![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার কবরে হয়তো লাগানো থাকবে হলুদ ফুলের গাছ যার অচেনা গন্ধে আকুল হয়ে কাঁদবে হৃদয়, মাটির গভীরে থেকেও। হয়তো বাঁধানো কবরের মাথায় ফলক থাকবে- “জনৈক তরুন যার স্বপ্ন ছিলো অসীম ছিলো সাধ্যের হাত বাঁধা” -তীর্যক শূল-
শুক্রবার পবিত্র দিন। নামাজ পইরা কামলা দিতে গেলাম। কামলা দিয়া যেইনা ঘরে আইছি ওমনি দেহি আমার দুই দুস্ত ঘরে বইয়া আমার সিগারেটের প্যাকেট কবজ্বা কইরা মনের সুকে সুক টান মারতাছে। ওইদিকে আমার অনিক খুদা লাগছে। দুস্তগো আসার কারন জিগাইতে তারা কয় তুমি নয়া গারী লইছো আর তবারক খাবাইবা না এইডা কি হয়? বাশেঁর চিপায় পইরা কইলাম দুস্ত ট্যাকা নাই পরে হইবো একদিন। মাগার তারা ছারে না। হেষ মেষ কইলাম ঠিক আছে নয়া গারী লইছি তোগোরে গারীত কইরা গুরাইবার পারি মাগার খাবানির ট্যাকা নাই। দুস্ত রাসু কইলো তেলের ট্যাকা আমি দিমু তুই খাবানি লাগবো। যাই হোক কুনু দিকে কুনু ফাপর না দিতে পাইরা শেষে গারী লইয়া আবার বাইর হইলাম। শুক্রবার এদেশি আবাল পাবলিক হইয়া যায় পাগলা কুত্তা। যাই হোক এক বাঙ্গালী সিলোঠি হোটেলে ঠুকলাম।
ওইদিকে গারী পাকিং লইয়া এক বেটির লগে ঝগরা লাইগা গেলাম। বেটি আমারে কয় এইডা নাকি তার জায়গা ... বেটির লগে কাইজা করতে করতে দুস্ত রাসু কয় দুস্ত এগো হোটেলে জায়গা নাই সব টেবিল বুক। মনে মনে আল্লার শুকরিয়া আদায় করলাম। যাক বাচন গেছে। মাগার দুস্ত হেনজা কয় তাগো আজ খাবানি লাগবোই লাগবো। হেষ মেষ গারী লইয়া ঘুরতে ঘুরতে এক থাই হোটেলে গেলাম। এক বাঠি সুপ খাইতে। সেকানে গিয়া দেহি সব কামলাঠি মাছি টুকাইতেছে মারবার লাইগা। আমাগো দেইক্যা নিস্পাপ শিশুর মতো আগাইয়া আইলো। কি জানি কইলো 'সোদিকা' নাকি 'মোদিকা' বুঝবার পারলাম না।যাই হোক বইলাম। অর্ডার দিবার পালা। আমার দুস্তরা এই জায়গার হইলেও তারা ইংলাজি ঠিক মতো পরবার পারে না। কারন তারা ইস্কুলে গিয়া ঠিকই ইংলাজি কতা হিকছে মাগার র্চচা না থাকার কারনে তারা ঠিক মতো ইংলিজ লেকা ঠার করতে পারে না। আমারে বাংলায় কইলো দুস্ত রাইচ, চিংরি, সবজি, আর গোসত দিতে। আমি ও অর্ডার মাইরা দিলাম। আমার দুস্ত রাসু কয় 'ক্যান ইউ ম্যাক ইট হট প্লিজ '(আসলে হে বুঝাইতে চাইছে ঝাল করতে) বেটি কি বুঝতে কি বুঝছে জানি না। মাতা নারাইয়া গেলো গা।
ওইদিকে পাশের টেবিলে দুইডা মাইয়া আইয়া বইলো। থাই মাইয়াই হইবো। আমার দুস্তরা তাগোরে ইংলাজিতে বহুত ফ্লাডডডড... করবার লাগতাছিলো। মাগার মাইয়া তেমন কুনু পাত্তা দিলো না। একটা থাই মেসিয়ার মাইয়া আছিলো বরোই সুন্দর। মাগার আমার মতো কালা পুলার লগে ম্যাচিং খাইবো না। খানা আইলো। প্রতমে সুপ। খাইয়া তেমন মজা পাইলাম না। কারন কেমন জানি পানসা পানসা। মাগার আমার দুস্তরা গাপা গাপ খাইতে লাগলো। বেশি ক্ষিদা তাকলে যা হয় আর কি। হের পাচ মিনিট বাদে খানা