নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

~বুদ্ধদেব গুহ~ শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকুন প্রিয় লেখক

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৮:২৬


[ভেবেছিলাম বুদ্ধদেব গুহের মত অসামান্য একজন সাহিত্যিকের প্রয়াণে সামু ব্লগে ভাল কিছু স্মৃতিকথা বা তাকে শ্রদ্ধা সন্মান জানিয়ে কিছু লেখা পাব- গত দু'দিন অপেক্ষা করে তেমন কিছুই পেলাম না। চরম হতাশ হলাম। ব্লগার রাজিব নুরের একটা পোষ্টে ডঃ এম আলী-ভাই সহ আরো কিছু ব্লগারের আক্ষেপে অবশেষে বিভিন্ন সুত্র থেকে সংগ্রহ করে নিজের অল্প স্মৃতিকথা মিলিয়ে একটা লেখা দিচ্ছি। উল্লেখ্যঃ লেখাটার নব্বুইভাগ সংগৃহীত- আমার নিজের কোন কৃতিত্ব নেই।]
বুদ্ধদেব গুহ (জন্ম ২৯ জুন, ১৯৩৬ ― ২৯ আগস্ট, ২০২১) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি মূলত বন, অরণ্য এবং প্রকৃতি বিষয়ক লেখার জন্য পরিচিত। তার স্ত্রী প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়িকা ঋতু গুহ। বহু বিচিত্রতায় ভরপুর এবং অভিজ্ঞতাময় তার জীবন।

ফিরে এসেছিলেন করোনা থেকে কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যে খুব কম লেখকই পেরেছেন তার মত অকপট হতে। প্রেম কে নারী পুরুষের হৃদয়বৃত্তিকে এমন নিবিড় মায়ার আলোকে এমন কোমল আঁচড়ে চিত্রিত করতে পেরেছেন খুব কম লেখকই। তাইতো যুবক বয়সে চিঠি লিখেছি মারিয়ানা'কে ভেবেছি ছুটিকে,রিয়াকে,রোমাঞ্চিত হয়েছি রূষা কে ভেবে।আর বুলবুলি লেখকের একান্ত ভালোবাসার বুলবুলি.. তাকে বাধ্য হয়েছি ভালোবাসতে।অপেক্ষায় ছিলাম হয়তো বোধদয় হবে সাহিত্যের নীতিনির্ধারকদের।ওনার স্বীকৃতি তো অনেক আগেই তিনি পেয়ে গেছেন।বাংলা ভাষার অন্যতম বেস্টসেলার লেখক হিসাবে অনেক আগেই এতগুলো বছর তাকে বুকে তুলে নিয়েছিলো তার পাঠকরা, বাঙালিরা।অথচ একটা বই লিখেই একাডেমি পেয়ে গেলো কত লোক।
যাচিত অযাচিত অনেক উপদেশ থাকতো ওঁর লেখায়।আমরা যারা কম শিক্ষিত তাদের বড় ভালো লাগতো সেসব।উচিৎ কথাটা ভালোলাগার লেখক বলতেন যে।তাই হয়তো অনেক অন্যরকম লাগতো সেসব।শিখতাম উপলব্ধি করতাম কোট করতাম।
ইংল্যান্ড, ইউরোপের প্রায় সমস্ত দেশ, কানাডা, আমেরিকা, হাওয়াই, জাপান, থাইল্যান্ড ও পূর্বআফ্রিকা তার দেখা। পূর্বভারতের বন-জঙ্গল, পশুপাখি ও বনের মানুষের সঙ্গেও তার সুদীর্ঘকালের নিবিড় ও অন্তরংগ পরিচয়
বই পড়া নয় জঙ্গল নিয়ে ওঁর টাটকা ফার্স্ট হ্যান্ড অনুভব,মানুষের অন্যতম মৌলিক বৃত্তি খাওয়া দাওয়া নিয়ে গভীর চুলচেরা পর্যবেক্ষণ ,ফুলের মত প্রজাপতির মত কখনো বাঘিনীর মত নারীকে বিশ্লেষণ.. যারা বুঝেছে তারা বুঝেছেই-যতই প্রাইজ থেকে বঞ্চিত রাখা হোক 'হাজার হোক সময়ের অন্যতম সেরা বেস্টসেলার লেখক ছিলেন ভদ্রলোক।
এ জীবনে সব যাত্রাই শেষ হয়।লেখক শেষ করলেন তারটা। জানিনা পরের প্রজন্মের কি হবে। তারা কি বুদ্ধদেব গুহকে, জঙ্গল কে শিকার কে প্রেম কে জীবনবোধ নিয়ে লেখা সেই সব বিশ্লেষণ কে নিজের গভীরে ধারণ করে নেবে,আমাদের মত?
জানিনা,শুধু জানি এ জীবনে সেরা শিকারী লেখক বাংলা সাহিত্যের সেরা রোমান্টিক লেখক হিসাবে উচ্চারিত হবে শুধু তারই নাম।
অবশেষে চলে গেলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক এবং সঙ্গীত শিল্পী বুদ্ধদেব গুহ ।
মৃত্যু কালে বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর
গতকাল ২৯ শে আগস্ট ২০২১ সাল রবিবার রাত ১১ টা ২৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

ঙ্গল দেখার এবং তা নিয়ে লেখার যে ওনার অন্য রকমের চোখ ছিল (কয়েক জেনারেশনের বাঙালি লেখকদের মধ্যে) এ তো তর্কাতীত। মাধুকরী, কোজাগর, ঋভু, সারেঙ মিঞা, হলুদ বসন্ত, বাজা তোরা, রাজা যায় ভারী প্রিয় সব বই।
এ তো পাতা ঝরার দিন। এনাদের বয়সি জ্ঞানীগুণীরা তো চললেন। বুধো গুহ আমার মনে একটুখানি বিশেষ জায়গা নিয়ে থাকবেন।
'জঙ্গলমহল' তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। তারপর বহু উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি লেখক হিসেবে খুবই অল্প সময়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। তার বিতর্কিত উপন্যাস 'মাধুকরী' দীর্ঘদিন ধরে বেস্টসেলার। ছোটদের জন্য তার প্রথম বই- 'ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলে'। ঋজুদা তার সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় অভিযাত্রিক গোয়েন্দা চরিত্র। আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৭৬ সালে। প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ঋতু গুহ তার স্ত্রী। সুকণ্ঠ বুদ্ধদেব গুহ নিজেও একদা রবীন্দ্রসংগীত গাইতেন। পুরাতনী টপ্পা গানে তিনি অতি পারঙ্গম। টিভি এবং চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে তার একাধিক গল্প উপন্যাস।
প্পা গাওয়া নিয়ে তার এক ভক্ত লিখেছেন; বুদ্ধদেব বাবু'র ঈশ্বরে বিশ্বাস নিয়ে আমার পড়াশোনা নেই। কিন্তু সেদিনের বলার মধ্যে যে দৃঢ়তা ছিল সেটা আমায় ছুঁয়ে গিয়েছিল। পরের দিকে ভালো লাগতে শুরু করেছিল ওনার গাওয়া টপ্পা। বেশ ভালো লেগেছিল। "ভালোবাসিবে বলে ভালোবাসিনে, আমারও স্বভাবও এই আমি তোমা বই কিছু জানি নে".... মুগ্ধ করেছিল। তবে ওঁকে শুনলে মনে হত যেন কোথাও ঋতু গুহ'র মেল ভার্সান শুনছি। উচ্চারণ, স্বরক্ষেপণে এত মিল! আশ্চর্য লাগত। এখনও লাগে।

