নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেটা এক স্বর্গ ছিল- যা চিরতরে হারিয়ে গেছে!

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:২৬

কোন একদিন; আমি সোভিয়েত ইউনিয়নের যুগের কথা বলছি। জীবন যাত্রা ছিল অনেক বেশী সুখী আর সহজ কিন্তু সমৃদ্ধ নয়। তবে বেশীরভাগ লোক তাদের কাজ আর জীবন যাত্রা নিয়ে বেশ সস্তুষ্ট ছিল। অল্প কিছূ মানুষ -হয়তো কোন কোন সমাজে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ।এরা কখনোই কোন অবস্থাতেই সুখী নয়-

মি এদের কথা বলছিনা। আমি বলছি সোভিয়েত সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কথা। যারা সমাজতন্ত্রের বিখ্যাত মতাদর্শ নিয়ে একখানে বন্ধুর মত জড়ো হত। হারিয়ে যাওয়া সেই স্বর্ণযুগের কথা এখন বয়স্করা গল্প করে শোনায় "soft Soviet education" (доброе советское воспитание - in Russian; দোব্রোই সোভিতস্কোই ভোস পিসানিয়ে) উঠতি বয়সী তরুন-তরুণীদের যাদের তখনো জন্ম হয়নি কিংবা জন্ম হলেও নেহায়েৎ শিশু ছিল।
সোভিয়েত ইউনিয়ন নামে একটি বিশাল দেশ টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে গিয়ে কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে সেই নাম -পেরিয়ে গেছে তিরিশ বছরের অধিককাল সময়। তারা পেয়েছে বহু আরাধ্য তথাকতিথ বাক স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি। কিন্তু তাতে করে কতটুকু সুখী ও সমৃদ্ধ করেছে সেই জাতিকে,ওদের অন্তরের মধ্যে একটু ঢুঁ মেরে দেখুন?
বহু প্রাক্তন সোভিয়েত নাগরিকদের জিজ্ঞেস করে দেখুন, তাদের অন্তরে এখনো সোভিয়েত দিনের সেই সুখস্মৃতি বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছেন-------~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নিজাভেন্নি সোভিয়েস্কিঃ Unforgettable Soviet
কিরগিজস্তান থেকে সাশা
সাশা একজন ৬৮ বছর বয়সী রাশিয়ান (২০১০ সালে বিশকেকে দেখা হয়েছিল)। তিনি ১৯৭০ -এর দশকে একটি ধাতব কারখানায় কাজ করার জন্য বিশকেকে এসেছিলেন। তিনি তার স্ত্রীর সাথে কিরগিজ রাজধানীর একটি শহরতলিতে অবস্থিত কারখানার একটি কলোনির বাড়িতে থাকতেন। তাদের একমাত্র সন্তান নাদিয়া রাশিয়ায় হেয়ারড্রেসার হিসেবে কাজ করত। তিনি এখন অবসরপ্রাপ্ত,অতি অল্প কিছু টাকা তিনি পেনশন বাবদ পেয়েছেন। তিনি আমাকে বেশ আবেগী কম্পিত কণ্ঠে সোভিয়েত যুগ সম্পর্কে বলেলন যে, তিনি রাশিয়া এবং কিরগিজস্তান উভয় দেশ সন্মন্ধেই জানেন।
‘ আমি সাইবেরিয়ায় সোভিয়েত সেনাবাহিনীতে চাকরি করে- চেলিয়াবিনস্ক মেটালার্জিক্যাল( মেতালুর্জিকাল) ফ্যাক্টরিতে চাকুরি পাই,আমরাই প্রথম মধ্য এশীয় কর্মী যারা সেখানে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিল। বিশকেকে তখন সেনাবাহিনীতে আমার পরিচিত বন্ধুরাও ছিল। আমি কারখানার একটি দলের প্রধানের দায়ীত্বে ছিলাম।
তুমি জানো সেই ৮ই মে এবং ২৩ফেব্রুয়ারি ক্রেমলিন চত্বরে প্যরেড মার্চের কথা? সবই এখন স্বপ্ন মনে হয়। তুমি সে সময়ের গল্প জানো না; তোমার বাবা -মাকে জিজ্ঞাসা কর,তারা তোমাকে বলবে: হারিয়ে যাওয়া সেই দিনগুলি অনেক সুন্দর ছিল। আসলে না হারালে আমরা কোনদিন জানতামই না কি হারিয়েছি। সবকিছুই ছিল তখন নিজেদের; মাথা গোঁজার ঠাই,নিশ্চিত জীবনযাপনের জন্য ছোট কিংবা বড় একটা চাকুরি,মাসান্তে বেতন- সেটা অঢেল না হলেও মোটামুটি সচ্ছলভাবে বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ঠ ছিল। বিনামূল্যে চিকিৎসা ছিল,সপ্তাহান্তে আমরা সিনেমা,পার্ক ও গ্রীষ্মে পাহাড়ে কিংবা দাচায় যেতাম। জীবনটা খুব বেশী উপভোগ্য না হলেও বেশ ভালো ছিল। আমাদের চাহিদা ছিল কম-সপ্নের গন্ডি বাঁধা ছিল, তবুও সেটুকুতেই আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম।
আর আজ,তুমি শুধু চিন্তা করো কিভাবে আরো টাকা কামাবো। সৌভাগ্যবশত আমাদের পেনশন এবং আশ্রয় আছে। অন্যথায়,আমি জানিনা কিভাবে বেঁচে থাকতাম ... যখন আমি যুবক ছিলাম তখন একবারের জন্যও ভাবিনি যে, আমার শেষ জীবনটা এইভাবে বিশকেকে কাটবে।
আমি ভেবেছিলাম অবশেষে একদিন আমি রাশিয়ায় ফিরে যাব- যদিও সেখানে আমার পরিবারের কেউ নেই তবুও। আমার যৌবনটা কাটিয়েছি সেখানে। আমার স্কুলের বন্ধুদের সাথের ছবি এখনো আমার কাছে আছে-যখন আমি কমসোমল ( কমসোমল- স্কাউটের মত, রাশিয়ান ইয়াং কম্যিউনিষ্ট লীগ) এর পাইওনিয়ার ছিলাম। ক্রেমলিনে আমি সেই প্যরাডে আমি সোভিয়েত পতাকা বহন করেছি ... "
সাশার কথাগুলো অন্য অনেকের মনের কথা-তার বা তার কাছাকাছি বয়সের মধ্য এশিয়ার- রাশিয়ানরা প্রায় একই ধারনা লালন করে। ইউ এস এস আর ভেঙ্গে যাবার পরে নতুন এই রাশিয়া তাদের কাছে ভীষণ অপরিচিত লাগে- নিজেদেরকেও এখানে বহিরাগত মনে হয়।
এটাও মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে স্বাধীনতার পর মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর নতুন ঘোষিত আইন সংখ্যালঘু রাশিয়ানদের প্রস্থান করতে প্ররোচিত করেছিল,যারা সোভিয়েত আমলে বিশেষাধিকার লাভ করেছিল। যদি অনেক তরুণ রাশিয়ান রাশিয়ায় চলে যায়,বয়স্ক ব্যক্তিরা এখনও এই প্রজাতন্ত্রগুলিতে রয়ে গেছে যেখানে তাদের মধ্যে অনেকেই দুই বা তিন প্রজন্ম ধরে বসবাস করেছিলেন।
প্রকৃতপক্ষে,সোভিয়েত শাসনের পতনা যা সবার জন্য ব্যাপক আশ্বস্তকর অনুভূতি প্রদান করেছিল ।
যেখানে জন্ম থেকেই মানুষ তাদের জীবনকে সামাজিক ব্যবস্থার হাতে তুলে দেয়- যার মুলে ছিল কম্যুনিস্ট পার্টির দায়দ্ধতা! তারা পুরো সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগনের কাছে একযোগে পৌছে দিয়েছিল কিন্ডারগার্টেন,স্কুল,স্কাউট (কমসোমল) আর্মি ট্রেইনিং,উচ্চশিক্ষা,উদ্যাম ও কর্মপ্রচেষ্ট, সবার জন্য কাজ,অবকাশ যাপন কেন্দ্র,চিকিৎসা ও বাৎসরিক লম্বা ছুটি। প্রত্যেকেই সেই যুগে তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কেন্দ্রের হাতে ছেড়ে দিয়ে নিজেকে দারুন নিরাপদ মনে করত। এখন সেই নিরাপত্তার দায়িত্ব বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে নেই। বিশাল সেই দেশটা টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে গিয়ে পনেরোর অধিন স্বাধীন দেশের জন্ম দিয়েছে। বেশিরভাগ দেশ এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তারা শুধু পরিচালিত হয়েছে পরিচালকের চেয়ারে কখনো বসেনি। শিক্ষা কর্মসংস্থান চিকিৎসা আর নিরাপত্তা দিতে তারা অনেকাংশেই ব্যর্থ! কাজাখস্তান থেকে সুদুর আলমাজ পর্যন্ত সবাই অপ্রত্যাশিত সেই ভয়ঙ্কর ভাঙ্গনের খেলায় দিশেহারা পর্যদুস্ত!

