নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার পোস্ট সংখ্যা এক সময়ে ৩০০টিতে গিয়ে ঠেকেছিলো। আগে অনেক বিষয় নিয়ে লিখলেও এখন আমার ভাবনার বিষয় শুধুই চীন। তবে, পোস্টগুলো বেশিরভাগই ভাবানুবাদ হবে।

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাধু সাবধান! দু\'টি বিষয় ছাড়া জ্যোতিষশাস্ত্র আমাদের কিছুই দিতে পারে না

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:২৬



দুই দিন আগে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্লগার ভেঙ্গা নামক একজন জ্যোতিষীর নামে পোস্ট করে শিরোনাম করেছেন যে, পৃথিবী বুঝি তিন হাজার সালে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। যদি পোস্টটি ব্যঙ্গাত্মক হয়ে থাকে ভালো। আর তা নাহলে, বলতে হবে, উক্ত ব্লগার ভুল পথে আছেন। কারণ, স্থল ভাগে এবং সমুদ্রে থাকা-কালীন সময়ে দিক-নির্দেশনা লাভ করা ছাড়া গ্রহ-নক্ষত্রের আমাদের আর কিছুই দিতে পারে না।

অনেক আগে থেকেই, গ্রহ-নক্ষত্রের আজগুবী তথ্য হাজির করে গণকরা মানুষদের বিভ্রান্ত করে চলেছে। বিজ্ঞানের বিচারে এগুলোর কোনরূপ ভিত্তি নেই। মানুষের কোন সময় কি হয়ে যায় তা বিজ্ঞানই বলতে পারে না, সেখানে গণকরা কি বলবে! আপনি যদি সত্যিই মনে করেন যে, কোন সময়টায় কোন কাজ করলে তা আপনার জন্য ভালো বয়ে নিয়ে আসবে আর কোন সময়টা খারাপের দিকে ধাবিত হবে তা জ্যোতিষীরা আগে থেকেই বলে দিতে পারবে, তাহলে এরচেয়ে বোকামীপূর্ণ ভাবনা আর হতে পারে না। কেন আমি এরকম বলছি?

প্রথমতঃ গণকরা গ্রহ-নক্ষত্র গুনে অনুমান করে কথা বলে। যারা অনুমান করে, তারা যাদুকরের মতো। আর, যাদুকর আর খোদাদ্রোহীরা একই পথের পথিক। উভয়ই, ধ্বংসপ্রাপ্ত।

দ্বিতীয়তঃ গণকরা এরকম ভুল ধারণা পোষণ করে যে, ভবিষ্যত জানার মাধ্যমে তারা মানুষের ভালো-মন্দ সকল কিছু বলে দিতে পারে। এতে সে এতোটাই মনযোগী হয়ে পড়ে যে, সে নিজেকে অনেক বড় মনে করতে থাকে। সে কখনোই আর নিজেকে সৃষ্টিকর্তার আদেশাধীন কোন ব্যক্তিরুপে চিন্তা করতে পারে না। ফলে, তার ইমান আর ঠিক থাকে না। সে হয়ে উঠে একজন খোদাদ্রোহী।

তৃতীয়তঃ কোন ভাবে যদি সেই জ্যোতিষীর গণনা সত্যি হয়ে যায়, তবে সে জ্যোতিষশাস্ত্র জানার ফলেই তা করে ফেলেছে বলে ধারণা করতে থাকে। অন্যদিকে, যে ব্যক্তি এরকম গণনায় লাভবান হয়, সে বা তারাও বিপথে চলে যায়। সেইসব ব্যক্তি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতার পরিবর্তে জ্যোতিষীর গুণ-কীর্তন করতে থাকে।

তাই, সাধু সবাধান!



মন্তব্য ২১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




পীর, জ্যোতিষ, গণক এরা হচ্ছে বাস্তব বিবর্জিত মানুষ এবং শিক্ষার আলো থেকে ফেইল করা মানুষ। এই প্রফেশনটা সম্ভবত মেট্রিক ফেইলদের জন্য বিখ্যাত। বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত জ্যোতিষী পত্রিকাতে লেখালেখি করেন, আমি তাকে মুখ মলিন ও মন খারাপ করে বলেছিলাম আমি কি বিদেশ যেতে পারবো? তিনি অনেক চিন্তা ভাবনা করে আমাকে বলেছিলেন আমার শনি রাহু কেতু সব বিগড়ে আছে তাই বিদেশে যেতে পারছিনা, তিনি আমাকে তিনটি রত্ন ধারণ করতে বললেন (তিনটি রত্ন ধারণ করে আমি কি আদম ব্যবসা করবো? রেল লাইনের পাথর তার চাইতে বেশী উপকারী হওয়ার কথা) প্রসংঙ্গত আমার পাসপোর্ট তার অনেক অনেক আগে ডিকশনারী হয়ে আছে, বিদেশে যাওয়া হয়ে গেছে আমার জন্য বিরক্তিকর এক বিষয় তারপরও জীবন ও জীবিকার জন্য বারবার যেতে হয়।