লেখকের কিছু জনপ্রিয় উপন্যাস।
চাক্ষুষ করেছি বইমেলায়। টকটকে লাল ফর্সা মানুষ একজন। শীতের রোদ গায়ে মেখে বসে আছেন। চারদিকে অনুরাগী পাঠক পাঠিকাবৃন্দের ভিড়। দূর থেকে দেখেছি। স্মিত হেসে কথা বলছেন সবার সঙ্গে। সই করছেন। বিস্ময় লেগেছে, এই মানুষটা এমনভাবে জঙ্গলের গভীরের গল্প লেখেন! এত নরম, এত কোমল একজন মানুষ জঙ্গলে... ভেবে দেখার চেষ্টা করেছি বইমেলায় হাঁটতে হাঁটতে... আবার ভুলে গেছি। বই সত্য অবশেষে, লেখক তো নন।
মনটা অসাড় হয়ে আছে। আজকাল কোনো কিছুতেই ভীষণ আঘাত যেন পাই না। অতিমারিই করে দিয়ে গেছে। আফগানিস্তান খবরের পাতা জুড়ে। কি অসহায় ছবি সব। বারবার মানুষ আশ্রয় খোঁজে। মানুষ অন্ধকারের রাজাকে খোঁজে। বিশ্বাসে, অবিশ্বাসে, যুক্তিতে, ভক্তিতে একটা ব্যাখ্যা খোঁজে সব কিছুর। এক টুকরো কুড়িয়ে বাড়িয়ে যদিও বা পায়, আবার তছনছ হয়ে যায়।
মানুষের গভীরতম অন্ধকার ভবিষ্যতের অন্ধকার। সেই অন্ধকারকে সে কল্পনা করতে চায় অনুকূলভাবে। হয় না। জীবন মানেই তো নিত্যনতুন প্রতিকূলতা। নিজেই নিজের অনুকূল হই কই?
বুদ্ধদেব গুহ একটা অনুষ্ঠানে দুষ্টুমি করে তারাপদ রায়কে বলছেন, তাই.. এইসব দুষ্টুমি ছিল বুঝি আপনার… (না, তোমার বলেছিলেন মনে নেই)। তারাপদ বাবু একটুও অপ্রতিভ না হয়ে বলেন, হ্যাঁ তো, আপনি যেমন ওইসব দুষ্টুমি নিয়েই গল্প লেখেন।
হাসির হুল্লোড় উঠল বৈঠকে। এই হয়। অল্প অল্প সুখ। অল্প অল্প স্বপ্নপূরণ। আর অসীম অধরা, অসীম অজানা, অসীম না বোঝা। কতটুকু জীবন আর! লেখকের কাছে চাহিদা তো এই, সলমন রুশদির ভাষায় কব্জি ডুবিয়ে মানুষের গভীরে ঢুকে কিছু বলতে যাওয়া। গভীরের কথা বলতে যাওয়া। কিন্তু সবাই কি অত গভীরের কথা বলতে চান? অনেকে বাইরের কথাও তো বলেন। মনের উপরে ভেসে থাকা সুখ-দুঃখ, আশা-হতাশা, এ সবের গল্পও কম কি! পাঠক তাও তো চায়! একটু ভুলে থাকা। একটু আরাম। সব সময় মুখের সামনে আয়না ধরা লেখা কি পছন্দ করে মানুষ? না। মানুষ সত্যকে চায় না। মানুষ সুখ চায়। দুঃখের মধ্যেও সুখ চায়। কান্নার সুখ। ব্যর্থ ভালোবাসার কোনো লেখকের কলমে সার্থক হয়ে ওঠার সুখ। কিম্বা সে ব্যর্থতাকে তুচ্ছ না করে তাকেও মনের মুকুরে ভাস্বর করে দেখার সুখ। সেও তো আছে। বুদ্ধদেব বাবু'র অজস্র লেখায় পাঠক নিজেকে খুঁজে পাবে, এ নিশ্চিত। লেখক চলে যান, বই থেকে যায়। বই সত্য, লেখক তো নয়।

শেষ বেলায় বুদ্ধদেব গুহ
আরেকজন লিখেছেন;
মসাময়িক বাংলা সাহিত্যে খুব কম লেখকই পেরেছেন তার মত অকপট হতে।প্রেম কে নারী পুরুষের হৃদয়বৃত্তিকে এমন নিবিড় মায়ার আলোকে এমন কোমল আঁচড়ে চিত্রিত করতে পেরেছেন খুব কম লেখকই।তাইতো যুবক বয়সে চিঠি লিখেছি মারিয়ানা'কে ভেবেছি ছুটিকে,রিয়াকে,রোমাঞ্চিত হয়েছি রূষা কে ভেবে।আর বুলবুলি লেখকের একান্ত ভালোবাসার বুলবুলি.. তাকে বাধ্য হয়েছি ভালোবাসতে।অপেক্ষায় ছিলাম হয়তো বোধদয় হবে সাহিত্যের নীতিনির্ধারকদের।ওনার স্বীকৃতি তো অনেক আগেই তিনি পেয়ে গেছেন।বাংলা ভাষার অন্যতম বেস্টসেলার লেখক হিসাবে অনেক আগেই এতগুলো বছর তাকে বুকে তুলে নিয়েছিলো তার পাঠকরা, বাঙালিরা।অথচ একটা বই লিখেই একাডেমি পেয়ে গেলো কত লোক।এক সময় ছিলো ভুখা নাঙ্গা আর সমাজতন্ত্র আর এখন হল ধর্মের সুড়সুড়ি অথবা সমকামিতার মত কোনো বিকৃত ইস্যু ব্যাস হয়ে গেলো ককটেল।আর এদেশে তো কথাই নাই। বলাৎকারী মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা আর ভঙ্গুর লেজুড়বৃত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা এমন গতিতে সেমি শিক্ষিত সমাজকে অন্ধকারে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে যে আগামী দিন উটের পিঠে চড়ে বসতে হবে কিনা সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে সামনে।

