| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট : ২০২৬ ইং
(বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে স্হানীয় পর্যবেক্ষণ)
আমরা সবাই অনেক উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা নিয়ে আগত নির্বাচন নিয়ে উন্মুখ হয়ে আছি,
প্রতিটি মর্হুতে বিভিন্ন ফ্যাক্টর নির্বাচনী প্রেডিকসন বদলে দিচ্ছে , প্রচার অপপ্রচার, অভিযোগ
এবং সংঘর্ষ সবাই অস্হিরতার মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে, এদিকে নির্বাচনী দল সমূহের মধ্যে
একটি ডানপন্থী দল ও অপরটি মধ্যপন্থী দলের মধ্য প্রতিযোগিতা প্রতিদিনই তীব্র হচ্ছে । এই প্রজন্মর
প্রদর্শিত আশাবাদ হঠাৎ করে বিলীন হবার কারনে অনেকেই হতাশ হয়েছে ।
দেশ একটি আধুনিক প্রজন্মর , উন্নতভাবনার মধ্যদিয়ে দেশ এগিয়ে যাবে এমন আশাভঙ্গ হবার পর
অনেকে বলছেন ৪/৫ দিন ছুটি পাচ্ছি , সুতরাং বাড়ী চলে যাবো, অর্থাৎ বর্তমান পরিস্হিতির কারনে
জনগণের একটি অংশ ভোটের দ্বায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেনা । এছাড়াও আওয়ামী লীগের একটি
বড় অংশ ভোটে আসবেনা বলে ঘোষনা করেছে , ফলে রাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার বড় একটি ভাগ ভোট প্রদানে বিরত থাকছে।
বর্তমান ভোটের তথ্য :
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ,নিবন্ধনকৃত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দলকে ভোটে অংশগ্রহন করতে পারছে।
প্রার্থিত প্রত্যাহারের পর ২৯৮ আসনে সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন ১৯৮১ জন প্রার্থী।
তাদের মধ্যে ১৭৩২ জন দলীয় মার্কা নিয়ে লড়বেন, আর ২৪৯ জন স্বতন্ত্র।
স্হগিত আসন পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা যোগ হবে ২৭ জানুয়ারির পর।
একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারনে শেরপুর-৩ আসনের ভোট বন্ধ থাকবে ।
* বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ : ২৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, দলটির প্রার্থী সংখ্যা : ২৫৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ........ : ২২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ......................... . : ১৯২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকে ..................... : ৯০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ....... ................... : ৬৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকে ......................... : ৩২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পাটি) ঈগল প্রতীকে : ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি ছাতা প্রতীকে : ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* জাতীয় পার্টি জেপি ..........বাইসাইকেল প্রতীকে : ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন প্রতীকে ......................... ... : ২৪৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এছাড়াও আরও অনেক দল আছে যাদের কোন নাম-ধাম জনসাধারন জানেনা তাই লিষ্টে আনার প্রয়োজন
বোধ করিনা , তবে সেই সব দল থেকে কেউ যদি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দতিার মধ্যে আসে, তা উল্লেখ করব ।
এবার আসুন ভোটের কিছু হিসাব নিকাশ করি :
যেহেতু একটি বড় দল এই খেলায় নাই, তাই ভোটের হিসাব অনেক ওলট পালট হতে বাধ্য,
এই প্রেক্ষিতে অনেক থিওরী ঘোরপাক খাচ্ছে, তবে তারেক রহমানের নির্বাচণী ঝড় এবং
পাশাপাশি সরকারের প্রচ্ছন্ন সহায়তা নির্বাচনের ভোট ব্যাংক ইঙ্গিত বহন করছে ।
বাস্তব উপলব্ধি হলো যে, ক্ষমতায় গিয়ে , দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে বা দলের তৃণমূলের
কথা না শুনলে বিগত পতিত সরকারের অবস্হা বরন করতে হবে ।
এমতাবস্হায় নির্বাচনী ফলাফলে কি রেজাল্ট আসবে তা বলা অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার তবে চলমান
পরিস্হিতিতে কিছু বিবেচনায় আনা যায় ।
বিভিন্ন সার্ভে ও আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় :
১। বি.এন.পি ..... ..................: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে : ১৬০ থেকে ১৮০ জন ।
২। জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে .........: ৫৫ থেকে ৭৫ জন ।
৩। জাতীয় পার্টি ....: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ..........................: ১৫ থেকে ২০ জন ।
৪। এন.সি. পি.......: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ..........................: ০৩ থেকে ০৫ জন ।
৫। গণঅধিকার পরিষদ : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ....................: ০১ থেকে ০৩ জন ।
৬। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ..... : ০১ থেকে ০৩ জন ।
৭। আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পাটি) : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে : ০১ থেকে ০২ জন ।
৮। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কাস্তে প্রতীক :প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্য হতে পারে : ০১ থেকে ০২ জন ।
৯। স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন প্রতীকে সদস্য......: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে : ৩০ থেকে ৪৫ জন ।
....................................................................................................................................
