নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খালিদ বিন ওয়ালিদ

শান্তি বাহিনী

শান্তি বাহিনী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আহমদী মুসলমান ও অ-আহমদী মুসলমানের বিশ্বাসে দ্বন্দ্ব-১

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:৫২



১) আল্লাহর অস্তিত্বের বড় প্রমাণ হল, তিনি কথা বলেন অর্থাৎ ওহী করেন । পবিত্র কোরআন বলে, আল্লাতালা মানু্ষের ডাকে সাড়া দেন (বাকারা) এবং ফেরেস্তার মাধ্যমে নেক বান্দাদেরকে সুসংবাদ প্রদান করেন (হামিম সেজদা) । আল্লাহ কথা বলেন না বললে পাথরের মূর্তির সাথে পার্থক্য থাকে না । মূর্তিও কথা বলে না মোল্লাদের মতে আল্লাও কথা বলে না । আল্লাহ যাদের প্রতি অসন্তুষ্ট তাদের সাথে কথা বলে না, নেক বান্দাদের সাথে তিনি ওহী , ইলহামের মাধ্যমে কথা বলেন । আল্লাহর কথা না বলা অসম্ভব । আহমদীরা বলে আল্লাহ পূর্বে যেমন কথা বলতেন তেমনি এখনও বলেন । তার সব গুণ চিরস্থায়ী ।



২) পবিত্র কোরআন বলে আল্লাহতালা আদমকে (আঃ) এই পৃথিবীতে সৃষ্টি করেছেন (বাকারা)। মৌলবাদীরা বলে, আদমকে বেহেস্তে সৃষ্টি করা হয়েছিল । পরে বেহেস্ত থেকে পৃথিবীতে ফেলে দেয়া হয় । অথচ কোরান বলে, বেহেস্ত থেকে কাউকে বের করে দেয়া হয় না (১৪:১৫) । আল্লাহ বলেন, পৃথিবীতে, মোল্লা বলেন,বেহেস্তে । আল্লাহ বলেন , বেহেস্ত থেকে কাউকে বের করে দেয়া হয় না । মোল্লা বলেন, আদম হাওয়াকে বেহেস্ত থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল । এক কথায় আল্লাহ ও মোল্লার কথা ভিন্ন । একটি অপরটির উল্টো । অতএব, আল্লাহ ধর্ম ও মোল্লার ধর্ম কখনও এক হতে পারে না । আহমদীরা আল্লার কথা মানে ।



৩) কোরআন বলে, ইবলিস জিন ছিল (১৮:৫৬) মোল্লা বলেন, ইবলিস ফিরিস্তা ছিল । বাঘের ঔরসে মেষের গর্ভে ইবলিসের জন্ম । সাধনা করে সে মোকর্রম (সম্মানীত) ফেরেস্তা হয়ে যায় । অথচ এসব কথার পক্ষে তারা কোন দলিল পেশ করতে পারে না । ফিরিস্তা আল্লাহর হুকুমের অবাধ্য হতে পারে না । ৬৬:৭) । মোল্লা বলেন, শয়তান নাকি আদমকে দিয়ে পাপ করিয়েছিল নিষিদ্ধ ফল খাইয়ে । অথচ কোরান বলে আদম (আঃ) পাপ করেননি , ভুল করেছিলেন (২০:১১৬) । এহেন দুই প্রকার বিশ্বাস এক ইসলাম হতে পারেনা । আহমদীরা মোল্লাদের কথা বিশ্বাস করে না ।



৪) ইসলাম বলে কোরআনের শরীয়ত জিন ও ইনস এর উপর প্রযোজ্য । কোরআনী বিধান যারা পালন করবে তাদের দেহ থাকা জরুরী । জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি কর্মই দে্‌হ ছাড়া সম্ভব নয় । ইসলামী বিধান মতে বিয়ে হলে নর ও নারীর দৈহিক সম্পর্কের জন্য দেহ দরকার । সন্তান ধারণ, প্রসব, আকিকা, খতনা ইত্যাদির জন্যও দেহ দরকার। অজু , গোসল, পাক, নাপাকী, কেশ, দাড়ি রাখা ইত্যাদির জন্যও দেহদারী হওয়া প্রয়োজন । অতএব, ইসলামের মতে একেই প্রকার দেহদারী জিন ও ইনস প্রকৃতির জীবের জন্য কোরআনের আইন কানুন । কিন্তু মোল্লা সাহেবরা বলেন জিনের দেহ নেই, ওরা নিরাকার । ওরা জঙ্গলে, কবর স্থানে, গাছে, অনাবাদ পরিত্যক্ত পুরাতন বাড়ি ঘরে বাস করে । সুযোগ পেলেই গ্রামের অশিতা মেয়ে মানুষকে ধরে কষ্ট দেয় । মোল্লারা সেই ভূত ছাড়িয়ে টু পাইস রোজগার করে । এদের স্ত্রীদেরকে বলে পরী । অথচ পরী অর্থ যার পর বা পাখা আছে । পাখী মাত্রই পরী । এই জ্বিন পরীরা ইচ্ছা মত অস্থা্য়ী আকার ধারণ করতে পারে । উল্লেখ্য যে যারা জিন পরীতে বিশ্বাস করে না তাদেরকে ধরে না । যারা বিশ্বাস করে, মান্য করে তাদেরকেই ধরে কষ্ট দেয় । বিজ্ঞানীরা বলেন জ্বিনে ধরা বলে কিছু নেই । এসব হল হিষ্টিরিয়া রোগ । মোল্লারা সাধারণ বি্শেষ করে অজ্ঞ মানুষকে জ্বিন ভূতের ভয় দেখিয়ে তাদের উপর রাজত্ব করে, ব্যবসা করে । প্রকৃত ইসলাম তা সমর্থন করে না । আহমদীরা আল্লাহর কথা মানে, মোল্লার নয় ।



৫) মহানবী (সাঃ) জীবনে কখনো তাবিজ কবচ দেননি । পানিতে ফুঁক দিয়ে কাউকে পানি পান করতেও দেননি । তিনি বলেছন , রোগ মাত্রেরই ঔষধ আছে, (বোখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)। শ্বাস ফেলে পানি পান করতেও নিষেধ করেছেন (আবু দাউদ, ইবনে মাজা) অপর দিকে মোল্লা সাহেবান তাবিজকে চিকিৎসার একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে চলেছেন । মহানবী (সাঃ) যা করেননি মোল্লারা তাই করেছেন । ফলে মানুষের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে । মানুষ চিকিৎসা না করিয়ে আরোগ্যের আশায় কবচ ধারণ করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলছে । মহানবী (সাঃ) তন্ত্র মন্ত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন (আহমদ,তিরমিজি,ইবনে মাজা) । তাবিজ কবচকে নবী করীম সাঃ শির্ক বলেছেন (আহমদ, আবু দাউদ) এই হল ইসলামের শিক্ষা, নবীর সুন্নত । অপরদিকে ইসলামের নাম ব্যবহারকারী মোল্লা মৌলবীরা এই শির্ককে রুজির পথ হিসেবে বেছে নিয়ে নানা রংয়ে নানা ঢংগে অজ্ঞ মানুসকে তাবিজ দিয়ে যাচ্ছে । মোল্লাদের এই পন্থা কখনো ইসলাম সমর্থন করে না আহমদীরাও করেনা । (চলবে)



আহমদীদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য ৬৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৪২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আবারও কাদিয়ানী ফেরকা নিয়ে ফেতনা সৃষ্টি করতে এসছেন। এগুলো বাদ দিয়ে অন্য কিছু লেখেন। ঈহুদী খৃষ্টানদের উচ্ছিষ্ট খেয়ে মুসলিমদের মধ্যে ফেতন তৈরী না করলেই ভাল হয়।


বরাবরই আপনারা এই কাজ গুলিই করেন। আপনারা মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (ইবলিস) এর অনুগামী তা সকলেই জানে যে গু খেতে খেতে মরেছে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শান্তি বাহিনী বলেছেন: মহানবী (সা.) বলেছেন: ইমাম মাহ্‌দী আবির্ভূত হবার সংবাদ পাওয়া মাত্রই তাঁর হাতে বয়আত করিও, যদি বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়েও যেতে হয়; কেননা নিশ্চয় তিনি আল্লাহ্‌র খলীফা আল-মাহ্‌দী। (সুনানে ইবনে মাজা-বাবু খুরূজুল মাহ্‌দী)

