নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাবনিক (প্রথম খন্ড শেষ পর্ব)

০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:১৪


আগের পর্বের জন্যঃ Click This Link
কিন্তু কিছুই বুঝতে পারলাম না সৌম্য- শুধু খানিক বাদে ওর ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দ পেল!
কথা শেষ হবার আগেই আমি এসে শুয়ে ঘাপটি মেরে শুয়ে রইলাম। বেশ সময় বাদে রেনেতা আমার পাশে গুটিসুটি মেরে শুয়ে পড়ল। একটু অপেক্ষা- এই মাত্র ঘুম ভাঙল এমন ভঙ্গী করে তাকে আলতো করে জড়িয়ে ধরলাম!
অনুভুতিহীন শীতল একটা শরীর! বুকের কাছে কান পেতে ধীরগতির হৃদস্পন্দনে আমি বিস্মিত হলাম। সে জেগে আছে এখনো। কিন্তু তাঁর শরিরকে আমি জাগাতে পারছি না। শীতল ঠোটজোড়া আমার উষ্ণতার আহ্বান উপেক্ষা করে পিছলে সরে গেল।
তবে কি যা ভেবেছি তাই? ও কার সাথে কথা বলছিল? কেন এভাবে ফিঁসফিসিয়ে গভীর রাতে কথা বলল? এমন ফুঁপিয়ে কান্নার তারপর-ই বা কি? অনেকগুলো প্রশ্ন- এর উত্তর খুঁজতে হবে আমাকে।
ইচ্ছে করেই বেশ কিছুক্ষন ওকে শারিরিক অত্যাচার করলাম। কিন্তু তেমন কোন সাড়া না পেয়ে একসময় সব চেষ্টায় ক্ষান্ত দিয়ে পাশ ফিরে শুয়ে পড়লাম!
সকালে ফের সব ঠিক ঠাক। আগের মতই সব কিছু। রেনেতা উচ্ছল উদ্দীপ্ত। আমার প্রতি তাঁর ভালবাসা আন্তরিকতা কোনটারই ঘাটতি নেই। আজ সেই পিচ্চি অকসানাও এসেছিল। সারাক্ষন উরু উরু ভাব ওর-একখানে স্থির বসে থাকে না। মাগনিতোলায়( টেপ রেকর্ডারে) কোন একটা গান বাজলেই ধেই ধেই করে নাচতে শুরু করে। ওর কর্মকান্ড দেখে আমরা হাসতে হাসতে মরি।
এদিনও গভীর রাতে রেনেতা অতি আলগোছে আমার পাশ থেকে উঠে গেল! খানিক বাদে আমিও! ফের ফিস ফিস করে তাঁর টেলিফোনে আলাপন! আমিও অতি সংগোপনে আরেকটু কাছে এগিয়ে গেলাম। সব না বুঝতে পারলেও দু-একটা শব্দ ভেঙ্গে ভেঙ্গে কানে এল;
-আমি কি ক-র-ব? ... তুমিই বল? ...। আমি আর পারছি না- তুমি চলে আস
কথা শেষে ফের ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দ!!
বুঝলাম আমার পাখি উড়ে গেছে। আমার ধারনা মনে হয় সত্যি হতে যাচ্ছে! ভয়ানক মাথা গরম হয়ে গেল।
ফের ও আমার পাশে এসে শুয়ে পড়লে – শরিরে হাত দিয়ে ভীষণ শীতলতা অনুভব করলাম! ভয়ঙ্কর ক্ষোভে- রাগে আমি যেন হিতাহিত জ্ঞান হারালাম। ঠোট কামড়ে রক্তাক্ত করে দিলাম- সারা বুক জুড়ে কালশিটে দাগ। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে সে একবার উঃ শব্দ করল না। এ যেন শবদেহ!
ফের দিনের বেলায় সব ফের ঠিক। অপরাধবোধ যেন আমার অস্তিত্বজুড়ে- আমি চোখ তুলে ওর দিকে তাকাতেই পারছিনা। নিজেকে অসভ্য জন্তু মনে হচ্ছে।
তৃতীয় রাত্রে আমি ডেসপারেট! আজ একটা ফয়সালা করেই ছাড়ব।
কথার মাঝেই ঠিক ওর ঘাড়ের কাছে গিয়ে চুপটি করে দাঁড়ালাম। কথায় মগ্ন ছিল বলে খানিক্ষন সে বুঝতে পারেনি।কিন্তু দুটো বাক্য কানে যেতেই আমি যা বোঝার বুঝে গেছি!
হঠাত পিছনে ঘুরে আমাকে দেখেই ভুত দেখার মত চমকে উঠল সে- হাত থেকে রিসিভার পড়ে গেল। ভয়ানক ঝড়ের গতিতে এক দৌড়ে চলে গেল রান্না ঘরের দিকে।
রিসিভারটা তুলে কানে ঠেকাতেই ওপাশে থেকে ভেসে আসল রনি ভাইয়ের আতঙ্কিত কন্ঠ। আমি যা বোঝার বুঝে গেলাম। আলতো করে রিসিভারখানা ক্যাডেলে রেখে ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে গেলাম রান্নাঘরের দিকে।
রান্নাঘরের ছোট্ট এক চিলতে বারান্দার এক কোনে রেলিং ধরে ফুলে ফুলে কাঁদছে!
আমি ধীর পদক্ষেপে আগিয়ে গিয়ে তাঁর কাঁধে আলতো করে হাত রাখতেই সে ঘুরে আমাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কেঁদে উঠল!
এতখানিক ড্রামার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম! ওদিকে সে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বারবার বলছে, ইয়া নি ভেনাবাদ- ইয়া নি ভেনাবাদ, প্রস্তিইচে মিনিয়া( আমি দোষী নই, আমি দোষী নই, ক্ষমা কর আমাকে)! বেশ কিছুক্ষন আমি চুপচাপ তাকে কাদতে দিলাম- তারপর হাতটা ছাড়িয়ে রান্নাঘরের খাবারের চেয়ারে নিয়ে বসালাম। ঘরে কোন আলো নেই। বারান্দার মৃদু আলোয় আবছা দেখছি দু’জন দু’জনকে।