আমি মনে করি টাইম পাসের জন্যও এদের সাথে কথা বলা বোকামী।


০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ভন্ড পীরে দেশ ভরে গিয়েছে। এরা গণকদের সাথে যোগ দিয়ে দেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে ফেলছে।

আল্লাহ আমাদের ভুল ধারণা থেকে হেফাজত করুন।

প্লাস ও কমেন্টে ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: পেট চালানোর জন্য একটা কাজ করা। সব ভন্ড

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: পেট চালানোর জন্যে অনেক রাস্তা আছে। কিন্তু, মানুষকে বিভ্রান্ত করা কেন!

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

নতুন বলেছেন: একটা সাধারন জিনিস মানুষ বোঝে না, দুনিয়া চলে দুনিয়ার নিয়মে, এখানে অলৌকিকতার কোন স্হান নেই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: জী, অলৌকিকতা দেখানোর ও বুঝার মতো মানুষ সত্যিই কম।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: অসহায় আর দুর্বল মানুষরা কুসংস্কার বিশ্বাস করে। সরকারের উচিত দেশ থেকে কুসংস্কার দূর করা।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: কুসংস্কার থেকে বেঁচে থাকা প্রয়োজন। এটা স্বাস্থ্যের অনেক উন্নতি করে। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যের।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


যাদু বলে কি কিছু আছে?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

জী, আছে। কুরআনের বহুত আয়াতে যাদুকর ও ভবিষ্যৎবক্তাদের প্রতি সাবধান বাণী দেওয়া আছে। আর, রাসূলুল্লাহ (সাঃ ) যে সাতটি ধ্বংসাত্মক কাজ পরিহার করতে বলেছেন, সেগুলোর মাঝে যাদুও অন্তর্ভুক্ত।

এমনকি, হাদিসে কুদসীতে আল্লাহ বলেছেন- ''যে শুভ বা অশুভ লক্ষণে বিশ্বাস করে বা কাউকে বিশ্বাস করতে উপদেশ দেয়, তারা কেউ আমার পছন্দনীয় নয়।''

হযরত আলী (রাঃ ) থেকে একটি হাদিসে মহানবী (সাঃ ) বলেছেন যে, যাদুতে আস্থা স্থাপনকারী কখনো স্বর্গে যেতে পারবে না।

ধন্যবাদ।

৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলেছেন, "হযরত আলী (রাঃ ) থেকে একটি হাদিসে মহানবী (সাঃ ) বলেছেন যে, যাদুতে আস্থা স্থাপনকারী কখনো স্বর্গে যেতে পারবে না। "

-আপনার নিজস্ব ভাবনা মতে 'যাদু' আছে? আগেরদিনের সবাই বলেছেন যে, যাদু ছিলো ও আছে।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আমি একজন মুসলমান।

আপনি কি একজন মুসলমান?

৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৩৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ সত্যপথিক শাইয়্যান ভাই
আমাকে উদ্ধিতি করে আজকের পোস্টের
দেবার জন্য।
আমি কিন্তু জ্যোতিষবিদ্যা ও ভবিষ্যৎবানীকে
পৃথকভাবে সংজ্ঞায়িত করি যা আমার লেখা্য়
বিদ্ধৃত হয়েছে।
আজ আপনার এই মূল্যবান লেখার বিপরীতে
আমার আজকের পোস্ট ভবিষ্যদ্বাণী ত্রবং সত্যপথিক শাইয়্যান এর জ্যোতিষশাস্ত্র আমাদের কিছুই দিতে পারে না পাঠের আমন্তণ রইলো। ভালো থাকবেন, সত্যে থাকবেন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


শ্রদ্ধেয় নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই,

আপনার লেখার জন্যে ধন্যবাদ। জ্যোটিষবিদ্যা ও ভবিষ্যৎবাণী আমাদের একই দিকে নিয়ে যায়। আর সেটা হচ্ছে- খোদার ভালোবাসা থেকে দূরে।

তাই, মুসলিম শরীফে আছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ ) বলেছেন, ''যে ব্যক্তি ভবিষ্যৎ বক্তার কাছে যায় আর তারপরে তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করে, সেই ব্যক্তির নামাজ চল্লিশ দিন ও রাত্রি পর্যন্ত কবুল হবে না।''

এটা আমাদের বুঝতে হবে যে, মহান আল্লাহতায়ালা ছাড়া অদৃশ্যের কথা কেউ জানতে পারে না।

