| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বর্তমানে পর্ণগ্রাফির ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে কম্পিউটার , মোবাইল ও ইন্টারনেটের কারণে । পথে ঘাটে অবাধে প্রকাশ্যে এডাল্ট সিডি বিক্রয় হচ্ছে । ঘরে ঘরে কম্পিউটার ও মোবাইল তা দেখা সহজ করে দিয়েছে । আর ইন্টারনেট থাকলে তো কথাই নেই । বর্তমান যুব সমাজের নিকট ১৮+ ছবি দেখা একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত ব্যাপার । অনেকে এটার প্রতি চরম আসক্ত হয়ে গেছে । এমনও উদাহরণ আছে, যারা নামাজ রোজা করেও এর নেশা থেকে মুক্ত হতে পারছেনা । অথচ এর পরিণতি যে কত ভয়াবহ, তা মানুষ উপলব্ধি করেনা ।
এটা শয়তানের একটা মারাত্নক ও অব্যার্থ অস্ত্র । শয়তান এই অস্ত্র দ্বারা মানুষের মনে খুব সূক্ষভাবে আস্তে আস্তে স্রষ্টা বিষয়ে সন্দেহ তৈরী করে এবং মানুষের ঈমান ছিনিয়ে নেয় ।তার মনে কুমন্ত্রণা দেয় এসব করার জন্য ও দেখার জন্য । অবোধ মানুষ টেরও পায় না সে তার এই নেশার কারণে দুনিয়া ও আখেরাত সবই হারায় । মানুষ ঈমান হারা হতে তৈরী হয়ে যায় যেনা করার বিনিময়ে । এর ভয়াবহ নেশায় বুদ হয়ে সব কিছূ হারায় । খুব সূক্ষভাবে মনের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয় যে খোদার কাছে মাফ চেয়ে নিলে হবে তারপরে মনে গেথে দেয় খোদা বলে কিছু নেই , মজা লইয়া লও । এভাবেই সে ঈমান হারা হয়ে যায় ।
কুরআন ও হাদীস অনুসারে যেনার পরিণতিঃ
যিনা - ব্যাভিচার একটি মারাত্নক গুনাহ ও সামাজিক ব্যাধি । রাসূলে করিম (সাঃ) বলেছেন, ' আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করার পর নিষিদ্ধ নারীর সাথে সহবাস করার মতো বড় গুনাহ আর নেই ।' (আহমদ)
চিন্তা করে দেখেন , শিরক হলো এমন গুনাহ যা আল্লাহ মাফ করবেন না বলে কুরআনে বলে দিয়েছেন । তারপরের বড় গুনাহ হলো যেনা ।
হাদিসে আরো আছে, 'যে ব্যাক্তি কোন নিষিদ্ধ নারীকে স্পর্শ করবে, কিয়ামতের দিন তার হাত ঘাড়ের সাথে যুক্ত থাকবে । আর কেউ যদি কোন নিষিদ্ধ নারীকে চুমু দেয় কিয়ামতের দিন তার ঠোট কাঁচি দিয়ে কাটা হবে । '
সহবাস ছাড়াও বিভিন্নভাবে যিনা হতে পারে । এক হাদিসে আছে, 'কোনো বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা, অশ্লীল কথা বলা জিহ্বার যিনা, স্পর্শ করা হাতের যিনা, ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেটে যাওয়া পায়ের যিনা, খারাপ কথা শোনা কানের যিনা আর যিনার কল্পণা করা মনের যিনা । (বুখারী)
বর্তমান এই খারাপ সময়ে কয়জনে এরূপ যেনা থেকে মুক্ত থাকতে পারছে ? যেনা করতে না চাইলেও চোখের সামনে দেখে মনের মধ্যে কুচিন্তা এসে যায় ।
আল্লাহতা'য়ালা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেন, 'তোমরা যিনার কাছেও যাবে না । কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ । (সূরা বনী ইসরাঈলঃ ৩২)
মহানবী (সাঃ) বলেছেন, " যে ব্যাক্তি যেনা করে কিংবা মদ পান করে, আল্লাহ তার কাছ থেকে ঈমান ছিনিয়ে নেন, যে ভাবে কোন ব্যাক্তি তার জামা মাথার উপর দিয়ে খুলে ফেলে । (হাকেম)
এ হাদিসের মর্ম কথা হলো, যেনা করার পরিণতি হলো ঈমান হারা হওয়া । এটা এমন একটা জঘন্য পাপ যে, মানুষ যখন তা করে আল্লাহ মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিষ ঈমানকেই নিয়ে নেন ।
যিনা থেকে বাচার উপায় কিঃ