তাই ফেরকা নিয়ে ফেতনা সৃষ্টি করতে লিখিনি বরং ফেতনা সৃষ্টিকারী বিদ্যমান শত শত ফেরকাকে আল্লাহর মনোনীত এক খেলাফতের অধীনে আনার জন্য লিখিছি যা হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলে গিয়েছিলেন

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫৩

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আহমদীদের সম্পর্কে আপনার জ্ঞান খুবই কম এবং যা আছে তা ভুল ও কুধারণায় পরিপূর্ন । আহমদীয়া জামাত ইহুদী খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে যত বই পুস্তক লিখেছে তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেনা । দয়া করে আমাদের ওয়েবসাইট ব্রাউজ করলেই তা দেখতে পারবেন ।

মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ) মৃত্যু সম্পর্কে যে ধারণা পোষণ করেন তা সঠিক নয়। তিনি স্বাভাবিক ও সম্মানের সাথে মৃত্যু বরণ করেছেন যেভাবে আল্লাহর একজন সত্যিকার ইমাম মাহদীর মৃত্যু বরণ করা উচিত।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৪

শান্তি বাহিনী বলেছেন: এটা মৌলবীদের একটা মিথ্যা প্রচার মাত্র সত্যকে আড়াল করার জন্য। এই কারনেই হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- শেষ জামানায় এই মোল্লারা হবে সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব। কারণ তারা আল্লাহর প্রেরিত ইমাম মাহদী এর বিরুদ্ধচারণ করবে সত্যকে জানার পরও ।

তাই আপনার কাছে অনুরোধ কুধারণার বশবর্তী হয়ে কোন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর মন্তব্য করবেন না।

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:৪৬

এম এ কাশেম বলেছেন: এক কথায় কাদেয়েনী মানে তো কাফের
যারা "খাতেমুন্নবী" এ ধারণায় বিশ্বাস করে না।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:০৩

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের বিরুদ্ধবাদী আলেমগণ হরহামেশাই এ অভিযোগ করে চলছেন আহ্‌মদীরা সরদারে দু'আলম হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের 'খতমে নবুওয়তে' অর্থাৎ তাঁকে 'খাতামান্নাবীঈন' রূপে বিশ্বাস করে না। এ অভিযোগটি একটা নির্জলা মিথ্যা।

আহ্‌মদীয়া জামাতের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম মাহ্‌দী ও মসীহ্‌ মাউদ হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আঃ) বলেন,

"যে পাঁচতি স্তম্ভের ওপর ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত তা-ই আমার ধর্ম বিশ্বাস। আমরা এ কথার উপর ইমান রাখি, খোদাতায়ালা ব্যতীত কোন মাবুদ নেই এবং সাইয়্যেদেনা হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইয়ে ওয়া সাল্লাম তাঁর রসুল এবং খাতামান্নাবীঈন"।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:০৩

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আমরা আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের সদস্যরা খাতামান্নাবীঈন আয়াতের সেই সকল অর্থের উপর ই ইমান রাখি, যা কুরআন ও হাদীস, উম্মতের বিগত সর্বমান্য আলেম ও ইমামগণের সর্বসম্মত অভিমত এবং আরবী ভাষার বাগধারা ও আরবী অভিধান এবং ব্যাকরণ সম্মত। আমরা যেভাবে আক্ষরিক অনুবাদ ও অর্থের ওপরো ঈমান রাখি সেভাবে এর আসল ও মৌলিক অর্থের ওপরও ঈমান রাখি। এ সকল অর্থের সার কথা হলো, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নবীগণের মাঝে সর্বাপেক্ষা কামেল (পূর্ণতম)। তিনি নবীগণের মোহর। তিনি নবীগণের শোভা ও সৌন্দর্য্য। নবুওয়তের সব গুণ ও বৈশিষ্ট্য তাঁর মাঝে পরিসমাপ্তি হয়েছে। কামালতের শেষ ও শীর্ষ পর্যায়ে তিনি পৌছেছেন। প্রত্যেক প্রকারের ঐশী কল্যান ও গৌরব তাঁর হাতেই ন্যস্ত করা হয়েছে। তাঁর শরীয়ত অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ্‌র কার্যকারিতা ও কর্তৃত্ব কিয়ামতকাল অব্দি চলতে থাকবে। তিনি আখেরী শরীয়তের ধারক ও বাহক রসূল এবং অবশ্য মান্য আখেরী নেতা ও নবী। আসল ও মৌলিক অর্থেও তিনি (সাঃ) সকল নবীর অবসানকারী।

৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:০৫

পদ্মা_েমঘনা বলেছেন: সালাম ভাই।আপনি যদি উপরে উল্লেখিত মন্তব্যকারীদের অনুরূপ মতবাদের হন, তাহলে বলব নিজে কোরান, হাদীস পড়ে ডিসিসন নিন কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক। মোল্লা কি বল্ল না বল্ল তাতে কিছু যায় আসে না, ইসলামে কোরান, হাদীসই সব কিছুর উৎস।মহানবী (সা) কে শেষ নবী না মেনে কেউ মুসলিমদের অর্ন্তভূক্ত থাকতে পারে কি না আমার জানা নাই।

পরিশেষে বলব গোলাম কাদিয়ানী যেভাবে মারা গেছে, আল্লার কোন প্রিয় বান্দা কি এই প্রক্রিয়ায় অতীতে মারা গিয়েছিল? এই প্রশ্নগুলি নিজেকে করুন এবং বেশি-বেশি কোরান পড়ুন। আশা করি নিজেই অনুধাবন করবেন যদি আপনি শিক্ষিত হন।মনে রাখবেন সময় অতি সংক্ষিপ্ত, কার মৃত্যু কখন আসবে কেউ বলতে পারে না।মুসলিম না হয়ে যদি করো মৃত্যু হয় আল্লাহ-র কাছে তার কোন দাম নেই। আর যদি আপনি ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের অংশ হন তবে আপনাকে কিছুই বলার নেই।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:০৭

শান্তি বাহিনী বলেছেন: ওয়ালাকুমুসালাম ওয়াবারকাতুহু। ভাই কোরান হাদীস পরে আমি আমার ডিসিসন নিয়ে নিছি। এখন আপনার পালা।
মহানবী (সা.) বলেছেন: ইমাম মাহ্‌দী আবির্ভূত হবার সংবাদ পাওয়া মাত্রই তাঁর হাতে বয়আত করিও, যদি বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়েও যেতে হয়; কেননা নিশ্চয় তিনি আল্লাহ্‌র খলীফা আল-মাহ্‌দী। (সুনানে ইবনে মাজা-বাবু খুরূজুল মাহ্‌দী)

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:১১

শান্তি বাহিনী বলেছেন: খাতাম্মাননবীইন সম্পর্কে আমাদের বিশ্বাস জানতে নিচ ক্লিক করুন
Click This Link

৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৩৫

মুদ্‌দাকির বলেছেন:

যতদূর জানি , ইমাম মাহাদি আঃ এর সাথে ঈসা আঃ এর দেখা হবে আপনাদের গোলাম কাদিয়ানির সাথে কি ঈসা আঃ এর দেখা হয়েছে?

উনি দাজ্জাল কোথায় মারলেন ??

আর ইসলামি খেলাফত কোথায় প্রতিষ্ঠা করলেন ?!!