~তিন পর্বের প্রথম পর্ব সমাপ্ত~

মন্তব্য ৫৯ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৫৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৩৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ওখানকার বুড়োরা এই রকম ভাবে মনে হয়। তরুণরা আগের আমলকে পছন্দ করে না এই আমল?

বিরুদ্ধ মতও নিশ্চয়ই আছে। আপনার উচিত হবে পরবর্তী লেখাতে উভয় মত পরিবেশন করা।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: তাতো অবশ্যই- বিরুদ্ধ মত অবশ্যই আছে। পেরেস্ত্রোইকার পরবর্তী জেনারেশন যারা কম্যুনিজম শাসনামল দেখেইনি তারা দুটোর পার্থক্যই বুঝতে পারবে না। কম্যুনিজমের সময়ই বেশীরভাগ যুব সমাজ ছিল এর বিরোধী- সেজন্যই ভাঙ্গন তরান্বিত হয়েছে। ভাঙ্গনের পরে কম্যুনিজম ও ক্যাপিটালিজমের তুলনা করে অনেকেই মত দিয়েছেন কম্যুনিজম বেস্ট ছিল। তবে যারা ফুলে ফেঁপে গেছে অর্থনৈতিকভাবে তারা সেটা আর ফিরে চায়না।পুজিবাদের জোয়ারে যারা গা ভাসিয়ে দিয়েছে- ভোগবাদীতা যদের কাছে মুখ্য- বাক স্বাধীনতাকে যার অন্যান্য সুযোগের থেকে বড় করে দেখে তাদের কাছে কম্যুনিজম পছন্দ হবার কথা ন্য।সময় হলে সেগুলোও লিখব অবশ্যই।
অনেক ধন্যবাদ আপনাক- ভাল থাকুন

২| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০০

সাসুম বলেছেন: বল্কান আমার বরাবরের পছন্দের যায়গা।

পুরো দুনিয়ার রুপ রস এক সাথে পাওয়া যায় এই অঞ্চলে।

আম্রিকার ফাঁদে পরে ভেংগে গেলেও, লাভ খুব বেশি হয় নি ছোট রাস্ট্র গুলোর। সেন্ট্রাল এশিয়া, ইস্টার্ন ইউরোপ আর ট্রান্সককেশিয়া রাস্ট্র গুলা এখনো মানবেতর রয়ে গেছে।

অন্যদিকে বাল্টিক রাস্ট্র গুলো উঠে গেছে- লিথুনিয়া, লাটভিয়া আর এস্তোনিয়া। ইউরো এদের কে আপন করে নিয়েছে।

অন্য দিকে রাশিয়া গরীব বাকি ১২ টা রাষ্ট্রে এখনো ছড়ি ঘুড়ায়, বলা যায় বড় ভাই হিসেবে। মাঝে ইউক্রেন একটু ঝামেলা করতাছে, যদিও ন্যাটো তে কোন ভাবে একবার ঢুকে গেলে সেই ঝামেলা ও মিটে যাবে।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: ঠিক তাই- অনেক বেশী ওদের সাথে মিশে যাওয়ায় বারবার বল্কান অঞ্চল্গুলোতে ফিরে যেতে মন চায়।

হ্যা তাজাক কাজাক উজবেক মলদোভিয়া বেলারুশ এদের জন্য ভাল হয়নি মোটেই। জর্জিয়াও ভাল আছে- উক্রাইনের অবস্থা
মাঝামাঝি- রাশিয়ার চাপে ওরা মাথা তুলে দাড়াতে পারছে না।
পুতিন অন্য ধাতুতে গড়া মানুষ।
হ্যা ঠিক বলেছেন- সেটা হলে ভাল হয়।
অনেক ধন্যবাদ ভাই- পরের পর্বগুলোতে সাথে থাকবেন ও বর্তমান রাশিয়ানদের সাথে মেশার গল্পগুলো ও তাদের ভাবনাগুলো শেয়ার করবেন, সেই অপেক্ষায় রইলাম।

৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: সোভিয়েত ভাঙার ধাক্কা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটও পরিবর্তন করে দেয়।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: এত বিশাল, প্রভাবশালী বন্ধু রাষ্ট্রের এমন ভাঙ্গন বেশ বড় রকমের প্রভাব ফেলার কথা -
তাই হয়েছে!
ভাল কথা বলেছেন- এটা তেমন করে ভাবিনি।

৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:০৪

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: ব্রেজনেভ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন ভালই ছিল। আম্রিকার দালাল গরবাচেভে গ্লাসনস্তএর মাধ্যমে ইউনিয়নটির পতন ডেকে আনে। শুধু সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নই নয়, এর মাসুল দিচ্ছে গোটা বিশ্ব। এশিয়ায় জঙ্গীবাদের উত্থানের পেছনেও আম্রিকার হাত ছিল। এরা সর্প হইয়া দংশন করে ওঝা হইয়া ঝাড়ে। আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিই এর জ্বলন্ত প্রমাণ। পেরেস্ত্রাইকার মাধ্যমে আম্রিকার সাথে ঘনিষ্ট হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সম্পর্কের উন্নতি ঘটানোর আড়ালে নিজেদের পিঠেই কুঠারাঘাত করে গেছেন।
আম্রিকার নীল চক্রান্তে সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিশ্বের সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার দেশগুলোতে বিষবাস্প ছড়িয়েছে। এই বিষবাস্প থেকে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশও রেহাই পায়নি। নইলে ইতিহাসটা অন্যরকম হতে পারতো।
[বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া ও আম্রিকার ভূমিকা তো আমরা কম-বেশি সবাই জানি।]

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:১৪

শেরজা তপন বলেছেন: ~বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া ও আম্রিকার ভূমিকা তো আমরা কম-বেশি সবাই জানি ~
হ্যা সেই ইতিহাস আমরা সবাই কমবেশী জানি!
রাশিয়ার ভয়ঙ্কর সময়কালটা অতিক্রম করেছে স্তালিনের আমলে। পরবর্তী শাসকেরা ধীরে ধীরে একটা সস্তি ও শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি
করেছিল। কিন্তু কিছু মানুষ কখনোই সন্তুষ্ট হয়নি।
আম্রিকা সহ পশ্চিমা বিশ্ব যে মুলো ঝুলিয়ে ছিল টোপ হিসেবে- সেটা তারা গিলেছিল! গর্ভাচেভ মুলত তাদেরই এজেন্ট! তবে একদিক
দিয়ে খারাপ হয়নি। তাদের আফসোস টাতো গেছে- ভেবেছিল পুঁজিবাদ না জানি কতই মধুর। তবে কেউ কেউ বেশ ভাল আছে

ধন্যবাদ আপনাকে দারুন সুন্দর মন্তব্যের জন্য- পরের পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন।

৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:১৯

সাসুম বলেছেন: রাশিয়ার গর্ভাচেভ এর কারনেই আজকের দুনিয়ার এই অবস্থা। সে ছিল একটা দালাল। আমরা সারা জীবন বই পুস্তকে জেনে এসেছি সে ছিল নায়ক, অথচ সে ছিল ভিলেন দের হাতের পুতুল।

ভাগ্য ভাল মাত্র ১৫ ভাগ করেছে সোভিয়েত কে, আরো বেশি করলেও অবাক হবার কিছু ছিলোনা।

তবে, রাশিয়া, চীন এসব রাস্ট্রের সমস্যা হল- জনগন কে দমিয়ে রাখা হয়। তবে চীন, আবার দমিয়ে রাখে খালি পলিটিক্স এর বেলায়। নাইলে, জনগন এর জন্য তারা পুরা দুনিয়ার সকল সুযোগ সুবিধা করে দিছে।

বল্কান অঞ্চলের জন্য আমার ভালোবাসা সেই ছোটবেলা থেকেই। তুষার ঝড় এর মধ্যে দিয়ে ট্রান্স সাইবেরিয়ান লাইন ধরে ১১ দিন টানা ছুটে চলা আমার জীবনেই অন্যতম ড্রিম ছিল। আর রাশান নারীদের কথা কি বল্ব দাদা! মাখনের মত কোমল, আর শুভ্র তুষারের মত সাদা। তারা প্রেমিকা!

রাশা আমার ছোটবেলার প্রেম।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: ~বল্কান অঞ্চলের জন্য আমার ভালোবাসা সেই ছোটবেলা থেকেই। তুষার ঝড় এর মধ্যে দিয়ে ট্রান্স সাইবেরিয়ান লাইন ধরে ১১ দিন টানা ছুটে চলা আমার জীবনেই অন্যতম ড্রিম ছিল। আর রাশান নারীদের কথা কি বল্ব দাদা! মাখনের মত কোমল, আর শুভ্র তুষারের মত সাদা। তারা প্রেমিকা!~
আহা কি বললেন!!! আমারতো ফের ওখানে ছুটে যেতে মন চাইছে :)
ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথে ভ্রমনের সাধ ছিল - হয়নি আর। আপনার সে সৌভাগ্য হয়েছে জেনে কিঞ্চিৎ হিংসে হয় :)

একথা স্বীকার না করে উপায় নেই যে গর্ভাচেভ পশ্চিমার এজেন্ট ছিল- কিন্তু ভাগ হওয়ার পটভুমি ভিন্ন ছিল। সুযোগ পেলে সে কথা
বলব। বয়স্ক রাশিয়ানরা তাকে ভিলেন ভাবলেও তখনকার যুবসমাজের চোখে তিনি হিরো ছিলেন।

৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৩৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেল । আর বৈশ্বিক স্নায়ু যুদ্ধের অবসান হ লো। পৃথিবীটা ভারসাম্য হারালো। বাইপোলার বিশ্ব ইউনিপোলার হলো। ভাল লেগেছে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই সব দিনের কথা।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: সহমত! তখন মনে হোত এই লাগল এই লাগল যুদ্ধ বলে- পত্রিকায় নিউজ আসত রাশিয়া- আম্রিকার সাথেযুদ্ধ শুরু হোয়া মেন বিশ্ব যুদ্ধ লেগে যাওয়া!
এখন মনে হয় স্নায়ু যুদ্ধের প্রয়োজন ছিল।
ধন্যবাদ সেলিম আনোয়ার ভাই- বরাবরের মত সাথে থাকবার জন্য।

৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে কি "কম্যুনিজম" ছিলো নাকি "সোস্যালিজম" ছিলো? আপনি এই দু'টোর মাঝের পার্থক্য বুঝেন কিনা?

