নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

শের শায়রী

হৃদয়ের কাছে বুদ্ধির বাস ভাল কথা। কিন্তু মাঝে মঝে হৃদয়ের ওপর থেকে বুদ্ধির শাসন তুলে দিতে হয়, হৃদয়কে স্বাধীন করে দিতে হয়, মুক্ত করে দিতে হয়। স্বাধীন মুক্ত হৃদয়ের ধর্মকে সব সময় বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে নেই।।

শের শায়রী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইতিহাস লেখা হয় বিজয়ীদের দ্ধারা

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৫০



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিলো ক্ষমতা লোভী, রক্তপিপাসু স্বৈরাচারের সাথে গণমানুষের লড়াই, দাসত্বের বিরুদ্ধে মুক্তিকামী মানুষের লড়াই। সাদা বনাম কালোর লড়াই, মন্দ বনাম ভালোর লড়াই। আমেরিকান যীশু বনাম জার্মান অ্যান্টি যীশুর শেষ লড়াই। বর্তমান প্রজন্ম হলিউডি মুভি দেখে এখন জানে, কেমন মহানুভব ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ করে যাওয়া আমেরিকান সেই প্রজন্মরা।

১৯৩৯ সালে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়, তখন যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যে দুটো দেশের বিশ্বজুড়ে তেমনভাবে কলোনি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিলো না, তারা হলো জার্মানি আর চীন। বাদবাকি বড় দেশগুলোর ছিলো কলোনিয়াল শাসন ব্যবস্থা, সে ব্রিটেনই হোক (ঐ সময় সারা বিশ্বের ২৫ ভাগ ছিলো তাদের দখলে) আর সোভিয়েত রাশিয়াই হোক। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমেই হিটলারের পার্টি ক্ষমতায় এসেছিলো জার্মানিতে, যদিও পরে তারা দমন নীতি চালিয়ে স্বৈরাচারতন্ত্র কায়েম করে। ব্রিটেন, হল্যান্ড, বেলজিয়াম ছিলো রাজতন্ত্রের অধীনে। আমেরিকাতে গণতন্ত্র থাকলেও ফিলিপাইন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং মধ্য আমেরিকায় কলোনিয়াল ব্যবস্থা ছিলো তাদের। সেই তাদের মুখেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে “স্বাধীনতা আদায়ের ক্রুসেড” খেতাব দেয়াটা মনে বেশ পুলকই জাগায় বৈকি!



১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে আক্রমণ ছিলো আমেরিকার জন্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট। অক্ষশক্তি যখন পোল্যান্ড আক্রমণ করে, তখনো আমেরিকার ‘বিশ্ব-বিবেক’-এর উপরে আস্থা ছিলো। অক্ষশক্তি যখন ফ্রান্সকে মেরে তক্তা বানিয়ে দেয়, তখনো আমেরিকার বিশ্ব-বিবেকের উপরে আস্থা ছিলো। অক্ষশক্তি যখন ইউরোপের সাথে সাথে এশিয়াও দখলে নিতে শুরু করলো, তখনো আমেরিকার বিশ্ব-বিবেকের উপরে আস্থা ছিলো............অন্তত ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না অক্ষশক্তি আমেরিকার পার্ল হারবারে কোনো ঘোষণা ছাড়াই আক্রমণ করে বসলো। ঠিক তখন হতেই তারা বিশ্ব-বিবেকের উপরে আস্থা হারিয়ে ফেললো, আর আস্থা রাখতে শুরু করলো ‘আমেরিকান-বিবেক’-এর উপরে......

না আমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানিকে যীশু আর আমেরিকানকে এ্যান্টি যীশু হিসাবে দেখাতে এই পোষ্টের অবতারনা করছি না, এটাও সত্যি জার্মানি অসংখ্য ইহুদী নারী শিশুকে পিশাচের মত হত্যা করেছে বিভিন্ন কনসেনট্রেসন ক্যাম্পে, সেটা কিন্তু ১৯৪১ সালে শুরু করেনি, করছে ১৯৩৯ সালে কিন্তু আমেরিকার হুশ আসছে ৪১ সালে যখন তার নিজের ওপর আঘাত আসছে। বিশ্ব বিবেক, বর্তমান সভ্যতার ধারক ও বাহক বিশ্বকে গনতন্ত্র উপহার দিয়েছে, যখন নিজের তার পিঠে জাপানী চাবুকের আঘাত পরে।



এ তো গেল সেদিনের ঘটনা, আমেরিকার ইতিহাসের দিকে যদি তাকান তবে দেখবেন কলম্বাস যেদিন ভুলক্রমে আমেরিকায় পা ফেলল সেদিন থেকেই আমেরিকার বর্তমান সাদা প্রজন্মের উত্তরসুরীরা সব গুলো ছিল চোর ডাকাত, গুন্ডা, বদমাস কারন কলম্বাসের ওই সব জাহাজের নাবিক সহ প্রায় সব অফিসার ছিল তৎকালীন উপরোক্ত গুনে গুনী। এই ঘটনা পনেরশ শতাব্দীর শেষ ভাগে। সেকালে সমুদ্র অভিযানে যারা যেত তারা প্রায় সবই ছিল জলদস্যু এবং নাবিক গুলো ছিল গলাকাটা ডাকাত। এক পর্যায়ে এই আমেরিকাকে সে কালের আর এক মহাজন ব্রিটিশরা কালে কালে দখল করে উপনিবেশ স্থাপন করে। এই উপনিবেশ স্থাপন করতে যে সব ব্রিটিশদের সাদা পবিত্র পা এই আমেরিকা ভু খন্ডে পড়ে তাদের প্রায় সবই ছিল সেকালে ব্রিটেন থেকে বাদ দেয়া রদ্দি পচা মাল, মানে চোর ডাকাত, খুনী বা দ্বীপান্তরের অভিযোগে অভিযুক্ত বদমাশ গুলো। এর বাইরে কিছু মানুষ আসে ভাগ্যের অন্বেষনে আমেরিকার বিস্তীর্ন ভুখন্ডের লোভে।

এই সব চোর, বদমাস, ভাগ্যান্বেষী গুলো অথবা তারো আগে যখন ইতালীয় নাগরিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেনের তৎকালীন রানির অর্থানুকূল্যে ১৪৯২ সালের ১২ অক্টোবর আমেরিকা ভূখণ্ডে অবতরণ করেন তখন সেখানে কি মানুষ বাস করত না? অবশ্যই করত। কলম্বাসের ভুলের খেসারত আজীবন দিয়ে গেছে নেটিভ আমেরিকানরা। কলম্বাস মনে করছিলো সেকালের ভু স্বর্গ ইন্ডিয়া আবিস্কার করছে, যার কারনে সে আমেরিকা নামে নতুন এক মহাদেশ আবিস্কার করেও তার ভ্রান্ত ধারনার কারনে স্থানীয়দের বাদামী গায়ের রং দেখে এদেরকে “রেড ইন্ডিয়ান” নামে অভিহিত করে। নিজেদের জাতি সত্ত্বা হারিয়ে সেকালে আদিবাসী আমেরিকানরা আজো “রেড ইন্ডিয়ান” নামে দুনিয়ায় পরিচিতি লাভ করছে। অথচ আমেরিকার আধিবাসীদের গোত্র ভিত্তিক আলাদা নাম আছে।



এই রেড ইন্ডিয়ানদের ওপর আমাদের বিবেক বর্তমান আমেরিকার উত্তরসুরীরা কি নৃশংস হত্যাকান্ড চালিয়েছে তার খোজ কয়জন রাখেন? কলম্বাস থেকেই শুরু করি, সে আমেরিকার বাহামাস দ্বীপপুঞ্জে নামে সেখানে তখনকার আদিবাসীদের যে গোত্র বাস করত তাদের নাম আরাওয়াক। হিস্পানিওলার একটি প্রদেশে ১৪ বছরের উপরের সব স্থানীয় ইন্ডিয়ানকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সোনা তিন মাস পরপর জমা দেওয়ার আদেশ করেন কলম্বাস। যারা এতে ব্যর্থ হয় তাদের দুই হাত কেটে ফেলা হতো এবং ফলশ্রুতিতে রক্তপাতে তারা মারা যেত। অনেকে সহ্য করতে না পেরে পালানোরও চেষ্টা করতো। তাদেরকে হিংস্র কুকুর দিয়ে খুঁজে বের করে মেরে ফেলা হতো। যাদেরকে বন্দী করা হতো তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা আগুনে পুড়িয়ে মারা হতো