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:৪৬

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আপনার জানার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। মানু্ষ মরণশীল। আর ইসলাম পুনজন্ম বিশ্বাস করে না । তাই আমরা বিশ্বাস করি ঈসা আঃ স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু বরণ করেছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ তা’লা হযরত ঈসা (আ.)-কে মৃত ঘোষণা করেছেন আর আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামা’ত-এর পবিত্র প্রতিষ্ঠাতা, হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ.) প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহদী, ঐশী জ্ঞানের ভিত্তিতে পবিত্র কুরআনের আলোকে দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে ঘোষণা করেছেন যে, আল্লাহ্‌র রসূল ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ.) ইন্তেকাল করেছেন। হযরত ইমাম মাহ্‌দী ও মসীহ্ মওউদ (আ.) তাঁর বিখ্যাত পুস্তক “ইযালায়ে আওহাম”-এ কুরআনের ৩০টি স্থান থেকে আয়াত বা আয়াতাংশ উদ্ধৃত করে হযরত ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ.)-এর মৃত্যু প্রমাণ করেছেন।

উক্ত পুস্তকের আলোকে বিভিন্ন আয়াত বা আয়াতাংশ সমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ জানতে Click This Link

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:৫৮

শান্তি বাহিনী বলেছেন: দাজ্জাল সম্পর্কে মহানবী সাঃ বলেছেন একমাত্র মোমেনরাই দজ্জাল চিনতে পারবে।দজ্জাল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ছোট বইটা পড়ুন । আশা করি উপকৃত হবেন । এখানে খুব সুন্দর ও বিস্তারিতভাবে দজ্জাল সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে।
http://www.ahmadiyyabangla.org/Books/Moulovi Mohammad/DajjaloTaharGadha.pdf

৫| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:০৯

পদ্মা_েমঘনা বলেছেন: আমার শেষ কথাটা খেয়াল করতে বলেছিলাম:
আর যদি আপনি ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের অংশ হন তবে আপনাকে কিছুই বলার নেই।
কে যেন ধর্মের কাহিনী শুনতে চায় না! ;)
হাদিসের বর্ণনা মতে ইমাম মাহাদি (আঃ) নিজে কখনও দাবী করবেন না যে, সে ঈমাম মাহদী, বরং মুসলিমরাই শেষ জামানায় নিজেদের প্রয়োজনে তাঁকে খুজে নেবে।তো আপনাদের ঈমাম তো নিজেই দাবী করেছিল যে সে ঈমাম মাহদী। নাউজুবিল্লাহ।মুসলিমদের মধ্যে বিভেদের জন্য কাদিয়ানীদেরকে ইহুদী-খৃষ্টানগোষ্ঠীর প্রয়োজন আছে, যেমন প্রয়োজন আছে এদেশের শাহরিয়ার গংদের।আমি ভেবেছিলাম আপনি কাদিয়ানীর ঘরে জন্ম নেওয়া, কিন্তু সত্যানুসন্ধানী! এনিওয়ে আপনাকে আবার বলছি এই ভ্রান্ত মতবাদ প্রচারের পূর্বে নিজের কাছে নিজে ক্লিয়ার হোন! সিদ্ধান্ত আপনার। ব্রিটিশরা নিজেদের প্রয়োজনে একদিন যে ভন্ডকে কখনও নবী, কখনও ঈমাম মাহাদী বলে প্রচার, প্রসারের সুযোগ করে দিয়েছিল, আপনি সেই ভন্ডের সাথে থাকবেন না সত্যকে জানবেন! মন্তব্য দীর্ঘ হয়ে যাওয়ায় আর বেশি কিছু বল্লাম না।মৃত্যুর পূর্বে পরমকরুনাময় আপনাকে মুসলিম হয়ে মৃত্যুবরনের সুযোগ দান করুক, এই কামনা করি।

০৪ ঠা মে, ২০১৪ ভোর ৪:২৭

শান্তি বাহিনী বলেছেন: হাদিসের বর্ণনা মতে ইমাম মাহাদি (আঃ) নিজে কখনও দাবী করবেন না যে, সে ঈমাম মাহদী, বরং মুসলিমরাই শেষ জামানায় নিজেদের প্রয়োজনে তাঁকে খুজে নেবে।
আপনি এই হাদীস কোথায় পেয়েছেন জানালে উপকৃত হব। আজ পর্যন্ত কোন নবীর ক্ষেত্রে এমন কোন নজীর নাই। এমনকি সর্বশ্রেষ্ট নবী মুহাম্মদ সাঃ তায়েফে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে কি পরিমাণ অকল্পনীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তা আপনি খুব ভালোভাবে জানেন। তাই আপনার কাছে অনুরোধ রইলো নবীদের ইতিহাস সম্পর্কে আরো পড়াশোনা করবেন। আশাকরি আল্লাহ আপনাকে সত্যিকার ইমাম মাহদী চিনতে সাহায্য করবেন।

৬| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:০২

মুদ্‌দাকির বলেছেন: ঈসা আঃ এর মৃত্যু নিয়ে আপনাদের হাস্যকর যুক্তি গুলো আমি আগেই পড়েছি, ধন্যবাদ। =p~ =p~ =p~ =p~

ঠিক আছে উনিই ঈশা আঃ আর উনিই ইমাম মাহাদি

কিন্তু উনি দাজ্জাল কৈ মারসেন ?? আচ্ছা ধইরা নিলাম গোপনে গোপনে মারসেন??

কিন্তু ইসলামি খিলাফত টা কৈ?? ইসলামি সম্রাজ্যটা কৈ ??

সম্রাজ্য গুলাকি উঁচু গেট আর উঁচু দেয়ালে বন্ধী ????? =p~ =p~ =p~ =p~

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৮:৪১

শান্তি বাহিনী বলেছেন: ঈসা আঃ এর মৃত্যু নিয়ে কুরআন থেকে নেয়া যুক্তি প্রমাণগুলোকে হাস্যকর মনে হয় আপনার ? তারপরেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য (আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরষ্কারে ভূষিত করুন)। একসময় কাজ দিবে যদি আল্লাহ চায়। কারণ হেদায়াতের মালিক আল্লাহ । আমাদের কাজ শুধু চেষ্টা করা।
দজ্জাল বলতে আপনি কি বুঝেন জানালে উপকৃত হব। দজ্জাল সম্পর্কে যে লিংকটি শেয়ার করেছ উটা পড়ুন। আশা করি তাহলে আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:০২

শান্তি বাহিনী বলেছেন: তোমাদের মাঝে যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আল্লাহ্‌ তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি অবশ্যই পৃথিবীতে তাদের খলীফা বানাবেন, যেভাবে তিনি তাদের পূর্ববর্তীদের খলীফা বানিয়েছিলেন। আর অবশ্যই তিনি তাদের জন্য তাদের ধর্মকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে দেবেন যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির অবস্থার পর অবশ্য অবশ্যই তিনি তা নিরাপত্তায় বদলে দেবেন। তারা আমার ইবাদত করবে, আমার সাথে কাউকে শরীক সাব্যস্ত করবে না। আর এরপরও যারা অকৃতজ্ঞতা করবে, এরাই হবে দুষকৃতকারী। (সুরা নুর-৫৬)

এখানে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তারাই খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। অন্য কেউ নয়। সারাবিশ্বে একমাত্র আহমদীয়া মুসলিম জামাতই খেলাফতের অধীনে আছে( ১০০ বছরেরও বেশি এই খিলাফতের বয়স) যা আমাদের জামাতের সত্যতার এক সুস্পষ্ট প্রমাণ। যে খিলাফত অন্যান্য মুসলিম ফেরকা শত চেষ্টা করেও করতে পারেনি এবং পারবেও না। আজ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে আমাদের মসজিদ আছে এবং তারা সবাই একই খলিফার অধীনে পরিচালিত ।

৭| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:০৩

মুদ্‌দাকির বলেছেন: আর মসিহ কেমন ছিলেন যে নিজের ডাইরিয়া ভালো করতে পারেন নাই ???

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:১৫

শান্তি বাহিনী বলেছেন: নবী-রাসূলেরা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক অনেক বেশি রোগ যন্ত্রনায় ভোগে। হযরত আয়েশা রাঃ বলেন- আমি হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে যত বেশি রোগ যন্ত্রনায় কষ্ট পেতে দেখেছি আর কাউকে এরকম দেখিনি। হযরত মুহাম্মদ সাঃ মৃত্যুর আগে অনেকদিন অসুস্ত ছিলেন। আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।

৮| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:২২

মুদ্‌দাকির বলেছেন: না কিছুরই উত্তর পাই নাই!!!

মসিহ মানে কি জানেন ??? ঈসা আঃ এর কোন রোগের কথা বলতে পারবেন???

হাঁ আপনাদের খেলাফত দূর্গের ভিতর!! খিলাফতে সাধারন মানুষের প্রবেশ নিষেধ!!

কুরয়ান না বুঝেন ঠিক আছে, কিন্তু কুরয়ানের আয়াত গুলোর অপব্যাখ্যার শাস্তি আল্লাহ আপনাদের এই দুনিয়াতেই দিক!!

