| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শেহজাদ আমান
একজন সাংবাদিক, একটিভিস্ট ও সৃষ্টিশীল লেখক। আমার লেখা ভালো লাগলে ফেসবুক প্রোফাইলের সাথে যুক্ত হতে পারেন। প্রোফাইল লিংকঃ https://www.facebook.com/shuvo.shokti/
অনেক আগে থেকেই বলে আসছিলাম, সেই লীগের স্বৈ/রাচারী শাসনামলের সময় থেকেইঃ মানুষের সাথে কানেক্ট করার ক্ষমতা বিএনপির এবং এর লোকজনের বেশ কম। সেটা দেশের সাধারণ মানুষের সাথে যেমন কম ছিল, তেমনি ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কম।
২৪-এর আগস্টের পর লীগের পতনের পরের সময়কালে সেটা যেন নতুন করে উপলব্ধি করেছিলাম...বিএনপি তখনও ক্ষমতায় আসেনি। গত বছরের শেষের দিকে মিডিয়ায় বেশ বড় পজিশনে কাজ করা পরিচিত একজন বলছিলেন যে, "আগে বিএনপির লোকেরা নিজেই ফোনটোন দিত, বিভিন্ন হেল্প চাইত। আর এখন ভাবখানা এমন যে আমি ফোনটোন দিলেও তারা যেন ফোন ধরতে চান না, বা অতটা কর্ডিয়াল ভাব দেখান না।"
এমন কথা আরো অনেকেই বলেছিলেন বা এখনো বলেন ।
আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও এর থেকে ব্যতিক্রম কিছু নয়।
ক্ষমতায় আসার পর তাদের এখন জনগণের থেকে দূরে চলে যাওয়ার বা জনবিচ্ছিন্ন হবার মাত্রা কীরকম হতে পারে বা হচ্ছে এখন, তা বলাই বাহূল্য! এতে করে বিএনপির লোকজন হারিয়ে ফেলছে দীর্ঘদিনের শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থক ও তাদের হয়ে লড়াই করা বিপুল সংখ্যক লোকদের। হারিয়ে ফেলছে তাদের কাজে আসার মতো বিপুল সম্ভাবনাময় অনেক মুখ!
বিএনপির ভাইব্রাদার, বন্ধুবান্ধব, পরিচিত যারা আছেন, তারা আশা করি আমার পোস্টকে স্রেফ সমালোচনা হিসেবে না দেখে এর বাস্তবতাটুকুও উপলব্ধি করবেন। দীর্ঘ সময় রাজনীতিতে সফল হতে হলে কিন্তু কানেক্টেডনেসের ক্ষমতা রাখা এবং মানুষকে মনে রাখাটা অপরিহার্য।
কেননা, এই কানেক্টেডনেসের ক্ষমতা যদি বিএনপির পর্যাপ্ত থাকত, তবে, লীগ সরকার পরপর তিনটা ভূয়া নির্বাচন করতে পারত না এবং অনেক আগেই তাদের পতন ঘটত। জুলাইয়ের ছাত্র অভ্যূত্থানের উপর ভর করে বিএনপিকে ক্ষমতা আসতে হতো না...!
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এবারো কানেক্ট করতে পারছে না ? কি নিয়ে এত বিজি যে জনগণ থেকে দূরে সরে যেতে হয়েছে?