নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

১৮০ দিন কর্ম পরিকপ্লনা : সমালোচনা ও শপথ একই দিনে ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

১৮০ দিনের কর্ম পরিকল্পনা : সমালোচনা ও শপথ একই দিনে ।


নূতন সরকার, নূতন পরিকল্পনা, নূতন চিন্তা ভাবনা ।
অনেকেই আগ্রহভরে বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন । কেউ কেউ অতীত ভূলতে পারছেন না,
তা স্মরন করে নূতন প্রধানমন্ত্রীকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন । বলতে দ্বিধা নেই তারেক জিয়া
এমন একটি অবস্হায় চলে আসবে কেউ ভাবতেই পারছেনা , কেউ মানতে চাচ্ছেন না ।
বিরোধী দল প্রথম শপথর দিন থেকে সমালোচনা শুরু করেছে এবং মন্ত্রী পরিষদের শপথ
অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি । বাস্তবতা হলো, তারেক জিয়ার অতীত কার্যকলাপ আমি অনেক কাছে থেকে
দেখার সুযোগ পেয়েছি । ঐ সময়ের বন্ধু মামুন সাহেবের সাথে আমার নিকট এক বন্ধুর ভালো সম্পর্ক ছিল
এছাড়াও আরও বেশ কিছু ব্ন্ধুর সম্পর্কে অবহিত আছি । সে কারনে তখন তার প্রতি কোন সমর্থন ছিলনা ।
তবে, এবার তিনি যেদিন ঢাকা এলেন আমি অনেক আশাবাদ জানাই ।
(স্বদেশ প্রত্যার্বতন : আমি আশাবাদী হতে চাই
লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:৩৪)
এখন প্রতিদিনই শুনতে পাই , দেখতে পাই, গুনীজন/সমলিোচক সবাই বলছে, আমরা তারেক জিয়ার মধ্যে
পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি, বুদ্ধিমত্তার ছাপ দেখছি, চাল চলনে চমকপ্রদ কিছু দেখছি যা এই বাংলাদেশে
আগে দেখতে পাইনি ! মন্ত্রী পরি য়দ নি য়ে কথা চলছে, সবই ভালো হয়ে ছে ২জন ছাড়া ।
তাদে র বি পক্ষে অভি যোগ কি ?
একজন বিগত উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন অন্যজন হত্যামামলার সাবেক আসামী ।
ড: খলিলুর রহমানকে আমারও পসন্দ নয়, তিনি বিগত দিনে ৩/৪টি চুক্তি করেছেন বাংলাদেশের স্বার্থহানি করে ।
যদি ও তা প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশক্রমে ।এছাড়াও তিনি বিদেশী নাগরিক । শপথ গ্রহনের পর বিশ্ময়কর ভাবে
চিন্তায় পড়লাম কেন এমন হলো ?
১) তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের দক্ষিন এশীয় প্রশাসন,সিআইএ ও ডিপ এষ্টেট কর্মকর্তাদের যথেষ্ট ঘনিষ্ট ।
২) অজিদ দোভালের সহিত গভীর অন্তরঙ্গতা।
৩) দুবাই মিশনে বিস্বস্তজন, যেখানে গোপনীয় কিছু তথ্য গভীরভাবে রক্ষিত ।
৪) পাকিস্হান আই.এস.আই কে মোকাবিলার অভিজ্ঞতা রাখেন ।
৫) ব্যক্তিগত তথ্যও যথেষ্ট চমকপ্রদ :
ডঃ খলিলুর রহমান একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী কূটনীতিক, অর্থনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের প্রাক্তন কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি ইউনুস সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছেন ।
পূর্বে কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষাবিদ হিসেবে তিনি টাফ্টস বিশ্ববিদ্যালয়ের
ফ্লেচার স্কুল অফ ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্ট থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার কর্মজীবন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি এবং অর্থনৈতিক নীতির প্রতি গভীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটায়,
যা তাকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক নেতৃত্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্থান দেয়।
ব্যক্তিগত জীবনী ও এবং কর্মদক্ষতা :
পড়াশুনা এবং শিক্ষা: ডঃ রহমান টাফ্টস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অফ ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি এবং হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্ট থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি এবং আইন ও কূটনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন, যেখানে তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।
কূটনৈতিক ও জাতিসংঘ কর্মজীবন: তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র সেবায় যোগদান করেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগদান করেন, ২৫ বছর ধরে বিশেষ উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতিতে তার দক্ষতা রয়েছে, ২০০১ সালে ব্রাসেলস স্বল্পোন্নত দেশসমূহের সম্মেলনের
জন্য কর্মসূচীর খসড়া তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।