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের উরুর নিচে আপনাদের খেলাফত , what a joke !!!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:০৩

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আপনার কথা শুনে মনে হয় ঈসা আঃ এর জীবন সম্পর্কে পুরো জানেন।যেভাবে সার্টিফিকেট দিলেন । পুরা বিশ্বই উনার শুধুমাত্র ৩-৫ বছরের ইতিহাস জানেন। আপনার মহামূল্যবান জ্ঞান থেকে ইতিহাসকে একটু সমৃদ্ধ করেন। আমার মত অজ্ঞরা কিছু জানুক। ঈসা আঃ এর প্রথম ৩০ বছরের কাহিনী একটু জানান।উনার যে কোন রোগ হয় নাই।
ঈসা আঃ ক্রসে যে কষ্ট ভোগ করেছেন খ্রিষ্ট্নরা মনে করে তাতেই তাদের সব পাপ মুছে ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:২৮

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আমাদের খিলাফত দূর্গের ভিতর কথাটা বুঝলাম না। আপনি আমাদের খিলাফত সম্পর্কে কি জানতে চান বলেন ? আমাদের ওয়েবসাইট ব্রাউজ করলেই সব ডাটা পাবেন । এখানে গোপন কোন কিছু নাই।
আর সাধারণ থেকে অসাধারণ সবাইকে খিলাফতের অধীনে আনার জন্য আমরা আমাদের জান মাল সময় সব কুরবানী করতেছি। আর আপনি বলতেছেন আমরা সাধারণ মানুষকে ঢুকতে দিই না। খুবই অদ্ভুদ!
আমাদের খিলাফত সম্পর্কে জানতে এখানে http://www.ahmadiyyabangla.org/khelafat.htm
আর আমাদের খলিফা কিভাবে নির্বাচিত হয় তা জানার জন্য এখানে ক্লিক করেন Click This Link
Click This Link

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৫

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আমাদের কোন কিছু বলার আগে ইসলামের ইতিহাস নিয়ে আপনার একটু পড়াশোনা করা দরকার। তারপরে তা আমাদের ইতিহাসের সাথে মিলান । আশা করি উত্তর পাবেন।

৯| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪৪

মুদ্‌দাকির বলেছেন: স্বিকারই করে নিলেন যে আপনাদের ইতিহাস ইসলামের ইতিহাস নয়!! ওয়াও, আপনাকে ধন্যবাদ!! ওয়েব সাইটে ঢুকতে কে চেয়েছে?? আপনাদের মসজিদে ঢুকতে দেন না কেন আমাদের?? মসজিদ তো আপনাদের প্রচারের কেন্দ্র হবার কথা?? আর নরওয়েজিয়ান ইহুদি আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সম্পর্কে মনে তো হচ্ছে কিছুই জানেন না, তাই না??? তা জানান দেখি কোথায় ধর্ম প্রচার করছেন আপনারা?? আপনাদের ধর্ম গ্রহন করার জন্য আসবোনে, কি বলেন ??

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫০

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আপনাদের মসজিদে ঢুকতে দেন না কেন আমাদের?? এই মিথ্যা অভিযোগ শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছি। কারণ আমরা সব কিছু করতেছি আপনাদের সবাইকে এক ইসলামের পতাকাতলে আনার জন্য। আপনি যদি বলেন যে আহমদীয়া জামাত সম্পর্কে জানার জন্য ঢুকতে চাচ্চি তাহলে আপনাকে অবশ্য ঢুকতে দেয়া হবে। কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে হয়ত আপনাকে চেকআপ করা হতে পারে।
আর আমাদের মসজিদ সবসময় গেট বন্ধ থাকে কারণ কিছু সাইকো যারা মনে করে এদের বোমা মারলে বেহেস্তে যাওয়া যাবে এদের থেকে বাচার জন্য। তবে গেটে সার্বক্ষণিক দারোয়ান থাকে। আপনি পরিচয় ও উদ্দে্শ্য জানালে আপনাকে অবশ্যি ঢুকতে দেয়া হবে।

১০| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:০৮

মুদ্‌দাকির বলেছেন: তাই নাকি? সবাই কে ঢুকতে দেয় নাকি ? আপনাদের মারলেতো রাস্তায়ও মারা যায়, আপনাদের কি ইনভিজিবল ভাবেন নাকি ?? নাকি কেউ আপনাদের চিনে না??

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৮:৪১

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আপনার সাথে কথা বলার আর কোন আগ্রহ নেই। আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন।

১১| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৬

মুদ্‌দাকির বলেছেন: সত্য প্রকাশ পেতে থাকলেই আপনাদের যত সমস্যা !!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৪

শান্তি বাহিনী বলেছেন: কি সত্য প্রকাশ করতে চাচ্চেন করেন।
আর নিচের লিংকটা একটু পড়ুন
Click This Link

১২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:১৩

মুদ্‌দাকির বলেছেন: দারুন ২০১১ এর পরতো আপনাদের উপর কোন আক্রমনই নাই, তাহলে আপনাদের এখন উচিৎ আপনাদের দূর্গ গুলোর দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা!!! আর আক্রমনতো এই দেশে, কিছু ছাগোল দ্বারা হিন্দু ভাইদের উপরো হয়, কিন্তু তারা কি মন্দিরে মন্দিরে দূর্গের মত দেয়াল বানিয়ে রেখেছে, নাকি নিজেদের মুসলমান বলে পরিচয় দিচ্ছে???? আপনারাতো প্রকাশ্যে নিজেদের কাদিয়ানি বলে পরিচয় দিতেও লজ্জা পান !!! :!> :!> :!> :!> :!>

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৪২

শান্তি বাহিনী বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ২০১১ এর পরের গুলো আপডেট করা হয় নাই । আর গত বছর হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচি সম্পর্কে আপনিও অবহিত আছেন।
আমরা কাদিয়ানি হলে কাদিয়ানি বলব, কিন্তু আমরাতো কাদিয়ানি না। যারা আমরা আহমদী মুসলিম ।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:০৬

শান্তি বাহিনী বলেছেন: নিচের লিংকগুলো পড়ুন আরো জানতে পারবেন
Click This Link

Click This Link

Click This Link

১৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:২৭

মুদ্‌দাকির বলেছেন: ইসলামের বেসিক কিছু বিশ্বাস না থাকলে একজন মানুষ মুসলিম হতে পারে না!!! সেই অর্থে এটা পরিষ্কার যে আপনারা অমুসলিম, যদিও এটা ডিকলার করা আমার কাজ না, এটা আল্লাহের সাথে যার যার নিজের বুঝা পড়ার ব্যাপার!!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৪১

শান্তি বাহিনী বলেছেন: যদিও এটা ডিকলার করা আমার কাজ না, এটা আল্লাহের সাথে যার যার নিজের বুঝা পড়ার ব্যাপার!!
এই মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এই জিনিসটা মোল্লার বুঝে না, বুঝতেও চায় না।
ইসলামের কি বেসিক বিশ্বাস নেই জানালে খুশি হব । আমরা হযরত মির্যা গোলাম আহমদ আঃ কে ইমাম মাহদী হিসেবে মানছি প্রকৃত ইসলাম জানার জন্য । কারণ একজন সত্যিকার ইমাম মাহদীর সাথে আল্লাহর সম্পর্ক থাকবে এবং আল্লাহ তার সাথে বাক্যলাপ করবে। এর মাধ্যমে তিনি সত্য মিথ্যা নির্ধারণ করবেন। তাই আপনি যেগুলো কে ইসলামের বেসিক বলতেছেন তা আদো ইসলামের অংশ কিনা তা তিনি নির্ধারণ করবেন আল্লাহর সাহা্য্য নিয়ে। আল্লাহ আপনাকে বুদ্ধি ও বিবেক দিয়েছেন কোনটা ভাল মন্দ বোঝার জন্য। তাই এসব বেসিককে আবেগ দিয়ে নয়, বুদ্ধি ও বিবেক দিয়ে যাচাই করুণ ।

১৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৪

মুদ্‌দাকির বলেছেন:
না উনি ইমাম মাহাদী ছিলেন, না উনি মসিহ ছিলেন, না উনি আল্লাহের সাথে বাক্যালাপ করেছেন !!!! এই সবই আপনাদের ভ্রান্তি !! এই পর্যন্তও কিছু বলার ছিলনা, কারন এগুল আপনাদের বিশ্বাস,