যাচিত অযাচিত অনেক উপদেশ থাকতো ওঁর লেখায়।আমরা যারা কম শিক্ষিত তাদের বড় ভালো লাগতো সেসব।উচিৎ কথাটা ভালোলাগার লেখক বলতেন যে।তাই হয়তো অনেক অন্যরকম লাগতো সেসব।শিখতাম উপলব্ধি করতাম কোট করতাম।
বই পড়া নয় জঙ্গল নিয়ে ওঁর টাটকা ফার্স্ট হ্যান্ড অনুভব,মানুষের অন্যতম মৌলিক বৃত্তি খাওয়া দাওয়া নিয়ে গভীর চুলচেরা পর্যবেক্ষণ ,ফুলের মত প্রজাপতির মত কখনো বাঘিনীর মত নারীকে বিশ্লেষণ.. যারা বুঝেছে তারা বুঝেছেই-যতই প্রাইজ থেকে বঞ্চিত রাখা হোক 'হাজার হোক সময়ের অন্যতম সেরা বেস্টসেলার লেখক ছিলেন ভদ্রলোক।
এ জীবনে সব যাত্রাই শেষ হয়।লেখক শেষ করলেন তারটা।জানিনা পরের প্রজন্মের কি হবে।তারা কি বুদ্ধদেব গুহকে, জঙ্গল কে শিকার কে প্রেম কে জীবনবোধ নিয়ে লেখা সেই সব বিশ্লেষণ কে নিজের গভীরে ধারণ করে নেবে,আমাদের মত?
জানিনা,শুধু জানি এ জীবনে সেরা শিকারী লেখক বাংলা সাহিত্যের সেরা রোমান্টিক লেখক হিসাবে উচ্চারিত হবে শুধু তারই নাম- অতল শ্রদ্ধা এই সাহিত্যিককে। শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকুন প্রিয় লেখক।
কুর্চিকে লেখা অসাধারণ চিঠি -
https://www.youtube.com/watch?v=kpiemAnTwro
-----------------------
সুত্রঃ উইকি, বইয়েরপোকা,আনন্দবাজার সহ বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া

মন্তব্য ৬৮ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৬৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৮:৫৯

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় লেখক বুদ্ধদেব গুহর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫০

শেরজা তপন বলেছেন: তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি- ধন্যবাদ

২| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:০১

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় ব্লগার লেখকের নামটা ঠিক করে দিন প্লিজ । বুদ্ধুদেব গুহ নয় বুদ্ধদেব গুহ হবে।

# এই কমেন্টটি ডিলিট করে দেবেন প্লিজ।

শুভকামনা রইলো।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫২

শেরজা তপন বলেছেন: তাড়াহুড়োর করে পোস্ট দেয়ায় ভুল হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য- তার মত বিখ্যাত একজন সাহিত্যিকের নাম ভুল করা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
আপনার মন্তব্য ডিলিট করছি না।

৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:২৮

কামাল১৮ বলেছেন: বলতে গেলে তার সম্পর্কে কিছুই জানি না।তার কোন লেখা পড়েছি বলে মনে পড়ে না।তবে নামটি শুনেছি এবং এটাও জানা ছিল
প্রখ্যাত সাহিত্যিকে।আপনার লেখা পড়ে অনেক কিচু জানা গেলো।ছোট্ট এই জীবনে কতকিছু পড়ার বাইরে রয়ে গেলো।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: অনেকেই বুদ্ধদেব বসু আর গুহ'কে গুলিয়ে ফেলেন। আমারও এক সময় হোত :)
সবকিছুই আমাদের জানতে হবে এমনতো কোন কথা নেই- তাঁকে না চেনা এমন কোন বড় অন্যায় নয়।
ভাল থাকুন

৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:৫০

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
থ্যাংকস ফর দ্যা পোস্ট।

রবিঠাকুরের পরেই বা সাথে সাথেই যিনি আমার প্রিয় মানুষ এবং লেখক তিনি এই বুদ্ধদেব গুহ।

বুদ্ধদেবের অনন্য সৃষ্টি কূর্চির মত প্রেমিকা এক অতল রহস্য আমার কাছে। তিনি প্রকৃতিপ্রেমী, সঙ্গীত প্রেমী ও অনন্য মুক্তমনের মানুষ আমার কাছে। এবং পৃথিবীর সাহিত্যবোদ্ধা ও জ্ঞানীগুনীদের মাঝে আরও অনেক কিছুই হয়ত যা আমার জানার বাইরে।

ঊনার লেখা একেবারেই যেন নিজস্ব কারো সাথেই মিলেনা আমার এমনই মনে হয়।


খুব আশ্চর্য্য এক ঘটনা ঘটে গেলো সেদিন ২৯শে অগাস্ট রাত সাড়ে ১১ টার দিকেই। সেটা হল আমার এক প্রিয়জনের সাথে আমি এই লেখক তার অনন্য সৃষ্টি মাধুকরী নিয়ে আলাপ করছিলাম ঠিক তখনই।

মাধুকরীর সাথে সাথে হলুদ বসন্ত আর সুখের কাছে আমার জীবনের বিশেষ বিশেষ প্রিয় বইগুলির বইগুলি।

অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আর প্রার্থনা থাকবে আমার উনার জন্য অন্তর থেকে।

ওপারে ভালো থাকুক তিনি। তবে আমি নিশ্চিৎ তার মত আরেকজন জন্মাবে না এই ধরিত্রীতে।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫৯

শেরজা তপন বলেছেন: জ্বী আপু নিশ্চিতভাবে উনার লেখা প্রচলিত ধারার সাহিত্যের বাইরে-
গৎবাঁধা সেজন্য হয়তো প্রচন্ড জনপ্রিয়তার পরেও তিনি তেমন কোন বড় মাপের পুরস্কার পাননি।
আমি মনে করি যারা ন অমিনেশন দেয় সেটা তাদের ব্যার্থতা।
আপনার এমন ভালবাসাপুর্ন আন্তরিক মন্তব্য কবির অমর আত্মার অন্তরে পৌছে যাবে নিশ্চিত।
ভাল থাকুন

৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ওনার ঘুম শান্তির হোক। উনি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ছিলেন।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০০

শেরজা তপন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ- হ্যা তা সত্য। এখানে আমি তার পারিবারিক ও প্রফেশন নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে গিয়েছি- আমি লেখক হিসেবেই ভাবতে চাই

৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৯:৫৩

শায়মা বলেছেন: এই পোস্টটা কিন্তু স্টিকি হওয়া দরকার ছিলো। সাহিত্য সম্পর্কে কত কিছুই যে অজানা রয়ে গেলো আমাদের কাছে। তা একটু হলেও অন্তত নামটা যারা শুনেননি তাদের জন্যও চোখে লাগার জন্যও যদি চোখে পড়ে এবং মানুষ একটু হলেও জানতে পারে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ধর্মী অনন্য জ্ঞানের অধিকারী যার জানার আধার বা ভান্ডার এতই সমৃদ্ধ ছিলো যা আমাদের জানার বাইরে তার সম্পর্কে।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৮

শেরজা তপন বলেছেন: তা ঠিক আপু, উনাকে তেমন করে অনেকে চিনেন অথবা উনার লেখা সন্মন্ধে জানেন না-
তাই উঁনার ব্যাতিক্রমধর্মী লেখার সাথে তাদের পরিচিত নন।

~সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ধর্মী অনন্য জ্ঞানের অধিকারী যার জানার আধার বা ভান্ডার এতই সমৃদ্ধ ছিলো যা আমাদের জানার বাইরে - ঠিক বলেছেন

৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১০:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



উনি কি শিকার করতেন?

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০৪

শেরজা তপন বলেছেন: সম্ভবত উনি শিকার করতেন না- বন জঙ্গল পাহাড় আর বন্য প্রানীর সাথে আত্মিক সম্পর্ক গড়াত চেষ্টা করেছেন।

৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১০:৫০

শায়মা বলেছেন: ৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১০:৩৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:



উনি কি শিকার করতেন?


এই শিকার নিয়েও তার উপলদ্ধি পড়েছি মাধুকরীতেই। এখন ঠিক ঠাক মনে পড়ছে না বা বিশ্লেষন করতে পারবোনা। তবে যতদূর মনে পড়ে পৃত্থু যাকে মাধুকরীর নায়ক বানানো হয়েছে সেটা তার নিজেরই প্রতিচ্ছবি বলে মনে করা হয়। সেই পৃত্থু ছিলো এক দার্শনিক। সেই দর্শনে শিকার নিয়ে ও জঙ্গলের বন্যপ্রানী হত্যা নিয়ে অনেক কিছুই জ্ঞানার্জন করা যায়। যদিও তার চাইতেও আমার কূর্চি আর রুষা নিয়ে তার মনস্তাত্তিক বিশ্লেষন বেশি মনে পড়ে।

৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১০:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



@শায়মা,
আপনি বলেছেন, " সেই পৃত্থু ছিলো এক দার্শনিক। "

-সব জ্ঞানী মানুষ দার্শনিক নন, যাঁরা দর্শন শাস্ত্র জানেন, বুঝেন, সেটা নিয়ে বিশ্ব ও সভ্যতাকে ব্যাখ্যা করতে পারেন, তাঁরাই দার্শনিক।

১০| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:০৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: দর্শনশাস্ত্র পড়লে দার্শনিক হয় আর না পড়লে হওয়া যায় না এইটা আপনার এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমি দর্শনশাস্ত্র পড়ি নাই কিন্তু আমি তো আসলে একজন দার্শনিক। :) কিছু তীব্র মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। বাকি আল্লাহ ভরসা। সাথে থাইকেন।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৬

শেরজা তপন বলেছেন: ~ঘটনা ও তথ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ও নির্ভুল ধারণা থেকে জ্ঞান লাভ করা যায়, কিন্তু দার্শনিক (যিনি দর্শন চর্চা করেন তাকেই দার্শনিক বলা হয়) কেবল তথ্যগত জ্ঞানের উপর নির্ভর করেন না। দর্শনের প্রধান কাম্য বিষয় প্রজ্ঞা।~

টুকলি করে দিলাম- দেখনতো উত্তর হইল কি-না, গাজী সাহেব চাইলে রেফারেন্স দিব?
:)

১১| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:



@সাড়ে চুয়াত্তর,
আপনি বলেছেন, "আমি দর্শনশাস্ত্র পড়ি নাই কিন্তু আমি তো আসলে একজন দার্শনিক। "

-আপনার লেখা পড়ছি ব্লগে, আপনি দার্শনিক নন, আপনার সাথে যাদের মিল আছে, তাদেরকে আফগানিস্তানে তালেবান ডাকা হয়, বাংলাদেশে কি টাইটেল দেয়া হয়, আমার জানা নেই।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০২

শেরজা তপন বলেছেন: এ যে, লাশ উঠোনে রেখে সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে ক্যাচাল শুরু হয়ে গেছে!!!

বড় ভাই মাফ করে দেন।

১২| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:১৭

শায়মা বলেছেন: চাঁদগাজী ভাইয়া সক্রেটিস সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিন।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: জনাব চাঁদগাজী যেনাদের ভক্ত তাঁহাদের ভাষ্যই প্রকাশ করেছেন মাত্র :)
~কার্ল মার্কস এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস দর্শনকে জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে বলেন যে, দর্শন হবে জীবন এবং জগৎকে বৈজ্ঞানিক এবং সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। দর্শন হবে বৃহত্তম সংখ্যক মানুষের স্বার্থে জগৎ এবং সমাজকে পরিবর্তিত করার ভাবগত হাতিয়ার। দর্শন অবাস্তব কল্পনা নয়। দর্শন জগৎ ও জীবনের মৌলিক বিধানের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। আর এই ব্যাখ্যারই অপরনাম হচ্ছে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের তত্ত্ব।~
উনারা যাহা বলিয়াছেন তাহাই সত্য- সক্রেটিস/ প্লেটো-ফ্লেটো আবার কে :)

১৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

শায়মা বলেছেন: আমার আজকে টাইমের একটু শর্টেজ আছে। তবে ফিরে আসছি খুব তাড়াতাড়ি। আমার কিছু জানার আছে চাঁদগাজী ভাইয়া থেকে।
দর্শন নিয়ে আগেও তাকে নানা রকম উল্টা পালটা পরীক্ষা নিরিক্ষা গবেষনা ছাড়াই যা মনে আসে তাই বলে হেন তেন একটা কমেন্ট করে বসতে দেখেছি।

আমি আজ সত্যিই জানতে চাই তার কাছে দর্শন বলতে ভাইয়া আসলেই কি বুঝাতে চায় প্রায়ই।

আর বুদ্ধদেব গুহের মাধুকরীর পৃত্থুকে কেনো আমার খুব ভালো একজন দার্শনিক মনে হয়েছে সেটারও ব্যাখা আমি দেবো।

:)

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১০

শেরজা তপন বলেছেন: বাঃ বেশ জমবে আপু- আমার তো তর সইছে না :)
তাড়াতাড়ি আসেন। আপনাদের তথ্য যুদ্ধের জন্য আলাদা একটা উইং খুলব নাকি সামুতে :)

