নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি লেখালিখি করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

চীনে পৃথিবী\'র প্রথম বানর-মানব হাইব্রিড সৃষ্টি করা হয়েছে

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:১১



এ যেন ছায়াছবি এক্স-ম্যানের কোন চরিত্র বাস্তবে এসে হাজির! আমেরিকা ও স্পেনের একদল বিজ্ঞানী ইউরোপীয় আইনকে পাশ কাটিয়ে চীনে এমন একটি যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক সাফল্য লাভ করেছেন যা পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই বিজ্ঞানীদলের হাত ধরে চীনের একটি ল্যাবে পৃথিবী'র প্রথম বানর-মানব ভ্রুনের জন্ম হয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, পশুদের উপর এরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস রয়েছে। ৪০০-৩০০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দে গ্রীসের ইতিহাসে পশুদের উপর পরীক্ষার প্রমাণ পাওয়া যায়। রোমের চিকিৎসক গ্যালেন শূকর এবং ছাগলের অঙ্গ নিয়ে বিশেষ পরীক্ষা চালিয়ে; জীবচ্ছেদের পিতা; হিসেবে পরিচিত হোন। এরপরে, ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে, স্পেনের মুরের আরবী চিকিতসক,সার্জন এবং কবি- ইবনে যুহর মানুষের উপর অপারেশনের আগে পশুর উপর তা পরীক্ষা করে নিতেন।

এই পথ ধরে আবারো স্পেনের মার্সিয়া ক্যেথেলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমেরিকার সাল্ক ইন্সটিটিউট অব বায়োলোজিকাল স্টাডিজ-এর গবেষকরা জিনগত ভাবে পরিবর্তিত বানরের ভ্রুন-এর সাথে সাথে মানব-বানর ভ্রূন তৈরী করেছেন। নব্য এই ডাঃ ফ্রাংকেনস্টাইনরা কিভাবে তা করেছেন, সে সম্পর্কে যা জানা যায়, প্রফেসর জুয়ান কার্লোসের নেতৃত্বাধীন এই বিজ্ঞানীদের দলটি প্রথমে স্পেনে এই ধরণের গবেষণা শুরু করলেও, পরে চীনে তা স্থানান্তরিত করতে বাধ্য হোন। কেননা, স্পেনের আইনে এরকম পরিক্ষা-নিরীক্ষা নিষিদ্ধ। বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেন যে, এভাবে জন্ম নেওয়া বানর-মানবের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো মানবাংগ প্রতিস্থাপনে কাজে দিবে।

কিন্তু, এখানে যে নৈতিকতার প্রশ্ন রয়েছে। এই পরীক্ষা থেকে জন্ম নেওয়া অর্ধ পশু - অর্ধ মানবদের কি কোন সামাজিক স্বীকৃতি থাকবে? যদি না থাকে, অর্ধ পশু - অর্ধ মানবদের জীবন ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্য কাজে ব্যবহার হলে, সেই জীবটির কি হবে? এর পরের ধাপে কি মানুষও ক্লোন করা হবে?



তথ্যসূত্রঃ Click This Link

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: মুভির মতো যদি এখন 'বানর মানুষ' বানরের বাঁদরামি আর মানুষের মতো বুদ্ধি ও চিন্তাশক্তি পেয়ে যায় তাহলে কি হবে!! =p~

এইসব পরীক্ষা নিরীক্ষা না করাই ভালো।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: সেটাও একটা কথা। তবে, মানুষের যখন কোন অঙ্গ দরকার হয়, তখন সেই অঙ্গ যে কোন সোর্স থেকেই সে নেওয়ার চেষ্টা করে। এভাবেই হয়তো একদিন পক্ষীমানবের জন্ম হবে।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

মাহের ইসলাম বলেছেন: প্ল্যানেট অফ দি এপস তাহলে কল্প কাহিনি থাকবে না ?

