| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডঃ এম এ আলী
সাধারণ পাঠক ও লেখক
মায়ের স্মৃতি কোনো পুরোনো আলমারির তাকে
ভাঁজ করে রাখা শাড়ির গন্ধ নয়
কোনো বিবর্ণ ছবির ফ্রেমে আটকে থাকা
নিস্তব্ধ হাসিও নয়
সে থাকে নিঃশব্দ এক অনুভবে।
অসুস্থ রাতের জ্বরজ্বালা কপালে
যখন আগুনের ঢেউ খেলে
একটি শীতল হাত নেমে আসে
মেঘের মতো নরম
প্রার্থনার মতো নিশ্চিন্ত।
পরীক্ষার ভোরে কাঁপা কাঁপা চোখে
যখন অক্ষরগুলো ঝাপসা হয়ে যায়
মায়ের নীরব দোয়া
অদৃশ্য আলো হয়ে
খাতার উপর বিছিয়ে থাকে।
ব্যর্থতার অন্ধকার সিঁড়িতে
পা হড়কে গেলে
যে কণ্ঠ বলে
ভয় পাস না খোকা, আমি আছি
সেই শব্দই তো আশ্রয়ের প্রথম সংজ্ঞা।
মায়ের হাত
যেখানে বিচার নেই, শর্ত নেই
শুধু অবলম্বনের উষ্ণতা
সেই হাতই শেখায়
পড়ে গিয়ে আবার উঠতে।
সময় বদলায়, ঘর বদলায়
মানুষ বদলায়, ঠিকানাও বদলে যায়
কিন্তু সাহসের ভিতর যে দীপ জ্বলে
মূল্যবোধের যে শেকড় মাটির গভীরে নামে
সেটি মায়েরই রোপণ।
তাই মাকে আলাদা করে
কোথাও রেখে দিতে হয় না
তিনি রক্তের ভেতর স্পন্দিত
শ্বাসের ভেতর জেগে থাকা প্রার্থনা
নাড়ির গভীরে লেখা
এক অনন্ত নাম।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৪৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভালো অনুভুতির জন্য ধন্যবাদ । ভাল লাগার লাইক কোথায়? ![]()
২|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:০০
নতুন নকিব বলেছেন:
মায়ের স্নেহের কোমল হাতের আলতো স্পর্শে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। মায়ের স্মৃতি ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৪৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার প্রতিও রইল ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ।
৩|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তিনি রক্তের ভেতর স্পন্দিত
শ্বাসের ভেতর জেগে থাকা প্রার্থনা
নাড়ির গভীরে লেখা
এক অনন্ত নাম।
............................................................
আমার হৃদয়ের মাঝে ঝড় তুলে
যে নামটি, মা
মনে হয় অতিদ্রুত আমাদের ছেড়ে চলে গেছো
না বুঝেই আমরা হতাশ আর বেদনায় মলিন;
আরও কিছুদিন থাকতে আমার কাছে,
তোমার হাতখানি বুকে নিয়ে বসতাম
বুকের মাঝে মুখ লুকাঁয়ে আবদার জানাতাম
জড়িয়ে ধরে মাগো বলে , মনের ভাষা
ক খ গ ঘ হিবিজিবি করে বলতাম!
বিশ্বের সেরা তুমি, তাই বুঝে নিতে।
একমাত্র সন্তানের আহার কতটুকুই বা প্রয়োজন
মুখে তুলে দেবার ব্যাকুলতা, আনন্দে
উপভোগ করতাম !
মমতাময়ী মা ,
তোমার সর্শ্শবিহীন জীবন,
তোমার মনের ভাষা
তোমার চোখের আশা
একবুক সমুদ্রের মাঝে, হাবুডুবু
খেতে খেতে আজও খুঁজে ফিরি !!!
