নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কৌশলগত নীরবতা: ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইঙ্গিত

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪১

...
গান - 'নিজেকে বদলে দাও'



১১ দলীয় জোট থেকে চরমোনাই পীর সাহেবের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যায়নি। অনেকের চোখে এটি দ্বিধা বা সিদ্ধান্তহীনতা মনে হলেও, বাস্তবে এটি একটি সতর্ক ও কৌশলগত রাজনৈতিক পদক্ষেপ বলেই প্রতীয়মান হয়। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই নীরবতা দলটির জন্য শুধু লাভজনকই নয়, বরং ইসলামী রাজনীতির ভবিষ্যৎ বিন্যাসের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

১১ দলীয় জোটে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওপর যে ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল, তা দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাশিত ছিল। বাংলাদেশের ইসলামী রাজনৈতিক পরিসরে সমর্থকরা মূলত দুই ভাগে বিভক্ত—একাংশ জামায়াতপন্থী, অন্য অংশ জামায়াতবিরোধী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে এই দ্বিতীয় অংশের প্রধান প্রতিনিধিত্বকারী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে জামায়াতের সঙ্গে একই জোটে থাকা দলটির রাজনৈতিক স্বতন্ত্রতা ও ভোটব্যাংকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছিল।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেবল ধর্মভিত্তিক ভোটারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে, সেক্যুলার ও মধ্যমপন্থী ভোটারদের একটি অংশ, এমনকি আওয়ামী লীগপন্থী কিছু ভোটারও দলটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এর প্রধান কারণ হলো—দলটির দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, তুলনামূলকভাবে সহিংসতামুক্ত রাজনীতি এবং নৈতিক শাসনের বার্তা। এই বহুমাত্রিক সমর্থন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর চেয়ে ভিন্ন একটি অবস্থানে নিয়ে গেছে।

এই প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় জোট থেকে মাত্র ৫০টি আসনের প্রস্তাব ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বাস্তবতা বিবেচনায় নিলে, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটি এককভাবে বা নতুন কোনো ইসলামি শাসনপন্থি জোটের নেতৃত্ব দিয়ে কমপক্ষে ১৫০টি আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারে—এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন ইসলামি জোট গঠনের আভাসও পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে জামায়াতের বাইরে থাকা ইসলামী দলগুলো একত্রিত হতে পারে। যদি এমনটি ঘটে, তাহলে তা শুধু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য নয়—বরং ইসলামী রাজনীতির সামগ্রিক ধারার জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ১১ দলীয় জোট থেকে এখনই বেরিয়ে না যাওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুর্বলতা নয়; বরং এটি সময়, জনমত ও রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝে নেওয়ার একটি হিসেবি কৌশল। এই কৌশল সফল হলে, দলটি শুধু নিজের অবস্থান শক্ত করবে না—বরং বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতিকে নতুন ভারসাম্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।..

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭

নিমো বলেছেন: ভাইজান, একই সাথে লীগ, দল, জা-শি, ইআর কোলে বসার দক্ষতা সবার থাকে না। তবে আপনার আছে? আপনার পশ্চাৎপ্রদেশের খবর কী?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:





নিমচাদ দাদা বলেন কী!!!
হঠাৎ খেপলেন কেন? মডু পিছু লাগিয়েছে?

শুভেচ্ছা।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আর, আমার পশ্চাৎপ্রদেশের খবর ভালো না।

আপনি ঐদিন সেই জায়গায় নাক দিয়ে শুঁকে যাওয়ার পর থেকে ঐখান থেকে দূর্গন্ধ বের হচ্ছে। :P

২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দুই ইসলাম এক হতে পারলো না কেবল শাহবাগীদের কারণে । ;)

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



নিমচাদ ওরফে নিমো শাহবাগী এটা কে বললো!!! ;)

শাহবাগীদের কাছ থেকে রাজনীতি শিখে গিয়েছেন অন্যরা।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.