এত নির্মমতা সইতে না পেরে আরাওয়াক গোষ্ঠীর লোকরা বিষ পানে গণ-আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। মায়েরা তাদের ছোট ছোট বাচ্চাদের বিষ খাইয়ে মেরে ফেলে, যাতে স্প্যানিশরা সেসব বাচ্চাদেরকে কুকুরের খাবারে পরিণত করতে না পারে। এভাবে নানা উপায়ে প্রায় ৫০ হাজার আদিবাসী আত্মহত্যা করে। খুন, অঙ্গহানী ও আত্মহত্যার কারণে মাত্র দুই বছরে হাইতির ২ লক্ষ ৫০ হাজারের অর্ধেক জনসংখ্যা লাশে পরিণত হয়, যার সবকিছুই ঘটে শুধুমাত্র স্বর্ণ উত্তোলনকে কেন্দ্র করে।



হলিউডি ওয়েষ্টার্ন মুভি দেখেন? যদি দেখে থাকেন তবে দেখবেন সাদা চামড়ার নিষ্ঠুর চেহারা এক নায়ক বিশাল এক ঘোড়ায় চড়ে বেড়াচ্ছে যার স্যাডলে রাইফেল আর দুই কোমড়ে দুই পিস্তল, গলায় রুমাল আর মাথায় হ্যাট। যাকে প্রায়ই ধাওয়া করছে অসভ্য বর্বর ইন্ডিয়ানরা। যাদের দয়া মায়া কিছুই নাই। ভয়ংকর সব দৃশ্য জীবন্ত পুড়িয়ে মারা থেকে শুরু করে জ্যান্ত চামড়া উঠানো পর্যন্ত নৃশংসতার কোনটাই এই সব রেড ইন্ডিয়ানরা বাদ দেয় না হলিউডি মুভিতে। অথচ আপনি যদি একটু ইতিহাস ঘাটেন তবে দেখবেন আসলে ঘটনা সম্পূর্ন উল্টো। সে কালের তুলনায় আধুনিক বন্দুক পিস্তলের মুখে আমেরিকান আদিবাসীদের (রেড ইন্ডিয়ান) তীর ধনুক, চাকু পাথর কতটুকু কার্যকর ছিল তার প্রশ্ন এই লেখার পাঠকদের কাছে রেখে গেলাম। এক পর্যায়ে আদিবাসীরা নিজ ভুমে পরবাসী হয়ে গুটি কতক টিকে গেল। আজকেও হয়ত এই সব আদিবাসীদের উত্তরপুরুষদের ছিটেফোটা দেখতে পাবেন সরকার কর্তৃক নির্বাচিত কোন কোন এলাকায়। যেভাবে এখন সাফারি পার্কে বাঘ সিংহ দেখতে যান আর কি অনেকটা তেমন। এক পর্যায়ে আদিবাসীরা শেষ হয়ে গেল এবং সাদাদের হুকুম তো খাটতে হবে মানুষ কোথায় পাবে? উদ্ভাবনী শক্তিতে অদ্বিতীয় সে সময়ের সাদা মানুষেরা দেখল মানুষের মত দেখতে কিছু কালো প্রানী আফ্রিকায় পাওয়া যায়, এরা মানুষের মত কথা বলে, মানুষের কথা বোঝে, আবার মানুষের কাজও করিয়ে নেয়া যায় এই সব পশুদের দিয়ে। প্রয়োজনে এই সব কালো মহিলা পশুদের সাথে জৈবিক ক্ষুধা নিবৃত করাও যায়। তো ধরে নিয়ে আস এই সব পশুদের।



১৮৬৩ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় নিয়মিত দাস আসত, যেহেতু এই দাসরা আসলে পশু অথবা তার থেকেও খারাপ পন্য হিসাবে গন্য হত তাই তাদেরকে সেভাবেই আনা হত, চলুন দেখি কিভাবে আনা হত দাস নামক এই সব পন্য ১৮০৮ সালের দিকে দাস ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয় বহু দেশে। তারপরেও চোরাবাজারে হরদম বেচাকেনা হতে থাকে দাস নামে বহু মানুষ। দাসের চালান আসত জাহাজের খোলে ভরে। যাত্রার আগে দাসদের সবাইকে খোল থেকে বাইরে এনে মেয়ে-পুরুষ নির্বিশেষে দাঁড় করানো হতো উলঙ্গ করে! তারপর মাথা মুড়িয়ে, লবণ মেশানো পানিতে শরীর ধুইয়ে বসানো হতো খেতে। দেওয়া হতো যৎসামান্য খাবার। এরপর বুকে সিলমোহর গরম করে ছেঁকা দিয়ে বসিয়ে দেওয়া হতো বিশেষ চিহ্ন। বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর দাসের মালিক আরও একটি চিহ্ন বসাবেন কপালে, একই পদ্ধতিতে, তপ্ত সিলমোহর কপালে বসিয়ে! এভাবে অব্যক্ত যন্ত্রণার মধ্যদিয়ে মানুষের গায়ে খচিত হতো ক্রীতদাসের চিহ্ন। এরপর একজনের পা আর একজনের পায়ে বেঁধে সারি সারি ফেলে রাখা হতো ক্রীতদাসদের। শিকলের আরেক প্রান্ত বাঁধা থাকত জাহাজের দেয়ালে, নড়াচড়ার উপায় ছিল না কোনোভাবে। দিনে দুবার দেওয়া হতো সামান্য খাবার আর পানি।



সামান্যতম প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলেই গায়ে পড়ত নির্মম চাবুক। সপ্তাহে একদিন লোক আসত দাসদের নখ কেটে দিতে। কেউ যাতে নিজেদের মধ্যে মারামারি করে মরতে না পারে কিংবা ধারালো নখ দিয়ে শিরা কেটে আত্মহত্যা করতে না পারে, এই জন্য ছিল এই ব্যবস্থা। মৃত্যু তো রুখতেই হবে, কারণ দাস ব্যবসা মানেই কাঁচা পয়সা, দাসের মৃত্যু মানেই লোকসান। জাহাজের খোলগুলো ছিল মাত্র দুই ফুট উঁচু। তার ভিতর অবিশ্বাস্যভাবে গাদাগাদি করে থাকতে হতো ক্রীতদাসদের। ১৮৪৭ সালে ‘মারিয়া’ নামের একটি জাহাজের পঞ্চাশ ফুট দীর্ঘ আর পঁচিশ ফুট চওড়া একটি খোলে পাওয়া গিয়েছিল ২৩৭ জন দাস। ‘ব্রুকস’ জাহাজের একশ ফুট লম্বা আর পঁচিশ ফুট চওড়া একটি খোলে ঢোকানো হয়েছিল ৬০৯ জন দাস। ব্রুকস-এর ক্যাপ্টেন খোলের ভিতর বসিয়েছিলেন আরও একটি তক্তা, তাতে দুই ফুট উঁচু খোলে ধরানো হয়েছিল দুই প্রস্থ মানুষ। সোজা হয়ে শোয়া তো দূরের কথা, পাশ ফেরারও উপায় ছিল না। এভাবে ব্রুক্সসের দাসদের থাকতে হয়েছিল টানা দশ সপ্তাহ। মল-মূত্র-কফ-থুথু-বমি সব জড়ো হতো ওখানেই।

এমন অনাচার সহ্য না করতে পেরে অনেক সময়ই আত্মহত্যা করতে চাইত ক্রীতদাসরা। তারা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিত মরার জন্য। কিন্তু এত সহজে তো লোকসান দিতে রাজি নয় জাহাজের ক্যাপ্টেন। তাই প্রত্যেক জাহাজেই রাখা হতো বিশেষ একটি যন্ত্র, যার সাহায্যে দাসের ঠোঁট কেটে দাঁত ভেঙে পেটে নল ঢুকিয়ে খাইয়ে খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখা হতো। একবার এক শিশু দাস কোনোমতেই খেতে রাজি না হওয়ায় চাবুক মেরে হত্যা করা হয় তাকে। তারপর ওই শিশুর মাকে বাধ্য করা হয় সন্তানের মৃতদেহটিকে সাগরের বুকে নিক্ষেপ করতে। শাস্তি দেবার জন্য খোলের ভিতর বন্দি দাসদের শরীরে নল দিয়ে ছিটিয়ে দেওয়া হতো ফুটন্ত পানি।