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বাহ কি সুন্দর করে লিখেছেন মাকে নিয়ে কবিতাখানি ।
আমার মা দীর্ঘদিন শথ্যাশায়ী থেকে এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান ।
প্রায় বছর ত্রিশেক আগে সরকারী কাজের চাপে অতি ব্যস্ত থাকায়
শেষ নিশ্বাস নেয়ার ঠিক পুর্ব মহুর্তে মায়ের কাছে যেতে পেরেছিলাম ।
মাকে হারানোর যে কি শোক তা কি ভুলা যায় জীবনে কভু ।
গতকাল ছিল মায়ের প্রয়ান দিবস । সে কথা স্মরনেই
মাকে নিয়ে আমার এই স্মৃতি কথন ।
শুভেচ্ছা রইল ।
৪|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০২
বাজ ৩ বলেছেন: খুব চমৎকার একটি কবিতা লিখেছেন,প্রিয় এম আলী ভাই।আসলে মায়ের থেকে আপন সন্তানের জন্য পৃথিবীতে অন্য কেউই নেই।একজন সন্তান তার মায়ের নিকট যেমন কলিজার টুকরা,অনুরুপ মা ও সন্তানের নিকট পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা সুন্দর হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।
ঠিকই বলেছেন মা ও সন্তানের নিকট পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন
গতকাল ছিল মায়ের প্রয়ান দিবস । সে কথা স্মরনেই
মাকে নিয়ে আমার এই স্মৃতি কথন ।
শুভেচ্ছা রইল
৫|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৯
নজসু বলেছেন:
মাকে নিয়ে অসাধারণ একটি কবিতা প্রিয় ভাই। মাকে নিয়ে এমনভাবে শব্দের জাল বুনেছেন যে, প্রতিটি পাঠক এই কবিতা পাঠ করে নিজ নিজ মাকে নতুন করে অনুভব করবেন যেন।
আপনি যথার্থই বুঝাতে পারলেন ভাই, মা আসলে কোনো স্মৃতিচিহ্নে আটকে থাকার মানুষ নন। মা তো আমাদের প্রতিটি সমস্যায়, বিপদে আপদে, সাহসে, প্রতিটি নিঃশ্বাসে বেঁচে থাকেন।
দুইটা লাইন আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। অন্তরে শিহরণ জাগিয়েছে। একটা হলো "আশ্রয়ের প্রথম সংজ্ঞা” আরেকটা “নাড়ির গভীরে লেখা এক অনন্ত নাম"। ভয় পাসনে খোকা আমি আছি। আহা! মা আমার! মা থাকতে সন্তানের ভয় কিসের?
আপনার কবিতার ভাষা অন্য কবিদের চেয়ে সহজ (অন্ততঃ এই ব্লগে), কিন্তু অনুভব অত্যন্ত গভীর। আপনাকে এতো এতো ভালোবাসি তার অনেকগুলো কারণের মধ্যে এটিও একটি কারণ। এই যে আজকের এই কবিতাটার কথাই ধরুন। অসুস্থ রাত, পরীক্ষার ভোর আর ব্যর্থতার সিঁড়ি বলে যে ছবিগুলো কবিতায় আপনি এঁকেছেন তা এতটাই জীবন্ত যে প্রতিটা পাঠক তার জীবনের সাথে মিল খুঁজে পাবেন। আপনি শুধু মাকে স্মরণ করেন নাই প্রিয় ভাই, মায়ের মমতার অদৃশ্য জাদুকরী শক্তিকে অনুভব করিয়েছেন।
প্রিয় ভাই, স্বপ্নের শঙ্খচিল ভাইয়ের প্রতিমন্তব্যে আপনার কথাগুলো পড়ে মনটা খারাপ লাগলো। মাকে হারানোর শোক সত্যিই কঠিন। তবে, শেষ মুহূর্তে মায়ের কাছে পৌঁছাতে পেরেছিলে এটা একটা সান্ত্বনা। যদিও শূন্যতাটা তো আর ভরবে না।
ঐ প্রতিমন্তব্যটা পড়ার পর কবিতাটা আবার পাঠ করলাম। এবার কেন যেন কবিতা অন্যভাবে ধরা দিলো আমাকে। আপনার স্থানে নিজেকে কল্পনা করলাম। তাইতো এবার প্রতিটা লাইন আমার চোখের পানি ঝরালো। এটাতো শুধু একজন সন্তানের বেদনা নয়, জনমদুঃখী মায়ের প্রতি অধম সন্তানের গভীর ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা। মাকে হারানোর শোক কি কখনও ভোলা যায় না প্রিয় ভাই। তাই কোন অনুরোধ করবো না আপনাকে।