হ্যাঁ, এক সময়ে, ফেরেশতাদের কথোপকথন লুকিয়ে শুনে দুষ্ট জীনেরা গণকদের কাছে ভুল তথ্য নিয়ে আসতো। মহানবী (সাঃ ) আসার পরে সেই অবস্থা পাল্টে গিয়েছে। এখন সেই চেষ্টা করলে, তাদের দিকে জ্বলন্ত অগ্নিপিন্ড ছুঁড়ে মারা হয়।

আশা করি আমি আমার পয়েন্টটি ক্লিয়ার করতে পেরেছি।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৩৫

ক্ষুদ্র খাদেম বলেছেন: আমার বাপজান আমারে একটা কথা প্রায়ই বলেন "অনেকের কাছে ভিক্ষাবৃত্তি একটা পুজিবিহীন ব্যবসা, আর পুরোটাই লাভ"। আমার মনে হয়, গনকদের বা জ্যোতিষীদের জন্যেও এই কথাটা প্রযোজ্য :( /:)

০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

জ্যোতিষবীদ আর ভবিষ্যৎ বক্তারা যে বক্তব্য দেন সেগুলোর উদ্দেশ্য কি মানুষকে সতর্ক করে দেওয়া বা বিশ্বাসীদের মাঝে ভালো খবর পৌঁছে দেওয়া?

অথচ, এগুলো তো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর কাজ ছিলো!

জ্যোতিষী বা ভবিষ্যৎবক্তারা তো নিজেদের জাহির করতে গিয়ে এমন কাজ করে।

মন্তব্যে ধন্যবাদ নিরন্তর।

৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আমি একজন মুসলমান। আপনি কি একজন মুসলমান? "

-হ্যাঁ, আমি মুসলমান।
-আমার প্রশ্ন ছিল, " আপনার নিজস্ব ভাবনা মতে 'যাদু' আছে? "

০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:১২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আমি আসলে যাদু দেখিনি খুব একটা। জুয়েল আইচ আর ডেভিড কপারফিল্ডেরগুলো ছাড়া। ইসলামে বর্ণিত যাদু আর এই মানুষগুলোর যাদু এক কি না তাও জানি না।

তবে, ইসলাম যেহেতু জাদুর কথা বলে, সেহেতু, যাদু আছে বলে মনে করি।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমার মন্তব্যের প্রতি্উত্তরে আপনি যা লিখেছেন
তার প্রায় সবই আমার তিনহাজার সাতশত সাতানব্বই সালে ধ্বংশ হবে পৃথিবী !! পুরাণ খবর নতুন করে মন্তব্যে আছে। আপনি সেগুলো আবার তুলে এনে কথার বিস্তৃতি ঘটালেন। আমি যাদু, জ্যোতিষবিদ্যা বিশ্বাস করিনা তা পরিস্কার ভাবে বলেছি এবং পবিত্র কোরআনের উদ্ধুতিও দিয়েছি। সুতরাং এখানে যাদু বা জ্যোতিষবিদ্যা নিয়ে আলোচনার সুযোগ না্ই। আমার কথা ভবিষ্যৎবানী নিয়ে। অনেক মানুষের কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে বলা যায় ভবিষ্যতে সে কি হবে বা হতে পারে। শিক্ষক কোন ছাত্রের পড়া লেখার ব্যাপারে বলতে পারেন তার মেধা কেমন এবং তার পড়া লেখা হবে কিনা। কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলেও প্রায়ই মিলে যায়। বাবা মা বুঝতে পারেন তার সন্তান ভবিষ্যতে কি হতে পারবে! এইযে আগাম চিন্তা বা ধারণা এটাকে আপনি কি বলবেন? আমি আমার সংশ্লিষ্ট লেখায় যে ১৫টি আগাম বার্তর কথা উল্লেখ করেছি তা কি শুধুই কাকতালীয়?

০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আমি কিন্তু বলিনি যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ ) ভবিষ্যতবাণী করেছেন। উনি এটা করতে যাবেন কেন যেখানে আল্লাহ তা করতে মানা করেছেন!!!

উনি যা বলেছেন তা আল্লাহ থেকে জেনেই বলেছেন।

আর শয়তানপূজারীরা শয়তান থেকে জেনে করেছে।

ধন্যবাদ।


১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

এ্যাক্সজাবিয়ান ডিজিটাল পোলাপাইনরা গভীরে যেতে চায়না কখনোই!
তারা আঙ্গুলর ডগা দিয়ে বিশ্ব জয় করে ঘুমের ঘোরে।
তাই কারো বাপ মারা গেলেও লাইক দিয়ে ডিজিটাল
বিদ্যার জাহির করে। আগে পড়ুন তার পরে বলুন।
একবার একটা কথা বের হয়ে গেলে তা কিন্তু
আর ফিরিয়ে আনা যায়না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.