১৮৪৪ সালে ‘কেন্টাকি’ জাহাজের দাসরা বিদ্রোহ করলে নির্মমভাবে দমন করা হয় ওই বিদ্রোহীদের। কাউকে গলায় দড়ি দিয়ে, কাউকে গুলি করে মেরে কিংবা জীবন্ত অবস্থাতেই বরফে সাগরের পানিতে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এমনতর কাহিনীর যেন শেষ নেই কোনো। ‘ব্রিলান্ড’ জাহাজের ক্যাপ্টেন হোমানস দাস ব্যবসা করত লুকিয়ে-চুরিয়ে। কেননা তখন দাস ব্যবসাকে করা হয়েছে বে-আইনি। এমনই এক চালানের সময় তার জাহাজের পিছু নিল ব্রিটিশ নৌবাহিনীর চারটি জাহাজ। হোমানস দেখল মহাবিপদ, তার জাহাজের খোল ভর্তি ক্রীতদাস, ধরা পড়লে তো আর রক্ষা নেই। বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ৬০০ জন দাসকে পরপর মালার মতো বাঁধলেন একে অন্যের সাথে, তারপর জাহাজের সব বড় বড় নোঙর বেঁধে তাদেরকে ডুবিয়ে দিলেন সাগরের পানিতে। নৌ-বাহিনীর লোকেরা জাহাজ পরীক্ষা করে ফিরে গেল সন্তুষ্ট হয়ে। ওই জাহাজে কোনো ক্রীতদাস নেই! পেছনে পরে রইল ৬০০ মৃত মানুষের দেহ।



ওগুলো দূর অতীতের কাহিনী। খুজলে সারা বিশ্বের সব জাতিতে এই ধরনের ঘটনা পাওয়া যাবে এটা হোয়াইট সুপ্রিমেসীতে যারা বিশ্বাস করে অথবা তাদের পদলেহী সুবিধাভোগী তারা এই যুক্তি টানবে, এক্ষেত্রে একটু স্মরন করিয়ে দেই, সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারে জিউ হলোকাষ্টের সময় ইহুদীদের যে সব কনসষ্ট্রেশন ক্যাম্প ছিল তার মুল দায়িত্ব ছিল জুইস কিছু মানুষের হাতে যাদের "ক্যাপু" বলা হত। এদের ওপর আবার খবরদারি করত নাৎসিরা আবার সে সময় কালোদের ওপর যে নিগ্রহ হত তা হত মুলতঃ তাদের স্বজাতির দ্ধারা যারা কিছুটা ভালো থাকা বা ভালো খাবারের লোভে। এটা অন্যায়ের কিছু নাই, কারন ঐ সব পরিস্থিতিতে নিজে বাচলে বাপের নাম। যাক বর্তমানে ও কিছু কালুয়া আছে যারা সামন্য কিছু সুবিধার জন্য সাদাদের পদলেহন করতে দ্বিধা করেনা। আগে যা হয়েছে মানে সেই বিংশ শতাব্দীতে তা নিয়ে আমার অভিযোগ নেই কারন সে সময় পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন, কিন্তু এই যুগে!!! এটা ঠিক আমার বোধগম্য না।



হোয়াইট সুপ্রেমেসীর আর এক জঘন্য নিদর্শন কু ক্লাক্স ক্লান। কাগজ কলমে দাস ব্যাবসা শেষ হবার পর এই সব কালো মানুষ গুলোকে বশে রেখে ভয় দেখিয়ে হত্যা করে কাজ করানোর জন্য সাদা মানুষদের যে সংগঠন তৈরী হয়েছে তার নাম কু ক্ল্যাক্স ক্লান। আমেরিকান বর্নবাদের এক চুড়ান্ত নিদর্শন এই কু ক্ল্যাক্স ক্লান। ১৮৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কনফেডারেট আর্মির ছয়জন প্রবীণ সৈন্য টেনিসির পুলাশকিতে প্রথম ক্লান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৮৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে প্রথম কু ক্লাক্স ক্লান বিকশিত হয়। হাজার হাজার কৃষ্ণাঙ্গ এবং সাদা মানবাধিকার কর্মী এক কুখ্যাত কু ক্ল্যাক্স ক্ল্যানের হাতে নিহত হয়। এদের বর্ননায় গেলে লেখা আর শেষ হবে না। তাই ওদিকে না যাই। বর্তমানেও এই কুখ্যাত সংগঠন গোপনে কাজ করে যাচ্ছে।

মানবাধিকারের জন্মদাতা আমেরিকার পূর্ব পুরুষদের বিচার ব্যাবস্থার আর একটা দারুন উদাহরন ছিল লিঞ্চিং মব। সোজা বাংলায় যাকে বলে গনধোলাইয়ে মৃত্যু। অবশ্য উনারা মারা মারি খুব একটা করতেন না, সোজা ধরে ফাঁসি অথবা পুড়িয়ে হত্যা। ইতিহাসবিদদের ধারণা, ১৮৮১ থেকে ১৯৬৮-র মধ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৪৭৪৩ জনকে মব লিঞ্চিং করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৪৪৬ জন কৃষ্ণাঙ্গ। দক্ষিণের ১২ টি প্রদেশে ১৮৭৭ থেকে ১৯৫০-এর মধ্যে এইভাবে মারা হয়েছে ৪০৮৪ জনকে। বাকি ৩০০ জন মরেছে অন্যান্য প্রদেশে। বিখ্যাত উপন্যাস সিনেমা “টু কিল আ মকিং বার্ড” এর গল্প আবর্তিত হয়েছে এই লিঞ্চিং মবকে নিয়ে। ছবিটা দেখার মত।

১৮৬৫ সালের এপ্রিলে আব্রাহাম লিংকন খুন হওয়ার পর প্রস্তাবিত ইউনিয়ন পুনর্গঠনের দায়িত্ব পড়ে তার রাজনৈতিক উত্তরসূরি এন্ড্রু জনসনের কাঁধে। টেনেসিতে জন্মগ্রহণকারী ইউনিয়নবাদী এই রাজনীতিবিদ অঞ্চলভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তিমত্তায় বিশ্বাসী ছিলেন। ফলশ্রুতিতে তিনি ইউনিয়ন পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চলের শ্বেতাঙ্গদের দাবিগুলোকে প্রাধান্য দেন। মূলত গৃহযুদ্ধের জন্য দক্ষিণের শ্বেতাঙ্গরাই বেশি দায়ী। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, দক্ষিণের রাজ্যসমূহকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে রাখার জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের দাবিগুলোও প্রাধান্য দেয়ার দরকার ছিল। সে কারণেই হয়তো এন্ড্রু জনসন এমন কৌশল অবলম্বন করেন। অনেক বিতর্কের পরেও সংবিধানের নতুন সংশোধনীতে দক্ষিণের রাজ্য সমূহের আংশিক সমর্থন আদায় করতে পেরেছিলেন তিনি। এরই মাঝে দক্ষিণের অনেক আইনসভা কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য বিধিনিষেধ স্বরূপ নতুন ব্ল্যাক কোড আইন পাশ করে। এতে করে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে তাদের জীবনযাত্রা। এসব দেখে কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মূলত দক্ষিণাঞ্চলে ব্ল্যাক কোডের আড়ালে আবারও দাসপ্রথার প্রবর্তনের চেষ্টা করছিল শ্বেতাঙ্গরা। কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার তখনো সুদুর পরাহত।



এর পর বিরাট কাহিনী টাহিনী করে ১৯৬৫ সালের মার্চ মাসে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং কিছু সংখ্যক আন্দোলনকারীকে সঙ্গে নিয়ে বিশাল লোকসমাগম তৈরি করে আলাবামার রাজপথে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন পরিচালনা করেন। তাদের দাবি ছিল কৃষ্ণাঙ্গ আমেনিকানদের ভোটাধিকারের সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেয়া এবং পূর্ণাঙ্গ নাগরিক সুবিধা আদায় করা। দুর্ভাগ্যবশত তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আক্রমণ করে শ্বেতাঙ্গ সংগঠনের কর্মীরা। এতে করে আন্তর্জাতিক বিশ্বের নজর পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের দিকে। পরের বছর প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন ভোটাধিকার আইনে স্বাক্ষর করেন। এতে করে মার্কিন নাগরিকদের ভোটাধিকার অর্জন করতে স্বাক্ষরতাসহ বিভিন্ন প্রকার যোগ্যতা প্রমাণের পদ্ধতি বাতিল হয়। এগুলো সেদিনকার কাহিনী।

