি কেউ বিশৃংখলা করে তবে তাকে আমাদরে সেচ্ছাসেবক অথবা আইনশৃংখলা বাহিনীর নিকট সমর্পন করবেন।



বিশ্বরোড থেকে আমি সিএনজি নিয়ে আমার গ্রামের বাড়িতে যাই এবং রাতে আবার সিএজি করে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ফেরত আসি। সিএনজি থেকে নেমে আমার ভয় করছিল রীতিমত। ভয়ে আমি ব্রিজের উপর দিয়ে আসতে সাহস করছিলাম না। পরে ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকায় করে বুড়িগঙ্গা নদী পার হলাম। এপাড়ে এসে দেখি একই অবস্থা। পুরো বাবুবাজার ঘুটঘুটে অন্ধকার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ। আমি খুব ভয়ে ভয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছিলাম। ঘরিতে সময় তখন সন্ধ্যে ৭:৩৫ টা দেখলাম এক ঠেলাওয়ালা বসে বিড়ি খাচ্ছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম ভাই সামনে কি যাওয়া যাবে? সে আমাকে আস্বস্ত করল হ্যা যেতে পারবেন। রাস্তায় লোক ছিল খুবই কম যা ছিল ভয়ের অন্যতম কারন। হাটতে হাটতে তাতীবাজার মোড়ে আসি এবং পুরো রাস্তায় ইট, জুতা, পানির বোতল এবং কাচের গুরো দেখে আমার ভয় আরো বারতে থাকে। তাতীবাজার মোড়ে কয়েশ পুলিশ দেখতে পাই এবং এখানে কিছু রিকশা চলাচল করতে দেখি। বাড্ডার জন্য রিকশা খুজতে গেলে এক রিকশা মালিবাগ নুর মসজিদ পর্যন্ত আসতে রাজি হয়। রিকশা যখন গোলাপ শাহ মাজার পার হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিন্যুতে আসল তখন পুলিশ আমার ঠেকিয়ে বলল এখান দিয়ে যাওয়া যাবে না। আমি রিকশাওয়ালাকে বললাম আপনি বঙ্গবাজার রোড দিয়ে কাকরাইল হয়ে যাও। যাওয়ার পথে যা দেখলাম সেটা ছিল আমার ৩০ বছরে দেখা ঢাকার সবচেয়ে বিভৎস রুপ। রাস্তায় কিছু রিকশা, মোড়ে মোড়ে পুলিশ ও বিজিবি ছিল বেশ লক্ষনীয়। পুরো ঢাকা ছিল অন্ধকারাচ্ছ এমনকি রিকশাওয়ালাদেরও কষ্ট চচ্ছিল রিকশা চালাতে। পোড়া গন্ধ নাকে আসছিল বেশ ঝাঝালো আকারে বিশেষ করে মালিবাগ রোডে। কিছু কিছু যায়গায় আমাকে নাকে হাত দিতেও হয়েছে। বুঝতেই পারছিলাম ঢাকায় একটা ধংসজঙ্গ হয়েছে। মালিবাগ রেলগেটে দেখলাম তিনটা বড় বাস পুরে ছাই হয়ে আছে। প্রাইভেট কারগুলো পুরো এমনভাবে পরেছিল মনে হচ্ছিল যেন যুদ্ধ পরবর্তী দেশ।