আপনার মায়ের রূহের মাগফিরাত কামনা করি। মহান আল্লাহতায়লা উনাকে জান্নাত নসীব করুন। তাঁর স্মৃতি আপনার মাঝে এভাবেই বেঁচে থাকুক আজীবন। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রইল আপনার প্রতি।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুপ্রিয় নজসু ভাই,
আপনার এত দীর্ঘ, হৃদয়ছোঁয়া আর মমতায় ভরা মন্তব্য পড়ে আমি সত্যিই নির্বাক হয়ে গেছি। একজন লেখকের
জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে, যখন তার শব্দ কারও হৃদয়ে গিয়ে নীরবে শিহরণ তোলে, আর
নিজের মাকে নতুন করে অনুভব করতে শেখায়।
আশ্রয়ের প্রথম সংজ্ঞা আর নাড়ির গভীরে লেখা এক অনন্ত নাম ,এই দুটি লাইন আপনার অন্তরে এমনভাবে নাড়া
দিয়েছে জেনে মনে হলো, কবিতাটি তার ঠিকানায় পৌঁছাতে পেরেছে। আসলে মা কোনো অলংকারের বিষয় নন,
তিনি আমাদের অস্তিত্বের মর্মে গাঁথা এক নীরব আলোকরেখা। ভয় পাসনে খোকা, আমি আছি ,এই একটি বাক্যের
ভেতরেই তো সমগ্র পৃথিবীর নিরাপত্তা লুকিয়ে থাকে।
আপনি খুব সূক্ষ্মভাবে ধরেছেন,আমি শুধু মাকে স্মরণ করতে চাইনি, মায়ের সেই অদৃশ্য অথচ অবিনাশী শক্তিটুকু
অনুভব করাতে চেয়েছি, যা অসুস্থ রাতের কপালে হাত রেখে থাকে,পরীক্ষার ভোরে সাহস জোগায়, আর ব্যর্থতার
সিঁড়িতে পড়ে গেলে নিঃশব্দে তুলে নেয়। যদি পাঠকের জীবনের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়, তবে সেটাই কবিতার
সার্থকতা।
আমার ব্যক্তিগত শোকের প্রসঙ্গটিও আপনি যে এত মমতায় স্পর্শ করেছেন, তাতে হৃদয় ভারী হয়ে এল। শেষ মুহূর্তে
মায়ের কাছে পৌঁছাতে পারা,হ্যাঁ, সেটুকুই সান্ত্বনা। কিন্তু শূন্যতা তো শূন্যতাই, তবু বিশ্বাস করি, দোয়া আর ভালোবাসা
রূহের কাছে পৌঁছে যায়।
আমার মায়ের জন্য আপনার দোয়ার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।মহান আল্লাহ্ আমাদের সকল মায়েদেরকে(প্রয়াত)
জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আর আমাদের অন্তরে তাঁদের শিক্ষা, দোয়া আর মমতার আলো যেন চিরকাল জ্বলে
থাকে।
আপনার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা বিনীতভাবে গ্রহণ করলাম।
আপনার জন্যও রইল গভীর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।
৬|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কবিতাখানি দারুন হয়েছে ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতাখানি দারুন অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল
৭|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: খুব ভাল লাগলো ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল লাগল শুনে আমারো ভাল লেগেছে ।
৮|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪
মোস্তফা সোহেল বলেছেন: কবিতা ভাল লেগেছে।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা ভাল লাগায় ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল
৯|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০
রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল ভাষায় খুব সুন্দর কবিতা লিখেছেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ব্লগ গুরুজীতো বলেন কবিতা ভাল হলেও মন্তব্যে পরিবেশ নষ্ট । বলেন এখন কি করা যায় ?