কিন্তু আপনাদের কুরয়ানের মিস ইন্টার প্রিটেশন দেখেই বুঝা যায়, কি ভুলের মধ্যে আছেন আপনারা!!!!! হযরত ঈসা আঃ এর মৃত্যু প্রমানের জন্য কুরানের যে (৩০) আয়াত গুলো ব্যাবহার করেছেন আর যে যুক্তি দেখিয়েছেন, তা রিতি মত নিজের সাথে নিজে মিথ্যা বলার মত।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আমি বুঝতে পারছি, আপনি এতোদিন ধরে যে বিষয়কে মনের মধ্যে সত্য হিসেবে লালন করে আসছেন, হঠাৎ করে তা মি্থ্যা হিসেবে গ্রহন করা সহ্জ কথা নয়। কিন্তু ধর্মের বিষয়ে আবেগ নয়, বুদ্ধি মত্তা ব্যবহার করেন -
যুক্তির খাতিরে আমি আপনার মত ধরে নিলাম ইসা আঃ জীবিত আছেন। কিন্তু নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর একটু জানালে খুশি হব-
১)মহানবী (সা.) ইন্তেকালের পরে হযরত উমর (রা.) কেন খোলা তলোয়ার নিয়ে বলেছিলেন, যে বলবে মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছে আমি তার মাথা কেটে ফেলব? কেন পরে তিনি চুপ হয়েগিয়েছিলেন?
২) আপনারা বিশ্বাস করেন ঈসা নবী ( যিনি কুরানের ভিন্ন একটি শরীয়ত শিক্ষা দেয়ার জন্য এসেছিলেন ) আবার আসবেন। তাহলে হযরত মুহাম্মদ সাঃ কিভাবে শেষ নবী হয়( যদিও মুখে বলেন মুহাম্মদ সাঃ শেষ নবী, ভন্ডামি করার জন্য বলেন নাকি না বুঝে বলেন আল্লাহ জানে)?
৩)তিনি (আঃ) এখন কোথায় আছেন? কীভাবে আসবেন পৃথিবীতে আবার?
আপাতত এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর দেন

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৪

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আমি আবারো বলতেছি, ধর্মের বিষয়ে আবেগ নয়, বুদ্ধি মত্তা ব্যবহার করেন। আল্লাহ আপনাকে বুদ্ধি মত্তা দিয়েছেন সত্য মিথ্যা ভাল মন্দ যাচাই করার জন্য ।

১৫| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৯

মুদ্‌দাকির বলেছেন:

ভন্ডামি আমি বা আমরা করি না! যারা কোন উত্তর না দিতে পেরে তেনা প্যাঁচায় তারা ভন্ডামি করে!! :)

ধরেন আপনি একজন নবী আপনার দাদাও একজন নবী । আপনি নবী হবার পর আপনার দাদার সরিয়তের শিক্ষা রোহিত হয়ে গেল। এখন আপনার দাদাও আপনার উম্মত, যেহেতু নতুন সরিয়ত আপনার কাছে এবং শুধু মাত্র আপনার কাছেই এসেছে, আপনার দাদাও পূর্বেকার একজন পরিক্ষিত পূন্যবান মানুষ হিসেবে উনিও আপনার শরিয়তই শিক্ষাদেন, এখন আপনি মৃত্যু বরন করলেন, কিন্তু আপনার দাদা জীবিত!! তাহলে শেষ নবী কে ? আপনি ? না আপনার দাদা??

আর হযরত ঈসা আঃ বেহেসতে বা ঐ রকম কোথাও থাকতে পারেন, আমি জানি না!! আল্লাহ জানেন!! হযরত আদম আঃ পৃথিবীতে আসার পূর্বে বেহেসতেই ছিলেন, তাই এটি অদ্ভুত কোন ব্যাপার নয়। তাকে জীবিত রাখা আল্লাহের জন্য কি খুব একটা বিশাল ব্যাপার ??? এটি শুধু মাত্র আল্লাহের ইচ্ছার ব্যাপার। কুরয়ান কুরয়ান করেন, জানেন না, আল্লাহ কুন বলেন আর হয়ে যায়??? আসহাবে ক্বাহাফের যুবকদের কথা জানেন না??? যার সাধারন ঈমান দ্বার মানুষ ছিলেন?? যারা ৩০০ বছর বা তারো অধিক সময় এই পৃথিবীর বুকেই ঘুমিয়ে জীবীত ছিলেন ??? এবং ঘুম থেকে ঊঠেও তারা যুবকই ছিলেন??? ভালো কথা তারাও হযরত ঈসা আঃ এর অনুশারী ছিলেন।

আল্লাহের ক্ষমতাকে যারা আন্ডার স্টিমেট করে, তারা মুসলিম হতে পারেন না!!! বা কোন মুসলিম আল্লাহের কথা অবিশ্বাস করতে পারেন না!!!

আপনারা নিজের সাথে নিজেই মিথ্যা বলতে থাকুন!!! সবাইকে বোকা ভাবরার কারন নাই।

শুধু মাত্র ইহুদিরের টাকার লোভে কাদিয়ানি গিরি =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

আর আপনারা ভালো করেই জানেন, হযরত ঈসা আঃ এর আদ্য পান্ত, উনি যে মিরাজের দিন রাতে হযরত মুহাম্মাদ সাঃ এর সাথে দেখাকরেছেন এবং তার ইমামতিতে তার পিছনে নামাজ পড়েছেন, আপনি তাও জানেন, এই ব্যাপার গুলো কিসের ইঙ্গিত করে আপনারা তাও বুঝেন। আর হযরত ঈসা আঃ পৃথিবীতে ফিরে এসে কি কি কাজ করবেন, তাও আপনাদের জানা আছে, অযথাই ত্যানা প্যাচানোর দরকার কি???

কাদিয়ানি মিথ্যুকেরা নিজের সাথেই মিথ্যা বলতে থাকুন !!!!

আসসালামুয়ালাইকুম !!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:০৪

শান্তি বাহিনী বলেছেন: ধরেন আপনি একজন নবী আপনার দাদাও একজন নবী । আপনি নবী হবার পর আপনার দাদার সরিয়তের শিক্ষা রোহিত হয়ে গেল। এখন আপনার দাদাও আপনার উম্মত, যেহেতু নতুন সরিয়ত আপনার কাছে এবং শুধু মাত্র আপনার কাছেই এসেছে, আপনার দাদাও পূর্বেকার একজন পরিক্ষিত পূন্যবান মানুষ হিসেবে উনিও আপনার শরিয়তই শিক্ষাদেন, এখন আপনি মৃত্যু বরন করলেন, কিন্তু আপনার দাদা জীবিত!! তাহলে শেষ নবী কে ? আপনি ? না আপনার দাদা??

হা হা হা......................নবী শরীয়তকে আপনার বাপ দাদার সম্পত্তি বানাই ফেলছেন। ভাল.... খুব ভাল

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ৭:৪৭

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আসহাবে ক্বাহাফের যুবকদের কথা জানেন না??? যার সাধারন ঈমান দ্বার মানুষ ছিলেন?? যারা ৩০০ বছর বা তারো অধিক সময় এই পৃথিবীর বুকেই ঘুমিয়ে জীবীত ছিলেন ??? এবং ঘুম থেকে ঊঠেও তারা যুবকই ছিলেন??? ভালো কথা তারাও হযরত ঈসা আঃ এর অনুশারী ছিলেন

ভালো অনুবাদ করেছেন কিন্তু বুঝেন নাই আল্লাহ কি বুঝাতে চেয়েছেন। আপনার বুঝা আর হিন্দুদের বা গ্রীকদের পৌরণিক কাহিনীকে ও হার মানায়। আমরা যেমন এদের অলৌকিক, অবাস্তব ও অযোক্তিক কাহিনী নিয়ে হাসি এরাও আপনার এই ব্যখ্যা শুনে হাসবে । বিশেষ করে নাস্তিকরা তা নিয়ে লাফালাফি করবে। কারণ পৃথিবীতে এ রকম ঘটনার কোন নজির নাই

আল্লাহ ঐ যুবকগুলো বলতে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের প্রাথমিক অবস্তা বুঝানো হয়েছে যারা ইহুদীদের ভয়ে ৩০০-৪০০ বছরে সুপ্তাবস্তায়(ঘুমানো) থাকবে পরে এরা নিজেদেরকে আস্তে আস্তে প্রকাশ করা শুরু করবে (ঘুহা থেকে বের হবে) ।

কুরান একটি উন্নত ও সর্বোৎকৃষ্ট সাহিত্য। যে কারণে আল্লাহ চ্যালেন্জ করেছেন কেউ এর সমতুল্য একটি আয়াত ও তৈরি করতে পারবে না। আশা করি তর্ক না করে উপলব্ধি করার চেষ্টা করবেন ।

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ৮:৩২

শান্তি বাহিনী বলেছেন: হযরত ঈসা আঃ , উনি যে মিরাজের দিন রাতে হযরত মুহাম্মাদ সাঃ এর সাথে দেখাকরেছেন এবং তার ইমামতিতে তার পিছনে নামাজ পড়েছেন,

এর মাধ্যমে কি হযরত ঈসা আঃ জীবিত থাকা বুঝায় (তাহলে অন্য সব নবীও জীবিত আপনার যুক্তি মতে কারণ তিনি সাঃ অন্য নবীদেরকেও দেখেছেন )বা হযরত মুহাম্মাদ সাঃ কি বলেছেন আমি জীবিত ঈসা আঃ কে দেখেছি ?