তবে মাধুকরীর পৃত্থু হলে এখানেই থাক

১৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:১৮

রানার ব্লগ বলেছেন: বুদ্ধদেব গুহ বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল প্রদপ ছিলেন , নিভে গেলো। কিছুকিছু লেখক থাকেন যাদের লেখা পরলে মন অটমেটিক ভালো হয়ে যায়। তেমনই একজন ছিলেন তিনি। দিনে দিনে ভালো লেখকরা হাড়িয়ে যাচ্ছে। স্বর্গে যদি ছাপা মেশিন থাকে আমি পারসোনাল রিকয়েস্টকরবে এনারা সবাই যেন ওখানে লেখেন, দোজখে গিয়েও যেন ওনাদের লেখার কপি পাই। অন্তত ধোলাইয়ের ব্যাথা ভুলতে পারবো।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৪

শেরজা তপন বলেছেন: এইটা একটা কথা বললেন; স্বর্গের ছাপাখানার কাগজতো নরকে এসে জ্বলে পুরে খাক হয়ে যাবে। তাই আগেভাগে সব ডিজিটাল
পান্ডুলিপি ছোট্ট কোন ড্রাইভে করে নিয়ে যান-চামে চিকনে একখানা কম্পুটার(হেল ফায়ার প্রুফ) যোগাড় করতে পারলেই কেল্লা
ফতে!
মজার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:০০

জুন বলেছেন: বুদ্ধদেব গুহ একজন অসাধারণ লেখকই নন, তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বলতম নক্ষত্র শেরজা তপন।তার মৃত্যুতে মহাশুন্যের কৃষ্ণ গহব্বরে সেই নক্ষত্রটি যেন চিরতরে হারিয়ে গেল। যেমনটি সৌমিত্র চট্টপাধ্যায়।
+

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: জুনাপু আপনাকেই খুঁজতেছিলাম। ইনি যে আপনার প্রিয় লেখক হবে সেটা আমি নিশ্চিত ছিলাম
আপনি ছেলেমানুষ উনার মতই বনে -বাদাড়ে ঘুরে বেড়াতেন। ঠিক বলেছে- বাংলা সাহিত্যে এমন নক্ষত্রের আর দেখা মিল্বে কিনা সন্দিহান।
সৌমিত্র আর উৎপল দত্তের মত অভিনেতারা একবারই জন্মায়। আমরা সৌভাগ্যবান ও গর্বিত এদের পেয়েছিলাম বলে

১৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:০৮

মিরোরডডল বলেছেন:




অরণ্যপ্রেমী বুদ্ধদেব গুহ, একসময় কতো রাত জেগে ওনার লেখা পড়েছি ।
কি যে ভীষণ ভালো লাগতো , প্রকৃতির বর্ণনা আর প্রেম সম্মোহন করে রাখতো তার লেখাগুলোতে ।

প্রিয় লেখা মাধুকরী, বাবলি, সবিনয় নিবেদন, একটু উষ্ণতার জন্য, হলুদ বসন্ত আরও কতো ।
কুর্চিকে লেখা অসাধারণ চিঠি :






৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২২

শেরজা তপন বলেছেন: একটু উষ্ণতার জন্য আর মাধুকরি পড়েনি এমন সাহিত্যপ্রেমী খুঁজে পাওয়া কষ্ট!
ছাপার বই পড়াটা ভুলেই গেলাম ! আফসোস :(

লিঙ্কটা কি মুল লেখায় অন্তর্ভুক্ত করব?
লেখক শায়িত থাকুক শান্তিতে- চিরনিদ্রায়

১৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার খুবই খুবই প্রিয় একজন লেখক হারিয়ে গেলেন। ওনার বইগুলো পড়ার সময় জঙ্গলের যেসব বর্ণনা থাকতো, পড়তে পড়তে হারিয়ে যেতাম সেখানে। জঙ্গলের ভেজা পাতা আর মাটির সোদা গন্ধ পেতাম। বিভিন্ন শব্দ, পোকা-মাকড় আর জীব-জন্তুর আওয়াজ যেন নিজ কানে শুনতাম। মনে হতো, আমি স্বশরীরে সেখানেই আছি। এমনই সম্মোহনী ক্ষমতা ছিল উনার লেখার।

পরপারে ভালো থাকুক প্রিয় মানুষটা।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৭

শেরজা তপন বলেছেন: উঁনার আর সমরেশে বসুর লেখা পড়েইতো জঙ্গলকে ভালবাসা!
কতবার মনে হত তেমনি করে মনি করে হারিয়ে যাই গহীন কোন জঙ্গলে! ঠিক আপনার মত অনুভুতি হোত যেন।
অনেক ধন্যবাদ আপনার অনুভুতি শেয়ার করার জন্য।
লেখকের প্রয়াণে সমব্যাথী

১৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:৩৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা। প্রিয় লেখকের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৯

শেরজা তপন বলেছেন: লেখকের প্রতি আপনার অকৃত্রিম ভালবাসা ও শ্রদ্ধার জন্য ধন্যবাদ। ওপারে শান্তিতে থাকুক প্রিয় লেখক।

১৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩২

মিরোরডডল বলেছেন:




লিঙ্কটা কি মুল লেখায় অন্তর্ভুক্ত করব?

অবশ্যই করবে শেরজা, কেনো না !
যারা তার লেখা পড়েনি, পোষ্টের মাধ্যমে ইনস্ট্যান্ট একটা লেখার সাথে পরিচিত হবে ।


৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: ~ তথাস্তু, দি্লাম -অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২০| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: শেরজা তপন,




এমন শ্রদ্ধা জাগানো লেখাটিতে আমি বোধহয় দেরী করে ফেলেছি আসতে, পেছনে পড়ে গেছি অনেক !

ভাষায়, ষ্টাইলে, শ্লীল-অশ্লীলতার সীমারেখা নিয়ে, জীবনদর্শনে ভরা তার লেখাগুলো বিশাল,বর্ণময়, বেগবান যা সাধারণ পাঠকের মন আর বুদ্ধিজীবি পাঠকের মনন দু'তন্ত্রীতেই ঝংকার তোলার মতো।
জীবন,তার দেখার চোখ আর মননে যে অনুরণন তুলে গেছে তাতে সমৃদ্ধ হয়ে তার সব লেখা একবিংশ শতাব্দীর নারী আর পুরুষদের হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যেন তিনি।

প্রিয় এই লেখকের তিরোধানে তার লেখার সম্মোহনী টান থেকে বঞ্চিত হতে হবে আজকে এবং আগামী দিনেও!
শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকুক প্রিয় লেখক.....................