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: না আমি এর মাঝের পার্থক্য বুঝি না। পৃথিবীর অনেক কিছুই বুঝি না- জানি না। প্রতিনিয়ত শিখছি জানছি।
আপনি একটু বুঝিয়ে দিলে কৃতার্থ হতাম!
আমি জানি শুধু এইটুকু- একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ!
-The main difference between these two systems is that socialism focuses especially on the economic aspect , whereas communism is more related to the political system. Both are production systems that focus on centralized planning and the use of public property as a means of production.-

৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



@সাসুম,
আপনি বলেছেন, "আম্রিকার ফাঁদে পরে ভেংগে গেলেও, লাভ খুব বেশি হয় নি ছোট রাস্ট্র গুলোর। "

-সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাংগার পেছনে আমেরিকার কোন ধরণের ফাঁদ ছিলো কিনা?

৯| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:



@সাসুম,
আপনি বলেছেন, " রাশিয়ার গর্ভাচেভ এর কারনেই আজকের দুনিয়ার এই অবস্থা। সে ছিল একটা দালাল। আমরা সারা জীবন বই পুস্তকে জেনে এসেছি সে ছিল নায়ক, অথচ সে ছিল ভিলেন দের হাতের পুতুল। "

-গার্ভাচভ কার দালাল ছিলো, কিসের জন্য সে দালালী করেছে বলে আপনার ধারণা?

১০| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


@সাসুম,

সোভিয়েত ইউনিয়ন কে ভেংগেছে? আপনার পেশ কোন বিষয়ে?

১১| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার বাবনিক পড়ার পর, আমার ধারণা হয়েছে যে, আপনি "সোভিয়েত ইউনিয়ন"কে সঠিকভাবে বুঝার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে!

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩৯

শেরজা তপন বলেছেন: আমিতো আগেই বলেইছি আমি হয়তো ভাল করে বুঝিনিতাহলে আমার কি করতে হবে - আপনার মতে এইসব লেখালেখি বন্ধ করে
দিতে হবে? রাশিয়া্র অভ্যান্তরিন বিষয়াদি নিয়ে আপনি হয়তো আমার থেকে ভাল জানেন- আপনি না হয় এখন থেকে আমাকে
একটু পরাশুনা করান

১২| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, "- আপনার মতে এইসব লেখালেখি বন্ধ করে দিতে হবে? রাশিয়া্র অভ্যান্তরিন বিষয়াদি নিয়ে আপনি হয়তো আমার থেকে ভাল জানেন- আপনি না হয় এখন থেকে আমাকে একটু পরাশুনা করান "

-এসব বিষয় এত বিশাল যে, ইহা নিয়ে কাউকে লেখাপড়া করানো সম্ভব হয়। আপনার লেখা বন্ধ করারও দরকার নেই। যেহেতু বিশ্বের একটি বিশাল বিষয়ে লিখছেন, লেখার মুল "ধারণা" সঠিক রাখা খুবই দরকার।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ৮:২০

শেরজা তপন বলেছেন: দেখুন ভাই, জীবন জীবিকা নিয়ে উদয়স্ত ব্যাস্ত থাকতে হয়। একটু সুযোগ পেলেই লেখালেখি করি- নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আর খানিকটা ইতিহাস নিয়ে ঘাটা ঘাটি করে। করোনায় সবকিছু লকডাউনের কারনে হাতে কিছু সময় ছিল বলে লিখেছি। সামনে দু-চার মাস যে সব লেখা পোষ্ট করব তার প্রায় সব এ সময়ে লিখে রাখা। সবকিছুর এত গভীরে যাওয়া আমার দ্বারা সম্ভব নয়।
ভাল লাগে বলে লিখি, ভালবাসি বলে লিখি, সখ করে লিখি!
'বাবনিক' লেখাটায় ভাল-ভ্রান্তি থাকতে পারে কিন্তু সেই লেখায় অন্য একটা সিরিয়াস বিষয়ে আমি ভবিষ্যতে আলোকপাত করতে চাচ্ছি-সেটাতেই আপাতত ফোকাস করছি। আর দু-পর্ব পরেই রাশিয়ার আলোচনা, প্রেম উপাখ্যান সব শেষ হয়ে যাবে। এরপরে মুল বিষয়টা আসবে। লেখাটা শেষ হলেই তবে ভাল মন্দ কিছু মন্তব্য করবেন।
আমি সব সময় জানতে ও শিখতে চেষ্টা করি। আমার সব লেখাতেই নিজের অনেক ভুল দেখে নিজেরই একসময় লজ্জা লাগে। সামনে আরো জানলে- এসব লেখা এডিট করে ঠিকঠাক করে দিব- যাতে কেউ আর ভুল ম্যাসেজ না পায়।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ও হ্যা এখানে কম্যুনিজম না লিখে সোস্যালিজম বা সমাজতন্ত্র লেখা উচিত ছিল- ভুল হয়ে গেছে।

১৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


টাইপো:

@সাসুম,

সোভিয়েত ইউনিয়ন কে ভেংগেছে? আপনার *পেশা কোন বিষয়ে?

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: আমার আগের পোষ্টেই জনাব সাসুম এর উত্তর দিয়েছিলেন আপনারই এক প্রশ্নের জবাবে; সম্ভবত আপনার চোখে পড়েনি;

~প্রথমে হংকং এর পর চায়নায় সিলিকন ভেলি সেঞ্জেন ( হংকং থেকে ১০ মিনিটের ড্রাইভ) এ সেটেল হই। আজ ২.৫ বছর। এপল এর ব্যাক ওয়ার্ড লিংকেজ এ কাজ করি, আইফোন ডিসপ্লে নিয়ে।~
আপনারাই আমাদের শ্রদ্ধা, ভক্তি, ভালবাসা শেখাবেন। কোন ভুল জেনে থাকলে শুধরে দেবেন- কিন্তু কোন কটুক্তি বা হেয় করলে বড্ড পীড়িত বোধ করি।

১৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:১৫

স্প্যানকড বলেছেন: আমেরিকা বহুত আকাম কুকাম করে এর মধ্যে রাশিয়া ভাংগা একটা ।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৪৪

শেরজা তপন বলেছেন: রাশিয়ানরা অনেক বুদ্ধিমান জাতি- দীর্ঘ সত্তুর বছরের অধিককাল সময় কেউ কোন চেষ্টা করেই ভাঙ্গন ধরাতে পারেনি।
এর পেছনে অনেক কারন আছে। আমেরিকা সহ পশ্চিমা বিশ্ব অনেক চেষ্টা করেছে ভাঙ্গন ধরাতে সেটা ঠিক কিন্তু সেটা মুল কারন
নয়।

১৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



স্প্যানকড বলেছেন: আমেরিকা বহুত আকাম কুকাম করে এর মধ্যে রাশিয়া ভাংগা একটা ।

-আপনি বিরাট রাজনৈতিক এনালিষ্ট।
আমেরিকা নয়, স্বয়ং আল্লাহও সোভিয়েত ভাংগতে পারেনি; আপনি বরং কামসুত্র বাক্য রচনা করতে থাকুন, সোভিয়েত একটু বেশী বড় ব্যাপার!