সে একটু ধাতস্ত হলে ছোট্ট গেলাসে একটু সোক(জুস) ঢেলে এগিয়ে দিয়ে শুধালাম ক্যাম্নে কি হোল?
আমি এখান থেকে চলে যাবার পড়ে রনি ভাই আর সজল প্রায় নিয়মিত আসত। প্রতিদিনই বাবার জন্য মদ,মায়ের জন্য কিছু একটা গিফট, মাংস, মাখন, সালামি, চকোলেট, ফুল কিছু একটা আনত। মাঝে মধ্যেই কোন একটা উৎসবের বাহানা করে তাদেরকে রেস্টুরেন্টে খাওয়াতে নিয়ে যেত। প্রথম প্রথম বাবা মা সহ সবাই , ধীরে ধীরে ওরা শুধু তিন বোন। তারপরে রেনেতাকে একা।
একদিন ওর বাবা মায়ের সাথে কি সলা পরামর্শ করে সে আর সজল বিছানা পত্তর নিয়ে হাজির। তারা বড় হল রুমটাতে থাকতে শুরু করল। ওর মায়ের কড়া নির্দেশে আমাকে বিষয়টা কেউ জানায়নি।
এখানে মুল গেমটা খেলে সজল। আমি মস্কো যাবার পর থেকেই সে রেনেতাকে বোঝাতে শুরু করে, আমি চাল চুলোহীন কপর্দক শুন্য চরিত্রহীন একটা ছেলে। সুযোগের অপেক্ষায় আছি অন্য দেশে ভেগে যাবার। উজ্জ্বল জার্মানীতে চলে যাওয়াতে ওর জন্য সুবিধে হয়েছিল পারফেক্ট উদাহরনের। ভারোনিকা এর জলন্ত প্রমান! সৌম্যও ঠিক এমনটাই করবে।
সজলের ভাষাগত দক্ষতা একদম ছিলনা। কিছু একটা না বোঝাতে পারলে এলিনার সাহায্য নিয়েছে। তাঁর অনুবাদকারী হিসেবে এলিনা বেশ দক্ষতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছে।
ওদিকে রনি যে ক্রুতোই (ধনবান) মানুষ এটাতো সচক্ষে দেখছে সবাই। ওর মায়ের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি একসময় একপ্রকার বাধ্য করেছেন রেনেতাকে রনির সাথে মিশতে।
স্বভাবতই মহিলা চেয়েছেন তাঁর কন্যা ও তাদের পরিবারের আর্থিক নিঃশ্চয়তা।
সজলের সহযোগিতায় ওর অভিভাবককে বোঝানো হয়েছে; রনি ব্যবাসা করে এখানেই থেকে যাবে। এই পরিবারের ভাল-মন্দ ও যে কোন দেখভালের দায়িত্ব সে নিজের কাঁধে তুলে নিবে।
এই আক্রার বাজারে এমন ভাল পাত্র কোথায় মিলবে আর।
রেনেতাকে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার সাথে কি ফিজিক্যাল রিলেশান হয়েছে ওর?
সে কোন উত্তর না দিয়ে চুপ চাপ মাথা ঝুকিয়ে বসে রইল। আমার বোঝার আর কিছু বাকি রইল না।
আমার মাথায় একটা বিষয় ঢুকছে না, এই রুশ ভুমে এত মেয়ে থাকতে সে কেন রেনেতাকে বেছে নিল? মস্কোর এতদিনের ব্যাবসা, পরিচিতি ছেড়ে কেন সে এখানে সেটেল হতে চাইছে? তাঁর মত লোক বিয়ে করে সেটেল হতে চাইলে এর থেকে অনেক সুন্দরী মেয়ে, আর ভাল পরিবার পাবেন। এখানে তাঁর অনেক বদনাম হবে জেনে কেন তিনি এতটা হলেন???
তর্ক, মৌনতা, ভাবাবেগ, স্বগোক্তি আর চোখের জলে কেটে গেল পুরো রাত।
ভোরে আমি বড় রুমটার একটা ডিভানে গিয়ে শুয়ে পড়লাম!

