নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মারজ সোহাগ

মারজ সোহাগ

মারজ সোহাগ › বিস্তারিত পোস্টঃ

৩০০ টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে ফেলে রেখে যাওয়া আসলে কিসের লক্ষণ বহন করে?

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:৪২



Full time Somalochona Party



Click This Link

মহান সৃষ্টকর্তার নিকট অজস্র শুকরিয়া শেষ পর্যন্ত জনাব এবি সিদ্দিককে প্রায় অক্ষত অবস্থায় ফিরে পাওয়া গেল।

কিন্তু এই আনন্দের মাঝে অনেকগুলো রহস্য ও সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় অনিরাপত্তার ছায়া বার বার ঘুরে ফিরে আসে।

মূল প্রসঙ্গে আসার আগে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সেই মিডিয়া কাঁপানো উদ্ধৃতির প্রসঙ্গে না আসলেই নয়।

৬ এপ্রিল প্রেস ক্লাবের নাগরিক ঐক্যের এক গোল টেবিল বৈঠকে কলামিষ্ট জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ বললেন 'আমরা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে জেলে যেতে রাজি আছি' তিনি অবশ্য এর আগে অনেকবার নাগরিক ঔক্যের বিভিন্ন সভায় একই উক্তি করেছেন।

এরপর নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক জনাব মাহমুদুর রহমান মান্না জবাবে বললেন ' মাকসুদ ভাই প্রায়ই সরকার ও বিরোধীদলের সমালোচনা করে এমন উক্তি করেন কিন্তু আমার কাছে আশ্চর্য লাগে তিনি এখনও আমাদের সাথে বৈঠক করেন কিভাবে?'

একটু পরের বক্তৃতায় পরিবেশ আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান তার মিডিয়া কাঁপানো সাহসী বক্তৃতায় বলেন, 'হাওয়া ভবনের ভবনটি নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নাই, প্রশ্ন হল ভবন না থাকলেও কি হাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে কিনা? যদি হাওয়াই থেকে যায় তাহলে সরকার পরিবর্তন করে লাভ কি?'

আমাদের প্রশ্ন , তাহলে কি সেই হাওয়ার আছ এখন সবার কাছে পৌঁছতে শুরু করেছে? নাকি অন্য কিছু? আসুন জনাব এবি সিদ্দিক এর গুমের কিছু বিষয় যুক্তির ছাঁচে ফেলানোর চেষ্টা করিঃ

১. তিনি গুম হবার পিছনে কি কি কারন থাকতে পারে?

* এ বিষয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বার বার একই কথা বলে আসছেন তার সাংগঠনিক কারনে জনাব ছিদ্দিক গুম হতে পারে।

২. এই গুমে কি টাকা আদায় সমপর্কিত কোন ব্যাপার জড়িত?

* সৈয়দা রিজওয়ানা ও তার স্বামী উভয়ের বিবৃতিতে এই ব্যাপারটা একচেটিয়াভাবে অস্বীকার করা হয়েছে।

৩. যার উপর ক্ষোভ (সৈয়দা রিজওয়ানা) তাকে গুম না করে তার স্বামীকে করা হল কেন?

* ইলিয়াস আলীর ক্ষেত্রে দেখছি তাকেই গুম করা হয়েছিল। কিন্তো এক্ষেত্রে তার স্বামীকে গুম করা হল। এটা কি একটা প্রাথমিক হুশীয়ারী বহন করে নাকি অন্য কিছু তা এখনও পরিষ্কার নয়।

৪. তাকে ছেড়ে দেওয়া হল কেন?