গোপন চুক্তিটি সর্ম্পকে জানুন :
বাণিজ্য সচিব বলেন, "চুক্তির ওইটাই স্পষ্ট করতে বলব; চুক্তির 'স্ট্যাটাসটা' কী হবে?"
ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঢাকা যে চুক্তি (এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড বা এআরটি) করেছে,
তাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪টি বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ ( যার কোন প্রয়োজন নাই )কেনার সিদ্ধান্তের
পাশাপাশি আরও পণ্য কেনার কথা বলা হয়েছে।এরমধ্যে সর্বচ্চো মুল্যে গম, তুলা ও সয়াবিনও রয়েছে।
সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার এই চুক্তিকে নিজের সাফল্য দাবি করলেও অনেকেই সেটির সমালোচনা করছেন।
চুক্তিটি পর্যালোচনার দাবি তুলে কেউ কেউ বলছেন, এতে যুক্তরাষ্ট্র যেসব শর্ত দিয়েছে, সেগুলো কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনেক কঠোর।
এবং অণ্যায়ভাবে চাপায়ে দেয়া ।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, "রায়ে ওদের পাল্টা শুল্ক দেওয়ার ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। এখন আমাদের চুক্তির
‘স্ট্যাটাসটা’ কী হবে, সে ব্যাপারে ইউএসটিআর বলেছে, ওদের যে আইন আছে— ১২২, ২৩২ কিংবা ৩০১ অনুযায়ী গড়ে ১০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করবে।
সুতরাং পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দক্ষতা নিয়ে কোন সংশয় থাকে না, তবে তার ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবনির্বাচিত বিএনপি প্রশাসনের জন্য, প্রথম ১৮০ দিন একটি নির্ধারক সময়কাল হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে: জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় অস্থিতিশীল অর্থনীতি ও প্রশাসনকে স্থিতিশীল করার সময়কাল।

................................................প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ( তেজঁগাও) প্রথম দিন ।............................................
এখন দেখা যাক ১৮০ দিনের প্রায়রিটি সমূহ কি কি ?
১) আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার
২) মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি এবং রমজান
৩) চাকরি, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা
৪) জ্বালানি রোডম্যাপ এবং বাজেট অগ্রাধিকার

রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে বর্তমান নেতৃত্বে সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা নীতিগতভাবে একটি
সময়োপযোগী এবং ইতিবাচক উদ্যোগ।
"অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য মূল্য নিয়ন্ত্রণ, উন্নত আইন-শৃঙ্খলা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে
দৃঢ় অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ," ।
বিশ্লেষকরা বলছেন "কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি তরুণদের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহব্যঞ্জক।"
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন যে, সাফল্য নির্ভর করবে স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং
ধারাবাহিক বাস্তব বাস্তবায়নের উপর।


তবে অনেকে বলছে এখনই ফ্যামিলী কার্ড দেয়া ঠিক হবেনা , অর্থনৈতিক অবস্হা ও বাজেট বিবেচনা করে
মার্চ বা এপ্রিলে দেয়া যেতে পারে । কিন্ত বর্তমান সরকার বার বার বলছে ,
নবনির্বাচিত বিএনপি প্রশাসনের জন্য ১৮০ দিন একটি নির্ধারক সময়কাল, যা প্রদত্ত ইশতেহারে উল্লেখ আছে
বিধায় এই রমজানে ফ্যামিলী কার্ড প্রদানের ইচ্ছা পোষন করে । জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার,রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা
এবং দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় অস্থিতিশীল অর্থনীতি ও প্রশাসনকে স্থিতিশীল করার সর্বচ্চো চেষ্টা থাকবে ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিএনপির এটাই শেষ সুযোগ ; সোনালি জেনারেশন(পরিচিত) সবাই এবার বড়ো পদ পেয়েছেন । এবার সফল হতে না পারলে বিএনপির পলিটিক্স ফিউচারে মুখ থুবড়ে পড়বে ।

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



দেশের নতুন সরকারের মন্ত্রী বাহাদুর ও তাদের জন্য করনীয় বিষযের গুরুত্বপুর্ণ দিক সমুহ নিয়ে মুল্যবান একটি
লেখা উপহার দিয়েছেন । সেমত কাজ করতে পারলে তো ভালই হবে । তবে বাস্তবে কি রকম হবে তা ভবিস্য়তই
বলতে পারবে ।
তবে আমার বিবেচনায় বাংলাদেশের বড় বড় সড়ক, শহর এবং সমৃদ্ধ জনপদগুলোর দিকে তাকালেই একটি
বিষয় স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে প্রায় প্রতিটি বাড়ি, ভবন কিংবা আবাসিক এলাকার সামনেই গড়ে উঠেছে ছোট-বড়
হাট, বাজার, দোকান এবং হকারদের প্রাণবন্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এটি কেবল বিশৃঙ্খলার চিত্র নয়; বরং
অর্থনীতির একটি মৌলিক বাস্তবতার প্রতিফলন ।চাহিদাই তার নিজস্ব যোগান সৃষ্টি করে (Demand creates
its own supply source)। যেখানে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন আছে, সেখানেই স্বতঃস্ফূর্ত
ভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রম জন্ম নেয়।