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২১

শেরজা তপন বলেছেন: ~ভাষায়, ষ্টাইলে, শ্লীল-অশ্লীলতার সীমারেখা নিয়ে, জীবনদর্শনে ভরা তার লেখাগুলো বিশাল,বর্ণময়, বেগবান যা সাধারণ পাঠকের মন আর বুদ্ধিজীবি পাঠকের মনন দু'তন্ত্রীতেই ঝংকার তোলার মতো।~
দুর্দান্ত বলেছেন, এমন ভাষাগত দক্ষতা আমার নেই বলে বলতে পারিনি গুছিয়ে তেমন।
লেখাটাইতো দু'দিন দেরিতে এসেছে- আপনার আর দেরি হলে দোষ কি।

শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকুন- আর সব প্রজন্মের মন ও মননে চির ভাস্বর হয়ে থাকুন আমাদের প্রিয় লেখক।

২১| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ৯:১৯

শাহ আজিজ বলেছেন: বুদ্ধদেবের লেখা বই বড় ভাইয়ের সংগ্রহে ছিল কিন্তু তখন ওই লেখা বোঝার মত বড় হইনি । পিকিঙ্গে নিলাম এক কপি , আসবার সময় ফেলে এলাম । আবারো তার শ্রেষ্ঠ কবিতার বই সংগ্রহে নিলাম , দরাজ গলায় আবৃতি করতাম । বাড়ি অদল বদলে সব বই প্যাকেট করা । সেলফ কিনে তারপর সাজাব । খুব ইচ্ছে হচ্ছিল আবৃতি করি কিন্তু ঠিক কোন প্যাকেটে আছে জানিনা ।


বুদ্ধদেব আমাদের সজ্জন এবং প্রিয় লেখক ।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:০৮

শেরজা তপন বলেছেন: তার মানে আপনি বেশ ভাল আবৃতি করেন
আপনার নতুন একটা প্রতিভার খোঁজ মিলল :)

আপনার সাথে তার পরিচয় ছিল? জ্বী বুদ্ধদেবের সাহিত্য আমরা অনেকেই ভীষন ভালবাসি- ব্লগারদের মন্তব্যে তার প্রমান মিলল।
ভাল থাকুন আপনি

২২| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ৯:২২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তপন ভাই,

ভীষণ ভালো লিখেছেন। খুব ভালো লাগলো পোস্টটা পড়ে।++

সম্ভবত ২০০১/০২ সালে বেস্টসেলার ছিল বাবলি।একটা কপি ছিল আমার। ভীষণ ভালো লেগেছিল।পরে সংগ্রহ করি রিয়া। যেটা পরে এক বান্ধবীকে উপহার দিই। এরপরে একপ্রকার নেশা পেয়ে বসে বুদ্ধদেব গুহর লেখা পড়ার।এই তাগিদেই পরপর পড়ে ফেলি লেখকের -দুই নম্বর,ছায়ারা দীর্ঘ হলো,জগমনি,ও ছৌ নামক উপন্যাস। ভালো মন্দ দুইট অনুভূতি হয়েছিল। কিন্তু কেন জানিনা পরে লেখকের সেই ক্রেজিংটা আর থাকেনি। যাইহোক এমন একজন প্রিয় কথাশিল্পী চলে যাওয়া মানে সাহিত্যের অপূরণীয় ক্ষতি। বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রিয় লেখককে।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা স্মরণিকার আয়োজন করে।
শুভেচ্ছা আপনাকে।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:১৩

শেরজা তপন বলেছেন: জাগমনি আর ছৌ পড়া হয়নি।
ছাপার লেখা বই পড়া প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে-মাঝে মধ্যে মুজতবা আলীতে চোখ বুলাই শুধু
লেখকেরা যখন পুরোদস্তুর ফরমায়েশি হয়ে যায় তখন সাহিত্য কলেবরে বাড়ে কিন্তু মানে খাটো হয়ে যায়। আর বয়সের সাথে সাথে আবেগও কমে আসে- সবাই কি আর রবি ঠাকুর।
লেখকের প্রতি ভালবাসা আর শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে আমি মুজ্ঞধ হলাম। ওপারে ভাল থাকুন আমাদের প্রিয় লেখক।

২৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৩৭

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেকদিন আগের মতন বই পড়া হয় না এখন। এক সময় যেমন এই সাহিত্যিক জড়িয়ে থাকতেন সঙ্গে । জীবনের অনেকটা সময় দখল করে নিয়েছেন তাঁর কথামালার আলোক সজ্জায়।
কখনো মননে কখনে প্রকৃতির গহীনে কখনো ভালোবাসা মানসিক দ্বন্দগুলোর সমস্যয় নিমজ্জিত করে দিতেন কথামালার জড়িয়ে।
শহর থেকে প্রকৃতির ভাঁজে ভাঁজে তিনি নিয়ে যেতেন তার গল্পগুলোর ভিতর দিয়ে।
মাধুকরি তার সবচেয়ে বড় লেখা এই বইটা পড়ার পর আর তেমন গল্প পড়া হয়নি উনার।
পশ্চিমবঙ্গের অনেক সাহিত্যিক লেখক কবির সাথে আড্ডা দেয়ার সুযোগ হলেও দেখা হয়ে উঠেনি এই লেখকের সাথে। তাঁর সাথে পরিচয় তাঁর লেখার মাধ্যমেই।
করোনা আক্রান্ত হয়ে ফিরে আসার পর ভেবেছিলাম আরো কিছু দিন টিকে গেলেন কিন্তু সময়টা খুব অল্প হলো নক্ষত্রপতনের।
জেনেছিলাম তিনি তাঁর শরীর দান করে গেছেন মানুষের জন্য। এটা অনেক বড় মানবিক একটা পদক্ষেপ।
তার আত্মার শান্তি কামনা করি।
আপনার লেখার মাধ্যমে তাকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ হলো। সমবেত ভাবে। ধন্যবাদ বদ্ধুদেব গুহকে নিয়ে লেখার জন্য।

৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: কবিতা আর সাহিত্যে তো আপনার চরম দখল!
আপনার কাছে অনেক কবি আর সাহিত্যিকের সন্মন্ধে অজানা কিছু জানা যায়- আমাদের দুর্ভাগ্য যে, ইঁনার সাথে ব্যক্তিগতভাবে আপনার সাক্ষাত ঘটেনি। না হলে নিশ্চিত আমাদের অজানা কোন গল্প পেতাম।

'বাবলি' আর 'একটু উষ্ণতার জন্য দারুন' দুটো উপন্যাস- সময় পেলে পড়ে দেখবেন।
~জেনেছিলাম তিনি তাঁর শরীর দান করে গেছেন মানুষের জন্য। এটা অনেক বড় মানবিক একটা পদক্ষেপ।
তার আত্মার শান্তি কামনা করি।~ আমার অজানা তবু এতটুকু জানা হোল।
ভাল থাকুন আপনি নিরন্তর- আর শান্তিতে চিরনিদ্রায় শায়িত থাকুক আমাদের প্রিয় লেখক।

২৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৪৪

মেহবুবা বলেছেন: বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের পর আমার আরেকজন প্রিয় লেখক বুদ্ধদেব গুহ।
ওনার ঋভু তিন পর্ব আমার বিশেষ পছন্দের ।
ওনার শৈশব কৈশোরের রংপুরকে খুঁজতে চেষ্টা করেছি ঐ বই পড়ে।
অনেক লেখাই পড়েছি এবং মুগ্ধ হয়েছি।
এমন লেখক কি আর তৈরী হবে?
প্রকৃতির প্রতি এমন আকর্ষণ কজন টের পায় এবং কে এমন করে বন জঙ্গল কে ভেদ করতে পারে লেখনীতে?