সেদিন দুপুরের ফ্লাইটে রনি ভাই চলে আসলেন ওডেসাতে- গাট্টি বোঁচকা নিয়ে সরাসরি রেনেতাদের বাসায়।
এসে অব্দি আমার দিকে চোখ তুলে তাকাচ্ছেন না। হাই হ্যালো ছাড়া কথা আর বেশীদুর আগায়নি। শুরুটা তিনিই করবেন, কথা হয়তো গুছিয়ে নিচ্ছেন। রেনেতা যথা সম্ভব আমাদের দু’জনের থেকেই দূরে থাকছে।
রেনেতাকে হারিয়ে যতটা আমি কষ্ট পাচ্ছি তাঁর থেকে কষ্ট হচ্ছে রনি ভায়ের এহেন কর্মকান্ডে!
রাশিয়ায় এসে অব্দি তাকে আমি আপন বড় ভায়ের মত জানছি। তিনিও আমাকে যথেষ্ঠ আদর করেন-যে কাজটা তিনি করেছেন সেটা ভয়ানক কিছু নয় কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে ইথিক্স-এর।
আমি নির্ভার ও নিশ্চিত রেনেতা আমার থেকে দূরে সরে গেছে। তবুও রনি ভাইকে শুনিয়ে, চড়া গলায় রেনেতাকে বার বার ডেকে আনছি। বেশ সু পরিকল্পিতভাবে তাকে দেখিয়ে দেখিয়ে রেনেতাকে জড়িয়ে ধরছি- চুমু খাচ্ছি!
তিনি বারবার অন্যদিকে চেয়ে থেকে না দেখার ভান করছেন।
শেষমেষ কথা হল, ডাইনিং টেবিলে বসে- বিকেলের দিকে। রেড ওয়াইনে চুমুক দিতে দিতে শুরু করলেন তিনিই।
তাঁর কর্মকান্ডে বড় লজ্জিত তিনি। কেমন করে কি হয়ে গেল বুঝতেই পারছেন না নাকি তিনি।
রাশিয়ায় কত সুন্দরী মেয়ে, তোমার জন্য এমন দু’চারখানা যোগার করা কোন ব্যাপারই নয়! মোদ্দা বিষয় হচ্ছে; তাকে যেন ক্ষমা করে দেই আর ববি বা তাঁর পরিচিত অন্য কারো সাথে এ বিষয়টা নিয়ে ডিটেল আলোচনায় যেন না যাই।
সে-তো আমারই ভাবি হচ্ছে। ভাবির নামে বদনাম হলে সেটা কারো জন্যই সুখকর নয়।বুকের কষ্ট চেপে রেখে আমি বেশ হাসিমুখে বিষয়টা নিলাম। তাদের অভিনন্দন জানালাম ভবিষ্যত সুখী জীবনের জন্য। তবে সেদিন বিকেলেই আমার ব্যাগ পত্র নিয়ে রেনেতাদের বাসা থেকে বেরিয়ে সুমনের ওখানে গিয়ে উঠলাম। রনি ভাই,রেনেতা, তাতিয়ানা ওর বাবা সহ সবাই কম বেশী বাঁধা দেবার চেষ্টা করেছিল- আজকে রাতটা অন্তত থেকে যেতে আব্দার করেছিল।
কিন্তু গোয়ার্তুমি ভর করেছে আমার মস্তিষ্কে তখন। আমাকে রোখে কার সাধ্যি!
প্রথম খন্ড শেষ
প্রথম পর্বের জন্যঃ Click This Link

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: রনি ভাইকে কেন জানি আমার শুরু করেই পছন্দ হচ্ছিল না।
রনির একমাত্র যোগ্যতা সম্ভবত সে ধনী।