যিনা একটি মারাত্নক ও ভয়াবহ রোগ , যা নেশা হয়ে গেলে তার থেকে মুক্ত পাওয়া খুব কঠিন । কিন্তু এর থেকে মুক্ত না হলে পরিণতিও হয় ভয়াবহ । ব্যাক্তিগত ও সমাজ জীবনে অশান্তি, নৈতিকতার স্খলন, ব্যাভিচার বৃদ্ধি , যৈান জীবন ধ্বংস এবং বৈবাহিক সম্পর্কের অবনতি হয়।
এর থেকে বেচে থাকার জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকতে হবে । সব সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে । বর্তমান কঠিন সময়ে এর থেকে বাচা খুবই কঠিন ।
প্রথমতঃ আল্লাহর কাছে খাস দিলে তওবা করতে হবে এবং কান্নাকটি করে মাফ চাইতে হবে । মনে কঠিন সংকল্প করতে হবে এবং সব সময় এই সংকল্প নতুন করে যাচাই করতে হবে ও আওড়াতে হবে ।
দ্বিতীয়তঃ পাচ ওয়াক্ত নামাজ সহিহ সুন্দর করে জামাতে পড়ার চেষ্টা করতে হবে এবং নামাযের পাবন্দী করতে হবে । নামায নিয়মিত হলে তা মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে ।
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহশা-ই ওয়াল মুনকার ।
'নিশ্চয়ই নামায অশ্লীল ও মন্দ কাজ হতে বিরত রাখে ।' অর্থাৎ নামাযের হক আদায় করে ব্যাক্তিগত ও সমাজ জীবনে নামায প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে
সমাজ থেকে যাবতীয় অশ্লীল ও অন্যায় কাজ দূর করার জন্য চেষ্টা ও সাধনা করতে হবে ।
তৃতীয়তঃ সব সময় আল্লাহ যিকিরে থাকতে হবে । মনে মনে সব সময় আল্লাহকে স্মরণ রাখতে হবে । যখন যে অবস্হায় থাকা হয় না কেন মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ সব কিছু দেখেছেন এবং তিনি হাশরের ময়দানে সবকিছুর হিসাব নিবেন । এবং পাপের জন্য কঠিন শাস্তি দিবেন ।
চতুর্থতঃ সময় সুযোগ করে তাবলীগে সময় দিলে মানুষের মনের অনেক পরিবর্তন হয় এবং দিলের মধ্যে নূর পয়দা হয় । নিয়মিত প্রতিমাসে তাবলীগে সময় দিলে মানুষ খারাপ কাজ ত্যাগ করে ধার্মিক মানুষে পরিণত হয় । সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ মানুষের মধ্যে ঈমান বৃদ্ধি করে । তাই মাঝে মাঝে সকলেরই তিনদিন, দশদিন , চিল্লা ও তিন চিল্লা দেওয়া উচিত ।
পন্চমতঃ সমাজ থেকে অশ্লীলতা ও খারাপ কাজ দূর করার জন্য সচেষ্ট থাকা উচিত । এটা একটা সংক্রামক রোগ । একজনের কাছ থেকে আরেকজনে ছাড়ায় । তাই শুধু একা এর থেকে বেচে থাকা যাবেনা । তা দূরীকরণে সচেষ্ট হতে হবে ।
২|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৬
নিকটে বলেছেন: মোবাইলের মেমোরি কার্ডের আশির্বাদে সবার হাতে হাতে পর্নোগ্রাফি সহজে পোঁছে গেছে। বাজারে এবং গলির মোড়ে কম্পিউটার দোকানে মেমোরি কার্ড দিয়ে ২০ টাকা দিয়ে যদি বলে ভাই কার্ডটা ভরে দেন তাহলে কিছু অডিওগান, ভিডিওগান সাথে কয়েকটা নগ্ন ভিডিও ফ্রি। সস্তা দামের চায়না সেটে স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়ে সবার হাতে হাতে নগ্ন ভিডিও ব্লুটুথের মাধ্যমে সহজে বিনিময়ের পদ্ধতি তো রয়ে গেছে। প্রথমে এসকল দোকানদারের বিরুদ্ধে অভিযানে নামতে হবে। তার পরে অন্য ব্যবস্থা। প্রয়োজনে ছেলেমেয়েদের হাতে মোবাইল দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:২২
েশখসাদী বলেছেন:
......বাবা মাকে সচেতন করতে হবে এবং কঠিনভাবে খেয়াল রাখতে হবে । ধর্মীয়কাজে উৎসাহ দিতে হবে এবং ছেলে মেয়েদেরকে বুঝাতে হবে । মেয়েদেরকে পর্দায় রাখার জন্য উৎসাহ দিতে হবে ।
৩|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৩
মদন বলেছেন: +++++++++
৪|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৭