অবাক হলাম মালিবাগ চৌধুরী পাড়ায় জড়ো হয়েছে বেশ কিছু যুবক এবং মধ্য বয়সী যাদের হাতে ছিল বাঁশ, রড এবং মোটা লাঠি। তারা সিএনজি, রিকশা, হোন্ডা এবং বিভিন্ন যানবাহনে হুজুর খুজছে। গাড়িগুলো থামিয়ে বলছে হুজুর আছে হুজুর ? আমি সেখানে ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পারলাম না তবে ভয় লাগছিলো। রিকশাওয়ালার ভাড়া মিটিয়ে আমি সামনের দিকে এগিয়ে যেতেই দেখি কয়েক জন লোক একটা রিকশা থামিয়ে রিকশার দুই যাত্রী (সুন্নত ওয়ালা) কে বলছেন আপনারা এইদিক দিয়ে যাইয়েন না কারন সামনে টুপি ও দাড়ি ওয়ালাদের পেলেই মারতেছে। যাত্রী দুজনই নেমে ভেতরের রাস্তা দিয়ে চলে যায়। আরেকটু সামনে এগিয়ে রামপুরা ওয়াপদা রোডে গিয়ে দেখি শ খানেক যুবক লাঠি ও রড হাতে হুজুরদের খুজতেছে বিভিন্ন যানবাহনে। আমি সেখানে কিছু সময় দাড়িয়ে যা দেখলাম তা এখানে লেখার ভাষা খুজে পাচ্ছি না। বৃদ্ধ থেকে যুবক বা কিশোর যাকেই পাচ্ছে তাকেই পেটাছে বিভিন্ন যানবাহন থেকে নামিয়ে। দৃশ্যগুলো দেখে চোখের পানি আর মনের ভেতরের ক্ষোভ ধরে রাখতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো। এটিএম বুথের সিকিওরিটিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম এগুলো কি হচ্ছে এখানে। লোকটির কথা বলতে কষ্ট হচ্ছিল বা ভয়ে বলতে চাচ্ছিলো না। ছোট ছোট বাচ্চাদেরকেও ওরা মেরে রক্তাক্ত করেছে। রামপুরা টিভি ভবনের কিছু আগে দেখলাম একটি ৭০-৮০ জনের যুবক একটি দল দ্রুত বেগে হেটে আসছেন মালিবাগের দিকে যারা ছিলো বিভিন্ন রড ও মোটা লাঠি হাতে। মনে হচ্ছিলো তারা মারামারি করে আসলো অথবা করতে যাচ্ছে।



কিছু দুর আসতেই দেখি পোড়া গাড়িগুলো ক্রেন দিয়ে টেনে নেয়া হচ্ছে। পাশদিয়েই র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির একটি বিশাল গাড়ি বহর চলে গেল মালিবাগরে দিকে যেন তারা যুদ্ধে যাচ্ছে। আবারো একটা ভয় নাড়া দিয়ে গেলো আমাকে। আরেকটু এগিয়ে মধ্যবাড্ডা বাইতুন নুর মসজিদে দেখলাম কিছু লোক আশ্রয় নিয়েছে সরকারী দলের ভয়ে।



মধ্যবাড্ডা ব্রিজের নিচে এসে দেখি একই ঘটনা চলছে। বিভিন্ন যানবাহন থেকে নামিয়ে বেধরক পেটানো হচ্ছে দাড়ি ও টুপি ওয়ালাদের। পেছনেই নির্বিকার দাড়িয়ে ছিলো পুলিশের একটি ভ্যান।



আমি আস্তে করে ঢুকে গেলাম আমার বাসার গলিতে স্কুল রোডে। রাত তখন ১০:৩০। সারাদিন যা দেখলাম তা কখনো ভুলে যাবার নয়।



আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৪

মোমের মানুষ বলেছেন: বিবেকের তাড়নায় সেদিনের অবরোধে যোগ দিয়েছিলাম। বিকেলে মতিঝিল থাকা অবস্থায় শুনলাম পল্টনে গ্যান্জাম হইছে, তখনও জানিনা আশে-পাশের এলাকা গুলোতে কি হচ্ছে বা হয়েছে। আব্বু টেলিভিশনের খবর দেখে আমাকে তাড়াতাড়ি সন্ধ্যার আগেই বাসায় ফিরতে বলল। কমলাপুর এসে ট্রেনে উঠে দেখি আন্দোলনের লোক হিসাবে আমি একাই, খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম সুস্থ অবস্থায় বাসায় যেত পারব কি না। নিজেকে মানসিক ভাবে প্রস্তুত করছিলাম। কিন্তু আর কিছু হল না। অবশেষে আল্লাহর রহমতে নিরাপদে বাসায় ফিরলাম