০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:১২

শেরজা তপন বলেছেন: শুধু ধণী নন- কুট চালেও দক্ষ! যা করেন বেশ বুদ্ধিমত্ত্বার সাথে করেন- তবে স্বার্থপর
বরাবরের মত সাথে আছেন দেখে ভাল লাগল। ভাল থাকুন

২| ০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৩:৪৬

অশুভ বলেছেন: আজকের পর্ব গরম গরম পড়তে পারছি, এজন্য ভাল লাগছে।

'টাকা' পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে যে কোন সময়ই খুব বড় একটা ফ্যাক্ট। আমার মনে হয় না রনি ভাই রেনেতাকে বিয়ে করবে। আপনার লেখার সূত্র ধরেই বলি, রনি ভাই চাইলে তো আরও অনেক ভাল জায়গায় আরও সুন্দরী কাউকে বেছে নিতে পারতো। তাহলে রেনেতাকে কেন? তাদের কি আদতেও বিয়ে হয়েছিল? পাঠকের মনে একটা প্রশ্ন রেখে প্রথম খন্ড শেষ করলেন।

রনি ভাই কি এখনো রাশিয়াতে আছেন?

দ্বিতীয় খন্ডের অপেক্ষায়....

০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:০৩

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ । যতদুর জানি উনি রেনেতাকে বিয়ে করেছিলেন- রেনেতা ধর্ম টর্ম পালটে নাকি হিজাব পড়ে ঘুরে বেড়ায়। এবং সম্ভবত এখনো রনি ভাই রাশিয়াতে আছে।( ছোত্ত একটা বানিজ্যিক শহরে- বিদেশিদের মধ্যে সেখানকার সবচেয়ে ক্ষমতাবান লোক তিনি) তবে তার ও রেনেতার কাহিনী আপাতত শেষ- ভবিষ্যতে তাদের এই গল্পে প্রত্যক্ষভাবে তাদের আর কোন সম্পৃক্ততা নেই প্রায় বললেই চলে- তবে প্রভাব আছে।
আমার ও বাবনিকের সাথে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা , ভালবাসা ও আন্তরিক ধন্যবাদ।
আশা করি দ্বীতিয় পর্ব জমবে বেশ- খানিকটা আলকাশের ছায়া খুজে পাবেন :)

৩| ০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:০৭

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: নিশ্চিত ছিলাম কি ঘটছে, তারপরও লেখনীর ভঙ্গিতে একটা ধাক্কা লাগল।
আমাদের কোন কোন মায়েরাও এমনই নিশ্চিত ভরসাপূর্ণ রনি ভাইদের সামনে মেয়েদের এগিয়ে দেন, পরিণতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেগেটিভ।
নিজের গল্প বলতে গিয়ে কষ্ট লাগছে? লাগলে আমি সমব্যথী।
রনি'র চরিত্রও মহা পল্টিবাজ, ধারণা করি অরিজিনাল বাবনিক সে-ই!

০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৩৬

শেরজা তপন বলেছেন: লেখকরা নিজেদের কখনো লম্পট হিসেবে জাহির করেনা- তাদের লাম্পট্যের মধ্যেও শৈল্পিকতা থাকে :)
এটা আমার গল্প নয়। সৌম্য নামক এক এন্টি হিরোকে লেখক নিজের হয়ে উপস্থাপন করছে!
সৌম্য' কষ্ট পেয়েছিল নিশ্চিত - আর সেজন্যই সে প্রতিশোধে মরিয়া হয়েছিল।
না রনি তেমন দুশ্চরিত্রের লোক নন। কিছু সময়ের জন্য বেতাল হয়েছিলেন- তবে তিনি চতুর ও ধুর্ত

ধন্যবাদ আপনাকে এপর্বে সাথে থাকার জন্য। ভবিষ্যতেও আপনাকে পাব সেই প্রত্যাশায়...

৪| ০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:২০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কে জিতলো- রনি, নাকি সৌম্য? আলোচনার দাবি রাখে অবশ্য।

বাংলাদেশী বাবনিকদের বৈশিষ্ট্য যা বুঝলাম তা হলো, এক রমণীকে অনেক (অনেক) পুরুষ ভোগ করলেও তাতে কারো আপত্তি বা অনীহা নেই, পছন্দ হলেই হলো। রনিও রেনেতাকে বিয়ে করে সেই প্রমাণ দিয়েছে। কোন আক্কেলে, অন্য এত সুন্দরী মেয়ে থাকা সত্ত্বেও, রনি রেনেতাকে বিয়ে করলো? এটা শুধু লাম্পট্য, স্বার্থপরতা, অর্থলোভের জন্যই? তার কি কোনো ব্যক্তিত্ব বা আত্মসম্মান বোধ নেই?