ঘোড়ারডিম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৫|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০২
সকাল বেলার ঝিঝি পোকা বলেছেন: ভালো হয়েছে।
+++++++
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:৩৮
েশখসাদী বলেছেন:
আরো বিস্তারিত লিখতে চেয়েছিলাম , কিন্তু সময়ের অভাবে পারছিনা । পরে এ বিষয়ে আরো লিখার ইচ্ছা আছে ইনশাল্লাহ ।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
৬|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৭
পরবাসী একজন বলেছেন: তাবলীগে যাওয়ার ব্যাপারটা মানলাম না ..
তাবলীগের মানুষজনকে দেখছি ফাযায়েলে আমল পড়ে, নামায, রোযা, যিকির করে, বয়ান শুনে, তাবলীগের যামাতের জন্য অনেক সেবা করে.....তারপর রিবা(সুদ) যুক্ত লোন নিয়ে বাড়ি কিনে....এবং দুঃখজনক ও হাস্যকর বিষয় হচ্ছে তাবলীগের লোকরা সেই হারাম উপায়ে কেনা বাড়িতে জামাত নিয়ে উঠে এবং বয়ান করেন....
তাবলীগের মূল ভিত্তিটাই ভুল ও বিদাতে ভরা
৭|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৩
আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন: ..
প্রায় অসম্ভব এ থেকে বাঁচা। আখেরি জামানা। ইমাম মাহদী (আঃ) ও ঈসা (আঃ) এর আবির্ভাবের আগ পর্যন্ত এ থেকে নিষ্কৃতির আশা নেই বলেই মনে হচ্ছে। এখন এটি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। ঘরে ঘরে হয়ে গেছে। ষ্টিকার, পোষ্ট কার্ড, মোবাইল, ইন্টারনেট, টি.ভি, ভিডিও ইত্যাদির মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এ এক কঠিন জেহাদ! এর মাধ্যমে পরিবার ভেঙ্গে পড়ে। নড়েবড়ে হয়ে যায়। সংসার এলোমেলো হয়ে যায়। যেখানেই যাবেন, কোন-না-কোন-রূপে তা আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। আল্লাহ রক্ষা করুন।
৮|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৪
চিন্তায় আছি বলেছেন: খুব ভাল একটা বিষয় তুলে ধরেছেন, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
৯|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৬
একান্ত কথা বলেছেন: সময় সুযোগ করে তাবলীগে সময় দিলে মানুষের মনের অনেক পরিবর্তন হয় এবং দিলের মধ্যে নূর পয়দা হয় । নিয়মিত প্রতিমাসে তাবলীগে সময় দিলে মানুষ খারাপ কাজ ত্যাগ করে ধার্মিক মানুষে পরিণত হয় । সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ মানুষের মধ্যে ঈমান বৃদ্ধি করে । তাই মাঝে মাঝে সকলেরই তিনদিন, দশদিন , চিল্লা ও তিন চিল্লা দেওয়া উচিত ।
১০|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৭
ফরিদ আলম বলেছেন: ++++++++
১১|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৪
শিকদার বলেছেন: @পরবাসী একজন, ভাই আগে আমাদের জানতে হবে তাবলিগ মানি কি? আজকাল তাবলিগের কথা বললেই তাবলিগ জামাতের কথা মানুষ মনে করে? নবী (সাঃ) ও তো তাবলিগ করেছেন। আল্লাহর দিকে ডাকাকেই তো তাবলীগ বলে।
সব লাইনেই খারাপ লোক আছে।
১২|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৬
এইতোআমি০০৭ বলেছেন: +++++
১৩|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৭
কান্টি টুটুল বলেছেন: সময় সুযোগ করে তাবলীগে সময় দিলে মানুষের মনের অনেক পরিবর্তন হয় এবং দিলের মধ্যে নূর পয়দা হয় ।
হজ্বে আনুমানিক ২০/২৫ লক্ষ লোক হয়,
আল্লাহ না করুক সামনে হয়ত একটা সময়ে তাবলীগ এস্তেমায় (বিশ্ব এস্তেমা) হজ্বের চাইতে বেশী লোক জমায়েত হবে, এই সময়ে একজন মুসলমান এমনটা ভাবতেই পারেন.......
