| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোহানুল হক
সত্য বলো, যদিও তা তিক্ত হয়। কারণ, সত্যই হৃদয়কে মুক্তি দেয়। মিথ্যা ক্ষণিক স্বস্তি দিলেও, তাতে আত্মা দগ্ধ হয়।
রাজনৈতিক অঙ্গনে দুটি ইস্যু অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামনে আনা হয়েছে—একটি হলো পিআর (Proportional Representation), আরেকটি হলো গণভোটের তারিখ। আমার মতে, এই দুইটি বিষয় দিয়ে অকারণে মাঠ গরম করা হচ্ছে।
“বাংলাদেশে যদি কেউ মনে করেন পিআর একটি খুব ভালো ব্যবস্থা, তাহলে তা প্রচার করুন, বিশ্লেষণ করুন এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিন। কিন্তু এখনই, এই স্বল্প সময়ে, দেশ পিআর ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুত নয়।”
বাংলাদেশের মতো আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে পিআর ব্যবস্থার কোনো সফল উদাহরণ নেই।
“যেসব দেশ পিআর প্রবর্তনের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে চেয়েছিল, যেমন শ্রীলঙ্কা ও নেপাল—তারা সফল হতে পারেনি।১৯৭৮ সালে পিআর পাস হওয়ার পর ১৯৭৯ সালের নির্বাচন থেকে শ্রীলঙ্কায় এ ব্যবস্থা চালু হয়। কিন্তু তবুও দেশটি পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়েছে। নেপালেও পিআর চালুর পর সরকারে স্থায়িত্ব আসেনি—১৭ বছরে ১৩ বার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো সরকারের ওপর জনগণের আস্থা থাকা কঠিন।”
“পিআর ব্যবস্থাকে যদি কেউ ভালো মনে করেন, তাহলে প্রথমে জাতিকে সেই উপযোগী করে তুলতে হবে। ইউরোপ বা পশ্চিমা দেশের মতো সফল উদাহরণ দেখানোর আগে মানুষকে বোঝাতে হবে, শিক্ষিত করতে হবে।”
গণভোট প্রসঙ্গে কিছু বলি:-
“গণভোট নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও প্রায় সবাই একমত যে, গণভোটের প্রয়োজন আছে। এখন প্রশ্ন হলো—এটি মূল নির্বাচনের সঙ্গে একত্রে হবে, নাকি আলাদা করে আগে করা হবে। দুই ক্ষেত্রেই সুবিধা-অসুবিধা আছে। নভেম্বর মাসে আলাদা করে গণভোট করাতে গেলে ব্যয় হবে বিপুল পরিমাণ অর্থ, পাশাপাশি গোলযোগের ঝুঁকিও তৈরি হবে। যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ সেই সুযোগে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, তাহলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।”
©somewhere in net ltd.