আইলো। সবাই খানা লইলাম। গাপা গাপ খানা আরম্ভ হইলো। আমি একটু মুকে দিবার লগে লগে বুঝলাম টেস্টটা একটু পচাঁ পচা। মাগার আমার দুস্তগো কুনু মাতা ব্যাতা নাই। আর সব আইটেম যেন আগুনের চেয়েও বেশি গরম, আর কুনু ঝাল নাই, খালি পানসা। দুস্ত রাসু কইলো ওই দুস্ত এই যে খালি গরম মাগার এর মইধ্য কুনু ঝাল তো পাইনা। মেসিয়াররে ডাক দিলাম। হালায় না কইতে পারে ইংলিজ না বুঝে কি এক বিপদ। তারে দুস্ত কইলো 'উই আস্ক ফর এক্সটা হট?' মেসিয়ার কয় 'ইট ইজ হট স্যার' রাসু কয় 'আই মিন ক্যান ইউ ম্যাক ইট স্পাইসি' হে কয় একন শেষ টাইম তারা পারবো মাগার এইটা সময় লাগবো আরো বিশ মিনিট। রাসু কয় 'ওয়াট দা ফাক' মেসিয়ার কয় 'এক্সকিইউজ মি স্যার' রাসু কয় সরি ডোন্ট ওয়ারী। যাই হোক তারা কুনু রকম পানসা পচা, আগুনের মতো গরম খানা গিলার চেস্টা করলো। আমি আরেক বাটি সুপ মাইরা চুপচাপ বইয়া রইলাম আর রাসু/হেনজার শুকনা মুক দেকলাম।
খানা শেষ। রাসু আর হেনজা আবার শুরু করলো পাশের টেবিলের দুই মাইয়া লগে। বিল আইলো। বিল দেইক্যা আমার কইলজ্বা হুকাইয়া গেলো। ৬০ পাউন্ড বিল করছে। কি এমন বালের খানা দিছে আবার ৬০ পাউন্ড বিল। রাসু আর হেনজা আমার গলা কাটা গেছে দেইক্যা হাসবার লাগছে। রাসু পাশের টেবিলের মাইয়ারে ফুন নাম্বার দিবার গেলো। এক কতা দুই কতা কইতে কইতে রাসু নাম্বার লইবার ও দিবার চেস্টা করলো। মাগার মাইয়া বিরক্ত হইয়া কয় 'উই আর লেসবিয়ান' ওমনি দুইজন দুইজনেরে চুম্বায় চুম্বান্বিত করলো। রাসু অত্যাধিক লজ্জা ও আহত হইয়া আবার টেবিলে আইলো। আমার হাসি কে দেকে!!! কতা অনুযায়ী তারা আমার গারীতে তেল ডুকাই দিবো। প্যাটরোল স্টেশনে হান্দাইলাম। হেনজা আর রাসু কয় দুস্ত তুমারে ১০ পাউন্ডের তেল দিলে হইবো না? আমি কইলাম দিস। আমি ৩০ পাউন্ডের তেল ভরলাম। শেষে হেনজারে কইলাম দুস্ত তুই চাবি লইয়া পে কইরা আয়, আমি একটা বিরি জ্বালাইলাম। ওয় পে করতে গেছে। যাইয়া দেহে ব্যাডা কয় ৩০ পাউন্ড প্লিজ! হেনজা ওমনি গ্লাচের বাইরে দিয়া আমার দিকে চাইলো, আমি কালু ডাকুর অট্টহাসি মাইরা দিলাম। পে কইরা আইয়া হেনজা আমারে দু ঘা লাগাইয়া দিলো। রাসু হেনজার কাছে ট্যাকা পাইতো সো হেনজা রাসুর ট্যাকা ও দিছে, তাই তার একটু জ্বলন বেশি।
গারী চলবার লাগছে। রাসু এক কোনায় আর হেনজা এক কেনায় বইয়া বইয়া বিরি টানতাছে। হঠাত রাসু কয় দুস্ত আমার বমি ভাব হইতাছে। বমির কতা হুইনা হেনজা কয় দুস্ত গারী একটু তারাতারি চালা আমার হাগু ধরছে। আমার হাসি কে দেকে!!! তারাতারি গারী চালাইয়া আইলাম। হেনজা টয়লেটে যায় আর আসে, আর রাসু গর্ভবতী মায়ের মতো বমির উপরে বমি কইরা যাইতাছে উপরের টয়লেটে....
২| ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪
চিকনমিয়া বলেছেন: ওরেরেররে!!!!!!!!!!!এইডা মজা পাইচিরে
পেলাচ
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++