হজ্বে না যেয়ে আমি বরং তাবলীগ এস্তেমায় (বিশ্ব এস্তেমা) যাই,
হজ্বের চাইতে তাবলীগ এস্তেমায় লোক বেশী হয়,আর তাই ছোয়াবও (পূণ্য) নিশ্চয়ই হজ্বের চাইতে বেশী হবে।
আমাদের এমন কোন কিছুই করা ঠিক হবেনা যা ......
১ কলেমা ২ নামাজ ৩ রোজা ৪ হজ্ব ও ৫ যাকাত এর গুরুত্ব কে কোন ভাবে ছোট করে,
ধন্যবাদ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩২
েশখসাদী বলেছেন:
তাবলীগ সম্পর্কে আপনার ধারণা শুদ্ধ নয় । প্রচলিত তাবলীগ জামাত যারা পরিচালনা করছেন তারা কুরআন ও হাদিস অনুসারেই তা করছেন ।
আপনি সময় দিয়ে ভালো করে জানার চেষ্টা করুন ।
১৪|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৮
অক্টোপাস বলেছেন: 
১৫|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৮
অক্টোপাস বলেছেন:
১৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:২৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একখান কুশ্চেন!
হস্তমৈথুন করা হারাম কারন যে নারীরে মনের মধ্যে রাইখা হাত মারা হইতাছে তার পারমিশন নাই!
অখন কথা হইলো কেউ যদি এই পর্ন একট্রেস দেইখা হাত মারে তাইলে কি হইবো? আর এইটা তো জানেন যারা প্রফেশনাল প্রন একট্রেস তারা তো এইটা বেশি বেশি কইরা চায়!
যাই হোউক, কুশ্চেন আউল ফাউল মনে হইলে মুইছা দিয়েন! আমি একবার একখান পোলারে কইছিলাম মুখ খারাপ না করতে আর হাত না মারতে! সে আমারে এই কথা শুনায়া দিলো! আমি মুস্কিলে পইড়া কইছিলাম, "ভাই, আমি যাই, আমার ট্রেন ছুইটা যায়!"
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:৪৬
েশখসাদী বলেছেন:
ভাইরে, পর্ণ না দেখার কথাই তো বলছি । পর্ণ দেখা বন্ধ করতে হবে , অন্য নারীকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করাও নিষিদ্ধ ।
যা স্বাভাবিকভাবে হয়, তাই করা উচিত ।
১৭|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৪
মোস্তাক হাসান বলেছেন: +++
১৮|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:১০
কাকপাখি ২ বলেছেন: আরেকটা অপশন আছে, বিয়ে করলে যিনা থেকে বাঁচা অনেক সহজ হয়ে যায়।
১৭ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৯
েশখসাদী বলেছেন:
ঠিক বলেছেন । আমার এ লেখাটা খুবই সংক্ষিপ্ত । পরে আরো বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা আছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৫
আমি নবীন বলেছেন: ভালো হইছে।