* প্রধমিকভাবে এ কৃতিত্ব অনেক কে দেওয়া যায়। সরকার, বিরোধীদল, মিডিয়া, প্রশাসন, নাগরিক সমাজ সর্বপরি জনাবা সৈয়দা রিজওয়ানা কে। সবার নিরঙ্কুশ সচেতনতা, চেষ্টা, আইনগত চাপ।

* তাছাড়া এটা যদি নিছক হুশিয়ারী হয়ে থাকে তাহলে তাকে আটকে রেখে তো লাভ নাই।

* এটা হতে পারে একটা পরীক্ষামূলক গুম। ফাইনাল একশনের আগে একটু রিহার্সেল করে নেওয়া।

* এমন হতে পারে নাগরিক সমাজ বর্তমানে কতটুকু সচেতন তারও একটা এসিড টেষ্ট।

* নাগরিক সমাজের যে সকল লোক বর্তমানে জনসমুক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোকে তুলো-ধুনো করছে তার একটা প্রাথমিক জবাবও হতে পারে।

৫. ছেড়ে দেওয়ার সময় হাতে ৩০০টাকা দিয়ে যাওয়ার মানে কি?

* এ থেকে এটুকু অনন্ত প্রমানিত। গুমকারী ব্যাক্তি/ব্যাক্তিবর্গ বা জড়িত লোকজন কোন নিচু শ্রেনীর লোক নন। তাদের গায়ে ভদ্র সমাজের সকল লেবাস-ই আছে।

৬. কার্যত পুলিশের নেওয়া পদক্ষেপ ছিল কতটুকু?

* যখন তিনি পুলিশের হাতে ধরা পরলেন তখন সেই পুলিশ তাকে চিনতেই পারেনি। তাছাড়া তিনি ছাড়া পেয়ে এতদূর চলে আসলেন তার মাঝে পুলিশ তাকে সনাক্ত করতে পারে নি। তাহলে কার্যত ঢাকা শহরে তাকে খুঁজে বের করার মত পুলিশি পদক্ষেপের কোন আভাস পাওয়া যায় না।



Click This Link

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:৩৮

মোমেরমানুষ৭১ বলেছেন: আবু বকর সিদ্দিককে উদ্ধারের জন্য রাষ্টের সর্বোচ্চ শক্তি যেভাবে নিয়োগ করা হল ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম কে উদ্ধারের জন্য কি এর সিকিভাগও নিয়োগ করা হয়েছে?

২| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:৫০

কালবৈশাখীর ঝড় বলেছেন:
বসুন্ধরা .. আসিয়ানসিটি যাদের শতকোটি টাকার প্রজেক্ট রিজওয়ানারা মামলা করে হাইকোর্টের মাধ্যমে বন্ধ করে দিয়েছে তারাই রিজওয়ানাদের সায়েস্তা করার জন্য একটা হুশিয়ারি দিয়ে এসিড টেষ্ট করলো।

৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:১৫

ঢাকাবাসী বলেছেন: এটা টেস্ট কেস!

৪| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৮

মারজ সোহাগ বলেছেন: মোমেরমানুষ৭১ @ শিকার যদি আপনার হাতের মধ্যে থাকে তাহলে তাকে ধরার জন্য কি পরিমান শক্তি বিনিয়োগ করার প্রয়োজন আছে আপনি মনে করেন? সরকার যদি শক্তি বিনিয়োগ করত তাহলে টহলরত পুলিশের হাতে কোন ইনফরমেশন ছিল না? সে কেন জনাব সিদ্দিক সাহেব কে চিনতে পারে নাই?
আমরা জানি এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে সারা দেশে দায়িত্বরত সকল প্রশাসনের লোকদের হাতে ইনফরমেশন থাকে। কিন্তা তার বাসার খুব কাছের পুলিশের হাতেই কোন ইনফরমেশন ছিল না।

৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
পুলিশের হাতে ইনফরমেশন ছিল, তা না হলে তাকে আটকালো কেন?
পুলিশ র‍্যাবের ব্যাপক তৎপরতায় কিডন্যাপারদের মুভমেন্ট আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
নীল মাইক্রোবাস ঢাকার দিকে গেছে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে দ্রুততার সাথে। টোলপ্লাজার ভিডিওতে। যে কারনে ভিক্টিম একা মুভ করেও পুলিশের চোখ এড়িয়ে বাসা পর্যন্ত যেতে পারে নাই।
ভিক্টিম এবি সিদ্দিক সাহেব কে হত্যা করা বা ছেড়ে দেয়া ছাড়া অপহরনকারিদের আর কোন উপায় ছিল না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.