মহান আমেরিকা, গ্রেট আমেরিকা বর্তমানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে যত গুলো যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে তার প্রায় সব গুলোতেই তার সক্রিয় অংশ গ্রহন ছিল বা আছে। আর যাতে সক্রিয় নাই সেগুলোতে পেছন থেকে কল কাঠি নাড়ছে। আবার অনেকে বলবেন, এই মহান জাতি এখন বিশ্বে সব দেশ থেকে তাদের দেশে মানুষ নিয়ে এক মাল্টি কালচার জাতি তৈরী করে পৃথিবীর সামনে এক উদাহরন তৈরী করছে, বাস্তবতা হল সে তার নিজের প্রয়োজনে সুস্থ্য এবং প্রসপেরাস জীবনের লোভ দেখিয়ে মুলতঃ বিশ্বের ব্রেইন ড্রেইন করছে। বর্তমানে ইউনি পোলার বিশ্বে সারা পৃথিবী এক অস্থির সময় কাটাচ্ছে সেখানে খুব স্বাভাবিক ভাবেই এক মোড়লের দেশে মানুষ ভালো আছে। সে লোভেই সোনার দেশের দিকে যাবার জন্য সবার এক পা বাড়ানো। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু সেই ভালো জীবনের লোভে আমরা যেন আমাদের উৎসকে ভুলে না যাই। রুটস বইটা সবার একবার পড়ে দেখা উচিত।

সত্যি কথাটা হলো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিলো শয়তানের সাথে শয়তানের লড়াই। সাধারণ জনগণ ছিলো বিভ্রান্ত, আর দাবার চাল দেয়ায় ব্যস্ত পলিটিশিয়ানরা ছিলো বিভ্রান্ত, সর্বস্ব হারানো জনগণকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ কায়েমে ব্যস্ত। ১৯৪৫ সালের ১৬ এপ্রিল থেকে যখন সোভিয়েত রেড আর্মি বার্লিনের দিকে এগুতে থাকে শেষ ফয়সালার জন্যে, তখন আমেরিকান জেনারেল আইজেনহাওয়ারের নির্দেশে আমেরিকান সৈন্যরা বার্লিনের বাইরে জার্মানির পশ্চিম প্রান্তে চুপচাপ বসে থাকে। কারণ তাদের চিন্তা ছিলো, বার্লিন দখল করে তাদের কোনো লাভ নেই। ওটায় তারা লাভের গুড় কিছুই পাবে না। ওটা ইউরোপের অংশ। আর সোভিয়েত রেড আর্মি যখন ১৬ এপ্রিল ১৯৪৫ সালে বার্লিনে অগ্রসর হয়ে ২ মে সেটা দখল করে ফেলে, তখন রচিত হয় আরেকটা কলঙ্কজনক অধ্যায়ের। বার্লিন হয়ে যায় ইতিহাস কুখ্যাত একটা নগরী, যেখানে সর্বাধিক পরিমাণ নিরীহ নারীরা গণ ধর্ষিতা হয়েছিলো। ইতিহাস যে রচিত হয় বিজয়ীদের দ্ধারা।

তাহলে কেন এই বক্তব্য যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিলো ভালোর সাথে মন্দের লড়াই? কারণ বেশীরভাগ মানুষই বুঝে উঠতে পারে না, কোথায় ‘প্রতিশোধ’ আর ‘ন্যায়বিচার’-এর পার্থক্যকারী সীমানাটা অবস্থিত। সেটাকেই কাজে লাগিয়ে ক্ষমতাবানেরা গুটি চালে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে। ন্যায়বিচারের নামে চলে শোধ। শোধের পরে আসে প্রতিশোধ। এভাবেই চলতে থাকে একে অপরের চোখ উপড়ে ফেলার কাজ। আর গান্ধীর বলে যাওয়া কথাটাই দিন শেষে সত্য প্রমাণিত হয়, “An eye for an eye only ends up making the whole world blind”.

বর্তমানে এক তরফা অভিযোগ যেভাবে চীনের দিকে দেয়া হচ্ছে করোনা নিয়ে তাতে সামনে একটা ঝামেলা বাধলেও বাধতে পারে, অথচ হু থেকে শুরু করে বাকী সবাই বলছে এই ভাইরাস মনুষ্য সৃষ্টি না প্রাকৃতিক, অথচ প্রপাগান্ডার কারনে এখন অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করছে এটা চীনের কোন এক গবেষনাগার থেকে এ্যাক্সিডেন্টালি ছড়িয়ে পড়ছে। নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য সবার চেহারাই এক, তাতে গায়ের রং সাদা হোক আর পীত হোক আর যাই হোক। মধ্য দিয়ে আমাদের মত সাধারন মানুষ গুলো এর প্রতিফল ভোগ করে তা সাদা, কালো, পীত, ব্রাউন কোন ব্যাপার না। যেমনটা ঘটছে সাধারন আমেরিকানদের ক্ষেত্রে ভিয়েতনামে।

কয়েকদিন আগে ব্লগার সুপারডুপার ভাই আর এক পোষ্টের কমেন্টে নচিকেতার একটা গানের উদ্ধৃতি দিয়েছিল প্রসঙ্গক্রমে, প্রাসাঙ্গিক ভাবে সেই গানের লাইন কটা তুলে দিলামঃ

বিজয়ীরা বরাবর ভগবান এখানেতে,
পরাজিতরাই পাপী এখানে
রাম যদি হেরে যেত, রাবায়ন লেখা হত
রাবন দেবতা হত সেখানে
কেন পথ নিয়ে মাথাব্যাথা?
কেন পথ নিয়ে মাথা ব্যাথা, জেতাটাই বড় কথা
হেরে গেলেই শেম শেম
ইটস এ গেম, ইটস এ গেম।


এই পর্যন্ত যারা কষ্ট করে পড়ছেন তারা দয়া করে সাড়ে চার মিনিটের এই ভিডিওটা দেখে নেবেন। দেখবেন মানুষের পৈশাচিকতাঃ



ছবিঃ অন্তর্জাল, সূত্রঃ লেখায় বিভিন্ন জায়গায় নীল শব্দগুলোতে ক্লিক করলেই লিংক পাওয়া যাবে।

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আপনার মতো পোষ্ট লিখতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি।
অনেক সময় লাগে, অনেক পড়তে হয়। তারপর এরকম সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা। ও বাবা আমার দ্বারা হবে না।

০৯ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৪২

শের শায়রী বলেছেন: হয়ে যাবে রাজীব ভাই, সামান্য একটু ধৈর্য্য। আর কিছুই না। বাকী সব আপনার আছে। অপেক্ষা করছি আপনার তথ্য মুলক কোন লেখার। অগ্রিম অভিনন্দন

২| ০৯ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলছেন যে, ১৯৩৯ সালে, ২য় বিশ্ব যুদ্ধের শুরুর সময়, "বৃটেন, ফ্রান্স, হল্যান্ড, বেলজিয়াম, সোভিয়েত ছিলো রাজতন্ত্রের অধীনে"!