এই আলোচনায় ১০% সংসদীয় সদস্যর ৩০টি পদ নানান আপসেট এর মাঝে আসতে পারে ।

নির্বাচন হয়ে যাবার পরও কিছু কথা থেকে যায়, যা জনগণের আকাঙ্খা বলা চলে :
১) নির্বাচনী প্রচারনায় বড় দুটি দলের কথা বা প্রতিশ্রুতি নিয়ে বেশী আলোচনা হয়েছে ।
যার মধ্যে বি.এন.পি : কর্মসংস্হান , শিক্ষা , দারিদ্র কার্ড ও নারীর অধিকার নিয়ে জোরালো প্রচার করেছে ।
জামাতে ইসলামী : বলছে দূর্ণীতি দূর করা , কোয়ালিশন সরকার আর নারীদের মাথার তাজ করার কথা ।
কিন্ত আর্থিক বিবেচনায় সময়কালের ভিত্তিতে,অর্থনীতির আলোকে কিভাবে তা বাস্তবায়ন হবে তা যাচাই করা যায় নাই ।
২) উন্নয়ন ঐক্যমতের চাহিদা ও সমস্যাগুলো কিভাবে চিহ্নিত করা হবে তার কোন দিক নির্দেশনা নাই ।
৩) আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের বিবেচনায়, প্রাতিষ্ঠানিক রুপ বা দূর্ণীতি ও আমলাতান্ত্রিক আচরন কিভাবে পূর্ণগঠন,
প্রতিরোধ করা যাবে তার কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায় নাই ।
৪) নির্বাচনের প্রসঙ্গ আসার পর থেকে শুনা যাচ্ছে , ইনক্লুসিভ হতে হবে, কিন্ত অসহিস্ঞু আচরনের কারনে
তা ঘটে নাই । এই অন্তুুুর্ভূক্তিমূলক নির্বাচনকে বলা চলে, ১) সংকীর্ণ অর্থে ২) সর্ব সাধারণের অংশগ্রহন
যা, পরবর্তীতে কি ভাবে সমাধান হবে তার কোন ইঙ্গিত নেই ।
৫) অর্ন্তভূক্তিমূলক ইন্ট্রিম সরকারের অবশ্যই জবাবদিহিতা থাকতে হবে,যা না থাকায় অনেক প্রশ্নের জন্ম দেখা দিয়েছে ।
৬) নির্বাচনে নাগরিক অধিকার বিশেষ ভাবে , নারী,ধর্মীয় বা পার্বত্য জনগনের ভোটাধিকার নির্ভয়ে প্রয়োগ করা
এবং তার মুক্তমনের প্রকাশকে বাধা দিবেনা ।যার নিশ্চয়তার রুপরেখা দেয়া হয় নাই ।
৭) শিক্ষা ব্যবস্হা ঠিক করার জন্য,শিক্ষকও ছাত্র অঙ্গসংগঠন সমূহ রাজনীতি বন্ধ করার সম্মতি ছিলো
কিন্ত এই নির্বাচনে তার কোন আলোচনা নেই ।
৮) রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কথা বলে ১৫ মাস অতিবাহিত করে ফলাফল জনগন কি পেল? এর জন্য আমাদের প্রস্তুতি কি ???
৯) নির্বাচনী ফলাফলের পর রাজনৈতিক দলগুলোর আচরন কি হবে ? এতে কি জনসাধারন ক্ষতিগ্রস্হ হবে ?
১০) এই নির্বাচনের মাধ্যমে , জনগণের সম্মতির শাসন এবং গনতন্ত্রর উত্তরন কতটুকু হবে তা পর্যালোচনার
বিষয় হয়ে থাকল !!!

** গণভোটের ব্যাপারে বলার কিছুই নাই, সরকার এই বিষয়টি যুক্ত করেছেন আবার হ্যাঁ ভোট দিতে বলেছেন ।
ফলে সরকার যেসব গোপন চুক্তি করেছে তার বৈধতা দেয়া । তাতে দেখা যায়, আমেরিকার কাছে নাকে খত
দিয়ে চলতে হবে এবং আমেরিকার অনুমতি ব্যতীত সংবেদনশীল কোন সিদ্বান্ত নিতে পারবেনা ।
এক দেশের মাধ্যমে পারমানবিক চুল্লী করে আরেক দেশ থেকে জ্বালানী নিতে হবে, কেমন মব আগ্রাসন ?
সুতরাং আগত নূতন সরকার এই কান্ডকারখানা কিভাবে সামলাবে এবং ১৫ বৎসরের মেয়াদী চুক্তির কি ঘটবে ???
একজন নাগরিক হিসাবে আমি আতংকিত ও বিভ্রান্ত !!!
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অবশ্যই,
কিন্ত গোপন চুক্তিটি পড়েছেন ?
..................................................................
মাথা নষ্ট করার মতো ব্যাপার
নুতন সরকার কিভাবে এসব মোকাবেলা করবেন ???
২|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আসলে তেমন কিছু করার ছিলো না। ট্রাম্পের সামনে আমরা অসহায়। ভালো কিছু নেই যে গুড ডিল করবে। তারেক রহমান ও শফিক সাহেব সব জানেন। তাদের সাথে আমেরিকা কথা বলেছে।
ইন্টারিম একটা জাতীয় ঐক্য দেখালে বোধহয় ভালো হতো।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেশে একটা নির্বাচিত সরকার জরুরি !