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ভবিষ্যৎই তা বলে দিবে। ধন্যবাদ।

৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

মাহমুদুর রহমান জাওয়াদ বলেছেন: বিজ্ঞান মাঝে মাঝে কিছু আজব কাজ করে যা সত্যিই নিন্দনীয়।এমন গবেষনা করা উচিৎ যা হবে মানুষের জন্য কল্যাণকর।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: মানুষের কল্যাণে হলে, যে কোন কিছু করার অধিকার বিজ্ঞানীদের আছে। ধন্যবাদ।

৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: মাহমুদুর রহমান জাওয়াদ বলেছেন: বিজ্ঞান মাঝে মাঝে কিছু আজব কাজ করে যা সত্যিই নিন্দনীয়।এমন গবেষনা করা উচিৎ যা হবে মানুষের জন্য কল্যাণকর।

সহমত।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: মানুষের কল্যাণে অনেক কিছু করার ক্ষমতাই করার অধিকার রাখেন বিজ্ঞানীরা। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

ইসিয়াক বলেছেন: মাহমুদুর রহমান জাওয়াদ বলেছেন: বিজ্ঞান মাঝে মাঝে কিছু আজব কাজ করে যা সত্যিই নিন্দনীয়।এমন গবেষনা করা উচিৎ যা হবে মানুষের জন্য কল্যাণকর।
রাজীব নুর বলেছেন: মাহমুদুর রহমান জাওয়াদ বলেছেন: বিজ্ঞান মাঝে মাঝে কিছু আজব কাজ করে যা সত্যিই নিন্দনীয়।এমন গবেষনা করা উচিৎ যা হবে মানুষের জন্য কল্যাণকর।

সহমত।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: মানুষের কল্যাণে করে থাকলে তাতে বাধ সেধে কি লাভ?! ধন্যবাদ।

৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিভিন্ন ধর্ম পুস্তক বলে ঈশ্বর মানুষ স্বর্গিয়। স্বর্গে ঈশ্বর নিজে মাটি দিয়ে একটি মানব ও মানবি তৈরি করেছিলেন। পরে তাদের জীবন দান করা হয়।
স্বর্গে বা বেহেস্তে তাদেরকে কোন এবাদত বন্দেগি করতে বলা হয় নি। বরং স্বর্গের সকল বাসিন্দা ফেরেস্তা হুর দের হুকুম দেয়া হয় মানুষকে এবাদত করতে।

এভাবেই চলছিলো। একটি ভুলের কারনে ঈশ্বর এদের উপর রাগ হয়ে নীচে মর্ত্যে জিবজন্তুর ভেতরে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

অনেক পরে মানুষ সভ্য শিক্ষিত হয়ে দেখলো মানুষ পৃথিবীর অন্যান্ন জীব জন্তু প্রানীর মত একটি প্রানী মাত্র। তার অংগপ্রতংগ হার্ট লাং ব্লাড প্রায় সেইম। বিবর্তনের মাধমেই মানবকুলের আবির্ভাব।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: অন্যান্য প্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মানুষেড় মতো একই রকম হলে, মানুষ তার প্রয়োজনে সেগুলো লাগাতে পারে না কেন? লাগাতে গেলে রিয়েকশন করে কেন? ধন্যবাদ।

৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:৩০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: নৈতিকতার প্রশ্ন থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো ক্লোনিং নিয়ে সতর্কভাবে পা ফেলছে | কিন্তু চীনাদের মতো একটি চরম অর্থলোভী ও নিষ্ঠুর জাতির পক্ষে সবই সম্ভব | এরা অর্থের জন্য জীবন্ত মানুষের কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ খুলে বিক্রি পর্যন্ত করে ফেলে | ক্লোন বানর-মানুষ চেতনা বা অনুভূতির অধিকারী হওয়া সত্বেও ওই অর্ধমানবটির প্রত্যঙ্গটিও কেটে অন্যের দেহে বসিয়ে দিতে দ্বিধা করবে না |

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: এটা কিছুটা অমানবিক। কিন্তু, যদি একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে জীব-জন্তুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবহার করা হলে, তখন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.