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: কেউ ভুলভাল ভাবতেই পারে। সবাইতো আপনার মত মার্ক্সীয় দীক্ষায় দীক্ষিত নন। এই বিষয়াদি নিয়ে জানার গন্ডি এত ব্যাপক নয়!
কারো ভুল শুধরে দিলে তিনি আমি সহ সব ব্লগার সবিশেষ উপকৃত হবেন।
আপনার মত একজন সিনিয়র সিটিজেনের কাছে এমন ব্যাবহার কাম্য নয়।

১৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ৮:১২

কামাল১৮ বলেছেন: চিরতরে হারিয়ে গেছে আমার মনে হয় না ,আবার ফিরে আসবে নতুন রূপে।গনতন্ত্রের দেউলিয়াপনা ক্রমেই প্রকট হতে শুরু করছে।বিশ্বের মোট সম্পদের বেশির ভাগ মাত্র কয়েক জনের হাতে।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: দেখা যাক কি হয়- তবে সম্ভবনা কম মনে হচ্ছে।
সোভিয়েতের বলশেভিক পার্টি ক্ষমতায় এসে স্তালিন যেভাবে ভয়ঙ্কর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলেন সমাজতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার জন্য সেটার
ক্ষত কখনো মুছে যায়নি। সমাজতন্ত্রের সেই কালো দিক বার বার পুঁজিবাদীরা তুলে আনবে মানুষের সামনে।

১৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ৯:৪৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ব্লগে পরোক্ষভাবে পোস্টদাতা ছাড়া অন্য ব্লগারের উদ্দেশ্যে মন্তব্য করা বন্ধ করা উচিত। কারণ এটার ভালো ব্যবহারের চেয়ে অপব্যবহার বেশী হচ্ছে।

১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৩৭

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ব্লগারই ব্লগিং বন্ধ করে দিচ্ছেন-বিষয়টা বেশ চিন্তার!!!
আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি- তবে কেউ আমার পোষ্টে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করে বললে কিছু করার থাকেন। আশা করি
উত্তরটা তিনি বা তাহারাই ভাল দিতে পারবেন।

১৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: লেখাটা খুব আবেগপূর্ণ লেগেছে। বিশেষত সাশার আবেগমথিত অভিব্যক্তি যেন হুবুহু আপনি তুলে ধরেছেন। এদিক দিয়ে সত্যিই সেই স্বর্গ সুখের অনুভুতি চিরতরে জন্য হারিয়ে গেল। বিশেষত জীবনের অপরাহ্নে এমন অনুভূতি যে কোন ব্যক্তিকে অনেক বেশি আবেগপ্রবণ করে তোলে।


পাশাপাশি আরেকটি কথা বলার, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে বিশ্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দায়বদ্ধতা অস্বীকার করা যায়না। যদিও তা কেবল দুএকটি বাক্যে বলাও সম্ভব নয়।
বিশ্ব রাজনীতিতে ঠান্ডা যুদ্ধ প্রাক্কালে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ফলানোর প্রতিযোগিতা, আমেরিকা ইউএসএসআর উভয় পক্ষই কে কাকে কুটনৈতিক ও আর্থিক ভাবে কতটা বিপদে ফেলতে পারে তার নিরন্তর চেষ্টা করে গেছে।ফলে সরাসরি যুদ্ধ করলে হয়তো তাৎক্ষণিক ফল পাওয়া যেতো। কিন্তু ঠান্ডা যুদ্ধের নামে দীর্ঘ দিন ধরে চলা অর্থনৈতিক বাঁধা কমবেশি উভয় পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ধনতান্ত্রিক বিশ্বের কান্ডারী হওয়ায় আমেরিকা - বৃটেনে নিজেদের ক্ষত পূরণ করতে সক্ষম হয়। কিন্তু নয়া ইকোনমিক পলিসিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারী শিল্পে বেসরকারি বিনিয়োগ স্বীকার করলেও ন্যাটো বিরোধী গোষ্ঠীর দেশগুলোতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে যা অপ্রোতুল হয়ে পড়ে। বিষয়টি আরও একটি সরল করে বললে, আমেরিকা বৃটেনের নেতৃত্বে ধণতন্ত্রীক বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা রক্ষা করতে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়ে। যে কারণে সোভিয়েতের পতন অবশ্যম্ভাবী ছিল।


১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:০৬

শেরজা তপন বলেছেন: সুপ্রিয় পদাতিক ভাই,
আপনার চমৎকার দীর্ঘ এই মন্তব্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানবেন! সশা কথা আপনার আবেগকে স্পর্শ করতে পেরেছে জেনে ভাল লাগল।
এর পরের দুই পর্বে উজবেক ও তাজিকের আরো দু'জন প্রাক্তন সোভিয়েতের সিনিয়র সিটিজেনের নস্টালজিয়ার গল্প আছে-
পড়বেন আশা করি।
সোভিয়েত ভাঙ্গনের জন্য এগুলো গুরুত্বপূর্ন কিছু কারন বটে -কিন্তু আরো অনেক অর্ন্তদহ, জাতিগত কোন্দল সহ অনেক কারন আছে।

*আমার মনে হয় জনাব @ চাঁদগাজী খুব ভাল জানেন এসব বিষয়ে, তিনি কোন একদিন পুরোপুরি ইতিহাসটা জানাবেন। তার আগের মন্তব্যগুলো দেখে মনে হয় তিনি অনেক কিছুই জানেন যা আমরা কেউ জানিনা।

১৯| ১৩ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৪৩

স্প্যানকড বলেছেন: @ শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি মানে চাঁদগাজী এত যে কেন বিল্লা হইছে আমার উপর বুঝি না? হুদাই! ঠিক আছে মানলাম আপনে বিশাল জ্ঞ্যান ভান্ডার লইয়া বইসা রইছেন। তা জ্ঞ্যনীরা কি নিষ্কাম! যন্ত্র ছাড়া! আপনি আমার কয়টা কবিতা পড়ছেন? আপনি এত রাজনীতি বুঝেন তা দেশে আইসা আমাদের উদ্ধার করুন। দূর থাইকা চিংড়ি মাছের মতন ফাল দেয়া বন্ধ করুন। আমিও জানি রাশিয়া বিশাল ফ্যাক্টর।এখন কমেন্ট যদি একটা পোস্ট হইয়া যায় তাইলে কেমনে কি! আপনার কথা মতন আমেরিকা, ইউরোপের এতে কোন ইইন্ধন নাই?এক্কেবারে সাধু ! ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও ঠান্ডা মগজে থাকুন।