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:০৩

শেরজা তপন বলেছেন: বন জঙ্গল ই হারিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী থেকে- পরের প্রজন্ম ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বন জংল ভ্রমন করবে
-কিংবা আধুনিক রিসোর্টে যত্ন করে তৈরি করা একটুকরো কৃত্রিম বনকে তাদের লেখার উপজীব্য করবে।

রংপুরের বিষয়টা আমি ভুলে গিয়েছিলাম বলতে- দারুন কথা স্মরণ করিয়েছেন।
আপনার এমন সুন্দর মন্তব্যে লেখকের বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে- তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তার সাহিত্য আর আমাদের মন ও মননে।

২৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৪৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি দার্শনিকের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তার সাথে আমি একমত। কেউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন শাস্ত্রে ডিগ্রি নিলেই দার্শনিক হয়ে যান না। যদিও দর্শন শাস্ত্রের মূল বিষয়গুলি তার জানা থাকে। আবার একজন দার্শনিকের প্রজ্ঞাবান এবং বিবেকবান হওয়া জরুরী। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং সমাজ সম্পর্কে একজন দার্শনিকের অনুসন্ধিৎসু মন থাকা প্রয়োজন। সভ্যতা ও সমাজ সম্পর্কে দার্শনিকের পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় কথা শুধু বই পড়ে দার্শনিক হওয়া যায় না। হিমালয়ের মতো ব্যক্তিত্ব থাকতে হয় একজন দার্শনিকের। দর্শন শাস্ত্রের বাইরের অনেক কিছু জানতে হয় তাকে। চাঁদগাজী সাহেব দার্শনিকের একটা সঙ্কীর্ণ সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। দর্শনশাস্ত্র না পড়া সত্ত্বেও অনেক মহান ব্যক্তিকে দার্শনিক বলা হয় তাদের প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা এবং সভ্যতা ও সমাজের উন্নয়নে তাদের অবদানের জন্য। দার্শনিক হওয়াটা কোন ডিগ্রি লাভের মত না। কিংবা কিছু শাস্ত্র অধ্যয়ন করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না। আর আপনি আরও কিছু কথা বলেছেন সেগুলির সাথে একমত।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:০৯

শেরজা তপন বলেছেন: চমৎকার! দারুন বলেছেন ভ্রাতা
আমি আরো কিছু বলতে চাই- কিন্তু ফাও ক্যাচাল এড়িয়ে চলি বলে বলি না। ব্যক্তি কাউকে নিয়ে ব্লগে অনেক বেশী বলা হয়ে গেছে
তিনি তার মত করে ভাবেন বলেন।
অনেকেই ব্লগারদের বেশ বোকা আর অজ্ঞ ভাবেন- এটা আসলেই কষ্ট পাবার মত ব্যাপার।
আপনাকে ধন্যবাদ সহমতের জন্য। আপনি বিজ্ঞান আর ধর্ম চর্চা করেন আর আমি আমি, ভ্রমন, স্মৃতিকথা আর ইতিহাস লিখি।
এইসব ক্যাচাল ত্থেকে দূরে থাকাই উত্তম।

২৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: খুবই সুন্দর একটা পোষ্ট দিয়েছেন।
আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:১১

শেরজা তপন বলেছেন: আপনাকেও সবিশেষ ধন্যবাদ- শুরু করেছিলেন আপনি কিন্তু শেষ করেননি
আপনার পোষ্টে ব্লগারদের হা-হুতাশ দেখেইতো এই লেখাটা দিলাম। ভাল থাকুন

২৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:৪৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: প্রিয় একজন লেখক। শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকুন প্রিয় লেখন।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:১২

শেরজা তপন বলেছেন: আশা করি এত মানুষের আশির্বাদ, আন্তরিকতা ও ভালবাসা নিয়ে তিনি চির শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকবেন।

২৮| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৪:২৯

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাদার লিখাটির জন্য। এ ধরনের স্মৃতিকথা আমি লিখতে পারি না, খুব কঠিন মনে হয়। কারন অনেক পড়াশুনা না করে হুটহাট করে এসব লিখা যায় না। এ কঠিন কাজটির দায়িত্ব নেবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

কিছু কিছু লেখক আছেন যাদের লিখা পড়লে মনে হয় আমার মনেরই আয়না। সে ভাবনা, সে উপলব্ধি, সে কষ্ট....... সব যেন আমারই কথা। উনি বেচেঁ থাকবেন যুগের পর যুগ উনার সৃষ্টির মাঝে।

ভালো থাকুক ওপারে প্রিয় লেখক।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:১৬

শেরজা তপন বলেছেন: এইটা একটা কথা বললেন!!! স্মৃতিকথা আপনি লিখতে পারেন না- বিশ্বাসযোগ্য কি?
শুধু স্মৃতি থেকে লিখলেও আপনি তাঁকে নিয়ে লিখলে আরো অনেক ভাল লিখতে পারতেন বলে আমার বিশ্বাস।

বেঁচে থাকুন অনাদিকাল প্রিয় লেখক পাঠকদের ভালবাসায়।

২৯| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৫:২৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: যদিও আমি তার চাইতে শীর্ষেন্দু, শিবরাম ও বিভূতির বেশি ভক্ত ছিলাম তারপরও বলতে হয় অসাধারণ লেখক ছিলেন তিনি। তার লেখার স্টাইলটাই ছিল অন্যরকম - একধরণের সম্মোহনী শক্তি ছিল তার লেখাতে।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২০

শেরজা তপন বলেছেন: শঙ্কর, সমরেশ ও সুনীল কি পছন্দের নয়? এরা সবাই বাংলা সাহিত্যকে দারুনভাবে সমৃদ্ধ করেছে
বাংলা সাহিত্য ও পাঠাক সহস্র বছর কৃতজ্ঞ থাকবে আপনার ও আমার উল্লেখিত সাহিত্যিকদের কাছে।
এই অন্যরকম লেখার জন্যই তিনি গৎবাঁধা ধারার কিছু মানুষের অপছন্দ ছিলেন।
মানুষ বাঁচে তার সৃষ্টিতে- তিনি তার সাহিত্যে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল...