আপনার মতে, ১৯৩৯ সালে, সোভিয়েত ছিল রাজতন্ত্রের অধীনে? যাক, ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের পর থেকেই উহা কম্যুনিষ্ট পার্টির পরিচালনায় সমাজতান্ত্রিক ইউনিয়ন ছিল।

০৯ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:২৩

শের শায়রী বলেছেন: অশেষ কৃতজ্ঞতার সাথে সংশোধন করা হল মুরুব্বী। অনেক ধন্যবাদ। আরো যদি ভুল থাকে কাইন্ডলি ধরিয়ে দিন অবশ্যই ঠিক করে নেব।

৩| ০৯ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:১০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: পরিশ্রমী পোস্ট। তবে একটু পরে দেখা যাবে, একজন আলাদা নিজের পোস্টে অপ্রাসঙ্গিকভাবে আপনার পরিশ্রমী পোস্টকে এক তুড়িতে উড়িয়ে দিবেন। এসব সাইক্লপসরা হয়তো Bury My Heart at Wounded Knee- বইটির নামও শোনেনি কারণ সকাল-বিকাল আমেরিকার উপাসনায় মত্ত তারা। এদের মন্ত্র হচ্ছে, আমেরিকার ভালোটা ভালো, খারাপটা আরও ভালো।

০৯ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৪৭

শের শায়রী বলেছেন: প্রথমেই অশেষ ধন্যবাদ পাঠে এবং মন্তব্যে। কেউ যদি আলাদা পোষ্ট দেয় সেক্ষেত্রে আমার কিছু বলার নেই কিন্তু কেউ যদি আমার পোষ্ট তর্কে আসে তাকে ওয়েলকাম :)

অসাধারন এই ক্লাসিক মুভিটির লিঙ্ক দিয়ে দিলাম কেউ চাইলে যেন দেন দেখতে পারে। তার আগে আপনাকে আবার ধন্যবাদ এই ছবিটার নাম মনে করিয়ে দেয়ায়ঃ

Bury My Heart at Wounded Knee

৪| ০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:০২

রাফা বলেছেন: চমৎকারভাবে ইতিহাসের ২য় বিশ্বযুদ্ধের পটভুমিকায় অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে সাজানো লেখাটি অনন্য। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সব ছবিতেই নায়ক হোচ্ছে সাদা চামড়ার আমেরিকানরা।অথচ প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধের প্রতিটিতে পরাজিত হয়েছে মিত্রবাহিনী।২/১ টি ব্যাতিক্রম ছাড়া আমি কোন চলচ্চিত্র কিংবা বই পাইনি।

পৃথিবির প্রতিটি জাতিতেই অস্তিত্য রয়েছে মির্জাফরদের ভিন ভিন্ন রুপে।জলদস্যুরাই মূলত আবির্ভুত হয়েছে বিজয়ী বীরের বেশে।এদেরকেই বিভিন্ন উপাধী দিয়ে নিয়োজিত করা হয়েছে সেনানীর ভুমিকায়।

বর্তমান বিশ্বেও এই তথাকথিত গণতন্ত্রের ধ্বজাধারীরা গণতন্ত্র কায়েম করছে রাজতন্ত্রের সাথে হাত মিলিয়ে।সৈরতন্ত্রেও তাদের আপত্তি নেই।যদি লাভের গুড় তারা যথযথভাবে পেয়ে যায়।গণতন্ত্র হচ্ছে সেই ব্যাবস্থা গাধার সামনে মুলো ঝুলিয়ে কার্য হাসিল করা।পৃথিবির কোন দেশেই কার্যত গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই।এখন চলছে মিডিয়াতন্ত্র।তোতা পাখির মত যে বুলি শেখানো হচ্ছে।সেই বুলিই ছড়িয়ে দিচ্ছে মিডিয়ার মাধ্যমে।যা তারা দেখাতে চায়না তা আপনি দেখার চেষ্টা করলেই টের পাবেন গণতন্ত্র কাহাকে বলে।
আবোল,তাবোল অনেক কিছুই বলে ফেললাম।খুব ভালো হইছে লেখা যদিও বাস্তবতা এর চাইতে শতগুন নিষ্ঠুর।

ধন্যবাদ,শে.শায়রী।

০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৪৪

শের শায়রী বলেছেন: দারুন এক মন্তব্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ রাফা ভাই। যা তারা দেখাতে চায়না তা আপনি দেখার চেষ্টা করলেই টের পাবেন গণতন্ত্র কাহাকে বলে। এই লাইনের পর আর কিছু বলার নাই রাফা ভাই।

৫| ০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:০৩

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এইসব দেখার জন্য অতদূর যাবার দরকার নেই।মাত্র সেদিন ইরাক আর সিরিয়ায় ,ইয়াজিদি ও কুৃর্দিে জনগুষ্ঠির উপর কি নিষ্ঠুর অত্যাচারই না করা হলো।পাকিরা আমাদের উপর ইতিহাসের জঘন্যতম অত্যাচার করলো।এইসব অত্যাচার যুগে যুগে ছিল,বর্তমানে আছে হয়তো আরো কয়েকশ বছর থাকবে।এতো পুরোন কথা জেনে বর্তমান মানুষের কোন লাভ নেই।যারা ছাত্র পরীক্ষা দিতে যাবে,অথবা যারা ইতিহাস নিয়ে ঘভেসনাকরে তাদের এসব জানা দরকার আর এজন্য বাজারে প্রচুর বই পুস্তক পাওয়াযায়।আজকার দিনে ৫০০ মানুষ সাগরে ভাষছে তাদের কথা চিন্তা করেন,তাদের নিয়ে লিখেন।

০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:০৫

শের শায়রী বলেছেন: "ল্যাঞ্জা ইজ ভেরী ডিফিকাল্ট টু হাইড" ব্লগের এই বিখ্যাত ডায়লগটা কি জানেন সিনিয়র :P আপনার মন্তব্য গুলো আমি চেক করলাম অন্যান্য পোষ্টে। আবার নামটাও নিছেন নুরুলইসলাম। আপনার ব্লগ পরিসংখ্যানঃ



শোনেন সিনিয়র সবাইকে দিয়ে সব হয় না, মাল্টিবাজি একটা আর্ট। আপনার মত মানুষকে দিয়ে আর যাই হোক আর্ট হবে না ;) অরিজিন্যাল নিকে কমেন্ট তো দিলেনই আবার মাল্টি ফাল্টি কেন? খারাপ লাগে দেখতে :)

৬| ০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: অমানুষগুলো এখনও অমানুষই রয়ে গেছে শুধুমাত্র মানবতার মহানায়কের পোশাকের আড়ালে। ইতিহাসে বর্বরতার শিকার মানুষগুলোর অভিশাপে নতুন শুভ্রতায় সৃজিত হোক পৃথিবী এ আশায় চলেছি করোনা উত্তর পৃথিবীর দিকে।

০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:০৮

শের শায়রী বলেছেন: ইতিহাসে বর্বরতার শিকার মানুষগুলোর অভিশাপে নতুন শুভ্রতায় সৃজিত হোক পৃথিবী এ আশায় চলেছি করোনা উত্তর পৃথিবীর দিকে। একই আশা নিয়ে পথ চলছি জাফরুল ভাই, তাতে কোলাটারেল ড্যামেজ হিসাবে কিছু সাধারন মানুষও যাবে সে লিষ্টে যদি আমার নামও থাকে, ভবিষ্যত শুভ্র, সফেদ পৃথিবীর নিমিত্তে তা মেনে নেব।

৭| ০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:২৩

Rajibrpsoft বলেছেন: ভাইরে এত নির্মমতা পড়তে গিয়ে নিজের চোখে পানি চলে আসল.....জানিনা আপনার লিখতে গিয়ে কতনা কষ্ট হয় .....

০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৯

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় ভাই, আসলে কিছু কারনে নিজে অনেক আগে পাথরের মত হয়ে গেছি। নির্মমতাও যেমন খুব একটা গায়ে লাগে না, তেমনি ভালোবাসাও খুব একটা আন্দোলিত করে না। অনেকটা অনুভুতিহীন হয়ে যাচ্ছি। তাও যে মাঝে মাঝে অনুভুতি একদম দোলা দেয় না তা অস্বীকার করিনা। পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

৮| ০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:২৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিশ্বযুদ্ধের পটভুমিকা ও দাশপ্রথা, বর্বরতা ইত্যাদি প্রসঙ্গ নিয়ে আপনার লেখাটি অন্যান্ন লেখার মতই অনন্য।

তবে আমার ধারনা ৩য় বিশ্বযুদ্ধ বা কোন বিশ্বযুদ্ধ আর হবে না। পারমানবিক অস্ত্রও ব্যাবহারের প্রয়জন ৭০ বছরেও লাগে নি, আগামীতেও লাগবেনা বলা যায়, আর এমনিতেই সাধারন যুদ্ধও কমে এসেছে।
এমনিতেও যুদ্ধের যুগ শেষ। ৭৩ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ৮০র দশকে ইরান ইরাক যুদ্ধের পর বিশ্বে আর কোন যুদ্ধ হয় নি।
এরপর যা যা হয়েছে এগুলোরে যুদ্ধ বলেনা, বলা যায় মাইর দেয়া বা শায়েস্তা করা।

দু বছর আগে ভারত একটি চীনের ছিটমহলে প্রবেশের একমাত্র রাস্তাটির দখল নিলে চীন বিপুল ট্যাঙ্ক কামান নিয়ে সেখানে হাজির হলে যুদ্ধ পরিস্থিতির শৃষ্টি হয়।
মাসখানেক বিতন্ডা চলর পর উভয়ের সুভবুদ্ধির উদয় হলে একটি অলিখিত জেন্টলম্যন এগ্রিমেন্টে সীমান্তরক্ষীরা বাদে উভয় দেশ সকল সৈন্যসামন্ত লটবহর সরিয়ে নেয়।
যুদ্ধ বর্তমানে কেউই চায় না।

০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২০

শের শায়রী বলেছেন: প্রথমেই পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা হাসান ভাই। আমি আসলে শেষ প্যারায় ঝামেলা বলতে "যুদ্ধ" মীন করি নাই। কারন কোন অবস্থাতেই আমেরিকার চীনের সাথে যুদ্ধে যাবার মত অবস্থা নেই। চীন মানে ইরাক বা সিরিয়া বা আফগানিস্থান না, যারা নিজেদের অর্ন্ত কোন্দলে জর্জরিত। দেখলেন না ইরানেই কিছু করতে পারল না সেখানে তো চীন!