সব মিলিয়ে বাবনিক প্রথম খণ্ড বেশ উপভোগ্য হয়েছে, শেষ পর্বটাও দারুণ লেগেছে, এনজয় করেছি।

পরের খণ্ডে কী হয় তা দেখার অপেক্ষায়।

শুভ কামনা শেরজা তপন ভাই।

০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:০০

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে দু'বার বৈদ্যুতিক গোলযোগের মুখে পড়লাম!!
ইউটুব নিয়ে মনে হয় বেশ ব্যাস্ত- সে জন্য ব্লগিং চলছে বেশ ঢিমে তালে নাকি?

হ্যা হ্যা এতে আর তেমন আপত্তি থাকার কি আছে। অতীতে বহুবার সে রমণীকে সম্ভোগ করেছেন বিবিধ পুরুষ। যেখানে ডিমান্ডের থেকে সাপ্লাই বেশী ছিল
বলে এহেন দশা!
রনি বাবনিকের এই কাহিনীর তেমন গুরুত্বপূর্ন কোন চরিত্র নয়।
এরপরে ফের আসছি এলিনাকে নিয়ে পরের খন্ডে। সাথে থাকবেন ভাই- আপনার মন্তব্যে আমি দারুনভাবে অনুপ্রাণিত হই। ভাল থাকুন

৫| ০৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:০৮

আরাফআহনাফ বলেছেন: আহ। এমন বৃস্টির দিনে এমন সরস গল্পের জুড়ি মেলা ভার।

দিলেন তো উস্কে - এখন অপেক্ষা দ্বিতীয় পর্বের শুরুর জন্য।
জলদি করুন, সাথে আছি- শুভ কামনা শেরজা সাহেব।

০৬ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৩

শেরজা তপন বলেছেন: আমিও খাচ্ছি- পিয়াজু আর মুড়ি :)
১৯ সালে একটা লেখা- ২০ শে গোল্লা আর ২১শে ফের একটা!!! ঘটনা কি- শুধু পরেই যাবেন নাকি দু-চার মাসে একটা পোষ্ট
দিবেন?

পরের পর্বের আগে একটু বিরতি নিয়ে ব্লগের ভাবগতি বুঝে অন্য কিছু পোষ্ট দিতে চাচ্ছি।
আপনাদের আগ্রহ উৎসাহ অনুপ্রেওণা থাকলে অবশ্যই বাবনিক নিয়ে ফের আসছি শিঘ্রী।

ভাল থাকুন সুন্দর থাকুন। অনুপ্রেরণা ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

৬| ০৬ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হুম সে সময়ের সামাজিক প্রেক্ষাপটে টাকা মনে হচ্ছিলো বিশাল ফ্যাক্টর।

০৬ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: জ্বী রাশিয়ান তখনকার সামাজিক প্রেক্ষাপটে টাকা একটা বিশাল ব্যাপার ছিল! টাকা কামাইয়ের অন্য কোন উপায়তো জানা ছিল না
তাদের- তাই ডলার পকেটে নিয়ে ঘোরা এইসব বিদেশীরা তাদের কাছে দেবদুতের মত ছিল। আর দেবদুতেরা সেই সুযোগে
তাদের ছিড়ে খুড়ে খেয়েছে।
তবে মন্তব্যে এত কিপ্টেমি কেন- মন খারাপ?

৭| ০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:০০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এই পোষ্টে বড় মন্তব্য করতে গেলে তো ব্লিচিং পাউডার নিয়ে নামতে হবে :P
সে রাতের কান্ডের পর তো সৌম্য' র পক্ষে ও দু কলম লেখা যাচ্ছে না।

০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:০৪

শেরজা তপন বলেছেন: আহা বেচারা সৌম্য! সেতো সব হারালো- একুল ওকুল দু'কুল গেল!!
কি আর করার পক্ষে না হয় বিপক্ষেই লিখুন।
সামনের দিনগুলতে সৌম্যকে-তো খুন করতে মন চাইবে :(

৮| ০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমি পড়েছি, কমেন্ট করতে পারছিলাম না; একটা অস্থির সময়ে কিছু ঘটনা-প্রবাহ, অস্বাভাবিক আচরণ।

০৭ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:০৮

শেরজা তপন বলেছেন: ব্যাস্ততা নাকি শারিরিক অসুস্থতা?

