| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোহানুল হক
সত্য বলো, যদিও তা তিক্ত হয়। কারণ, সত্যই হৃদয়কে মুক্তি দেয়। মিথ্যা ক্ষণিক স্বস্তি দিলেও, তাতে আত্মা দগ্ধ হয়।
আজকের অনেক নেতা ক্ষমতালোভী, কৌশলে রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে ভোগবাদী ও সুবিধাবাদী হয়ে পড়েন। অবৈধ উপায়ে দেশে-বিদেশে সম্পদ অর্জনকে অনেকেই নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য বানিয়ে ফেলেছেন। ১৯৭২ সাল থেকে যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা ক্ষমতায় থেকে যেমন, আবার ক্ষমতার বাইরে থেকেও ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক চরিত্র দেখিয়েছেন। আত্মজিজ্ঞাসা, আত্মসমালোচনা বা আত্মশুদ্ধির কোনো চর্চা রাজনীতিতে নেই।শিক্ষা,অভ্যাস ও অনুশীলন ছাড়া শুধু ক্ষমতা পেলেই কেউ সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতা হতে পারে না। মানুষ আসলে জন্মগতভাবে ভালো নাকি ভালো হতে শেখে—এই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ।
মানুষ স্বাভাবিকভাবে কি ভালো কাজ করে, নাকি তাকে শিক্ষা, নীতি ও অভ্যাস দিয়ে ভালো হতে হয়—এ নিয়েও ভাবতে হবে। রাজনৈতিক নেতাদের স্বভাবও কি জন্মগত, নাকি গড়ে ওঠে সমাজ, শিক্ষা ও পরিবেশ থেকে—এ প্রশ্নও জরুরি।
বাংলাদেশের রাজনীতি ও নেতৃত্ব প্রায়ই জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করছে না; বরং ব্যক্তিস্বার্থ বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। রাজনীতিকে সত্যিকারের কল্যাণকর করতে হলে এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।তখনই চিন্তার ধরণ ও কাজের ধরণ বদলানো সম্ভব হবে এবং নতুন, উন্নততর রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।
©somewhere in net ltd.