| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
টাংগাইল বার সমিতির সেক্রেটারীর সে¦চ্ছাচারিতায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীরা বিপাকে পরেছে। তার সে¦চ্ছাচারিতায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীরা টাংগাইল কোর্টে শিক্ষানবীস হিসাবে প্র্যাকটিস করতে পারছে না এবং কোর্ট প্রাঙ্গনে যেতে পারছে না।কোর্টে গেলে তাদের বিভিন্ন ভাবে অপমান করা হচ্ছে এমনকি জোর পূর্বক তাদের টাই পর্যন্ত খোলা হচ্ছে। তার এই সে¦চ্ছাচারিতায় সকলে ক্ষুব্ধ।
শুধু মাত্র কার্য নিবার্হী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে সেক্রেটারী তার ক্ষমতা অবৈধ ভাবে প্রয়োগ করে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যেখানে বাংলাদেশ সরকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আইনজীবি হিসাবে অর্ন্তভূক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের প্রতিটা বার সমিতিতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীরা প্র্যাকটিস করছে সেখানে টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির অসুবিধাটা কোথায় ?? অনেক সিনিয়র আইনজীবি এই স্পর্শ কাতর বিষয়টা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাদের বক্তব্য হচ্ছে সকল আইনজীবি মতামত না নিয়ে শুধু মাত্র কার্য নিবার্হী পরিষদের সদস্যদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই স্পর্শ কাতর বিষয়ে এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সিনিয়র আইনজীবি বলেন-“ সেক্রেটারী সাহেবের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি এতো ক্ষোভ কেন তা সঠিক বুঝতে পারছি না তবে নিশ্চই এর মধ্যে তার ব্যক্তি স্বার্থ জড়িত”।
বার কাউন্সিল রুল অনুযায়ী একজন আইনের ছাত্রের বার কাউন্সিল সনদ পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করার জন্য নূন্যতম ০৬ মাস যেকোন বার সমিতির আওতায় শিক্ষানবীস হিসাবে প্র্যাকটিস করতে হয়। টাংগাইল বার সমিতিতে যদি এই সুযোগ না দেয়া হয় তাহলে টাংগাইলের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীরা কোথায় শিক্ষানবীস হিসাবে প্র্যাকটিস করবে?? যা বার কাউন্সিল রুলের সম্পর্ুূন পরিপন্থি। তার এই সে¦চ্ছাচারি আচরনে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদের কর্ম জীবন ধ্বংশের মুখে পড়েছে। টাঙ্গাইল বার সমিতির উচিত এই বির্তকিত সিদ্ধান্তের পরির্বতন করে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র-ছাত্রীদের প্র্যাকটিসের সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।
©somewhere in net ltd.