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ৮:৩৮

শান্তি বাহিনী বলেছেন: ১)মহানবী (সা.) ইন্তেকালের পরে হযরত উমর (রা.) কেন খোলা তলোয়ার নিয়ে বলেছিলেন, যে বলবে মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছে আমি তার মাথা কেটে ফেলব? কেন পরে তিনি চুপ হয়েগিয়েছিলেন?

দয়া করে এই ব্যাপারে আপনার মন্তব্য শুনতে চাচ্ছি।

১৬| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪১

মুদ্‌দাকির বলেছেন:


ভালোই বুঝচ্ছেন আসহাবে কাহাফ এর ঘটনা =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ আমার কিছুই বলার নাই =p~ =p~ =p~ =p~ আমি লুটপুটি খাচ্ছি , কাদিয়ানি সাহেব নতুন করে ইতিহাসও লিখে গেছেন নাকি ??ঝান্তাম না!!!!!!!!!!!!!!


মিরাজের ঘটনা দিয়া তাঁর(হযরত ঈসা আঃ) জিবিত/মৃত(নাউযুবিল্লাহ) থাকার কথা বুঝতে বলিনাই ভাই, বুঝতে বলেছি ইমামতিটা কে করলেন, ইমাম কে ছিলেন তা লক্ষ করতে!!! :-B :-B :-B :-B

হযরত ওমর রাঃ নবীজীর সাথে থাকতে থাকতে এবং তাঁর কাছথেকে অতিমানবীয় সব মুজিজা দেখতে দেখতে হযরত মুহাম্মাদ সাঃ কে অতি মানবিয় কিছু একটা ভাবছিলেন, স্বভাবতই অন্যান্য সাহবীদের মত উনি নবীজীকে অতি মাত্রায় মুহাব্বত করতেন, হযরত ওমর রাঃ অন্যান্য ঘটনাথেকেও দেখা যায় উনার ইমসানাল রিস্পন্স গুলো একটু ভিন্ন , তা ছাড়া ইহুদি শয়তানরা আগেও নবিজীর মৃত্যু নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন, ঐ সকল কিছুর মিশ্রনের একটা অতি আবেগিয় ফল হতে পারে এই ঘটনা। কিন্তু হযরত আবু বকর রাঃ বলার সাথে সাথেই উনি ব্যাপারটা বুঝে জান।

কেন ? এই ঘটনায় মসিহ ;) ;) ;) কাদিয়ানি কি পেয়েছেন ???? বা অপনাদের কি বুঝাইসেন :P :P :P :P

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১০:৫৯

শান্তি বাহিনী বলেছেন: মহানবী (সা.) সম্পর্কে কেউ কেউ ধরে নিয়েছিলেন যে, তিনি ইন্তেকাল করতে পারেন না। তাই তাঁর ইন্তেকালের পর কারো কারো পক্ষে তা বিশ্বাস করা কঠিন ছিল। হুযুর (সা.)-এর ইন্তেকালের সময় হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) মদিনার বাহিরে ছিলেন। ফিরে এসে তিনি এই অবস্থা দেখেন; সর্বপ্রথম মহানবী (সা.)-এর পবিত্র ললাটে চুমু খেয়ে মসজিদে নববীতে গিয়ে সাহাবাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করেন। আর বলেন যে,

“তোমাদের মধ্য হতে যারা খোদার ইবাদত করে তারা নিশ্চিত থাকতে পারে যে, তিনি চিরঞ্জীব; তিনি কখনও ইন্তেকাল করেন না। অপরদিকে যারা মুহাম্মদ (সা.)-এর ইবাদত করতো তাদের জানা উচিত যে, তিনি ইন্তেকাল করেছেন”।

এরপর তিনি পবিত্র কুরআনের নিচের আয়াত পাঠ করেন,

এবং মুহাম্মদ একজন রসূল ছাড়া আর কিছুই নয়। নিশ্চই তাঁর পূর্বের সব রসূল গত হয়ে গেছে। অতএব সেও যদি মারা যায় বা নিহত হয় তোমরা কি তবে তোমাদের পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে? আর যে ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায় সে কখনো আল্লাহ্‌র কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। আর আল্লাহ্ কৃতজ্ঞদের অবশ্যই পুরস্কৃত করবেন। (সূরা আলে ইমরান: ১৪৫)

এই আয়াতে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা হয়েছে যে, পূর্ববর্তী সব রসূল গত হয়েছেন। একই রীতি অনুসারে যদি হযরত মুহাম্মদ (সা.) গত হয়ে যান তাহলে আশ্চর্যের কি আছে?

তাই সাহাবারা বুঝতে পারেন যে, মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন এবং তাঁর পূর্বের নবীরাও।

হযরত উমর (রা.) বলেন,

“হযরত আবু বকর যখন এই আয়াত পাঠ করলেন আমার এমন মনে হলো যেন কুরআনের এই আয়াতটি প্রথমবার নাযিল হয়েছে এবং আমার পদযুগল দুর্বল হয়ে যায় আর আমার হাত থেকে তরবারী খসে পড়ে”।

সকল সাহাবী নিশ্চিত হলেন যে, এই আয়াত মোতাবেক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইন্তেকাল করেছেন। এই আয়াতের মাধ্যমে সাহাবারা নিশ্চিত হলেন যে, মহানবী (সা.) সহ পূর্বের সকল রসূল ইহধাম ত্যাগ করেছেন। কোন সাহাবী উচ্চবাচ্য করেন নি যে, না হযরত ঈসা (আ.) আকাশে আছেন। বুখারী শরীফে সবিস্তারে এই ঘটনার উল্লেখ আছে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর পরপরই হযরত ঈসা (আ.) সহ সকল নবী-রসূলের মৃত্যুর বিষয়ে মুসলমানরা ইজমা বা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন আর এটিই ইসলামের প্রথম ইজমা।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩৩

শান্তি বাহিনী বলেছেন: কাদিয়ানি সাহেব নতুন করে ইতিহাসও লিখে গেছেন নাকি ??ঝান্তাম না!!!!!!!!!!!!!!

জানার চেষ্টা করলে জানবেন । আপনাদের জানানোর জন্য উনি ৮৭ এর অধিক বই এবং হাজার হাজার চিঠি পত্র লিখে গেছেন।
আমি জানি জীবনে আপনি এর একটি বই ও পড়েননি। অথচ প্রত্যেকটা বই মুমেনদের জন্য পথ প্রদর্শকস্বরুপ। কারণ এ সব বই আল্লাহর সাহায্য নিয়ে লেখা ।
আপনাদের সমস্যা হচ্ছে প্রথমেই নেগেটিভ ধারণা মনের মধ্যে রাখা এবং আশেপাশের ভন্ড মৌলানা মৌলবীদের মত উনাকে( আঃ) কল্পনা করা।

এভাবে চোখ বন্ধ করে আপনি সত্যকে জানতে পারবেন না। সত্যকে জানতে হলে আপনাকে পড়তে হবে । তারপরে আপনার বিবেক থেকে বলেন কোনটা সত্য/ মিথ্যা ?
হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আঃ) প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহদী-এর লিখিত পুস্তকাবলীর লিংক নিচে দেয়া হল-
Click This Link)

তবে আপাতত নিচের বইটা পড়তে পারেন http://www.ahmadiyyabangla.org/Books/Hadhrat Mirza Ghulam Ahmad (as)/Islam-i-Nitidarshan.pdf

১৭| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:০৫

মুদ্‌দাকির বলেছেন: অরে মিথ্যুক কাদিয়ানি, তোমাদের জাতির পিতা তোমাদের জন্য কুরয়ান ভালো করে অনুবাদ করা জান নাই, তার সেই জ্ঞান ছিল না।

সূরা আল ইমরান আয়াত ১৪৪

আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুতঃ কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।



মোহসিন খান

muhammad (صلى الله عليه وسلم) is no more than a Messenger, and indeed (many) Messengers have passed away before him. If he dies or is killed, will you then turn back on your heels (as disbelievers)? And he who turns back on his heels, not the least harm will he do to Allah; and Allah will give reward to those who are grateful.