ঠিক বলেছেন- ওরা সভ্য তাই বাইরে থেকে অস্থিরতা বোঝা যায়নি, তবে ভিতরে ভিতরে ভাঙ্গন ধরেছিল।

৯| ০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:১৯

জটিল ভাই বলেছেন:
ভাই, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি। আপনার এই গল্পের নাম আমার মনে-মগজে বিঁধে গেছে। কিন্তু সিরিজ হবার কারণে তথা পরবর্তী আকর্ষনের প্রহর গুণার ধৈর্য্য না থাকায় কোনো পর্বই পড়া হয়নি। ইচ্ছে ছিলো পুরোটা শেষ হলে সময় করে বসে এক চান্সে সবটা পড়ে ফেলবো। এবার দেখা যাক..... :)

০৭ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:১৪

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার বয়স কম আর একটু অস্থির প্রকৃতির তা আপনার পোষ্ট দেখে বোঝা যায়। যেমন আছেন তেমনই ভাল- পাল্টানোর দরকার
নেই।
আগের মত ব্লগিং করতে থাকুন। আপাত অপ্রিয় মানুষগুলো এক সময় অতি প্রিয় মানুষে পরিনত হবে।

আমি আগে সবগুলো পর্ব লিখি-তো! কে জানে অর্ধেক লিখে চম্পট দিলাম আর আপনারও আমার এই লেখাটা আর পড়া হোল না
কোনদিন :(
ভাল থাকুন।

১০| ০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ২:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন টা দেখতে।

০৭ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:১৫

শেরজা তপন বলেছেন: ফের ধন্যবাদ ভ্রাতা। ভাল থাকুন নিরন্তর

১১| ০৭ ই জুন, ২০২১ সকাল ১০:২৬

আরাফআহনাফ বলেছেন: ১৯ সালে একটা লেখা- ২০ শে গোল্লা আর ২১শে ফের একটা!!! ঘটনা কি- শুধু পরেই যাবেন নাকি দু-চার মাসে একটা পোষ্ট
দিবেন?"


ঠিকই ধরেছেন - সময় - সময় - সময় !!!!
জীবন ও সময়ের পিছনে ছুটে চলেছি ...।

০৭ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:২১

শেরজা তপন বলেছেন: সময়ের পেছনে ছুটে ছুটে শুধু সময়ই শেষ হবে- আর কোন লাভ নাই!

লেখালেখি করলে দুই-চারজন মনে রাখবে এই যা

১২| ০৭ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:০৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: বড় ভাই তথা রনি ভাইয়ের স্বার্থপরতা আমাকে বিস্মৃত করেছে; কেমন করে সে এমন করতে পারলো?! :(

০৭ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ দেশপ্রেমিক ভাই বরাবরের মত সাথে থাকবার জন্য।
আপনার মন্তব্য থেকে আমরা সৌম্যের তখনকার মানসিক অবস্থা অনুমান করতে পারি।
তবে নিজের স্বার্থ রক্ষার খাতিরেই সৌম্য কোন ঝামেলায় যায় নাই- সেখানে নির্বিঘ্নে থাকতে হলে এমন প্রভাবশালী বড়ভাইয়ের
হাত মাথার উপরে থাকার দরকার ছিল।
পরের অংশে ফের আপনাকে পাব বলে আশা করছি। ভাল থাকুন

১৩| ০৭ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:১১

মনিরা সুলতানা বলেছেন:
হাতে পেয়েছি কেবল, এখন তাজাতাজা অবস্হায় আবার ভাজাভাজা করতে হবে।

০৭ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:২০

শেরজা তপন বলেছেন: আরেব্বাস!!!!!!!!!!!! কতগুলো কিনেছেন???
বইতো বের হোল একটা-তবে যে? গিফট হবে নাকি??

আমি টাসকি খাইছি :)

১৪| ০৭ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম। এবং ১৩ নং মন্তব্য দেখে ভালো লাগল।

০৭ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:২৮

শেরজা তপন বলেছেন: আমারও ফের আপনাকে দেখে ভাল লাগল- আর ১৩ নম্বর মন্তব্য আহা আর কি বলব!!

১৫| ০৭ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৫৪

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: যা আশংকা করেছিলাম তাই হলো। এভাবে ছোটভাইয়ের জিএফকে ভাগিয়ে পঁচা শামুকে পা কাটার কোনো দরকার ছিলো না। 'অভাবে স্বভাব নষ্ট' রোগে ধরেছে রেনেতা আর তার পরিবারকে। আর্থিক নিরাপত্তা আসলেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। প্রথম খণ্ড বেশ উপভোগ্য ছিলো। পরের খণ্ডে কী হয় দেখা যাক।

০৭ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:০০

শেরজা তপন বলেছেন: পরের খন্ড আরো সুখপাঠ্য হবে বলে আশা রাখছি- তবে বেশ বড় ধাক্কা আছে!!