যাহোক সহজ সরল ভাষায় অনুভূতি পৌঁছে দিতে পারলে আমার লেখার সার্থকতা খুঁজে পায়।
আপনার ভালো লাগা আমাকে আরও লিখতে অনুপ্রাণিত করবে।
শুভেচ্ছা রইল।
১০|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: সন্তান অসুস্থ হলে মায়ের ঘুম হারাম হয়ে যায়,মা নিজে কষ্ট করে হলেও সন্তানকে আরামে রাখার চেষ্টা করে।আমি ছোটবেলায় দেখতা যখন আমি অসুস্থ হতাম,মা আমাকে শান্তনা দিতেন,মায়ের শান্তনায় এক অনাবিল সুখ বুকে নেমে আসত,কিছুক্ষনের জন্য হলেও অসুস্থতা ভুলে যেতাম।যখন অসুস্থ হতাম মা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেত,ঔষুদ এনে দিতো।সন্তান অসুস্থ হলে সন্তানের মা ই যেন বেশি কষ্টে থাকেন।
যখন পরিক্ষায় ফলাফল ভালো করতাম,মায়ের বুক আনন্দে ভরে যেত।ছোটবেলায খেলাধুলায় মেতে থাকতাম সারক্ষন,খাওয়া -দাওয়ার কোনো খোঁজখবর থাকতোনা,মা ঠিকই খুঁজে বের করতেন, এবং ডেকে নিয়ে খাওয়াতেন।যখন কোনো কারনে যেদ করে বলতাম আককে খাবো না,তখন আব্বা বলত,না খেলে না খাক।কিন্তু মায়ের অস্থিরতা কাটতনা যতক্ষন খাবার না খেতাম।মা ডাকাডাকি করে যত কষ্টই হোক খাবার খাইয়ে ছাড়তেন।এই মায়ের মমতা কিভাবে আমরা আজ বড় হয়ে ভুলে যাই!!!আল্লাহ তায়ালা আপনার আম্মাকে মাফ করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।আমিন।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার অনুভূতিপূর্ণ মন্তব্যটি পড়তে গিয়ে নিজের শৈশবের অনেক স্মৃতিই আবার চোখের সামনে ভেসে উঠলো।
সত্যিই, মায়ের মমতা এমন এক আশ্রয় যেখানে সন্তানের কষ্ট মায়ের হৃদয়ে এসে আগে আঘাত করে। অসুস্থ
সন্তানের পাশে নির্ঘুম রাত কাটানো, নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানের স্বস্তিকে প্রাধান্য দেওয়া এসবই মায়ের নিঃস্বার্থ
ভালোবাসার সবচেয়ে নির্মল প্রকাশ।
আপনি খুব সুন্দরভাবে সেই চিরচেনা দৃশ্যগুলো তুলে ধরেছেন।খেলাধুলায় মগ্ন সন্তানের খোঁজে মায়ের অস্থিরতা,
অভিমান ভাঙিয়ে নিজের হাতে খাইয়ে দেওয়া, আর সন্তানের সাফল্যে মায়ের নিঃস্বার্থ আনন্দ। আসলে মা এমন
এক নিয়ামত, যার মূল্য আমরা অনেক সময় বড় হয়ে তবেই গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারি।
আপনার এই স্মৃতিচারণ শুধু আবেগঘন নয়, আমাদের সকলকেই মায়ের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা নতুন করে
ভাবতে শেখায়। আল্লাহ তায়ালা আপনার আম্মাসহ সকল মায়েদের প্রতি রহম করুন, তাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা
করে দিন । আমিন।
১১|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫
খায়রুল আহসান বলেছেন: মাকে নিয়ে অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী একটি কবিতা! + +
ছোটবেলায় ৫/৬ বৎসর বয়সে একবার মারাত্মক টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হয়েছিলাম। কিছুতেই ভালো হচ্ছিলাম না, জ্বর একবার ছাড়ে, কিছুক্ষণ পরে আবার আসে। যখন আসে, তখন যেন উচ্চতাপে কপাল ফাটিয়ে দিয়ে যায়। মাসাধিক কালেরও বেশি শয্যাশায়ী ছিলাম। আপনার কবিতার দ্বিতীয় স্তবকটার কথাগুলো পড়ে আমার সে স্মৃতিটার কথাই মনে পড়ে গেল। গা-ফাটা জ্বরে আম্মার হাতের স্পর্শ শরীরে শীতল পরশ বুলিয়ে দিয়ে যেত। এখনকার মত তখন জ্বর হলে ডাক্তারগণ রোগীকে ভাত খাবার অনুমতি দিত না। সেই একমাস সাগু, রবিনসন বার্লী আর ঘরে পোষা বাচ্চা মুরগির স্যুপ খেয়ে সেই মাসাধিক কাল কাটিয়েছিলাম।
আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন এর নিকট আপনার প্রয়াত মায়ের মাগফিরাত কামনা করছি।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:০১
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।