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: কি কইতাম রে ভাই! ভুল ভাল হইলে হইল না হয়- নরম করে বললেই হোত। অযথাই আক্রমন করে বসেন।
আপনাকে ধন্যবাদ যে, প্রতিমন্তব্যটা বেশ ভদ্রভাবে দিয়েছেন বলে।

২০| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:৪৩

অপু তানভীর বলেছেন: সোভিয়েত নিয়ে আপনার এই লেখা গুলো আমার বরাবরই পছন্দ । জলদি তিন পর্ব লিখে ফেলুন ।

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকে পেয়ে ভাল লাগল ভাই। লিখেতো রেখেছি তিন পর্বই অগ্রীম- কিন্তু আপনার মত ক'জনের ভাল লাগবে সেটাই ব্যাপার!
ধন্যবাদ আপনাকে সাথে থাকার জন্য। ভাল থাকুন

২১| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৪৩

রানার ব্লগ বলেছেন: আপনার মাধ্যমে রাশিয়া কে জানতে পারছি।

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: আমার যোগ্যতা ক্ষমতা, সুত্র, কল্পনা আর অভিজ্ঞতায় যতটুকু পারছি বলছু -পুর্বতন সোভিয়েত আর বর্তমান রাশিয়ার কথা
বরাবরের মত সাথে থাকার জন্য সবিশেষ ধন্যবাদ ভাই
ভাল থাকুন।

২২| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৮

জুন বলেছেন: আপনি কল্পনা করুন আমেরিকার ৫০ টি রাজ্য ভেংগে টুকরো টুকরো হলো সে সময় নিউইয়র্ক, ওওয়াশিংটন, ক্যালিফোর্নিয়া আর আরিজোনা আরকানসাসের তুলনা করেন? একই অবস্থা মস্কো সেন্ট পিটার্সবার্গ আর তাজিকিস্তান, কাজাখের। একসাথে থাকলে যে একটা শক্তি থাকে সেটা সেই বুড়োর লাঠি ভাংগার মত দুর্বল হয়ে পরে। তখন তাকে নিয়ে যেমন খুশি খেলা যায়। যেমন গর্বাচভ আর ইয়েলেতসিনকে ব্যবহার করে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এনে হাজির করেছে। আপনি অনেক মানুষের কথা লিখলেও এই দুঃখের কাহিনী শেষ হবে না শেরজা তপন । পোলিশ লিডার লেস ওয়ালেসার আর খবর কোনদিন নিয়েছিল আমেরিকা? তবে আফগানিস্তানে তাদের বাড়ি খাওয়ায় আমি খুশি। যদিও তালেবানের উত্থান ভয়াবহ। তবে চির স্বাধীন আফগানরা লিবিয়া, ইরাকের মত আমেরিকা,ভারতকে ঘাড়ে চেপে বসতে দেয়নি। ভারতীয় ইতিহাসে পড়বেন আফগানিস্তানে বহুবার মোগলরা ছাড়াও বহু শাসক আফগানিস্তান আক্রমণ করেছে কিন্ত পরাজিত কর‍তে পারেনি কেউই। ধান বানতে শিবের গীত গাইলাম আশা করি কিছু মনে করবেন না। তবে সাশার গল্পটা আমি পড়বো মন দিয়ে আর তখন সাশাকে নিয়েই মন্তব্য করবো। রাশিয়ান বই পড়ে রুশ চরিত্রগুলোর উপর আমার এক দুর্বলতা রয়েছে বৈকি।
+
+

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার মন্তব্যে সবসময় অন্যরকম -অন্যকিছুর স্বাদ পাওয়া যায় আপু!

না জানা কিছু ইতিহাস জানা হয়।
মুল সমস্যা হচ্ছিল- একেবারে ভিন্ন ভিন্ন জাতি অন্যরকম ভাষা অন্য বর্ণ, ধর্ম, পরিবেশ প্রকৃতি, আবহ সংস্কৃতি সহ সবকিছুর
এতেবেশী অমিল ছিল যে, সুদীর্ঘকাল ধরে একসুতোয় বেঁধে রাখা বেশ কষ্ট ছিল। সবখানেই মুল ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিল রাশিয়ানরা।
উক্রাইনানদের সে নিয়ে ভীষণ ক্ষোভ ছিল। জর্জিয়ান, আর্মেনিয়ান,লিথুনিয়ানরা নিজেদের বেশী ইউরোপিয়ান ভাবত- মধ্য এশিয়ার লোকদেরকে একটু অবহেলার চোখে দেখত। উজবেক, আজেরী, তাজাকের বোকাসোকা লোকগুলো নিজেদের ধর্মচর্চা না করতে পারায় এবং অবহেলায় কষ্ট পেত ভীষণ। এরকম আরো অনেক অনেক কারন আছে সোভিয়েত ভাঙ্গনের।
হ্যা আমেরিকা ভেঙ্গে গেলে কি ভয়ঙ্কর অবস্থাটা না হবে। তবে নিকট ভবিষ্যতে এমন কিছি হবে বলে মনে হচ্ছে না।
আফগানিস্তানের সাথে খুব নোংড়া একটা গেম খেলেছে আমেরিকা সহ পশ্চিমা বিশ্ব!

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু- বরাবরের মত অনুপ্রেরনা দেবার জন্য- সাথে থাকবার জন্য।
আপনার লেখালেখি খুব কম চোখে পড়ছে ইদানিং। আরেকটু এক্টিভ হউন।

২৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ৯:৫৬

ধানের চাষী বলেছেন: শেরজা তপন ভাই, আপনার ব্লগ একসময় নিয়মিত পড়তাম, কমেন্ট করতাম।
আমি সর্বশেষ কমেন্ট করেছি "ডেভিস ফল-( ভ্রমন কাহিনী)- ৩য় পর্ব" পোস্টে। ১৭ অক্টোবর ২০১৪ সালে। আজ থেকে প্রায় ৭ বছর আগে !
ফেসবুকের এত ব্যবহারে এখন আর ব্লগে একদমই ঢোকা হয় না। অথচ কি চমৎকার চর্চাই না ছিল এক সময়!
খুব ভালো লাগছে যে আপনার মতো পুরনো ব্লগাররা এখনও সামহোয়ারইনব্লগকে জীবিত রেখেছে। ২০০৮ থেকে এই প্লাটফর্মকে ধরে রেখেছি।
অনেক শুভকামনা থাকলো আপনার জন্য।

