নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নানা দেশ কত কথা

কিছু দেশ দেখার সুযোগ হয়েছে এই জীবনে।ভ্রমণ আমার ভাল লাগে্‌ তাই সবার মাঝে তা জানাতে চাই।সবার উপরে ভালোবাসি বাংলাদেশ । ধন্যবাদ

শোভন শামস

আমার দেখা নানা দেশের কথা সবার জন্য - পাঠকের ভাল লাগাতেই আনন্দ

শোভন শামস › বিস্তারিত পোস্টঃ

দশে মিলে করি কাজ

১০ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৯

দশে মিলে কাজ করলে অনেক কিছু করা সম্ভব
করোনা কিংবা যে কোন দুর্যোগ আমরা ভালভাবে মোকাবেলা করে আজ পর্যন্ত টিকে আছি। করোনার এই সময়ে মানুষের সবচেয়ে বেশি দরকার খাদ্য, পানি এবং বেঁচে থাকার অল্প কিছু জিনিসপত্র। কিছু অর্থের সংস্থান দরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর। এই সময় ফসল ফলানোর জন্য কৃষকদেরকে প্রণোদনা দিতে হবে, আর নিবিড় ভাবে তাদের পাশে থাকতে হবে, দেখতে হবে তাদের সুখ দুঃখ।
কৃষকের ফসল কাটা, ফসল সংরক্ষণ, ফসল বাজারজাত করাতে সহযোগিতা করা এবং কিছু ফসল প্রসেসিং এ সাহায্য করা প্রয়োজন।
ভবিষ্যতের জন্য ফসল সংরক্ষণ, কারন নানা কারনে যদি ফসল হানি হয় তাহলে সেখান থেকে কিছুটা হলেও প্রয়োজন মেটানো যাবে।
পরবর্তী চাষের জন্য বীজ, সার এবং কীটনাশকের ব্যবস্থা রাখা।
এসব কাজে শ্রমিকের পাশাপাশি স্বেচ্ছা সেবকের ব্যবস্থা করা। এলাকার সক্ষম মানুষদেরকে , যুবকদেরকে অনুপ্রেরণা দেয়ার মাধ্যমে তাদেরকে এসব কাজে লাগানো।
বাঁচতে হলে মানুষদেরকে খেতে হবে। সহর এলাকায় রিক্সা কংবা ভ্যান চালকদের জন্য নিজ এলাকায় তাদের জন্য সাহায্যের সংস্থান করতে হবে।
এলাকা ভিত্তিক গৃহকর্মীরা যেখানে থাকে করোনা কালে সেসব এলাকায় সাহায্য নিয়ে স্বেচ্ছা সেবকরা এগিয়ে আসতে পারে।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতি একটা জরুরি অবস্থা, এই সময় দরকার অনেক কিছুঃ
অর্থ – আসতে পারে চাকুরী কিংবা ব্যবসা থেকে
খাদ্য – আসবে চাষ থেকে
শিল্প উৎপাদন কিছুটা হলে ও চালিয়ে যেতে হবে।
আমদানি রপ্তানি চালাতে হবে অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে।
চিকিৎসা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, অনেক নিবেদিত চিকিৎসক এই কাজ করছেন।
জরুরি সেবা প্রস্তুত থাকতে হবে।
এই লকডাউনের সময়ে মানুষের সচেতনতা ও মূল্যবোধ উন্নয়নের জন্য প্রেষণা চালাতে হবে।
লোভ লালসা নিয়ন্ত্রণের প্রেষণা দিতে হবে।
স্বেচ্ছা সেবা ও জনসেবা মুলক কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
সীমিত আকারে উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে, এতে কর্ম সংস্থান হবে, অর্থনীতির চাকা এগিয়ে যাবে।
দেশপ্রেম, মানবত্‌ সহানুভূতি, সহমর্মিতা, ত্যাগ এসব বিষয়ে আমাদের ধারনাকে কিছুটা হলে ও নতুন করে সাজাতে হবে।
হাসপাতাল এবং সেগুলোর সেবার মান বাড়ানো।
জরুরী সেবা উন্নয়ন।
ঔষধ শিল্প উৎপাদন ধরে রাখা
গবেষণা খাতে বিনিয়োগ
ভাল মানুষ বানানোর প্রেষণা দিয়ে যাওয়া, যা পরিবার সমাজ এবং স্কুল কলেজে দিতে হবে।
সংযত জীবন যাপনের চেষ্টা যা এখন অনেকে করছে।
সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়ানো।
একজন মানুষ যদি তার নিজেকে ও পরিবারকে সাহায্য করার পর আরেক জন মানুষকে সাহায্য করার জন্য হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে আমাদের দুর্দশা অনেক কমে আসবে। আমাদের দেশে এরকম অনেক মানুষ আছে যারা এই কাজ করতে সক্ষম।
আমাদের সোনার বাংলাকে আমাদেরকেই ভালবাসতে হবে।
করোনার সময়ের অনুভূতিগুলো লিখে ফেললাম।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:১২

রাজীব নুর বলেছেন: দেশের কথা কেউ ভাবে না। মানুষের চিন্তা ভাবনা সীমিত হয়ে গেছে। সে তার পরিবারের বাইরে কারো কথা ভাবে না। দেশ নিয়ে না ভাব্লে দেশের উন্নতি হবে কি করে?

১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:৪৯

শোভন শামস বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য, আমাদেরকেই ভাবতে হবে আর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সাথে থাকবেন

২| ১০ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অনেক দরকারি পরামর্শ দিয়েছেন। আমাদের এগুলি মানতে হবে।

১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:৫০

শোভন শামস বলেছেন: সবাইকে ভাবতে হবে তাহলেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ

৩| ১২ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:২৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: সুন্দর ভাবনা।

১২ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৮

শোভন শামস বলেছেন: সবাইকে ভাবতে হবে তাহলেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.