বরাবর সাথে থেকে মন্তব্য করে দারুনভাবে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমি কৃতজ্ঞ! আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

আপনার আশংকা ঠিক ছিল- জ্ঞানী মানুষ আপনি।
এভাবে সবসময় সাথে থাকুন- ভাল থাকুন, সুন্দর থাকুন।

১৬| ০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:২৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জি জি আমি আবার পছন্দের বই একা পড়ি না, কাছের বন্ধুদের সাথে নিয়ে ই উপভোগ করি। আপনার চাই নাকি গিফট ;) তাহলে ইনবক্সে ঠিকানা দিতে পারেন :P

০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:০২

শেরজা তপন বলেছেন: কবি সাহিত্যিকদের ব্যাপার স্যাপারই আলাদা!!
আমার মুল ব্যাবসা গিফট-টিফট নিয়ে :)
নিজের জিনিস গিফট পাইলে মন্দ হয় না :)

১৭| ০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৩৯

জুন বলেছেন: এবার আস্তে আস্তে গল্পটা বোধগম্য হয়ে উঠছে। এতদিন তো কে আমি, কে সৌম্য, কে রনি ভাইয়া, আর কে ববি ভাইয়া এই নিয়া এক পাজলের মধ্যে ছিলাম। ছুটে ছুটে গিয়ে পৃষ্ঠা উলটে দেখতে হচ্ছিল। এখন মনে হয় গল্পটা একটা লাইনে এসেছে :)
ভআলো লাগছে পড়তে এখন।
+

০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:০৫

শেরজা তপন বলেছেন: গোলমেলে কাহিনী শেষ- এরপরে সব মিলিয়ে তিন-চার জনকে ঘিরেই 'বাবনিকে'র গল্প এগুবে।

মন্তব্য ও লাইক দেবার জন্য অফুরন্ত ধন্যবাদ।
আপনি সঙ্গে থাকলে সাহস ও অনুপ্রেরণা পাই- এভাবে সঙ্গে থাকবেন ভবিষ্যতে সে আশা রাখতেই পারি।

১৮| ১২ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:৫৩

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ভাই।সব পর্ব আজ পড়লাম তবে সময়ের অভাবে সব পর্ব গুলিতে মন্তব্য না করার জন্য দুঃখিত।

আর একটা আাবারো জিনিষ বুঝলাম ,"বড় প্রেম শুধু কাছেই টানেনা ,অনেক সময় দুরেও ঠেলে দেয়" এটা যেমন সত্যি তেমনি ," টাকার কাছে আসল প্রেম বা হৃদয়ের আকুতি বরাবরই হেরে যায়"।

তবে ,বাসাটা ছেড়ে দিয়ে ভাল করেছেন ।এ গোয়ার্তুমি নয় - এ ইজজত কা সওয়াল।

যে যাবার সে যাবেই,তাকে জোড় করে না ধরে রাখা যায় না ধরে রাখার চেষ্টা বুদ্ধিমানের কাজ।যেখানে বিশ্বাস নষ্ঠ হয়ে যায় সেখানে ভালবাসার কোন অনুভূতিই আর কাজ করেনা।

১২ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৬

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি যে সবগুলো পর্ব একসাথে পড়েছেন এবং শেষ পর্বে এসে অন্তত সেটা জানিয়েছেন- এটুকুতেই আমি আমি দারুন উদ্বেলিত ও আনন্দিত। সবগুলো পর্ব একসাথে পড়া সময় ও ধৈর্যের ব্যাপার!

জ্বী সে সময়টাতে রুশীয়দের কাছে টাকা অনেক বড় ফ্যাক্টর ছিল!
:) আমি নই ভ্রাতা তিনি সৌম্য ছিলেন- তার ভুত এসে আমাকে ভর করেছেন।

ঠিক তাই - আপনার মতামতকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। ভাল থাকুন- বাবনিকের সাথে থাকুন।

১৯| ২৪ শে জুন, ২০২১ রাত ৯:৪৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা! সৌম্য

গোয়ার্তুমিটইতো করার কথা!
কি কষ্ট! কি কষ্ট! বুকের ভেতর চিনচিন করা ব্যাথা........

বড় ভাইর অমন বৈঈমানী!

শেষ পর্বের পরের খন্ডের অপেক্ষায়

২৬ শে জুন, ২০২১ সকাল ৮:০৫

শেরজা তপন বলেছেন: সারাদিন আর হয়তো তেমন সময় পাব না। ফের লকডাউন আসছে- কাজগুলো গুছিয়ে ফেলি।
তাই দ্রুত আপনার মন্তব্যের উত্তরগুলো দিচ্ছি;
-দ্দেখ তেরে সংসার কি হালত কিয়া হো গ্যায়া ভগবান
কিতনা বদল গ্যায়া ইনসান ...
এমন বড় ভাইরা এভাবেই পালটে যায়! অথচ সৌম্যের সাথে তার চরম আন্তরিকতা ছিল- এমন কি ববির থেকেও অনেক অনেক বেশী! সৌম্যের মুল কষ্টতা রেনেতাকে হারানো নয়- রণি ভাইয়ের বেঈমানী! সেই কষ্ট সে আর ভুলতে পারেনি এই জীবনে।

