নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কল্প গল্পঃ \'আশা\'

২৯ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৭:৫৯



জাতিসংঘের আন্তঃমহাদেশীয় বিজ্ঞান কমিশনের আজ শেষ বৈঠক। সারা পৃথিবী থেকে বাছাই করা ৫০০ জনকে আজই শীতল ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেই শীতল ঘরটি চাঁদে বানানো হয়েছে। করোনায় বিপর্যস্ত মানব সভ্যতাকে বাঁচাতে আর কোন উপায় নেই।

ইতিমধ্যে, পৃথিবীর তিন ভাগের দুই ভাগ মানুষ মারা গিয়েছে। হারিয়ে গিয়েছে অনেক জনপদ। দেশে দেশে খাদ্যের অভাবে মানুষ রাস্তায় রাস্তায় দাঙ্গা করছে। সরকারব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে অনেক আগেই। এখন শুধু ধুকে ধুঁকে মারা জাওয়া বাকি।

মাত্র তিন বছরে পৃথিবীর এই চেহারা দাঁড়িয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিস্কারে ব্যর্থ হওয়ায় আজ এই অবস্থা।

শীতল ঘরে পাঠানোর জন্যে যে কয়েকশো মানুষকে বাছাই করা হয়েছে, তাদের সামনে আজ বক্তৃতা দিবেন বিজ্ঞান কমিশনের চীফ সায়েন্টিস্ট- ব্যারেট ইয়ং। তাঁরই প্রস্তুতি চলছে। আর দশ মিনিট পড়েই মঞ্চে উঠবেন ইয়ং। এর মাঝেই একটি খারাপ খবর এলো।

বাংলাদেশ থেকে যে দুইজনকে বেছে নেওয়া হয়েছিলো, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কি ব্যাপার! কোথায় তারা! খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সাইফ আর নন্দিনীকে শেষ তাদের দেশের গবেষনাগারে দেখা গিয়েছিলো। এরপর থেকে তাদেরকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

চরম বিরক্ত হলেন বিজ্ঞান কমিশনের চীফ সায়েন্টিস্ট। জলদ গম্ভীর স্বরে বললেন-

'এরা কি সেই দুইজন যাদেরকে বাছাই করার সময়ে ভেজাল করেছিলো?'

আসলেই তা-ই। সাইফ বা নন্দিনী'র কেউই চাঁদে যেতে চায়নি। কারণ, তখনো তারা আশাবাদী যে, আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ হাতে পেলে করোনার প্রতিষেধক বানিয়ে ফেলবে। তাদেরকে সেই সময় দেওয়া হয়নি। আসলে, কেউই বিশ্বাস করতে পারেনি যে, করোনার প্রতিষেধক আবিস্কার করা সম্ভব। অনেক চেষ্টার পরও যেখানে বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীরা ব্যর্থ হয়েছেন, তখন, তরুণ দুই বিজ্ঞানীর কথা অন্যরা মানবে কেন!

এক সকম জোর করেই বাংলাদেশের সেই দুই বিজ্ঞানীকে উড়িয়ে আনা হয়েছিলো জাতিসংঘের সদর দপ্তরে। গত কয়েক দিন ধরে কি নিয়ে যেন তারা ব্যস্ত ছিলো। আর নিজের ঝামেলার কারণে ইয়ং-ও তাদের সাথে কথা বলার ফুরসত পাননি। এরই মাঝে এই কান্ড ঘটে গিয়েছে!



[আর লিখতে পারছি না। এই পর্যন্তই গত রাতের স্বপ্নে দেখেছি!]

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:৪৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: গতকাল রোগী পাওয়া যায়নি। শাহজাদী খুশী মনে পুথি পড়েছে। ইনশাল্লাহ বিপদ থাকবে না।

২| ২৯ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৫১

খাঁজা বাবা বলেছেন: তারাতারি স্বপ্নের বাকি অংশটুকুও দেখে ফেলেন

৩| ২৯ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



অপ্রয়োজনীয় প্লট দিয়ে কিছু পোষ্ট করার সময় এখন নয়; এমন কিছু লিখেন, যাতে ব্লগারেরা মানসিকভাবে চাঙগা হয়।

৪| ২৯ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: আনন্দময় কিছু লিখুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.