| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

ফটো ক্রেডিট; নিজ। ০১ জুন’২০২৬, রাত : ৯ টা, আমিন বাজার, ঢাকা।
আব্বা ১ মাসের ট্রেনিং এ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে গেলেন। আমরা ৭ ভাইবোন। কোলাহল পূর্ণ বাড়ী। তারপরও আব্বা কলাবাগানে বাস করা বড় মামা আর মামীকে খিলগাঁয়ের বাসায় না রেখে আব্বা যাবেন না। অগত্যা বড় মামা-মামী এলেন। স্থির হলো, মামা খিলগাঁও থেকেই নিউ মার্কেটের দোকান/ব্যবসা দেখবেন। আম্মা খুব খুশী !! কিন্তু এরই মাঝে আমি অপয়া- বসন্তে আক্রান্ত হলাম।
ইপিআইডিসি’র অফিস থেকে ডাক্তার এলেন। ঔষধ চল্লো। হালকা জ্বরের পাশাপাশি ছোট ছোট ফোটার মতো গোটা গুলোয় শরীর ছেয়ে গেলো। জ্বরকে আমি এক প্রকার দারুন উপভোগ করতাম ! বিশেষ করে বড় হওয়ার পর জ্বর এলে কাথা-কম্বল জড়িয়ে আরামে শুয়ে থাকা, মাঝে মধ্যে উঠে পানি খেয়ে কিছু ধোঁয়া গিলা; আনন্দই-আনন্দ !! এরপর আবারও শুয়ে থাকা !! আজও মনে এলে ভীষণ আবেগ আপ্লুতো হয়ে পরি। তাই বলে অত ছোট বেলায় অবশ্য ধোঁয়া গিলার চিন্তা সপ্নেও ভাবিনি । সে সময় ভাবনায় কেবলি থাকতো; ভালো কবে হবো।
বাড়িতে আমিই একমাত্র সমস্যা পূর্ণ ব্যক্তি। বাড়ীর সবাই যেনো দূরন্তপনার ভোগান্তি থেকে সাময়িক রেহাই পেলো।
নিরিবিলি শুয়ে থাকি। পেটে সারাক্ষন ক্ষুধা ভাব লেগেই থাকতো। বাইরে যাওয়া বন্ধ হলেও মনে মনে বাইরে ঘোরাঘুরির অন্ত নেই। আধো ঘুম-আধো জাগরনে খিলগাঁও হাই স্কুলের আশপাশ, তালতলায় (এখনকার মার্কেট সে সময় ফুলকপি,টমেটোর ক্ষেত ছিলো) বেড়িয়ে আসতাম।
দুপুরের খাবারটা ছিলো সবচেয়ে মজাদার !! শ্রদ্ধেয় মামীজান আমার জন্য খাস করে একদিন পোলাও এর চালের ভাত, আলু ভর্তা আর ঘি; পরের দিন পোলাও এর চালের ভাত, করল্লা ভাজি সাথে ঘি। আহ্ -মামীজানের হাতে মাখা সে খাবার, পেট ভরে ভরে খেতাম !!!
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০
রাজীব নুর বলেছেন: ঘি আমার একেবারেই পছন্দ না।
অনেক লোক আগ্রহ নিয়ে ঘি খায়।