০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৭

মুঘল সম্রাট বলেছেন: আল্লার জমিনে আলেমদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

২| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৬

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: হুমম, আপনার কথার সাথে আমাদের এক সহব্লগারের বক্তব্যের মিল পাওয়া যাচ্ছে। তার এক ছোটভাই রামপুরা এলাকায় টিউশনি করে বাড়ি ফিরছিল। সে টুপি দাড়িওয়ালা, সুন্নতি লেবাস ছিল। ওকে মেরে মারাত্মক আহত করেছে। ওকে হাসপাতালে রেখে রাত ১১ টায় আমাদের সেই সহব্লগার বাড়ি ফিরেছেন।

জালিমের শাস্তি হবেই, এই দুনিয়ায় নয়ত আখিরাতে... আল্লাহ সবচেয়ে উত্তম বিচারকারী...

০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:০১

মুঘল সম্রাট বলেছেন: বান্দার আমলের মধ্যে আল্লাহ্ এখলাস খুজেন। আমাদের আরও এখলাস ওয়ালা আমল বাড়াতে হবে। হে আল্লাহ্ তুমি আলেমদের সম্মানিত করেছ আর আমরা তাদেরকে অসম্মানিত করেছি। আমরা আজ যালেমে পরিনত হয়েছি।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৩| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৭

যোগী বলেছেন:
ছবিটা কি আপনি উঠাইছেন?
না উঠাইলে কই পাইছেন লিংক দেন।
এরকম ছবি বাংলা সিনেমার শুটিং স্পট থেকে অনেক সংগ্রহ করা যায়।

০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:০৮

মুঘল সম্রাট বলেছেন: যোগী আপনার প্রশ্ন শুনে মনে হচ্ছে আক্রমনকারীদের মধ্যে আপনি নিজের ছবিটাও দেখতে পাচ্ছেন তাই বাংলা সিনেমার শুটিং বলে এটাকে অন্যদিকে নিতে চাচ্ছেন।

আপনাকে মনে রাখতে হবে মুনাফেকরা কখনোই সফল হতে পারেনি।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৪| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৮

মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: ভাই সব মিথ্যা ...আমি ও আনেক কিছু দেখেছি ঐ দিন...

মানুষের বিবেক কতটা নিচে নেমে গেছে.....

তার পরও ইসলামে ধৈর্যের ধরতে বলা হয়েছে.....ধৈর্য ধরে আছি আর এর বিচার আল্লাহর কাছে চাইতেছি...নামাজ যদি পড়েন তো তার সাতে ২ রাকাত বাড়াই য়া দেন নফল....আমাদের প্রতিবাদ এইটাই হবে সবচেয় কাজের ..শহীদরে জন্য দোয়া রইল
দেখা হবে হাশরে........কারা কেমন আছে......

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫

মুঘল সম্রাট বলেছেন: ধৈর্য্য ধরেইতো আছিরে ভাই। হে আল্লাহ্ আপনি আমাদরে দোয়া কবুল করুন।


আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৫| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪

সাধারণ মুসলমান বলেছেন: আমি কুকুরদের হাত থেকে একটুর জন্য বেঁচেছি। নোয়া ভর্তি হুজুর ছিলাম, থানায় গিয়েছিলাম একজনকে উদ্ধারে, ফেরার পথে........পরে বিস্তারিত লিখব। এরা জঘন্য View this link

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মুঘল সম্রাট বলেছেন: আল্লাহ্ আপনাদের রক্ষা করেছেন। আমরা মোমেনদের জয়ের অপেক্ষায় আছি।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৬| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯

যোগী বলেছেন:
প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পিছলানো কে কি বলে ইসলামে?

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৯

মুঘল সম্রাট বলেছেন: যোগী আমার জবাব বোধ হয় সত্যি তাই ছবিটাকে আপনার মিথ্যা প্রতিপন্ন করতেই হবে। তাই কি ?


আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৭| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯

সাধারণ মুসলমান বলেছেন: যোগি ওরফে রোগিকে বলছি, এটা পল্টনের বিখ্যাত শুটিং স্পট যেখানে তোমার ________ এর শুটিং হয়েছিল। চিরমিথ্যাবাদি ক্রথম আলো কোন ছবি ছাপালেতো সূত্র জানতে চাস না।

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮

মুঘল সম্রাট বলেছেন: দোয়া করেন আল্লাহ্ যেন আমাদের প্রত্যেকে হেদায়াত দান করেন।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৮| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:১৩

এ সামাদ বলেছেন: যোগী সব সময়ই একটু বেশী খেয়ে ফেলায় এজন্য এমন হইছে কিছু মনে নিয়েন না।

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৯

মুঘল সম্রাট বলেছেন: ঠিক আছে আমরা ধৈর্য ধারন করছি। কারন ধৈর্যশীলকে আল্লাহ্ পছন্দ করেন।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

৯| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:১৪

আত্নভোলা বলেছেন: মিথ্যা বলা মহাপাপ। আল্লাহ নবীর নাম নিয়াও মুখে মিথ্যা কথা। হায়রে খোদা তুমি এদের হেদায়েত দাও

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১১

মুঘল সম্রাট বলেছেন: ঠিক বলেছেন আমরা হেদায়াতের মোহতাজ। তবে প্রত্যেককে তার সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১০| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:১৪

যোগী বলেছেন: ভাই @সাধারণ মুসলমান, সালাম নিবেন, আর তুই তুকারি বা গালিগালাজ না করে জনাব, সূত্রটা দিবেন। সারাদিন নিজের কাজে ব্যাস্ত থাকি সব পত্রীকা পড়ার সময় হন না।

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৪

মুঘল সম্রাট বলেছেন: দামী সময় খরচ করে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১১| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩২

সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: আমার আত্মীয় স্বজন মার খেয়েছে, আমার পরিচিত মাদ্রাসার ছেলে আহত হয়েছে, দেখা করবেন ?

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৫

মুঘল সম্রাট বলেছেন: ভাই সাইবার অভিযত্রী আমিতে সরজমিনে দেখেই পোস্ট দিয়েছি। তবে ভাই যোগী যদি দেখতে চায় তাকে নিরাশ করবেন না নিশ্চই ?

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১২| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৭

তামিম89 বলেছেন: কোরআন পোড়ানো হয়েছে, যেই পোড়াক, হেফাযত জামাত বা বিএনপি তো এখনো প্রতিবাদ করেনি? কেন?

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮

মুঘল সম্রাট বলেছেন: দুর্বৃত্তরা কোরআন পুড়িয়েছে। তারাকি যানেনা কোরআনের হেফাজত কারী সংয় আল্লাহ। কাগজের কোরআন পুড়ে শেষ করা গেলেও দিলের কোরআনের একটি হরফওকি ধ্বংস করা যাবে?

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১৩| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৪

মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: তামিম89---আগে প্রমান হোক কে পোড়াইছে...তারপার দেখা যাবে...

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯

মুঘল সম্রাট বলেছেন: কোরআন পুড়িয়েছে কোরআন এর দুশমনেরা।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১৪| ০৮ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৮

সাধারণ মুসলমান বলেছেন: ওয়ালাইকুমুসসালাম যোগী। তুই তোকারির জন্য মাইন্ড কইরেন না। সূত্র হচ্ছে ই. ব্যাংক হাসপাতালের একটি বেড। ছেলেটা কাকতালীয়ভাবে আমার পরিচিত। ওর এক হাত, এক পা ভেঙেছে, মাথায় ২০ টা সেলাই লেগেছে। নিরাপত্তার জন্য নামটা বললাম না। হাড় জোড়ার জন্য ৭০ হাজার টাকা দরকার, গরিব ছেলে, পারলে সাহায্য কইরেন। ছবির সাথে মিলিয়ে খুঁজলেই পাবেন। কসম। আর কি সূত্র চান।
কিন্তু সেই কথাটার জবাবতো হল না, প্রতম আলোর ছবির সূত্র সাধারণ মানুষ কই পাবে?
আর যোগীরা নোংরা থাকে, কোন চুলই কাটেনা, নোংরা খায়.....আপনি বরং মুসলমান হয়ে যান। স্বাগতম।