৩০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:২৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: বলেছি, মাধুকরি পড়ার পরে আর তেমন উনার বই পড়া হয়নি । আর এই বইটাই শ্রেষ্ট আমার কাছে । তবে আগের ছোট উপন্যাসগুলো সব পড়া। কোজাগর বইটিও খুব অন্যরকম ভালো লেগেছে আমার।
তখন একটা সময় ছিল ঘোরের মধ্যে থাকতাম বইয়ের পাতায় ডুবে। এখনও পড়তে পারি কিন্তু সময় খুব অল্প।

আসলে সবার কি সবার সাথে দেখা হয়। কিছু মানুষের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ হয়ে গিয়েছিল এক সময়।
শুভেচ্ছা থাকল

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: সেই দিনগুলো আর অনুভুতি ফিরে আর আসবেনা কোনদিন

বালিশ বুকে দিয়ে বই পড়ার মজা আর পাবেনা পরের প্রজন্ম- দুপুরের অবসরে বই পড়তে পড়তে কখন যে সন্ধ্যা নেমে এসে লেখগুলো ঝাপসা করে ফেলত বুঝতেই পারতাম না!

যাদের সাথে পরিচয় আর গল্প করেছেন তাদের নিয়ে লিখুন।

৩১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অবশেষে তিনি বুদ্ধু থেকে বুদ্ধ হলেন। অবশেষে অস্বস্তি কাটলো!

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: আহা হাঃ বড় দুঃচিন্তায় ছিলেন তাহলে :)
তাড়াহুড়োর লেখায় একটু ভুলচুক হয়। এমন বিখ্যাত লোকের নাম ঠিকঠাক না লেখা অপরাধ- তবু হয়ে গেছে কি আর করার।
নিজ গুনে ক্ষমা করে দিয়েন

৩২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: বাবলিসহ কয়েকটি উপন্যাস পড়া হয়েছে। দারুণ লেখক, বিশেষ করে অরণ্যের যে বর্ণানা, আবহ, রং তুলে আনেন তা এক কথায় অনবদ্য। পাঠক হৃদয়ে বেচে থাকবেন চিরকাল।

পোষ্টে++++++++

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনার বোদ্ধা পাঠককে না দেখে শান্তি পাচ্ছিলাম না
অবশেষে আপনাকে পেয়ে ভাল লাগল।

প্রিয় লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও তার চির শান্তি কামনা করছি

৩৩| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: একটি চমৎকার সংকলন। একজন গুণী লেখক, গুণী শিল্পী, গুণী মানুষ- রি তার পরিচয়। এমন একজনকে আপনি আপন প্রয়াসে সামু ব্লগের পাঠকদের নিকট এত সুন্দর করে তুলে ধরেছেন, এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

দার্শনিক হতে হলে যে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন শাস্ত্রে ডিগ্রি নিতে হবে কিংবা দর্শন শাস্ত্রের উপর বই লিখতে হবে, এমন কোন কথা নেই। ২৫ নং মন্তব্যে সাড়ে চুয়াত্তর যেমনটি বলেছেনঃ
দর্শনশাস্ত্র না পড়া সত্ত্বেও অনেক মহান ব্যক্তিকে দার্শনিক বলা হয় তাদের প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা এবং সভ্যতা ও সমাজের উন্নয়নে তাদের অবদানের জন্য। দার্শনিক হওয়াটা কোন ডিগ্রি লাভের মত না। কিংবা কিছু শাস্ত্র অধ্যয়ন করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না -- তেমন একজন দার্শনিক ছিলেন আমাদের আরজ আলী মাতুব্বর। তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন শাস্ত্রে ডিগ্রি নেন নি, তিনি প্রজ্ঞা আরোহণ করেছিলেন জীবনবোধ থেকে, উন্মুক্ত প্রকৃ্তির পাঠশালা থেকে।

আপনার প্রতিমন্তব্যগুলো (এবং অন্যদের লেখায় মন্তব্য) পড়তে আমার ভীষণ ভালো লাগে।

পোস্টে দ্বাদশ ভাললাগা। + +

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩৭

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার ব্লগে পদচারনা ইদানিং বেশ খানিকটা কমে গেছে
আগের মত মন্তব্য আর চোখে পড়ে না তেমন।
দারুন ভাবে অনুপ্রাণিত হলাম প্রিয় ভাই আপনার মন্তব্যে। এই মাসে আমার অতি প্রিয় আরো দুজন সাহিত্যিককে নিয়ে লেখা দেবার ইচ্ছে ছিল- দোলাচালে ছিলাম। আপনার সহ অনেক প্রিয় ও বোদ্ধা ব্লগারের পজিটিভ মন্তব্যে সেটা কেটে গেছে খানিকটা! সেজন্য আপনাকে সবিশেষ ধন্যবাদ।
আমার মন্তব্যের প্রশংসায় আমি ধন্য হলাম- আপনার প্রতি রইল কৃতজ্ঞতা। আমি বরাবর পুরো লেখা পড়ে মন্তব্য করতে চেষ্টা করি- না পড়তে পারলে জানিয়ে দেই।
আরজ আলী মাতব্বরের উদাহরনটা চমৎকার হয়ে। স্বশিক্ষিত দুর্দান্ত বুদ্ধিদীপ্ত মানুষ ছিলেন তিনি।
ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন-ব্লগের সাথে থাকুন।

৩৪| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: বেশ কয়েক বছর আগে কোলকাতার পার্কস্ট্রীটে দেখেছিলাম এই সুদর্শন কবিকে।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১০

শেরজা তপন বলেছেন: জেনে ভাল লাগল ভাই - ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৫| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার এখন ও মনে যেটুকু ভাবি বা লিখি সেটুকু হয়ত বুদ্ধদেব গুহ' র চোখে। কী অসাধারণ একটা মাহাকাব্যিক জীবন কাটিয়ে গেলেন উনি। আমার ছাতিম তলার সুর, কুরচি বনের সৌরভ, টুই পাখির টুইট আর লালমাটির পাহাড়।
বুকের নিঃশ্বাস টুকু কে দীর্ঘ নিশ্বাস করে দিয়ে গেলো। আমাকে আর অরণ্য বিবাগী আরণ্যক হওয়া কে শেখাবে:(

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫৭

শেরজা তপন বলেছেন: আহা কি অসাধরন কথা!
এমন করে ক্যামনে লেখেন এইটা আমাকে ভাবায় ...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.