আমি আসলে ঝামেলা বলতে এই মনে করেন ম্যাক্সিমাম সীমিত আকারে লোক দেখানো বানিজ্য অবরোধ, হুমকি ধামকি বুঝাইছি, তাতেও আমাদের মত কান্ট্রি গুলার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।

এটা ঠিকই বলছেন ৭৩ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ৮০র দশকে ইরান ইরাক যুদ্ধের পর বিশ্বে আর কোন যুদ্ধ হয় নি। এরপর যা যা হয়েছে এগুলোরে যুদ্ধ বলেনা, বলা যায় মাইর দেয়া বা শায়েস্তা করা।

৯| ০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:২৯

হাসান রাজু বলেছেন: আসলে মানুষ সবই জানে। খুব ভালো করেই বিশ্বাস করে এই যুদ্ধবাজরা কখনই মানুষের স্বার্থে লড়ে না। এর পেছনে ক্ষমতা, টাকার একটা বড় খেলা রয়েছে। কিন্তু কিছুই করার নেই, তাই চুপ থেকে নব্য সভ্যদের চাপাবাজি শুনে আর বুকে হাহাকার নিয়ে চুপটি মেরে মুচকি হাসে।
মানুষ কতটা অসহায় একবার ভেবে দেখেন। দুটো মোষ যখন লড়াই করতে নামে তখনো মানুষ কিছুই করতে পারেনা । অপেক্ষা করে কখন তারা ক্লান্ত হবে। সেখানে মরানাস্ত্রে সজ্জিত যুদ্ধবাজ বলেন কিংবা জগদ্বিখ্যাত (!) কলম্বাস ই বলেন তাদের সামনে কিভাবে দাঁড়াবে মানুষ।
আপনার পোস্টে পরিস্কার চিত্র পাওয়া যায় - নৈরাজ্যের শুরু মানুষকে দিয়ে শিকার ও সেই মানুষ।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ৮:১৪

শের শায়রী বলেছেন: হাসান ভাই অনেক দিন আপনাকে দেখি নাই। কোথায় ছিলেন ভাই? ভালো আছেন তো। হ্যা প্রতিটা নৈরাজ্য এবং অপরাধের শুরু হয় মানুষ শিকার দিয়েই আর শিকারী সেও ওই মানুষ। ইতিহাসে যাদের মহান হিসাবে আমরা জানি মুলতঃ বিজেতা বা নতুন ভুখন্ড আবিস্কারক হিসাবে তাদের কেউ কারো থেকে কম নৃশংস ছিল না, এমন কি আব্রাহাম লিংকন যাকে দাস প্রথা উচ্ছেদের মুল হিসাবে ধরা হয়, সে কতটা আন্তরিক আর কতটা রাজনৈতিক কারনে মানে উত্তর আর দক্ষিনের চাপান উতরানে এই দাস প্রথা উচ্ছেদ করছিলো তা একটু ইতিহাস হাতড়ালেই বুঝা যায়। অথচ কি মহান হিসাবে উনাকে জানি আমরা!! তবে হ্যা এরা ছিল সে আমলের তুলনায় মন্দের ভালো।

অনেক দিন পর দেখা পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

১০| ০৯ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:১৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিশ্বের এক নাম্বার শক্তিধর দেশ হওয়ার জন্য রিসোর্সের সর্বোচ্চ ব্যবহারই যথেষ্ট না, এর সাথে বৃটিশদের সেই বিখ্যাত পলিসি, 'ডিভাইড এন্ড রুল' ও খুবই জরুরী। সে জন্যেই তারা সারা বিশ্বে এর পিছনে ওকে, আর ওর পিছনে একে লাগিয়ে রাখে। অস্ত্র বিক্রয় করার জন্যও এটা খুবই দরকারী। যুদ্ধ না থাকলে অস্ত্র বিক্রি করবে কার কাছে? সেজন্যে আম্রিকাকে বর্তমান বিশ্বের সবচাইতে বড় খুনী দেশ (ডাইরেক্টলি অর ইনডাইরেক্টলী) বললে ভুল বলা হবে না। শুধুমাত্র ২০১৭ সালে সরকারী হিসাবেই তারা আয় করেছিল ১৯২.৩ বিলিয়ন ডলার।

কালোদের উপর অমানুষিক এবং অসহনীয় অত্যাচার করা হয়েছিল সত্যি, তবে মানব ইতিহাস ঘাটলে দেখবেন, সব সময়েই দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার হয়েছে সব দেশে, সব যুগে; এবং তার কোনটাই কোনটার থেকে কম ছিল না। যতো পিছনে যাবেন, বর্বরতা ততটাই বাড়বে। দাস ব্যবসা সারা পৃথিবীতেই ছিল, তবে গায়ের রং এর উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হওয়াতে এটা ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। আর যেটা বলেছেন.....চোর ডাকাতদের নৃশংসতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী হবে বলাই বাহুল্য।

কু ক্ল্যাক্স ক্ল্যান দু'এক জায়গাতে দেখলাম ক্লু ক্ল্যাক্স ক্ল্যান হয়ে গিয়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, হল্যান্ড, বেলজিয়াম ছিলো রাজতন্ত্রের অধীনে। ফ্রান্সকে তালিকা থেকে বাদ দিয়েন। ওখানে রাজতন্ত্র ছিল না।

চীন আজকে যদি সুপারপাওয়ার না হতো, তাহলে নিশ্চিত থাকেন আম্রিকা এবং টেরাম্পের সৌজন্যে তাদেরকে ইরাক আর লিবিয়ার পরিণতি ভোগ করতে হতো, করোনা ছড়ানোর অভিযোগের ধুয়া তুলে।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১০:০৮

শের শায়রী বলেছেন: ঠিক কইরা দিছি স্বজাতি। চীনের লগে ক্যাচাল করতে পারবে না, বড় জোর হুমকি ধামকি পর্যন্তই সার, তার বেশী কিছু করা এখন আর গ্রেট আমেরিকার পক্ষে সম্ভব না। ইরানের সাথেই বড় জোর দাত খিচানো পর্যন্ত চলছে। কিন্তু সমস্যা হল এই সব পাডা পুতায় ঘষাঘষি আর মইধ্যে দিয়া প্রান যায় মরিচের মত অবস্থা হবে আমাদের মত গরীব দেশ গুলার। আর সব থেকে বড় কথা এই পাগল টেরাম্প যত দিন ক্ষমতায় থাকবে তত দিন আমেরিকার অধঃপাত নিজে নিজেই হবে কারো কিছু করা লাগবে না। আর এই পাগল তো ক্ষমতায় আসছেই হোয়াইট সুপ্রেমেসী ধুয়া তুইলা।

১১| ০৯ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: আইনস্টাইনকে নিয়ে দীর্ঘ মন্তব্য ভেবে রেখেছি, করার সুযোগ পাচ্ছি না, এরমধ্যেই আরেকটা পোস্ট!! অল্প পড়ে লাইক দিয়ে গেলাম। আগের মন্তব্য করে পারলে আসবো।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১০:১৩

শের শায়রী বলেছেন: কি করব বোন টাইম পাস হচ্ছে না, খালি পড়ি আর মাঝে মাঝে লিখি। তাও লিখতে খুব বেশী সময় লাগে না, টাইপ করতে যা সময় :) অপেক্ষায় থাকলাম আইনষ্টাইনের পোষ্টে আপনার মন্তব্যের।

