নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি লেখালিখি করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে কবরটি পূর্ব-পশ্চিম দিকে মুখ করা

০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১১:৫০



মুসলমানদের কবর উত্তর-দক্ষিণে হয়। কিন্তু, বাংলাদেশে এমন একটি কবর আছে যা পূর্ব-পশ্চিম দিকে মুখ করা!!! এতো দিন কানে শুনেছি। আজ নিজে দেখে এলাম। বলুন তো সেটা কোথায়? কার কবর সেটি?
.
নিঃসঙ্গতা এবং নির্জনতা দুটি পৃথক জিনিস।

তুমি যখন নিঃসঙ্গ...... ‘আমি সঠিক পথে আছি’- এই বিশ্বাসে নিজেকে বিভ্রান্তির জালে ফেলা খুব সহজ। নির্জনতা আমাদের পক্ষে আরও ভালো, কারণ এর অর্থ একাকীত্ব বোধ না করে একা থাকা। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে, তোমার আয়না হবে এমন কোনো ব্যক্তির সন্ধান করা সবচেয়ে ভালো।

মনে রেখো, একমাত্র অন্য মানুষের হৃদয়ে তুমি সত্যিকার অর্থে নিজেকে এবং তোমার মাঝে সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতিকে চিনতে পারবে।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১২:০৮

লোনার বলেছেন: "মুসলমানদের কবর উত্তর-দক্ষিণে হয়" - কথাটা ভুল।

কাবার respect-এ বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের জন্য, আমাদের দেশে উত্তর দিকে মাথা রেখে কবর দেয়া হয়। কবরে শোয়ানোর পরে ডান কাতে থাকলে অথবা ডান দিকে মাথাটা হেলে থাকলে মুখটা যেন ক্বিবলামুখী থাকে, সেজন্য আমাদের দেশে ওভাবে কবর দেয়া হয়! অন্য কোন দেশে ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্ন হতে পারে।

০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১২:১১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আমি বাংলাদেশের মুসলমানদের কথা বলেছি যে!!!

ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১২:২০

গুরুভাঈ বলেছেন: শাহ পাহলোয়ানের মাজার: রাজবাড়ী অঞ্চলে ষোড়শ শতকে ধর্ম প্রচারের জন্য আগমন করেন শাহ পাহলোয়ান এর মত আউলিয়ারা। ১৪৮০ হতে ১৫১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে শাহ পাহলোয়ান বাগদাদ শরীফ পরিত্যাগ করে ফরিদপুর অঞ্চলে এসে চন্দনা নদীর তীরে বাসস্থান নির্মাণ করে উপাসনা করছিলেন। কথিত আছে, শাহ পাহলোয়ান মৃত্যুর সময় শিষ্যদের তাঁর কবর পূর্ব-পশ্চিম লম্বা-লম্বি দিতে বলেছিলেন। কিন্তু তাঁর শিষ্যবর্গ প্রচলিত বিধানমতে যথানিয়মে তাকে কবরস্থ করেন। কিন্তু সকালে দেখা গেল, তাঁর কবর ঘুরে পূর্ব-পশ্চিম লম্বা-লম্বি হয়ে গিয়েছে। শাহ পাহলোয়ানই রাজবাড়ী অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের ভিত রচনা করে গেছেন।

০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।

আমি সৈয়দ নাসিরুদ্দিন সিপাহসালারে মাজারে গিয়েছিলাম।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৩| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১২:৩৫

নতুন বলেছেন: মাজার রারারাতি পাল্টে গেলো?

অবশ্য মাজার ব্যবসায়ীরা মিথ্যা বলতেই পারে যাতে বেশি লোক সমাগম হয়।

০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

নতুন ভাই,

যে দেশে আছেন সে দেশটা মানুষকে 'মাজার-পূজারী' ট্যাগ দিয়ে ইসলামকে হেয় করছে।

ভালো থাকুন।

৪| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: বুঝতে চেষ্টা করছি।

০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

বুঝতে না পারলে আমি আছি।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৫| ০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

গুরুভাঈ বলেছেন: তাহলে দুইটা পাওয়া গেলো পুর্ব পশ্চিম কবরের। সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীন মৃত্যুর পূর্বে তার ভক্ত সহচর দিগকে নসিয়ত করেছিলেন; মৃত্যুর পরে তাকে যেন পূর্ব পশ্চিম করে দাফন করা হয়। তৎকালীন আলিম সমাজের আপত্তির মুখে সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীনের ভক্ত সহচরগণ তার নসিয়ত উপেক্ষা করে ইসলামি নিয়মানুসারে তাকে উত্তর দক্ষিণ করেই দাফন করা হয়। দাফন কার্য্য শেষে সকল লোক তার হতে চল্লিশ কদমের ব্যবধান পার হতে না হতেই এক প্রকণ্ড শব্দ শুনে উপস্থিত লোক জন পিছে ফিরে তাকিয়ে দেখতে পান সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীনের কবর মুড়ে গিয়ে পূর্ব পশ্চিম হয়ে রয়েছে। তৎক্ষনাৎ সকলে ইসলামিক কলেমা আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিয়ে আউলিয়ার শেষ নসিয়তের কথা স্মরণে নিজের ভুল স্বীকারে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। শ্রুতির এই স্মৃতিকে আকঁঢ়ে তার কবর খানা আজও পূর্ব পশ্চিম হয়ে কালের সাক্ষী স্বরূপ বিদ্যমান আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.