| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শামিম আল মামুন
আজকেই প্রথম এই সাইট এ এলাম, যথারিতী রেজিস্ট্রেশন করলাম। আরো একটু জানাশোনা হবার পরে লেখা শুরু করবো। আমি এই সাইটের ব্যবহারকারীদের এবং সংরক্ষণকারীবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
১.
সবার সাথে ভীড় ঠেলে যতোটা তাড়াতাড়ি সম্ভব ট্রেনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো মাহিন। পায়ের নীচে কোন কিছু একটা মট করে ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ। ধাক্কা সামলে নীচে তাকাতেই হীম হয়ে গেল মাহিন, একটা বাচ্চার হাতের ওপর ওর পা পরেছিলো। কে জানে ছয় কিংবা সাত মাসের বাচ্চা। বোঝা যায় মৃত, তবে খুব বেশী সময় হয়নি, মাহিনের পায়ের চাপে হাতের হাড়টা মট করে ভেঙ্গে গেছে। ট্রেইনের হুইসেল বাজার শব্দ। দিশেহারা অনুভব করছে মাহিন, কি করবে সে? ট্রেনের দিকে দৌড়াবে না বাচ্চার দেহটাকে তুলে আনবে প্ল্যাটফরম থেকে? কে জানে কার বুকের মানিক হাত ছিটকে পরে গেছে প্ল্যাটফরমে এবং ঘরফেরা হাজারো মানুষের ধাক্কায় হয়তো বাচ্চাটির মা বাবা দূরে সরে গেছে। যত চেষ্টাই করুক মানুষের ভীড়ের ধাক্কায় ফিরে আসতে পারছে না। এই সময় বাচ্চাটা চোখ মেলে তাকালো, বলল মা।
ধরমড়িয়ে বিছানায় বসে পড়লো মাহিন। একটানা তিন রাত একই স্বপ্ন, গলা শুকিয়ে কাঠ। একটু পানি না খেলে যেনো এখনই মরে যাবে। বিছানার বা পাশে নীথর ঘুমিয়ে আছে হিমেল। হিমেল একবার ঘুমিয়ে গেলে তাকে তোলা অসম্ভব একটা কাজ। বিছানা থেকে উঠে অন-স্যুইটে গেলো, আয়নায় তাকিয়ে দেখলো কপাল, মুখ ঘামে ভিজে গেছে। রাত তিনটা বাজে এখন, ঘুম আসবে না তাই মুখে একটু পানি দিয়ে বসার রুমে গেলো মাহিন। টেলিভিশন অন করে নিঃশব্দে তাকিয়ে রইলো।
২.
ওরা দুজনেই জাহাঙ্গীর নগরে পড়তো তখন, সেখা্নেই পরিচয় তবে পরিচয়টা হয়েছিলো একটু অদ্ভুদ ভাবে। প্রথম বার দেখা হবার পর দুজনের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়েছিল। ইউনিভার্সিটির বাসে হিমেল উঠেই এদিক ওদিক তাকাতাকি করছিলো সীটের জন্য। বাসের ঠিক মাঝামাঝি একটা মেয়ে একা বসে আছে।
এক্সকিউজ মি, হাত ইশারা করে মেয়েটাকে সড়তে বলল হিমেল।
দুঃখিত আমি পাশের সীটটা আমার বান্ধবীর জন্য রেখেছি।
মানে, আপনার বান্ধবী কোথা থেকে উঠবে।
এইতো সামনের স্টপেই ও উঠবে।
হাতল ধরে দাড়িয়ে রইলো হিমেল। যথারিতী পরের স্টপে অনেকেই উঠলো কিন্তু কেউ বসেনি মেয়েটা পাশে।
ওকে, বলেই হিমেল সীটের দিকে এগিয়ে গেলো।
প্লীজ থামুন আপনি, আমার বান্ধবী পরে স্টপে উঠবে, স্যরি আমি ভুল বলেছিলাম।
পরের স্টপেও কেউ মেয়েটার পাশে বসলো না।
চলবে....
২|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৭
আকিব হাসান জাভেদ বলেছেন: এগিয়ে যান । তবে মেয়েটাকে প্রশ্রয় দিবেন না । কিছু একটা বলেছেন এমন করে গল্পটা শেষ করবেন । আমি এমন একটা সময় খুব ভোক্তভোগী ছিলাম ।
৩|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৯
কালো_পালকের_কলম বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম বাকি অংশের জন্য
৪|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৩
নজসু বলেছেন: পাঠ করলাম।এবং তৃপ্ত হলাম।
এর পরের অংশ যেন আমার নজরে আসে সেজন্য সতর্ক থাকবো।
৫|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩০
নীল আকাশ বলেছেন: খুব তাড়াহুড়া করছেন লেখাটা নিয়ে, পাঠক কে একটু সুযোগ দিন বোঝার, প্লট গুলি আরেকটু বড় করেন, আশা করি বুঝতে পারছেন কি বলছি আমি? থিম খুবই ভালো, পরের পর্ব কোন দিকে যাবেন কিছুটা বোঝা যাচ্ছে.....দুর্দান্ত হবে, সামাজিক এই সমস্যা গুলি নিয়ে লেখার জন্য আমি অগ্রীম অভিনন্দন দিয়ে গেলাম.......
আপনার জন্য শুভ কামনা রইল!
৬|
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ ভোর ৪:৪৮
শামিম আল মামুন বলেছেন: গল্পটা আর লিখবো না। স্যরি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৩০
রাজীব নুর বলেছেন: এটা কোনো গল্প নয়। এটা বাস্তব।
চলুক।