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:২৬

শেরজা তপন বলেছেন: আহারে ভাই সেই দিনগুলোর কথা ভুলি কেমনে। আমাদের অনেকের মধ্যে সে কি আন্তরিকতা ভালবাসা, সহমর্মীতা- শ্রদ্ধাবোধ ছিল।
ক্যাচালটা একপাশে ছিল। ক্যাচালীয় প্রজাতি সবসময়ই আলাদা!
কত্ত ভাল ভাল লেখা এসেছে ব্লগে। পড়তে পড়তে দিন চলে যেত কেমনে টেরই পেতামনা। আপনিওতো দারুন এক্টিভ ব্লগার ছিলেন।
সব পোষ্টেই আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকতাম। আপনার লেখাও পড়তাম।
নিকটাই ছিল আপনার যেন গ্রাম্য সোঁদা গন্ধে মোড়ানো।
ফিরে আসুন ফের ~ধানের চাষী ভাই~ আসুন ব্লগটাকে ফের প্রানবন্ত করে তুলি।
এতদিন পরে আপনি আমার পুরনো লেখাগুলোর কথা মনে রেখেছেন বলে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
ফেসবুকের রংচঙ্গা দুনিয়া ছেড়ে ফিরে আসুন আমাদের প্রানের ব্লগে।

২৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:২৭

শায়মা বলেছেন: এত সব কঠিন জিনিস জানিনা ভাইয়া তবে আমাদের লাইব্রেরীতে কিছু সোভিয়েত ছোটদের বই ছিলো। রুশ দেশের উপকথা, মালাকাইটের ঝাঁপি, উভচর মানুষ এসব স্মৃতি ভুলতেই পারিনা।

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৩০

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি যা জানেন আমার সেগুলো জানতে আরেকবার জন্ম নিতে হবে- তা অবশ্যই শায়মা আপু হয়ে :)
আমি নিজে রাশিয়া ঘুরে এসেও অত কিছু জানি না যা আপনি, জুন আপু, সুপ্রিয় মনিরা সুলতানা জানেন!!!

দেখলাম @ চাদগাজীর উপর খেপেছেন ভীষণ :) :)

পরের পর্বগুলোতে আইসেন- আরো কিছু কঠিন কথা শোনাব। সাথে অবশ্যই আপনার রুশ গল্পের ঝুড়ি নিয়ে :)

২৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: শেরজা তপন ,




ফেলে আসা দিনগুলো সব সময়ই সুন্দর মনে হয়। দিন যতো এগুতে থাকে জীবনের জটিলতা ততোই বাড়তে থাকে তার সাথে বাড়ে নিরানন্দতা।
প্রগতি প্রকাশন থেকে প্রকাশিত সোভিয়েৎ সাহিত্য পড়ে পড়ে দেশটি সম্পর্কে যে ছবি মনে আঁকা হয়েছিলো, গোর্কি-দস্তয়েভস্কি-চেখভ-টলষ্টয়ের এঁকে যাওয়া সেই সোভিয়েত ইউনিয়নের ছবি এখন ধূসর মনে হয়। নতুন নতুন রং লাগাতে এখন তার আবেদন তেমনটা আর নেই।
যেমনটা আমাদেরও ................

১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৩৬

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি যদি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন আহমেদ জি এস ভাই, তাহলে এসব গল্প আর শোনাব কাদের?
এমন দু'চারটে জং ধরা হালকা ফুলকো গল্প এনে তীর্থের কাকাএর মত বসে থাকি এমন এক ঋদ্ধ ব্লগারের সান্নিধ্য পাবার আশায়।

সে আশাও ফিঁকে হয়ে যাচ্ছে তবে !!! :(
ভয়ঙ্কর বিষাদময় কিছু না ঘটলে অতীত সবসময়ই সুন্দর। দিন দিন জটিলতা বেড়েই যাচ্ছে- সুন্দরের সংজ্ঞা পাল্টাচ্ছে।

বড় ভাল লাগল আপনাকে পেয়ে ভাই। এলেবেলে লেখা হলেও দু কলম মন্তব্য করে যাবেন দয়া করে।
ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন নিরন্তর।

২৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: শেরজা তপন ,





ভুল বুঝেছেন।
আগ্রহ হারাইনি, বলেছি সেই মধুরতম দিনগুলো হারিয়ে গেছে বা তার রং ফিকে হয়ে গেছে। তার মানে এই নয় যে সে রং দেখতে ইচ্ছে করেনা। "ওল্ড ইজ গোল্ড" সেটাই বোঝাতে চেয়েছি । সে সোনার খোঁজে কে না আকুল হয় !
এবারে মনে হয় আপনার সংশয় কেটেছে!

১৫ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ৮:৪৪

শেরজা তপন বলেছেন: যাক জেনে আশ্বস্ত হলাম!
হ্যা হ্যা সংশয় কেটেছে নিশ্চিত :)

ফের এসে আমার সংশয় দূর করার নিমিত্তে দু'কলম লিখে যাবার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
সুস্থ্য থাকুন, ভাল থাকুন।

২৭| ১৫ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:১৫

শায়মা বলেছেন: না ভাইয়া আসলেই রাজনীতি নিয়ে কম কম জানি! মানে জানার চেরেষ্টাই করি না। :P

চাঁদগাজীভাইয়া বেশি বেশি করেছে তাই রেগেছি। ভাইয়া অবশ্য সব সময় বেশি বেশিই করে কিন্তু অযথা পায়ে পা লাগিয়ে গন্ডগোল বাঁধাবার স্বভাবের কারণে বিরক্ত হয়েছি।

ডোন্ট ওয়ান্ট হিজ কমেন্ট ইন মাই পোস্ট তাই বলেছিলাম। আর আসলেই চাইনা... :)

আমরা ব্লগের অধিকাংশ নারী ব্লগারেরা শান্তিপ্রিয়। ভাইয়ার সাথে ঝামেলাবাজী লাগিয়ে কে বিরক্ত হতে চাবে বলো?

কাল দেখলাম জুন আপুও বলছে একই কথা ভাইয়াকে।

যাকগে ভাইয়ার আক্কেল জীবনেও হবেনা।

তবুও ভালো থাকুক ভাইয়া।

আই লাভ হিম ..... শুধু আমার থেকে একশো হাত দূরে থাকুক! :)

১৫ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ৮:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: শেষে এমন না হয় যে তার নিজের পোষ্টেই নিজে শুধু মন্তব্য করতে হচ্ছে :)
নারী ব্লগারদের ব্যাপারে সে-তো বেশ সহনশীল মনোভাব দেখায় তবে আপনার পরে জুন আপুও কেন????