এই বাস্তবতা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়: বাংলাদেশের অর্থনীতির ভেতরে ইতিমধ্যেই একটি
শক্তিশালী স্বয়ংক্রিয় চালিকা শক্তি কাজ করছে। তাই নতুন সরকারের উন্নয়নের জন্য সবকিছু নতুন করে
আবিষ্কার করার প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজন বিদ্যমান অর্থনৈতিক প্রবাহকে বাধামুক্ত করা।

বর্তমানে দেশের প্রধান সমস্যাগুলোর একটি হলো সমাজ, রাজনীতি ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিদ্যমান
দুর্নীতি, অপচয় এবং অদক্ষতা। রাষ্ট্রীয় সম্পদ বা উন্নয়ন তহবিলের ঘাটতি অনেক সময় প্রকৃত অর্থে সম্পদের
অভাবে নয়, বরং ব্যবস্থাপনার ‘তলার ছিদ্র’ থাকার কারণে সৃষ্টি হয়। এই ছিদ্রগুলো দিয়ে জাতীয় সম্পদ,
বিনিয়োগের সুযোগ এবং জনগণের আস্থা ক্রমাগত বেরিয়ে যায়।

যদি সরকার সত্যিকার অর্থে নিন্মে বলা তিনটি ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে:-

১. দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও ধারাবাহিক অভিযান,
২. প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ,
৩. আইনের সমান প্রয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রতিষ্ঠান গঠন,

তাহলে অর্থনীতির স্বাভাবিক শক্তিগুলো নিজ থেকেই কাজ শুরু করবে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে আসা রেমিটেন্স একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি। প্রবাসী বাংলাদেশিরা
প্রতি বছর যে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান, তা সরাসরি গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, নির্মাণ খাত,
শিক্ষা ও ভোগব্যয়কে সচল রাখে। এই অর্থ মূলত জনগণের হাতে পৌঁছে যায়, ফলে তা দ্রুত বাজারে প্রবাহিত
হয়ে বহুগুণ অর্থনৈতিক কার্যকলাপ সৃষ্টি করে যাকে অর্থনীতির ভাষায় multiplier effect বলা হয়।

যদি দুর্নীতি কমে, বিনিয়োগ নিরাপদ হয় এবং প্রশাসনিক বাধা কমে যায়, তাহলে রেমিটেন্স সঞ্চয় থেকে
উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ বাড়বে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সহজে ব্যবসা বিস্তার করতে পারবেন,স্থানীয় বাজারগুলো
আরও সংগঠিত ও টেকসই হবে, কর্মসংস্থান স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে।

অর্থাৎ উন্নয়ন কেবল বড় বড় প্রকল্পনির্ভর না হয়ে জনগণনির্ভর হয়ে উঠবে। তখন রাষ্ট্রকে অর্থনীতিকে টেনে
নেওয়ার প্রয়োজন হবে না; বরং জনগণের অর্থনৈতিক শক্তিই রাষ্ট্রকে সামনে এগিয়ে নেবে।

সুতরাং বাংলাদেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি নতুন পরিকল্পনা নয়, বরং সুশাসন। সমাজ, রাজনীতি ও প্রশাসনের
স্তরে সততা প্রতিষ্ঠা করা গেলে এবং অপচয়ের পথগুলো বন্ধ করা গেলে প্রবাসী আয়, জনগণের উদ্যোগ এবং
বাজারের স্বাভাবিক গতিশীলতাই দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে যথেষ্ট সক্ষম হবে।

আপনার পোস্টের সুবাদে কিছু কথা/ভাবনা শেয়ার করার সৃযোগ করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

৩| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০০

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে বেশ অনেক কিছু জানতে পারলাম। তবে লেখাটা উপরের দিকে ভেঙে ভেঙে এসেছে।

ড. ইউনূস বা খলিলের মত লোকদের সম্পর্কে আমার একটা সাম্প্রতিক উপলব্ধি এই যে এরা আমেরিকার বিল ক্লিনটন, ট্রাম্প বা এপেস্টিনের সেবাদাস মাত্র। এদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বাংলাদেশের কোন কাজেই লাগেনা শুধু ক্ষতি করার কাজ ছাড়া। আমাদের শিক্ষিতদের খুবই অল্প দামে কেনা যায়।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.