১২| ০৯ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: বড় ভাই কষ্ট লাগেনি পড়তে। সাদা চামড়ারা জয়ী হওয়ার পর ও কত নির্মম ইতিহাস । বাস্তবতা কতটা ভয়াবহ আল্লাহ তায়ালা ভালো জানেন। এই যদি হয় ইতিহাস তাহলে সত্য নাগালের অনেক বাইরে। আল কুরআন একমাত্র শুধু প্রকৃত ইতিহাস ধারণ করে। বিজয়ী রা আসলে ইতিহাস বিভ্রান্তকারি।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১০:১৯

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় কবি ইতিহাস যে সব সময় বিজয়ীর গীত গায় পরাজিতকে মনে রাখে না। সেখানে পরাজিতের জীবন বাচাতে হত্যা হয়ে যায় নৃশংসতা আর বিজয়ীর হত্যা গৃহীত হয় বীরত্ব হিসাবে।

১৩| ০৯ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৫৩

পদ্মপুকুর বলেছেন: আমারও খানিকটা করুণাধারার মত অবস্থা। আপনার আগের পোস্টের যুতসই মন্তব্য ভেবে শেষ করার আগেই আপনার নতুন পোস্ট!! সাজিদ আবির এবং আপনাকে দেখে খুব বিস্মিত হই।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৩৯

শের শায়রী বলেছেন: কেমন আছেন ভাই? আপনাকে অনেক দিন ধরে দেখি না, আমার পোষ্টের কনটেন্টগুলো সাধারন একটু পড়ে জাষ্ট টাইপ করা, সেদিক দিয়ে দেখলে সাজিদ আবির দারুন করছে, আমিও মুগ্ধ হয়ে উনার লেখা গুলো দেখছি। উনার লেখার ডেপথও দারুন। পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

১৪| ০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৭

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ, প্রাসঙ্গিক, সুচিন্তিত এবং কষ্টসাধ্য একটি লেখার জন্যে শেরশায়েরি ভাইকে অভিনন্দন, এবং ধন্যবাদ।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৪৬

শের শায়রী বলেছেন: আপনি আমাকে প্রতিটা লেখায়ই মুগ্ধ করে যাচ্ছেন। আপনার বাঙ্গাল মস্তিষ্কের বি - উপনিবেশিকরন পর্ব ১ঃ গৌতম বুদ্ধ - পাশ্চাত্য দর্শন/তত্ত্বের ঔপনিবেশিক প্রোপ্যাগান্ডার বিরুদ্ধে প্রারম্ভিক নোকতা পোষ্টের থীম থেকে এই পোষ্ট লেখার প্রয়াস। আমার সমস্যা হল আমি আসলে দর্শন খুব একটা বুজি না, বা বুজলেও ঠিক ভাবে এক্সপ্রেস করতে পারি না, যে ব্যাপারটা আপনি অবলীলায় করেন। আপনি যদি লেখা কন্টিনিউ করেন আমার বিশ্বাস সামনে খুব ভালো মানের একজন লেখক পাবে পাঠক।

পাঠে এবং উৎসাহে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৫| ০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যতই বিজয়ীদের দিয়ে মিথ্যাচার করানো হোক, প্রকৃতি একসময় আপনাতেই ইতিহাসের গোপন পাতাটি উল্টে দেয়!
আর বের হয়ে আসে বর্বরতা, নৃশংসতা আর মিথ্যার কদর্যতা।

অভিবাদন ম্যা'ভাই- ইতিহাসের সেই দায় মোচনে আপনার শ্রমসাধ্য আয়োজনে।

এভাবে সত্য প্রকাশিত হয়, মিথ্যা দূরিভূত হয়।
সত্যের জয় হোক।

০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১১:০৩

শের শায়রী বলেছেন: সত্য প্রকাশিত হোক মিথ্যা দূরীভুত হোক। অশেষ কৃতজ্ঞতা ম্যা'ভাই।

১৬| ০৯ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ক্রীতদাসদের নিয়ে এরকম একটি পোষ্ট আপনার গত পোস্ট থেকেই সম্ভাবনা অনুমান করেছিলাম। যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত এবং পরিশ্রমী পোস্ট। সময়াভাবে আজ লিংকগুলো দেখা সম্ভব হয়নি।
ভাবা যায়!কি অমানুষিক নির্মম অত্যাচার এই সমস্ত কালো মানুষদের উপর সাদারা বছরের পর বছর চালিয়ে এসেছে।

ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

শের শায়রী বলেছেন: আসলে পুরা ব্যাপারটা এত বিস্তৃত নিজেই সংশয়ের মাঝে ছিলাম ব্লগের এই সীমিত পরিসরে লিখব কিভাবে, তারপরো সামান্য কিছু লিখে ফেললাম প্রিয় ভাই, এতে যদি অন্তত কেউ ইন্টারেষ্টেড হয়ে এগুলোর জানার প্রয়াস পায় তবেই স্বার্থকতা। পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রিয় ভাই।

১৭| ০৯ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: সবার মন্তব্য গুলো পড়তে আবার এলাম।
কে কি মন্তব্য করছে সেটা আমার জানার দরকার আছে।

১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

শের শায়রী বলেছেন: এই তো দেখে গেলেন রাজীব ভাই।

১৮| ০৯ ই মে, ২০২০ রাত ১১:৫৪

নতুন বলেছেন: ‘রাম যদি হেরে যেত, রামায়ণ লেখা হতো, রাবণ দেবতা হতো সেখানে’

তবে ইতিহাসে একটা নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে, আমরা দেখে যেতে পারবো কিনা জানিনা।

আমেরিকার স্রমাজ্যের পতন এবং চাইনিজ সম্রাজ্যের উত্থান।

দুই দেশের এই ব্যাবসায়ীক যুদ্ধে অনেক দেশই ভুক্তভূগি হবে।

১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

শের শায়রী বলেছেন: ‘রাম যদি হেরে যেত, রাবায়ণ (রাবন থেকে) লেখা হতো, রাবণ দেবতা হতো সেখানে’ খুবই সত্যি কথা নতুন ভাই, এটাও সত্যি যে সামনে আমেরিকা চীনের ব্যাবসায়িক যুদ্ধে আমাদের মত দেশ ভালই ভুক্তোভোগী হবে।

১৯| ১০ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৫৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ইতিহাস পুরোটাই উল্টো প্যারালেল ইউনিভার্সে । আপনি দেখতে চাইলে ষ্টার ট্রেক এন্টারপ্রাইজে চড়ে ঘুরে আসুন সেই আরেক বিশ্বে । ;)

অন্যভুবনে ভিন্ন ইতিহাস !

১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০

শের শায়রী বলেছেন: এক পাক ঘুইরা আইছি স্বামীজী, ঘটনা পছন্দ হইছে। দেইখা ফালামু নে সামনে। আর আপনি পারলে The Years of Rice and Salt বইটা পইড়েন, আমার মনে হয় না এমন কোন বই দ্বিতীয় টি লেখা হয়েছে, অল্টারনেট হিষ্টোরীর ওপর। এন্টারপ্রাইজের মত (যদিও এখনো দেখি নাই)।

২০| ১০ ই মে, ২০২০ রাত ২:৫৯

সোহানী বলেছেন: ভিডিও দেখার মতো যথেস্ট সাহস না থাকাতে ওই পথে গেলাম না।

আপনি সত্য ইতিহাস তুলে ধরেছেন। এবং আশ্চর্য্যজনকভাবে এখনো এ ধরনের অনেক কিছুই চলছে। তবে তার সাথে চলছে নতুন ধর্মের খেলা। খেলছে কিন্তু সেই বাঘা প্লেয়াররাই।

কলম্বাস আমেরিকা আবিস্কার করেছে, এ তথ্য স্কুল জীবন থেকে পড়ে আসছি। কিন্তু সে যে এরকম অত্যাচার করেছে তা পড়েছি মাত্রই কিছুদিন আগে। বলতে গেলে কেউই জানে না এর ইতিহাস।্এখানে আমার ছেলের এবার সাবজেক্ট আছে ইতিহাস। ওরা দেখলাম অনেক ডেপথ্ এ পড়ে, শুধু বিজিতদের ইতিহাসই নয়, সবারটাই।

জার্মানীতে সে সব ধ্বংস দেখার সুযোগ হয়েছিল। বিশেষ করে ড্রেসডানের সেই চার্চ, যেখানে হাজার হাজার নারী শিশুকে এক যোগে মেরে ফেলেছিল।

বরাবরের মতই সুপার ডুপার লিখা........