ইউসুফ আলি

muhammad is no more than a messenger: many Were the messenger that passed away before him. If he died or were slain, will ye then Turn back on your heels? If any did turn back on his heels, not the least harm will he do to Allah; but Allah (on the other hand) will swiftly reward those who (serve Him) with gratitude.

সাকির

And muhammad is no more than an apostle; the apostles have already passed away before him; if then he dies or is killed will you turn back upon your heels? And whoever turns back upon his heels, he will by no means do harm to Allah in the least and Allah will reward the grateful.

পিকথাল

muhammad is but a messenger, messengers (the like of whom) have passed away before him. Will it be that, when he dieth or is slain, ye will turn back on your heels? He who turneth back on his heels doth no hurt to Allah, and Allah will reward the thankful.

সাহী

muhammad is not but a messenger. [Other] messengers have passed on before him. So if he was to die or be killed, would you turn back on your heels [to unbelief]? And he who turns back on his heels will never harm Allah at all; but Allah will reward the grateful.


মূল আরবী

وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ الرُّسُلُ أَفَإِن مَّاتَ أَوْ قُتِلَ انقَلَبْتُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ وَمَن يَنقَلِبْ عَلَىٰ عَقِبَيْهِ فَلَن يَضُرَّ اللَّـهَ شَيْئًا وَسَيَجْزِي اللَّـهُ الشَّاكِرِينَ



এখন বাংলায় প্রতিটা শব্দ দেখুনঃ

(এবং)وَ (নয়)مَا (মুহাম্মাদ)مُحَمَّد (এছাড়া)إِلَّا (একজন রাসূল) رَسُولٌ

(নিশ্চয়ই)قَدْ (অতিত হয়েছে) خَلَتْ(তার পূর্বে) مِن قَبْلِهِ

((অনেক) রাসূল) الرُّسُلُ(কি তবে যদি) أَفَإِن (সে মারা যায়) مَّاتَ

(বা)أَوْ (নিহত হয়) قُتِلَ(তোমরা ফিরে যাবে) انقَلَبْتُمْ(উপর)عَلَىٰ

(তোমাদের গোরালির(অর্থাৎ পিছন দিকে)) أَعْقَابِكُمْ(আর)وَ (যে)مَن

(ফিরে যাবে) يَنقَلِبْ (উপরে)عَلَىٰ (তার দুই গোড়ালির) عَقِبَيْهِ

(তাহলে কক্ষন না) فَلَن(ক্ষতি করতে পারবে) يَضُرَّ (আল্লাহের)اللَّـهَ

(কিছুই)شَيْئًا (এবং)وَ (প্রতিফল দিবেন) سَيَجْزِي

(আল্লাহ)اللَّـهُ (শোকরকারীদের)الشَّاكِرِينَ


এই খানে কোথায় কিভাবে পেয়েছেন এই কথাঃ

নিশ্চই তাঁর পূর্বের সব রসূল গত হয়ে গেছে।

ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম আপনারা ভুল, কিন্তু যতই কথা বলছি দেখছি আপনারা মিথ্যাবাদই। আর কিছু না।

প্রতিটা শব্দের ট্রান্সলেশন দেয়া হয়েছে, বলবেন না যে কেউ চালাকি করছে আপনাদের সাথে!!!!!!!!!!!!

১৩ ই মার্চ, ২০১৪ ভোর ৫:৫৬

শান্তি বাহিনী বলেছেন: সত্যকে মিথ্যা বলার একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই মিথ্যাকে সত্য প্রমাণ করার জন্য আপনাকে আরো অনেকগুলো আজগুবি অযৌক্তিক মিথ্যা কাহিনী বানাতে হবে । শেষে দেখা যাবে এই মিথ্যা গুলো একটি আরেকটির সাথে সাংঘর্ষিক এবং এরা নিজেরাই একটি আরেকটিকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট।

যেমন ধরেন আপনি ব্র্যাকেট দিয়ে নিজ থেকে বা আপনার মৌলানাদের থেকে "অনেক"( রসূল গত হয়ে গেছে) শব্দ লাগাইছেন তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম এটা টিক আছে।
তার মানে হচ্ছে এক লাখ বা দুই লাখের অধিক নবী রাসূলদের মধ্যে অনেকে মারা গেছে কিন্তু এখনও আরো কিছু নবী রাসূল জীবিত আছে( দুই লাখের মধ্যে এক হাজারতো হবেই না হয় বেশিরভাগ লিখতো অনেকের জায়গায়)। কারণ অনেক শব্দটি একজন বাদে বুঝায় না
এখন প্রশ্ন হচ্ছে এক লাখ বা দুই লাখের অধিক নবী রাসূলদের মধ্যে আর কয়জন জীবিত আছে ? আর বাকী নবী রাসূলগুলো কখন আসবে?

১৩ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ৭:১৬

শান্তি বাহিনী বলেছেন: আপনার অর্থ যদি সঠিক হয় তাহলে হযরত উমর (রা.) বা সাহাবীরা কেন আবুবকর রাঃ বলে নাই যে যেভাবে ঈসা আঃ বা অন্যান্য রাসূলেরা জীবিত আছে সেভাবে মুহাম্মদ সাঃ জীবিত আছেন ? আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে এরা বলদের মত না বুঝে কোন যুক্তি ছাড়া লাফাইছিল মরে নাই, মরে নাই করে, আবার বলদের মত না বুঝে চুপ হয়ে গেছে ।

কিন্তু এরা আপনার কাল্পনিক বলদের মত ছিলেন না, এরা ছিলেন প্রখর বুদ্ধি সম্পন্ন যাদের প্রত্যেকটি কাজ আমাদের জন্য পথ প্রদর্শক ও সত্য মিথ্যার মিমাংসা স্বরুপ।

আশা করি আপনি এই বিষয়ে আরো চিন্তা করবেন । একটু খানি লজিক্যালি চিন্তা করলেই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন । মহান আল্লাহতালা আপনার সহায় হোন । আপনার সৎ প্রচেষ্টাকে সফলতা দান করুন। আমীন

১৮| ১৩ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:২৫

মুদ্‌দাকির বলেছেন: সব রাসূল পেয়েছেন (পাইলি) কৈ, ত্যানা প্যাচান (প্যাচাস) কেন??? উত্তর দেন (দে) !!!!! (হারামজাদা)

১৯| ১৩ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:৫৫

মুদ্‌দাকির বলেছেন:

আপনার সাথে খারাপ ভাষা ব্যাবহার করা ঠিক হয়নি !! কিছু মনে করবেন না!!

وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ ﴿﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ

০৪ ঠা মে, ২০১৪ ভোর ৫:২৪

শান্তি বাহিনী বলেছেন: বলেছেন: ভূল বুঝতে পারার জন্য ধন্যবাদ । আপনার মনে ইসলামের জন্য যে অসম্ভব ভালেবাসা আছে সেটাকে আমি খুবই শ্রদ্বার চোখে দেখি । আশা করি ইসলামের খাতিরে আপনার কাছ থেকে ভালো ব্যবহার পাবো।

০৪ ঠা মে, ২০১৪ ভোর ৫:৩৯

শান্তি বাহিনী বলেছেন: সব রাসূল পেয়েছেন (পাইলি) কৈ, ত্যানা প্যাচান (প্যাচাস) কেন?

আশা করি আমার উপরের মন্তব্য পড়লেই বুঝতে পারবেন এখানে সব রাসূল হবে নাকি অনেক রাসূল হবে । সব রাসূল না হয়ে অন্য কিছু বুঝায় তাহলে সেদিন রাসূল সাঃ কে দাফন করা সম্ভব হতো না । সবাই বসে থাকতে রাসূল সাঃ অন্যান্যদের মত আল্লাহর কাছে গেছে আবার ফেরত আসবে। তাহলে চিন্তা করেন ইসলামের কি অবস্থা হতো আজ।

২০| ০৪ ঠা মে, ২০১৪ দুপুর ১২:০৯

মুদ্‌দাকির বলেছেন: নিজের মন গড়া কথা বলে, বিশ্বাস করে, অনুসরন করে আপনারা জাহান্নামকে কিনে নিচ্ছেন !! সতর্ক হন , তওবা করার জন্য শুধু সঠিক মন ভাবটাই জরুরী!!!!!!!

وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ ﴿﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ

০৪ ঠা মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৯

শান্তি বাহিনী বলেছেন: এখানে নিজের মন গড়া কথা কি বললাম? আর আমরা জান্নাতে যাওয়ার জন্য ইমাম মাহদী গ্রহন করেছি, জাহান্নামের জন্য নয় ।
আমি আপনাকে আগেই বলেছি ইমাম মাহদী আঃ মুসলমানদের মধ্যে বিদ্যমান ভূল ভ্রান্তি দূর করার জন্য আসবেন, (আঙ্গুল চোষার জন্য আসবেন না), কুরান হাদীসের যুক্তিহীন অপব্যখ্যা করে দলে দলে বিভক্ত মুসলমানদের এক খেলাফতের অধীনে আনবেন তার শক্তশালী সত্য লেখনীর মাধ্যমে। মুসলমানরা আজ শত শত দলে বিভক্ত । আপনি কি মনে করেন এরা সবাই সঠিক ? অথচ আমরা এক কোরানের অনুসারী যেটা মানবরচিত কোন কিতাব না যে এক এক জায়গায় এক এক ধরণের লেখা থাকবে । আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে তাই

২১| ০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ১১:২৬

মুদ্‌দাকির বলেছেন:

আপনারা নিতান্তই মিথ্যাবাদী!! এবং আমি ভাবতাম আপনারা ভ্রান্ত বা ভ্রান্তিতে আছেন, বুঝালেই বুঝবেন, কিন্তু আপনারা মিথ্যাবাদী!!!

আপনাদের ঐ ব্যাটা হারামজাদা না ছিল মসিহ ( যা তাঁর ডাইরিয়ায় হাগু খাইতে খাইতে মৃত্যুই প্রমান ) আর না ছিল ইমাম মাহাদী আঃ যা তার মুরগীর মত অনুসারীরাই প্রমান !!!

বেশী কিছু লাগেনা!!

আর এই হারামজাদা ও হারামজাদার অনুসারীরা যে কত বড় মিথ্যাবাদী তা আপনার মত বা ব্লগার দার্শনিকের মত দুই একটা মিথ্যাবাদী হারামজাদা দেখলেই বুঝা যায়!!! চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার পরও যারা অস্বীকার করে যা তারা মিথ্যা বলছে না !!!!

আর আপনারা হারামজাদাই, এখন থেকে আপনাদের এই নামেই ডাকব! "কাদীয়ানি মিথ্যাবাদী হারামজাদা" কুরয়ানেও আপনাদের মত মানুষদের জন্ম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে !!!!

আর কত কাল নিজেদের পরিচয় গোপন করে থাকবেন!! সকল কে চেনার ও চেনানোর ব্যাবস্থা হবে ইনশাল্লাহ!!!

০৫ ই মে, ২০১৪ ভোর ৪:৩২

শান্তি বাহিনী বলেছেন: ইসলাম সম্পর্কে আপনার ধারণাই ভূল, আপনি আমাকে কি বুঝাবেন। কারণ আপনারা যে ইসলাম মানেন তা যুগে যুগে মৌলবীদের পরিবর্তিত ইসলাম, রাসূল সাঃ এর প্রকৃত ইসলাম না। তাই মৌলবীদের এই মিথ্যা ইসলাম প্রমাণ করতে না পেরে গালির আশ্রয় নিয়ে সান্তনা খুঁজেন । দেন গালি, আমার তাতে কি আসে যায় । জানি আপনাদের মৌলবীদের ইসলাম গালি শিখায় । আর আমি রাসূল সাঃ এর প্রকৃত ইসলাম মানি, যে ইসলাম আমাকে শিখিয়েছে গালি দেয়া পাপ, আর যে গালি দেয় তাকে উল্টা গালি না দিয়ে দোয়া করতে বলা হয়েছে । যে ইসলাম আমাকে শিখিয়েছে ইমাম মাহদী আঃ আসলে তার সত্যতা অন্বেষণ কর যদিও বরফের উপর হামাগুড়ি দিতে হয়। আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত, ধৈর্য্য ও সফলতা দান করুন ।

২২| ০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ১১:২৯

মুদ্‌দাকির বলেছেন: আজ থেকে কাদিয়ানী মিথ্যাবাদিরা আমার প্রকাশ্য শত্রু !!!

وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ ﴿﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ

২৩| ০৫ ই মে, ২০১৪ সকাল ১১:৩৭

মুদ্‌দাকির বলেছেন: হারামজাদা দের হারামজাদা বলা গালিদেয়া নয়!! যাদের জন্ম নিয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাদের হারামজাদা বলা কোন গালি নয় !!

আপনাদের মত হারামজাদারা দিবে বরফের উপর হামাগুরী!! :P :P :P =p~ =p~ =p~
যাদের এখনও সাহস হয় নাই নিজেদের পরিচয় ব্যাবহার করার !!?? আজব !!!!!! B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) হায়রে কাপুরুষ হারামজাদা কাদিয়ানীর দল আপনারা বহন করবেন হযরত ইমাম মাহাদী আঃ এর ঝান্ডা !!!!!!! :-B :-B :-B :-B :-B

০৭ ই মে, ২০১৪ রাত ১১:০৪

শান্তি বাহিনী বলেছেন: ১) জানি আপনাদের মৌলবীদের লিখিত হাদীসে গালি দেয়া জায়েজ। কারণ আপনারা রাসূল সাঃ এর ইসলাম মানেন না, মানেন মৌলবীদের ইসলাম যেখানে সত্যের সাথে ঠিকতে না পারলে গালি দেয়া জায়েজ আছে।

২) আপনি গালি দিলেও আমার কিছু যায় আসে না। কারণ কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়........................আসা করি বাকি টুক বুঝতে পারছেন।

৩)আমরা নিজেদের পরিচয় ব্যবহার করি না এটা আপনার ভূল ধারণা। এখন কেউ যদি কানে আঙ্গুল ও চোখে পর্দা দিয়ে রাখে আমাদের তাতে কিছু করার নেই । কারণ হেদায়াতের মালিক আল্লাহ। আমাদের কাজ শুধু প্রচার করা। আপনি মানলে মানেন, না মানলে নাই।
৪)আপনি ইসলামের ও অন্যান্য নবীদের ইতিহাস খুবই কম জানেন। তাই আমাদের দোষ দেয়ার আগে আপনার আরো পড়া্শোনা করা দরকার। আপনি এখন যে যুক্তি দিচ্ছেন সেটা কাফিরদের ও যুক্তি ছিল।

৫) হ্যাঁ আমরা মানুষরুপি কুকুর থেকে নিজেদের দূরে রাখি। কারণ ধর্ম মানুষের জন্য কুকুরের জন্য নয়। এদের কাজই কুকুরের মত ঘেউ ঘেউ করা ।

ব্লগে আপনি আমাকে সর্বচ্চো গালি দিতে পারবেন । এর বেশি কিছু করার আপনার ক্ষমতা নেই। আপনি তাই করেছেন । আরো বলতেছেন এটা ইসলাম সম্মত। বাস্তবে আপনার থেকেও উন্মাদের অভাব নেই। ভালো থাকুন। জানার ও বুঝার চেষ্টা করুন।

২৪| ০৮ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১২:১৩

মুদ্‌দাকির বলেছেন: হায়রে কাপুরুষ হারামজাদা কাদিয়ানীর দল আপনারা বহন করবেন হযরত ইমাম মাহাদী আঃ এর ঝান্ডা !!!!!!!

গালিতো আপনি আমাকে দিয়েন !! আর আপনাদের মত মানুষের জন্ম পরিচয় নিয়ে আল্লাহই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সেই হিসাবে আপনারাতো হারামজাদা, ঠিক আছে হারামজাদা ??

২৫| ০৮ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১২:১৪

মুদ্‌দাকির বলেছেন: وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ ﴿﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ

২৬| ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:১৮

ইহসান আকসার মাহমুদ বলেছেন: https://www.alislam.org/
http://www.ahmadiyyabangla.org/

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.