নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Evergreen

একাকী

মেেঘর েদশ

Happy man

মেেঘর েদশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির গভীর ষরযন্ত্র।

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:৪৬

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে গভীর ষরযন্ত্রে মেতেছে টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতি।

তাদের বক্তব্য হচ্ছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীরা টাংগাইল বার সমিতিতে আইন ব্যাবসা (প্র্যাকটিস) করতে পারবেনা । যেখানে বাংলাদেশ সরকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আইনজীবি হিসাবে অর্ন্তভূক্ত করেছে সেখানে টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির অসুবিধাটা কোথায়?? আর টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর অধীনে পরিচালিত হয় সেখানে তারা কিভাবে একক ভাবে এই হঠকারি সিদ্ধান্ত নিলেন তা আমাদের বোধগোম্য হচ্ছে না এবং তাদের সিদ্ধান্ত আইনের দৃষ্টিতে কতটা সঠিক তা ভেবে দেখা দরকার। তাছাড়া বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের বহু ছাত্র-ছাত্রী জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট হয়ে সুনামের সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং সারা বাংলাদেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যারযের ছাত্র প্রচুর আইনজীবি রয়েছে। এখানে কারন হিসাবে টাংগাইল বার সমিতির বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিার মান মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে কিন্তু এটা দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের বা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের। টাংগাইল বার সমিতিকে এসব দেখার দায়িত্ব দেয়া হয় নাই এবং কিছু কুচক্রি আইনজীবি হিংসা পরায়ন হয়ে এসব ষরযন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। কারন হিসাবে তারা মনে করতে পারে ল” তে অর্নাস, মার্স্টাস করা ছাত্র- ছাত্রী টাংগাইল বার সমিতির মাধ্যমে আইন ব্যাবসা শুরু করলে তাদের আইন ব্যবসায় ভাটা পরতে পারে। আইনজীবিরা হচ্ছে সমাজ গড়ার কারিগর কিন্তু টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির এই সিদ্ধান্ত সর্ম্পুণ ভবে তাদের মূর্খতার পরিচয় দিযেছে। টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক এবং যুগ্ন সম্পাদকের উচিত অতি দ্রুত তাদের এই হটকারী সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করা । তানা হলে আইনজীবি হিসাবে তারাই আইনের মার প্যাচে পড়ে যেতে পারেন।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:৩৬

শফিউল আলম চৌধূরী বলেছেন: ল ডিপার্টমেন্টের এদের খালি ঝামেলা করা লাগে কেন? ধুর!

২| ১৯ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৫০

একজন ঘূণপোকা বলেছেন: বেসরকারি আর সরকারি কথা না, তারা তো বার কাউন্সিলের এক্সাম পাশ করে আসছে, তাইলে তো দাতের মেধা বা মান নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকতে পারে না। আর যদি থাকে তাহলে যারা এটা করছেন তাদেরও মেধা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে।

আসল কথা হচ্ছে তারা হেরে যাবার ভয় পাচ্ছেন।

খালি থাপ্রাইতে মঞ্চায়।

অ.ট আমি কিন্ত ল এর না

১৯ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৪

মেেঘর েদশ বলেছেন: আমিও তাই বলি, তারা আসলে তারা ভয় পাচ্ছেন!!! যদি তাদের আইন ব্যবসায় ভাটা পরতে পারে তাদের ইনকাম কমে যায়!! সে জন্য এই ফালতু নিয়ম চালু করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.