১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

শের শায়রী বলেছেন: এটা অত্যান্ত আনন্দের ব্যাপার যে অন্তত কানাডায় সত্যি ঘটনাগুলো বর্তমান প্রজন্মকে জানাচ্ছে। কানাডাকে আমার সব সময়ই এই সব ব্যাপারে কেন যেন প্রগতিশীল মনে হয়।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা বোন।

২১| ১০ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৪৬

শুভ্রনীল শুভ্রা বলেছেন: ইতিহাস বিজয়ীরা ই লিখেন কথা সত্য। হিটলার পরাজিত হয়েছিলো জন্যই হয়তো মানুষ এখন নাৎসি নিয়ে নাক সিঁটকাতে পারে।

১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

শের শায়রী বলেছেন: একবার একটু ভাবুন তো বোন আমেরিকা যুদ্ধে যোগ দিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, ইউরোপ জার্মানির দখলে, এদিকে এশিয়ায় দোর্দান্ড প্রতাপ জাপানের কলোনিয়াল যুগ, মানে অল্টারনেট হিষ্টোরী.... মধ্যপ্রাচ্যের কি অবস্থা...

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা বোন।

২২| ১০ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৪২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: দাস প্রথার বীভৎস কাহিনি পড়তে পড়তে গা শিউরে উঠছিল।

রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে, প্রজায় হারায় প্রাণ। প্রবাদটা মনে হয় সঠিকভাবে লিখতে পারলাম না। বিশ্বযুদ্ধ, লিমিটেড ওয়ার, টোটাল ওয়ার, এমনকি সিভিল ওয়ারেও সাধারণ মানুষরাই মরে, নেতা বা রাজারা থাকে পশ্চাতে।

সাদাদের অত্যাচারের কাহিনি কোনো সিনেমায় আসে নি, কারণ, তারা বিজয়ী। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নচিকেতার গানটা খুব সুন্দর একটা উদাহরণ হিসাবেই উল্লেখ করেছেন।

ইতিহাস লেখা হয় বিজয়ীদের হাতে। ইতিহাস আবার চেঞ্জও হয়, যুগে যুগে। বুঝে নিয়েন।

অসাধারণ আপনার পোস্ট। সিমপ্লি ব্রিলিয়ান্ট।

১৩ ই মে, ২০২০ রাত ৮:১৩

শের শায়রী বলেছেন: বিশ্বযুদ্ধ, লিমিটেড ওয়ার, টোটাল ওয়ার, এমনকি সিভিল ওয়ারেও সাধারণ মানুষরাই মরে, নেতা বা রাজারা থাকে পশ্চাতে।

পাঠে এবং দারুন এক মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা সোনাবীজ ভাই।

২৩| ১১ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৩০

শুভ্রনীল শুভ্রা বলেছেন: জাপান, জার্মানি দুটোই তো মাথাওয়ালা দেশ। তবুও ইংল্যান্ডের মতো প্রায় পুরো পৃথিবী শাসন করতে পারতো কিনা সন্দেহ আছে। কারণ ওদের আছে প্রযুক্তির বুদ্ধি আর ব্রিটিশদের আছে কন্ট্রোল করার বুদ্ধি। তাই হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ইংল্যান্ড, রাশিয়া, আমেরিকা সবাই মিলে (যেভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওরা এক হয়েছিল) আবারো হারানো রাজত্ব কায়েম করতে চাইতো। সেক্ষেত্রে আরো একটা বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা ছিল মনে হয়।
ক্ষুদ্র মাথা থেকে এর বেশি কিছু ভাবনা বের হলোনা। অতি-পাকনামির জন্য ক্ষমা করে দিবেন প্লিজ।

১৪ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০২

শের শায়রী বলেছেন: এটা নিশ্চিত জাতিগত ভাবে ব্রিটিশদের যে বুদ্ধি আমার মনে হয় জার্মানির তা নেই, জার্মানির যা আছে তা হল যান্ত্রিক সুশৃঙ্খলা যা অন্য কোন জাতির আছে বলে আমার সন্দেহ, আবার পাশাপাশি জাপানীদের আছে অন্ধ আনুগত্য। "মাথাওয়ালা" ব্যাপারটা যদি আপনি কাজের বুদ্ধির ক্ষেত্রে বুজিয়ে থাকেন কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু কাজের বা বুদ্ধির মাথা এক জিনিস আর বিশ্ব শাসন করা আর এক জিনিস, যার কারনে আইনষ্টাইনকে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট হবার জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

হিটলার ছিল আধা পাগল, এবং সে সময় আপনি যদি জার্মান বাহিনীর সামরিক বিজয় পর্যালোচনা করেন তবে দেখবেন স্রেফ নৃসংশতা দিয়ে তারা বিজয় অর্জন করছিলো। তারা যদি বুদ্ধিমান কৌশলী হত অতি সহজেই তারা বিজয় অর্জন করতে পারত সে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে। তাই সাময়িক বিজয় অর্জন করেও ধরে রাখা জার্মান বা জাপানীদের পক্ষে সম্ভব ছিল না বলেই আমারো ধারনা।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৪| ১৩ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৪৪

বিপ্লব06 বলেছেন: আম্রিকার একটা ডার্ক/ন্যাস্টি ইতিহাস আছে। আপনার পোস্টে ওই সাইডটার উপ্রে লাইট মারা হইছে। স্যাড ফ্যাক্টস বাট এইগুলা আম্রিকার পার্ট। কেউ যদি এই পোস্টের উপর ভিত্তি কইরা আম্রিকারে জাজ করে তাইলে আম্রিকার জন্য ব্যাপারটা আনফেয়ার হয়ে যাবে।

একটা ব্যাপার বলা দরকার মনে হইল, আম্রিকার পাবলিক কিন্তু মোটেই আরেকটা যুদ্ধে জড়াইতে চায় নাই। মাত্র কিছুদিন আগে আরেকটা বিশ্বযুদ্ধ শেষ হইছিল। তারা মনে করছিল, ওইটা ইউরোপিয়ানদের যুদ্ধ, তারাই সামলাক। যদিও পলিটিক্যাল লিডাররা খালি যুদ্ধে যাওয়ার অজুহাত খুজতেছিল।

জাপান আর জার্মানি যখন সেপারেটলি আম্রিকার উপ্রে যুদ্ধ ঘোষণা কইরা দিছিল তখন তো আর যুদ্ধে না যাইয়া উপায় নাই। এইখানে বিশ্ব-বিবেক ব্যাপারটা মনে হয় গৌণ।

অসাধারণ পোস্ট! পোস্টে প্লাস!!!!

১৪ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১১

শের শায়রী বলেছেন: এটা অত্যন্ত সত্যি ব্যাপার যে এই পোষ্টের ওপর ভিত্তি করে আমেরিকাকে জাজ করা অবশ্যই চুড়ান্ত বোকামি। আমেরিকায় অসংখ্য মানুষ আছে যারা এই সব খারাপ কাজ সমর্থন তো দূরে থাকুক এই সবের প্রতিবাদে জীবন দিয়েছে, দেখুন ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদে তো হিপ্পী কালচারই গড়ে উঠছিলো। আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধে ওদের সাধারন মানুষরা ডিঙ্গি নৌকা করে ওদের নিজেদের অস্ত্রবাহী জাহাজ যা পাকিস্তানী অস্ত্র সাপ্লাই দিতে যাচ্ছিল তা কে আটকে দেয়, অসংখ্য উদাহরন পাবেন। এটা আমেরিকায় না যে কোন দেশের সাধারন মানুষের মাঝেই এমন মানুষ পাবেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমেরিকার রাজনৈতিক জনগন আপনি যেমন বলছেন মোটেই যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছিল না, কিন্তু অনেকটা জাপানী বোকামীর জন্য আমেরিকাকে যুদ্ধে টেনে এনে নিজেদের ধ্বংস তো করছেই জার্মানীরও জেতা যুদ্ধ হারিয়ে দিছে :P

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৫| ৩১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:২৪

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:
দাসপ্রথা মানব ইতিহাসের একটা কলংকজনক অধ্যায়।

ধন্যবাদ এত সুন্দর করে বিষয়টি গুছিয়ে লেখার জন্য। অনেক অজানা বিষয় জানলাম।

ভাল থাকুন নিরন্তর। :)

৩১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪০

শের শায়রী বলেছেন: পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.