আপনার প্রতি আন্তরিক ভালবাসা, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভৃগু ভাই, এত কষ্ট করে এতগুলো পর্ব পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
ব্লগে আসি আপনার মত গুটিকত মানুষের সান্নিধ্য পাবার আশায়। আশা করি সবসময় সাথে থাকবেন- ভাল থাকুন, শরীরের প্রতি যত্ন নিন।

২০| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১২:১৪

অপু তানভীর বলেছেন: শেরজা তপন ভাই, আমি জীবনে প্রচুর গল্প লিখেছি । তার বেশির ভাগই প্রেমের গল্প । আমার এই প্রেমের গল্পে অনেক কিছু হয়েছে কিন্তু এই যে প্রেমিক প্রেমিকাকে কিংবা প্রেমিকা প্রেমিককে বিট্রে করে অন্য একজনের সাথে প্রেম করছে এই ব্যাপারটা হয়ই নি বললে চলে । আমার কাছে এই ব্যাপারটা এতো তীব্র ভাবে কষ্ট দেয় যে আমি সেটা আমার কল্পনাতেও আনতে পারি না ।
একটা মানুষকে আমি ভালবাসছি, সে আমাকে ভালবাসছে কিন্তু তলে তলে অন্য কারো সাথে প্রেম করছে কিংবা অন্য কেউ আমার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে যাচ্ছে এই পরাজয় আমার সব চেয়ে কঠিন পরাজয় মনে হয় । কী এক তীব্র কষ্ট যে মনের ভেতরে হয় ! আপনার সেই সময়ে মনের ভাবটা আমি একটু অনুভব করার চেষ্টা করছি কেবল । হয়তো ভাল ভাবে কোন বুঝতে পারবো না কিন্তু এই কষ্ট খানিই আমাকে কষ্ট দিচ্ছে । সত্যিই দিচ্ছে । না জানি আপনাকে কী পরিমান কষ্ট দিয়েছিলো ।

আপনার এই সিরিজের প্রথম খন্ড পড়ে কষ্ট পেলাম । বুকে একটা কষ্ট জমা হয়ে রইলো ।

২৯ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৮:২৮

শেরজা তপন বলেছেন: অপু তানভীর ভাই, আপনার আবেগ আমাকে দারুনভাবে স্পর্শ করেছে।
এমন ঘটনা যে আমার সাথে ঘটেনি তা আমি এখুনি বলব না- তবে এটা আমার জীবনের ঘোতনা নয়।
সৌম্যকে খুব কাছ থেকে দেখা এবং তাঁর কষ্টকে বুকে ধারন করি বলে এখানে তাঁর অনুভূতিগুলো আমার হয়ে প্রকাশ করেছি।

আপনি দুর্দান্ত একজন গল্পকার- আপনার লেখা আমার সবসময়ই ভাল লাগে-হয়তো মন্তব্য করা হয়ে ওঠে না।
যদিও সৌম্যের তখনকার সেই অনুভুতি আর কষ্টের কথা আমি সেইভাবে ব্যাক্ত করতে পারিনি- কেননা বয়সের সাথে সাথে আবেগ কমে যাচ্ছে! তবে চেষ্টা করছি- তখনকার আবহ ফুটিয়ে তোলার।

২১| ২৯ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১২:১৬

অপু তানভীর বলেছেন: রেনেতার সাথে কি পরে আর দেখা হয়েছিলো? তার খোজ খবর কি জানতে পেরেছিলেন পরে?
বড় ভাই কি তাকে বিয়ে করেছিলো? বিয়ে করলে সংসার কি সুখের ছিল?

২৯ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৩৯

শেরজা তপন বলেছেন: রনি ভাই রেনেতাকেই বিয়ে করেছিল। রেনেতা নাকি এখন একেবারে বোরকা বন্দি হয়ে গেছে!!!
তারা দুই ছেলেকে নিয়ে এখন কানাডাতে সেটেল। সম্ভবত সুখেই আছে

২২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: সবগুলো পর্ব পড়লাম। সব মিলিয়ে বাবনিক প্রথম খণ্ড বেশ উপভোগ্য হয়েছে। শুভ কামনা।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৮:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: জেনে দারুন আনন্দিত ও প্রীত হলাম। আপনি এত কষ্ট করে সবগুলো পর্ব পড়েছেন সেটাআমার জন্য অনেক বড় পাওনা।
ভবিষ্যতে এভাবে পাশে থাকবেন এই প্রত্যাশা রইল।
ভাল ও সুস্থ্য থাকুন নিরন্তর!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.