তবে যে যা-ই বলুক ম্যাতা মেরে যাওয়া ব্লগ খানিকটা জমিয়ে রাখে সে। ভাল থাকুন তিনি সুস্থ্য থাকুন এই কামনা করছি
তবে মুল সমস্যা হোল কারো কারো পেছনে এত বেশী লাগেন যে, অনেকে মান সম্মানের ভয়ে ব্লগ বিমুখহচ্ছে- এইটা বেশ আশংকার

ধন্যবাদ আপনাকে ফের আসিবার জন্য
ভাল থাকুন আপু-ওহ পরের পর্বগুলোতে অগ্রীম দাওয়াত দিয়ে রাখলাম :)

২৮| ১৫ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:১০

আকন বিডি বলেছেন: সাইবেরিয়ায় যারা শাস্তি পেয়ে ফেরত এসেছিল এমন কারো সাথে দেখা হয় নাই?

১৫ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:৩৭

শেরজা তপন বলেছেন: সাক্ষাৎকারগুলো আমার নয় - অন্য সোর্স থেকে নেয়া। পর্বগুলোর শেষে রেফারেন্স দিব।

অনেকদিন বাদে আমার ব্লগে আপনাকে পেলাম- দারুন আনন্দিত হলাম ভ্রাতা।

২৯| ১৫ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:২৯

শায়মা বলেছেন: লেখক বলেছেন: শেষে এমন না হয় যে তার নিজের পোষ্টেই নিজে শুধু মন্তব্য করতে হচ্ছে :)

ভাইয়া ইদানিং নিজের পোস্টে নিজেই কমেন্ট করে। অনেকেই ভাইয়াকে এভোয়েড করে এখন। আর তাছাড়া দু একজন একের পর এক কমেন্ট না দিলে ভাইয়ার খবরই থাকতো না আর! হা হা হা একই কাজ কত আর সহ্য করবে মানুষ বলো?


নারী ব্লগারদের ব্যাপারে সে-তো বেশ সহনশীল মনোভাব দেখায় তবে আপনার পরে জুন আপুও কেন????
ভাইয়া তো জেন্টেল। মানে নারীদের সাথে আজেবাজে জীবনেও বলবে না। কিন্তু বিরক্ত করে ছেড়েছে আমাকে। :(

তবে যে যা-ই বলুক ম্যাতা মেরে যাওয়া ব্লগ খানিকটা জমিয়ে রাখে সে। ভাল থাকুন তিনি সুস্থ্য থাকুন এই কামনা করছি
তবে মুল সমস্যা হোল কারো কারো পেছনে এত বেশী লাগেন যে, অনেকে মান সম্মানের ভয়ে ব্লগ বিমুখহচ্ছে- এইটা বেশ আশংকার

না তার কারণে ব্লগ বিমুখ হবে কেনো? যে বিমুখ হবার এমনই হবে। কারো জন্য কেউ আটকায় না।

১৫ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৩৮

শেরজা তপন বলেছেন: না তার কারণে ব্লগ বিমুখ হবে কেনো? যে বিমুখ হবার এমনই হবে। কারো জন্য কেউ আটকায় না।
~মনে হয় তার কারনে ম। হাসান ভাই রাগ করে আসছেন না। বিদ্রোহী ভৃগু ভাই ও বেশ কিছুদিন ব্লগ ছেড়ে দূরে ছিল।
@ জটিল ভাই-কে ইদানিং দেখা যাচ্ছে না। মাঝে করুনাধারা আপুও বেশ রাগ করেছিল।

ভাইয়া তো জেন্টেল। মানে নারীদের সাথে আজেবাজে জীবনেও বলবে না। কিন্তু বিরক্ত করে ছেড়েছে আমাকে।
~ কি নিয়ে এত বিরিক্ত করেছিল ঘটনা জানি নাতো!!!
তবে ওনাকে নিয়ে ব্লগে এত আলোচনা সমালোচনা হয়েছে- আর কাউকে নিয়েই এর আগে হয়নি সম্ভবত!

যাহোক- পরের পর্বে মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম আপু~ সময় নিয়ে কইরেন সমস্যা নাই :)

৩০| ১৬ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩৭

শায়মা বলেছেন: মা হাসান ভাইয়া হলো আমার কলিজা ভাইয়া। আই মিস হিম আ লট। ভাইয়া যদি আবার এই ভাইয়ার কারনে না এসে থাকে তাহলে আমি খুব অবাক হবো। কারণ মা হাসান ভাইয়াকে আমার খুবই বুদ্ধিমান আর মজার মানুষ মনে হয়।
চিলেকোঠার প্রেম লেখার সময় আমি তার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকতাম। বিদ্রোহীভাইয়া করুনাধারা আপুনি এরা তো সব মাথা আর মাথা!!!!!! মানে অতি অতি পড়ালেখা করা বুদ্ধিমান মানুষেরা।

জটিলভাইয়াও মজার ছিলো। কোথায় গেলো ভাইয়াটা???

হায় হায় তাই তো!!!!!!!!!

তবে আমার উপদেশ কেউ কারো পিছে উল্টা পাল্টা বললেই আমি রাগ করে চলে যাবো এটা একদমই ঠিক না। আমিও সাথে সাথে খড়গ নিয়ে আসবো। :)

দেখি কত ধানে কত চাল!!!!!!!

এই ভাইয়াকে দেখে এটাও যদি না শিখি কেমনে হবে??? :P

১৬ ই আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:২১

শেরজা তপন বলেছেন: জ্বী ঠিক বলেছেন ওনারা সবাই সুসাহিত্যিক, বুদ্ধিমান ও ঋদ্ধ ব্লগার।
ব্লগ ছেড়ে তারা চলে গেলে ব্লগের অপুরনীয় ক্ষতি হবে :(
সবাই কটু কথা হজম করতে পারেন না-মান সম্মান হারানোর ভয়ে কেটে পড়েন।

বড়ই দুর্ভাগা আমরা- গুণীজন চিনতে ভুল করি। :(

৩১| ২৭ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:৩৪

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: পুঁজিবাদের পৃথিবীতে বড় হওয়া আমার মতো লোকেরা সোভিয়েত ইউনিয়নের দিনগুলোর মর্ম বুঝবো না কখনোই। তারপরও মানুষের মৌলিক অধিকারের(অন্ন,বাসস্থান,চিকিৎসা) নিশ্চয়তার গল্পগুলো শুনলে ভালো লাগে। অল্প সন্তুষ্টি তো এখন ডুমুরের ফুল।

২৭ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই তমাল- অল্প কথায় সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ঠিক বলেছেন -পুঁজিবাদী ব্যাবস্থার মধ্যে থেকে সমাজতন্ত্রের আবহ বোঝা কষ্ট
সব কিছু রাষ্ট্রীয়করন হলে দম বন্ধ হয়ে আসার কথা :)

ধন্যবাদ -ভাল থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.