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২১

মুঘল সম্রাট বলেছেন: আপনার মতো আমিও যোগীর হেদায়েত কামনা করছি সর্ব শক্তিমান আল্লাহ্ তায়ালার কাছে।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১৫| ০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৬

সাধারণ মুসলমান বলেছেন: তামিম৮৯ - ওদের প্রতিবাদ করার প্রয়োজন নেই, চেনা বামুনের পৈতা লাগেনা। যারা ইসলামের পক্ষে তাদের এত গীত গাওয়া লাগে না।

০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৩

মুঘল সম্রাট বলেছেন: মুসলমান আত্নসমর্পন কারীর দল। তবে এই আত্মসমর্পন সর্ব শক্তিমান আল্লাহর কাছে কোন ইহ জাগতিক শক্তির কাছে নয়।

আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। মোহাম্মদ (সা: ) আল্লাহর রাসুল।

১৬| ০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৬

আমি ভালোমানুষ বলেছেন: @যোগী
লিন

১৭| ০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৭

যোগী বলেছেন: @সাধারণ মুসলমান, ব্যাক্তিগত ভাবে আক্রমন না করলে আপনারা সুখ পান না, তাইনা? আর নিজে কে পাকিস্থানী স্টাইলে সাচ্চা মুসলমান মনে করে অন্য একজন মুসলমান কে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে বলেন?

আমি কিন্তু আপনার গালীর পরিবর্তে গালী দিতে পারতাম। এসব আর ভাললাগেনা তাই দেয়নি বা ব্যাক্তিগত ভাবে আক্রমনও করিনি।

এবার আমি অফ গেলাম, জানিনা হয়ত আবার কোন দিন দেখা হলেও হতে পারে।

১৮| ০৮ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মুদ্‌দাকির বলেছেন: "............সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল,...........................আমাদের পালনকর্তা পবিত্র, মহান। নিঃসন্দেহে আমাদের পালকর্তার ওয়াদা অবশ্যই পূর্ণ হবে।"

১৯| ০৮ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৪৯

রবিউল ৮১ বলেছেন: ৫ই মে বিকালের ঘটনা।খিলগাও তালতলা মার্কেটের সামনে ৬০-৭০ জনের মতো আওয়ামী লীগ কর্মী রাস্তায় মোটা মোটা গাছের ডাল নিয়ে দাড়িয়ে ছিল।আমি অফিসের গাড়িতে ছিলাম আর ওদের অবস্থানের বিপরীত দিকে তাকিয়ে থাকায় প্রথমে ওদের চোখ পড়েনি।কিন্তু হঠাত দেখলাম রিকশা করে দুই জন হুজুর মসজিদের সামনে নামামাত্র হই হই করে এক দল তাদের ধাওয়া দিলো।তারা ভাড়া না দিয়েই জান হাতে নিয়ে যে দৌড় দিল।হঠাত হুজুররা দৌড় দেয়ায় বিপরীত দিকে তাকিয়ে দেখি লীগের অনেক লোক।সাথে পুলিশও অনেক দাড়ানো।কেউই বাধা দিলো না।ভয়ে আমাদের অফি সের গাড়ির সাবার কথা বন্ধ হয়ে গেল।বুঝতে পারলাম হুজুর দুইটার অবস্তা আজ শেষ।যা হোক আমরা দ্রুত গাড়ি নিয়ে চলে গেলাম।কিন্তু যারাই এই দৃশ্য দেখেছে তারা লীগ সম্পর্কে কি ভেবেছে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.